| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অমি রহমান পিয়াল
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ ........................ জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী : শেষ জমানায় কিছু প্রতারক সৃষ্টি হবে। তারা ধর্মের নামে দুনিয়া শিকার করবে। তারা মানুষের নিকট নিজেদের সাধুতা প্রকাশ ও মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য ভেড়ার চামড়ার পোষাক পড়বে (মানুষের কল্যাণকারী সাজবে)। তাদের রসনা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি। কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ের হৃদয়ের মতো হিংস্র। (তিরমিজী)
![]()
(আমরা আজ প্রয়োজন হইলে জীবন বিসর্জন দিব-যাহাতে আমাদের ভবিষ্যত বংশধরদের একটি কলোনিতে বাস করিতে না হয়। যাহাতে তাহারা একটি স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক হিসাবে সম্মানের সহিত মুক্ত জীবন যাপন করিতে পারে, সেই প্রচেষ্টা আমরা চালাইব-
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান)
আজ ৭ মার্চ। এদিন মুক্তিকামী জনতার মহাসাগরকে সামনে রেখে মহাকাব্যিক এক বক্তৃতা দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই বক্তৃতা নিয়ে অনেক কাটাছেড়া হয়েছে। কেউ এর শেষে কাল্পনিক পাকিস্তান জিন্দাবাদ যোগ করেও প্রমাণ করতে পারেননি। জ্বলজ্যন্ত টেপ যেখানে বর্তমান, তারপরও তারা অন্য লোকের শ্রুতিকথার ওপর নির্ভর করে। শামসুর রাহমান, হাবিবুর রহমান, হুমায়ুন আহমদকে টানে। সর্বশেষ যা দেখলাম একজন এতে ধর্মনিরপেক্ষতার আদলে ধর্মহীনতার সংগ্রাম খুজে বেরানোর চেষ্টা করেছেন এবং না পেয়ে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে ৭ মার্চের ভাষণ মোটেই ধর্মহীনতার সংগ্রাম নয়। মানে উনি একটি পুকুর পারে গিয়ে ঠিক করেছেন এখানে উনি তিমি মাছ খুজবেন, এবং খুজে দেখলেন ওখানে তিমি মাছ নেই। তারপর লিখলেন যে পুকুরে তিমি মাছ থাকে না, যারা বলে তিমি মাছ থাকে তারা ঠিক বলে না। উজবুক বুদ্ধিবৃত্তিতা আর কি! তবে অভিসন্ধিটা কিন্তু পরিষ্কার। মুক্তিযুদ্ধের ও স্বাধীনতার অন্যতম স্তম্ভ ধর্ম নিরপেক্ষতাকে আক্রমণ। পজেটিভ, নিউট্রাল ও নেগেটিভ নামে তিনটে সুইচ। নিউট্রাল বা নিরপেক্ষ মানে যখন পজিটিভ নেগেটিভ কোনোটাই না, তখন যারা এর মাঝে নেগেটিভ আবিষ্কার করেন তারা গোটা ব্যাপারটাই অস্বীকার করেন। অবশ্য আওয়ামী লীগের রাজনীতির শুরু থেকেই মুজিবকে ইসলামের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে এসেছে পাকিস্তানীরা। তা ধরে রেখেছে তাদের উত্তরসূরী জারজরাও। এবার আসি ধর্মের রাজনীতি ও ধর্ম নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু তার বক্তৃতামালায় কবে কি বলেছেন। এটি সেই অর্থে তার বক্তৃতার নির্বাচিত সংকলন :
১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ ৬-দফা প্রসঙ্গে তার ভাষণ :
আমার প্রিয় দেশবাসী ভাই ও বোনেরা,
আমি পূর্ব পাকিস্তানবাসীর বাঁচার দাবীরূপে ৬-দফা কর্মসূচী দেশব্যাপী ও ক্ষমতাসীন দলের বিবেচনার জন্য পেশ করিয়াছি। শান্তভাবে উহার সমালোচনা করিবার পরিবর্তে কায়েমি স্বার্থবাদীদের দালালেরা আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা শুরু করিয়াছে। অতীতে পূর্ব পাকিস্তানবাসীর নিতান্ত সহজ ও নায্য দাবী যখনই উঠিয়াছে, তখনই এই দালালরা এমনিভাবে হৈচৈ করিয়া উঠিয়াছেন। আমাদের মাতৃভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবী, পূর্ব পাক জনগণের মুক্তি-সনদ একুশদফা দাবিযুক্ত নির্বাচন প্রথার দাবী, ছাত্র-তরুণদের সহজ ও স্বল্পব্যয়ে শিক্ষা লাভের দাবী, বাংলাকে শিক্ষার মাধ্যম করার দাবী ইত্যাদি সকল প্রকার দাবীর মধ্যেই এই শোষকের দল ও তাহাদের দালালেরা ইসলাম ও পাকিস্তান ধ্বংসের ষড়যন্ত্র আবিষ্কার করিয়াছেন। ...
১৯৭০ সালের নভেম্বরে রেডিওতে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ :
...আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার হচ্ছে আমরা ইসলামে বিশ্বাসী নই। এ কথার জবাবে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য লেবেল সর্বস্ব ইসলামে আমরা বিশ্বাসী নই। আমরা বিশ্বাসী ইনসাফের ইসলামে। আমাদের ইসলাম হযরত রাসুলে করিম (স.) এর ইসলাম। যে ইসলাম জগতবাসীকে শিক্ষা দিয়েছে ন্যায় ও সুবিচারের অমোঘ মন্ত্র। ইসলামের প্রবক্তা সেজে পাকিস্তানের মাটিতে বরাবর যারা অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, বঞ্চণার পৃষ্টপোষকতা করে এসেছেন, আমাদের সংগ্রাম সেই মোনাফেকদেরই বিরুদ্ধে। যে দেশের শতকরা ৯৫ জনই মুসলমান সে দেশে ইসলাম বিরোধী আইন পাশের সম্ভাবনার কথা ভাবতে পারেন কেবল তারাই ইসলামকে যারা ব্যবহার করেন দুনিয়াটা ফায়স্তা করে তোলার কাজে। ...
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি, পাকিস্তান থেকে দেশে ফেরার পর রেসকোর্সে ভাষণ :
সকলে জেনে রাখুন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র এবং পাকিস্তানের স্থান চতুর্থ। ইন্দোনেশিয়া প্রথম এবং ভারত তৃতীয়। বাংলাদেশ একটি আদর্শ রাষ্ট্র হবে। আর তার ভিত্তি কোনো বিশেষ ধর্মীয় ভিত্তিক হবে না। রাষ্ট্রের ভিত্তি হবে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
১৯৭২ সালের ৭ জুন, রেসকোর্স ময়দানে ভাষণ :
বাংলাদেশ হবে ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র। ধর্ম নিরপেক্ষ মানে ধর্মহীনতা নয়। মুসলমান মুসলমানের ধর্ম পালন করবে। হিন্দু তার ধর্ম পালন করবে। খ্রিস্টান তার ধর্ম পালন করবে। বৌদ্ধও তার নিজের ধর্ম পালন করবে। এ মাটিতে ধর্মহীনতা নাই, ধর্ম নিরপেক্ষতা আছে। এর একটা মানে আছে। এখানে ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না। ধর্মের নামে মানুষকে লুট করে খাওয়া চলবে না। ধর্মের নামে রাজনীতি করে রাজাকার, আল বদর পয়দা করা বাংলার বুকে আর চলবে না। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।
১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে (জাতীয় সংসদে) ভাষণ :
আমাদের আদর্শ পরিষ্কার। এই পরিষ্কার আদর্শের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এই আদর্শের ভিত্তিতে এই দেশ চলছে। জাতীয়তাবাদ-বাঙালী জাতীয়তাবাদ, এই বাঙালী জাতীয়তাবাদ চলবে বাংলাদেশে। বাংলার কৃষ্টি, বাংলার ঐতিহ্য, বাংলার আকাশ-বাতাস, বাঙালীর রক্ত দিয়ে গড়া বাংলার জাতীয়তাবাদ। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, জনসাধারণের ভোটের অধিকারকে বিশ্বাস করি। আমরা বিশ্বাস করি সমাজতন্ত্রে, যেখানে শোষনহীন সমাজ থাকবে। শোষক শ্রেণী আর কোনোদিন মানুষকে শোষণ করতে পারবে না। সমাজতন্ত্র না হলে সাড়ে ৭ কোটি মানুষ ৫৪ হাজার বর্গমাইলের মধ্যে বাঁচতে পারবে না। সেজন্যই অর্থনীতি হবে সমাজতান্ত্রিক, আর হবে ধর্ম নিরপেক্ষতা। ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। হিন্দু তার ধর্ম পালন করবে, মুসলমান তার ধর্ম পালন করবে না, বাংলার মানুষ এটা চায় না। রাজনৈতিক কারণে ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না। রাজনৈতিক কারণে ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না। যদি কেউ ব্যবহার করে, তাহলে বাংলার মানুষ তাকে প্রত্যাঘাত করবে। এ বিশ্বাস আমি করি।
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে ভাষণ :
জনাব স্পিকার সাহেব, ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষের ধর্মকর্ম করার অধিকার থাকবে। আমরা আইন করে ধর্মকে বন্ধ করতে চাই না এবং করবও না। ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। মুসলমানরা তাদের ধর্ম পালন করবে, তাদের বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা এই রাষ্ট্রের কারো নেই। হিন্দু তাদের ধর্ম পালন করবে, কারো বাঁধা দেওয়া ক্ষমতা নেই। বৌদ্ধরা তাদের ধর্ম পালন করবে, তাদের কেউ বাঁধাদান করতে পারবে না। খ্রীস্টানরা তাদের ধর্ম পালন করবে, কেউ তাদের বাঁধা দিতে পারবে না। আমাদের শুধু আপত্তি হলো এই যে, ধর্মকে কেউ রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না।
২৫ বছর আমরা দেখেছি ধর্মের নামে জুয়াচুরি, ধর্মের নামে শোষণ, ধর্মের নামে বেঈমানি, ধর্মের নামে অত্যাচার, ধর্মের নামে খুন, ধর্মের নামে ব্যাভিচার- এই বাংলাদেশের মাটিতে এসব চলেছে।
ধর্ম অত্যন্ত পবিত্র জিনিস। পবিত্র ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না। যদি কেউ বলে ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়েছে, আমি বলবো, ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়নি, সাড়ে সাত কোটি মানুষের ধর্মীয় অধিকার রক্ষার ব্যবস্থা করছি। যদি কেউ বলে গণতান্ত্রিক মৌলিক অধিকার নাই, আমি বলবো সাড়ে সাতকোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে যদি গুটি কয়েক লোকের অধিকার হরণ করতে হয়, তাহলে তা করতে হবে।
১৯৭৪ সালের ১৮ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে ভাষণ :
আর একটা জিনিস। রাজনীতিতে যারা সাম্প্রদায়িকতার সৃষ্টি করে , যারা সাম্প্রদায়িক, তারা হীন, নীচ, তাদের অন্তর ছোট। যে মানুষকে ভালোবাসে, সে কোনোদিন সাম্প্রদায়িক হতে পারে না। আপনারা যারা এখানে মুসলমান আছেন তারা জানেন যে, খোদা যিনি আছেন, তিনি রাব্বুল আলামিন, রাব্বুল মুসলেমিন নন। হিন্দু হোক, খৃষ্টান হোক, মুসলমান হোক, বৌদ্ধ হোক, সমস্ত মানুষ তার কাছে সমান। সেজন্যই এক মুখে সোস্যালিজম ও প্রগতির কথা আরেকমুখে সাম্প্রদায়িকতা চলতে পারে না। সমাজতন্ত্র, প্রগতি আর সাম্প্রদায়িকতা পাশাপাশি চলতে পারে না।
এরপরও যারা জল ঘোলা করতে চান, তাদের অভিসন্ধিতে খোদার লানৎ পড়ুক।
২|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৪০
ফাগুল বলেছেন: এরপরও যারা জল ঘোলা করতে চান, তাদের অভিসন্ধিতে খোদার লানৎ পড়ুক...............
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৫২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সেটাই
৩|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৪১
কাজল রশীদ বলেছেন:
ভালো লাগলো আপনার পোষ্টটি। এই ব্লগে শয়তানদের ভিড়ে আপনার
পোষ্ট গুলো সময়ের কথা বলে।ধন্যবাদ।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৫৭
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
৪|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৪৬
লাল সাগর বলেছেন: ধর্ম কি এতোই সস্তা যে মুখে বললাম আর ধর্ম ভেনিশ হয়ে গেলো
++++
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৫৭
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: কথা সেটাই
৫|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮
লাল সাগর বলেছেন:
৬|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৫০
লাল সাগর বলেছেন:
৭ই মার্চের ভাষন
৭|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৫০
আজনবী বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে অপপ্রচার বন্ধ করার জন্য তথ্যগুলো খুবই মূল্যবান।
বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানা এবং জানানো প্রত্যেক বাঙ্গালির কর্তব্য। কুচক্রিরা যতই চেষ্টা করুক, অপপ্রচার করে কোন লাভ হবে না। বঙ্গবন্ধু কতবড় মহান নেতা ছিল তা আমাদে চিরদিন উপলব্ধি করতে হবে।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:০১
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: দারুণ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
৮|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৫২
একজন নাগরিক বলেছেন: হুম।
বঙ্গবন্ধু তো এসব বলেই গেছেন।
করে যেতে পারেন নি।
এগুলো দুনিয়ায় কথা হিসাবে নতুন, সন্দেহ নাই।
এখন এগুলোর ওপর ভর করে যদি সেকুলারিজম এর কোনো 'বাংলাদেশি' ধরন দাড় করানো যায় ।
তাইলে তো ভালোই।
কিন্তু সেরকম চেষ্টা এযাবত চোখে পড়েনি।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:০৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: করে যেতে পারেননি মানে? তাকে হত্যার আগ পর্যন্ত এই দেশের সংবিধানে এই দেশের বুনিয়াদ ধর্মনিরপেক্ষতার উপর ছিল। তাকে হত্যা করে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে খুনীরা। ইসলামের আড়ালে আশ্রয় নিয়েছে। ফিরে এসেছে একাত্তরের ঘাতক দালাল জামাতে ইসলামী ও ছাত্র সংঘ। জ্ঞান এবং উপলব্ধি মুক্ত চিন্তা ধারণের জন্য অত্যাবশকীয় একটা শর্ত।
৯|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:০২
অনির্বান বলেছেন: আজকের দিনে আপনার পোষ্ট এর দিকে তাকিয়ে ছিলাম।
অনেক ধণ্যবাদ এই পোষ্ট এর জন্যে।
+++
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:১০
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আসলে বিশেষ দিন ভিত্তিক কোনো পোস্ট আমি সাধারণত দেই না। আমার কাছে প্রতিটি দিনই মুক্তিযুদ্ধ, প্রতিটি দিনই স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার রুখার দিন
১০|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:০৩
সময়ের ঘড়ি বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:১৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ
১১|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:০৬
রোহান বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট...
আর কিছু বলার নাই... এতো কিছুর পরেও জল ঘোলা করার লোকজন থাকবেই... এদের কোনো রেফারেন্স দিয়াও লাভ হইবো না, কিছু বইলাও লাভ হইবো না... আজ সকালে এমন কিছু ফাল দেওয়া লোকজন দেইখা মেজাজ গরম হইছিলো... দিনের শেষে পোষ্ট টা পইড়া মন খারাপ ভাবটা চইলা গেলো.... মেনি থ্যাংকস...
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:১৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রোহান, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চলবেই
১২|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:০৭
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: মুজিব ধর্মে বিশ্বাস করতেন কি করতেন না এটা একেবারেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। ধর্ম বিশ্বাস তার ব্যক্তিগত বিষয়। তাকে ধার্মিক বা অধার্মিক প্রমানেরও কোন প্রয়োজন দেখি না।
গুরুত্বপূর্ণ হলো সেক্যূলারিজমের চেতনা উজ্জীবিত হয়েছিল কি না, সেক্যূলার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাঙ্গালী দেখেছিল কিনা?
এই প্রশ্নে যারা মনে করে সেক্যূলারিজমের প্রতি বাঙ্গালীর আকাঙ্খা ছিল না- তারা পাঁড় বাটপাড়। আর যারা প্রমান করার চেষ্টা করে যে সেক্যূলারিজম এর অর্থ রাষ্ট্রে ধর্মপালনকে নিষিদ্ধ করা- তারা শয়তানের প্রেতাত্মা।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:১৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: দুর্দান্ত মন্তব্য
১৩|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:১০
চতুষ্কোণ বলেছেন: দারুন একটা পোষ্ট। ধন্যবাদ পিয়াল ভাই। মুজিব মুজিবের জায়গাতেই থাকবে। যে কোন দেশে এমন লোক একবারই আসে।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:১৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তা ঠিক। ধন্যবাদ পড়ার জন্য
১৪|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:২০
আরিয়ানা বলেছেন: চমৎকার পোস্ট!
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩১
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ
১৫|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:২১
মহাপাগল বলেছেন: আহারে আমি যদি তখন রেসকোর্স ময়দানে থাকতাম!
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: এই আক্ষেপ আপনার মতো আমারও
১৬|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:২২
সুবিদ্ বলেছেন: চমৎকার গ্রন্থনা......
এর সাথে '৭২-এর সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার যে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছিল তা যোগ করে দিলে হয়তো আরো ভালো হতো....আরো স্পষ্টভাবে বোঝা যেত যে, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে কোনভাবেই ধর্মহীনতা নয়.......
কিন্তু secularism-এর মানে তো নিশ্চয়ই ধর্মহীনতা.......আমার মনে হয়, ধর্মনিরপেক্ষতা বোঝাতে অনেকেই সেক্যুলার শব্দটা ব্যবহার করেন যেটা অপপ্রচারকারীদের পালে বাতাস দেয়......এই শব্দের ব্যবহার আমাদের পরিহার করা উচিত
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: এখানে সংবিধান প্রণয়নের প্রাক প্রস্তুতি পর্ব ও সংবিধান প্রণয়নের ঠিক আগের কিছু বক্তৃতাও লিপিবদ্ধ আছে।
এখন ভাই আমি দালাল বলতে স্বাধীনতা বিরোধী বুঝি, কেউ যদি এখন সেটার ইংরেজী ব্রোকার বইলা স্টক একচেঞ্জের উদ্ধৃতি দেয়, সেটা তার সমস্যা। আমি বাংলায় কথা বলি
১৭|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:২৯
এস বাসার বলেছেন: মুজিব মানে ধর্মহীনতা বা আওয়ামীলীগ মানে ধর্মহীনতা বা হিন্দুয়ানী সাপোর্টার সেটার বীজ বপন করেছিলো তৎকালীন পাকিস্তানী শোষক গোষ্ঠী, শুধুমাত্র ক্ষমতা কুক্ষীগত করার হীন মানসিকতায়। সেটার উপর ভর করে এখনো কেউ কেউ সেই ঢোল পিটায়ে যাচ্ছে।
পিয়াল ভাইকে ধন্যবাদ চমৎকার পোষ্টের জন্য।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যের জন্য
১৮|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: আপনার লেখাটি আমার এই লেখার নিচে কমেন্ট সেকশনে দিয়ে দিয়েছি। Click This Link এই খানে। আর অন্য জায়গায়, যেখানে আমার পোষ্ট দিয়েছি। শুধু আমার ব্লগে ব্লগ সাইটে দিতে পারি নি। টেকনিক্যাল গন্ডোগোল মনে হয়। যাইহোক, আপনাকে ধন্যবাদ।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৭
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ
১৯|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: সেদিনও 'নরাধম'-এর সাম্প্রতিক পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার সংজ্ঞা নানা বিতং করে বলতে হলো। এখনও আমাদের দেশের অধিকাংশে কাছে ভাইরাসের মতো এই আইডিয়াটা ছড়ানো হয়েছে যে ধর্মনিরপেক্ষতা মানেই ধর্মহীনতা(!)। এটা তারাই করেছে যারা সুবিধা পাবে, যারা ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করতে চায়, রাষ্ট্রকে কব্জা করতে চায়। যে ফাকিস্তানিদের ধর্মের নামে খুন, হত্যা, রাজনীতিকে আমরা একাত্তরে খারিজ করলাম, সেই ধর্মের উপস্থিতি রাজনীতিতে থাকা উচিত না।
ঘটনাগুলো ব্যাখ্যা করলে একটা স্কুলপড়ুয়া শিশুও বুঝবে যে কোনটা ভালো, কোনটা খারাপ। তাই যারা এতোকিছুর পরেও জামাত করে, শিবির করে, সংবিধান আর রাজনীতির মধ্যে ধর্মকে রাখতে চায়- তারা সুবিধাবাদী, স্বার্থপর, দেশের স্বার্থের পরিপন্থী কাজে লিপ্ত। এবং সঠিকভাবে তাদেরকে প্রতিরোধ করা হলে ধর্মের ঢাল নিয়েই নিজেদের রক্ষা করার চেষ্টা করে তারা।
এদেরকে সমূলে উৎপাটন না করলে বাংলাদেশে কখনই সুস্থ রাজনীতিক পরিবেশ আর স্থিতিশীলতা আসবে না!
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: এখানে না বললেই নয়, এই আবিষ্কারটা দালালশ্রেষ্ঠ গোলাম আযমের। সৌদিবাদশা ফয়সালের অতিথিশালায় থাকার সময় বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার অনুরোধ করে তার আবিষ্কৃত এই থিসিসের মূল কথা ছিল বাংলাদেশ অমুসলিম রাষ্ট্র, সেখানে ধর্ম নিরপেক্ষতার নামে ধর্মহীনতা কায়েম হয়েছে। টানা তিন বছর বাংলাদেশের হাজীরা হজ্ব করতে পারে নাই, যারা গেছে তাদের তা করতে হয়েছে পাকিস্তানের ব্যানারে। আর তারপর থেকেই নিজেদের পিঠ বাচাতে এই থিসিস উগড়ে চলেছে তার উত্তরসূরী জামাত-শিবিরসহ সব ধর্ম ব্যবসায়ীরা
২০|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: একটি ভুল হয়ে গেছে, আপনার লেখার শেখ সাহেবের ভাষণের অংশ গুলি দিয়েছে, এবং আপনার লেখার লিংকও দিয়ে দিয়েছি।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আচ্ছা
২১|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: মহাপাগল বলেছেন: আহারে আমি যদি তখন রেসকোর্স ময়দানে থাকতাম!
এই আক্ষেপ শেষ হবার নয়।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: নিশ্চয়ই
২২|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৪৪
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ধন্যবাদ পিয়াল। আর ধন্যবাদ দুরন্ত স্বপ্নচারীকে তার অসাধারণ কমেন্টের জন্য।
পাকি এবং পাকিজাতদের প্রধানতম সমস্যা তারা আগে চিন্তা করে তারা এবং অন্যরা মুসলিম কিনা। তারপর অন্য কিছু। এমনকি তারা পাকিস্থানের নাগরিক এই চিন্তাটাও তারা পরে করে, আর মানুষ কিনা সেটা আরো পরের চিন্তা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা এই চিন্তাধারার প্রতি প্রবলতম চপেটাঘাত।
আফসোস সেই পাকিজাত চিন্তাধারাকে আবারও সুকৌশলে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে। কোন কোন ক্ষেত্রে তারা সফলও।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: স্যালুট রঞ্জু ভাই, দারুণ বলছেন
২৩|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০
সালমান সিদ্দিকী বলেছেন: পোষ্ট প্রিয়তে রাখলাম পানি ঘোলা করা যাদের স্বভাব তা তারা করবেই যেকোন অজুহাতে। ব্লগে ছাগুদের আনা গাঁজাখুরি যুক্তিগুলিকে বার বার খণ্ডন করা হলেও দুদিন চুপচাপ থাকার পর তারা সেগুলো আবার নিয়ে আসে আজকে সকাল হতে দেখলাম তারা বেশ হাইপার একটিভ
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তারপরও পাল্টা কিছু বলার জন্য রেফারেন্স থাকা ভালো
২৪|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৮
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। হায়ানারা এবারও মাঠে....
এই হায়ানাদের রুখতে হবে...
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: দারুণ পোস্ট কমরেড
২৫|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭
অজানা আমি বলেছেন: পোস্ট প্রিয়তে +
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
২৬|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৫
শেলী বলেছেন: আমি একজন সাধারণ মানুষ হিসাবে একটা কথাই বলবো। আমার guardian রা বলতো তখন (মুজিবের আমলে) আল্লাহর নাম openly নিতে কেউ সাহস পেতনা। আমি শেখ হাসিনার দুই আমলেই এই জিনিষ দেখলাম ।
আরেকটা question: ইসলাম তো শুধু ধর্ম নয়,a way of life. ইসলামে সব কিছু direction দেয়া আছে। রাজনিতির জন্য নিয়মকানুন দেয়া আছে ইসলামে। আল্লাহ বলে দিয়েছেন ইসলাম কে পুরা মানতে হবে। কাজেই রাজনিতির বেলায় ইসলাম follow না করলে সেটা মোনাফিকি হবেনা কেনো? আর যদি মানুষের করা নিয়ম মানতে হয় আমাদের ইসলামে সেটা supported না।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আমি দুঃখের সঙ্গে বলছি, আপনার গার্জিয়ানরা মিথ্যাবাদী। অথবা আপনি মিথ্যে বলছেন। সম্ভবত তারা এবং আপনিও জামাত শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। কারণ মুজিব বলেছেন :
এ মাটিতে ধর্মহীনতা নাই, ধর্ম নিরপেক্ষতা আছে। এর একটা মানে আছে। এখানে ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না। ধর্মের নামে মানুষকে লুট করে খাওয়া চলবে না। ধর্মের নামে রাজনীতি করে রাজাকার, আল বদর পয়দা করা বাংলার বুকে আর চলবে না। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।
খোদা হাফেজ
২৭|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৩০
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: চোরায় না শুনে ধর্মের কাহীনি...। যারা এসব অপবাদ ছড়ায় তাদের হাতে চন্দ্র সুর্য্য এনে দিলেও ভাই থামবে না।
অসংখ্য ধন্যবাদ পোস্টের জন্য... প্রিয়তে
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
২৮|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৩৬
অনাবাসি মন বলেছেন:
আমি দেখেছি নামাজ আওয়ামী লীগরাই বেশী পড়েন। জামাতের চেয়ে ধর্মভীরু লীগই।
একটি প্রশ্ন বিগত পাঁচ বছর জামাত ক্ষমতায় ছিল দেশ কতটুকু ধর্মভীরু হয়েছিল। মদ, জুয়া ,ধর্ষণ, ডাকাতি,খুন কতটুকু কমেছিল।
খোদ হাফেজ নয়, হবে আল্লাহ হাফেজ।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০১
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আল্লাহ হাফেজ
২৯|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৪
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: আমি হোসাইন বলছি কুথাই গেল?
গত রাতে কাজের ফাঁকে ফাঁকে তার লম্ফঝম্ফ খুউব খিয়াল কৈরা দেখতেছিলাম!
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:০৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আরো অনেক নিকে আসবে। হিডেন ছাগু সব, ছদ্মবেশে আসে, নাহিদ মাহমুদের কথা মনে আছে? সেই কেইস। ধরা খায়, ল্যাঞ্জা বাইর হয়, আর তারপর অমি পিয়ালের দোষ। পুরা কাপড় খুইলা নামছে এখন। আর কিছু সুশীল ছাগু আছে, এইগুলারে এখনও আমার পোস্টে ব্লক করি নাই। এইগুলিও সমানে উস্কাইতেছে। মাদারচোত খাপোরা
৩০|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৩৪
হাসিব মীর বলেছেন: সমস্যা হলো সেকুলারিজম মানে ধর্মহীনতাই। একাডেমিক টার্মিনোলোজী আর পাশ্চাত্যের অভিজ্ঞতা তাই বলে। তুরস্কের কামাল আতাতুর্ক আর মধ্য এশিয়ায় সমাজতন্ত্রের অভিজ্ঞতা কিন্তু মুস্লিম জনগোস্টী ভুলে যায় নাই। ইতিহাসের পাতা থেকে কমিউনিস্টদের কোরআন নিসিদ্ধ করনের উধাহরন ও আমরা মুছে দিতে পারব না।এবং আই সব জায়গায়ই শুরু হয়েছিল অত্যন্ত কোমল ভাবে, ধর্মনিরপেক্ষতা দিয়ে আর শেষ হয়েছিল ধর্মহীনতা দিয়ে। পলিটিকাল ইস্লামের যেমন একটা সমালোচনা হয়, গনতন্ত্রের কথা বল্লেও শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় গিয়ে পাশ্চাত্য গনতন্ত্র তারা পুরোপুরি মানবে না, তেমনি ধর্ম্নিরপেক্ষতা নিয়েও আরেকপক্ষের সন্দেহ হতে পারে যে শেষ পর্যন্ত এটা ধর্মহীনতা হয়ে যাবে।
আওয়ামীলীগের প্রতি সহানুভুতিশীল অনেক বুদ্ধিজীবিই কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতার এই সংগা মানেন না।সিরাজুল ইসলাম চৌধুরির একটা লেখা মনে পরছে যাতে তিনি স্পস্ট ভাবে ইহজাগতিকতার পক্ষে কথা বলেছিলেন যা খুব স্পস্টভাবে ই ধর্মহীনতা।
এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এই যে আপনি বললেন, আমি বাংলায় কথা বলি এবং ধর্ম্নিরপেক্ষতা অর্থেই সেকুলারিজম বলি, এইটা স্পস্ট করার জন্য কি
আওয়ামীলীগ খুব খোলাখুলি কোনো বক্তব্য দিচ্ছে? আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে আওয়ামীলীগ সেকুলারিজম প্রশ্নে ধর্ম্নিরপেক্ষতা কে যদি প্রতিস্টা করতে পারে তাহলে ধর্ম নিয়ে যাদের কিসুটা সংবেদনশীলতা আছে, তাদের সামনে ও বিএনপি আওয়ামীলীগ তুলনা করে পারফরম্যান্স বিবেচনায় যাওয়ার একটা সুযোগ তৈরি হবে।
তবে বাম রাজনীতি, ভারত আর হাল আমলের পাশ্চাত্যের সেকুলার রাজনীতির সাথে আওয়ামীলীগের যে গাটছড়া আর মোল্লা মাদ্রাসা( প্রচলিত অর্থে, তুচ্ছার্তে নয়) কে বিএনপি পন্থি মনে করে দূরে ঠেলে দেয়ার যে রাজনোইতিক প্রবনতা তাদের আছে সেখান থেকে এই আস্থা তৈরি করা কিছুটা কঠিনই হবে।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:০৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: এইখানে স্পষ্ট কইরা বলি। ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে জামাত, মুসলিম লিগ আর নেজামে ইসলামীর মতো চরমপন্থী পার্টিগুলার রাজনৈতিক অধিকার হরণ। এইগুলা যেন আর ইসলামের নামে কুকাম করতে না পারে, পেয়ারা পাকিস্তানের পা চাইটা বাঙালীর সর্বনাশ করতে না পারে। শেখের ভাষায় বললে : এ মাটিতে ধর্মহীনতা নাই, ধর্ম নিরপেক্ষতা আছে। এর একটা মানে আছে। এখানে ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না। ধর্মের নামে মানুষকে লুট করে খাওয়া চলবে না। ধর্মের নামে রাজনীতি করে রাজাকার, আল বদর পয়দা করা বাংলার বুকে আর চলবে না। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।
বুঝাইতে পারছি?
৩১|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:২১
রাহা বলেছেন: +
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫৭
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ
৩২|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৩৫
আন্দালীব বলেছেন:
এই পোস্ট এইখানকার ব্লগীয় প্রোপাগান্ডার বিপরীতে কাজে দেবে কিনা জানিনা, তবে বঙ্গবন্ধু বিষয়ে এইরকম চমৎকার এবং তথ্যসম্বলিত একটা পোস্ট পড়তে আমার খুব ভাল লাগলো। ধন্যবাদ।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫৭
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
৩৩|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫৪
কঁাকন বলেছেন: ভালো লাগলো পিয়াল ভাই;
অট: আমার স্তব্দ্ধতারে নাহিদের মতন লাগে; অবশ্য শুধুই মনে হওয়া কান্ট প্রুভ: ভালো থাকবেন
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: প্রুভ করার কিছু নাই। ছাগলিক বৈশিষ্ট্যসমূহের একটা না একটা প্রকাশ পাবেই
৩৪|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:৫৯
আহমদ ময়েজ বলেছেন:
উক্তি ধরে ধরে বিশ্লেষণ। চমৎকার। বাঙালি জন্মেই অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধারণ করে। এই চেতনাকে বিভ্রান্ত করে তোলার কসরৎ সবসময়ই সচল ছিল, আছে। প্রতিদিন অসম্প্রদায়িক চেতনার অনুশিলন, চর্চার ভেতরই একে জাগ্রত রাখতে হয়।
মঙ্গলার্থে ...
০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:০২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ভালো থাকবেন
৩৫|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:০০
নাজনীন১ বলেছেন: রাজনৈতিক নিপীড়ন যে ধর্মকে ব্যবহার করেও করা যায়, আবার না করেও করা যায়, এদেশের মানুষের মনে হয় এতোদিনে দুরকমের অভিজ্ঞতাই হয়েছে। তাই, শুধু ধর্ম থাকলেই নিপীড়ন, শোষণ হবে, তা না হলে থাকবে না, এ যুক্তি এখন অর্থহীন।
আর তুরষ্ক, সোভিয়েত ইউনিয়নের মুসলিম অঞ্চলসমূহ, ইরানের শাহ্দের আমল যাদের জানা আছে, তাদের অন্ততঃ ধর্মনিরপেক্ষতায় খুশি হবার কিছু নেই। হালের ফ্রান্সও এক্ষেত্রে উদাহরণ হতে পারে। দু-একদিন আগের বিবিসির এক জরীপ...... আর সত্যিকারের ইসলাম কায়েম হলে সংখ্যালঘুদের ক্ষতি হবে, এমনটা যারা ভাবে তারা হয় ইসলামকে ঠিকভাবে জানে না, না হয় তারা জেনেও গোপন করে।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:০৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ভাইরে আপনার ধর্ম আপনে পালন করবেন, আপনারে তো কেউ মারবে ধরবে না। কিন্তু আপনি আমারে মাইরা ধইরা ধর্ম পালন করাইবেন তালিবান গো স্টাইলে, আমার আপত্তি আছে। ধর্ম ব্যক্তি আচার, এইটারে হাতিয়ার কইরা ধর্মের মোদক খাওয়াইয়া যারা রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্র করে তাগোরে ঠেকাইতেই এই জিনিস জরুরী। জামাতে নামাজ পড়েন ঠিকাছে, জামাতে ইসলামীর লগে পইড়েন না, ওরা মুনাফিক।
৩৬|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:১৬
হাসিব মীর বলেছেন: না বুঝাইতে পারেন নাই। মুল জায়গা থেকে সরে গিয়ে পলিটিকাল বক্তব্য দিয়া ফালাইছেন।
জামাত, মুসলিম লিগ আর নেজামে ইসলামীর মতো চরমপন্থী পার্টিগুলার রাজনৈতিক অধিকার হরন করার তত্ব দাড় করানো আর সমাজে ধর্ম আর মানুষের সম্পর্কের সমাজতাত্বিক ব্যাখ্যা দাড় করানো এক কথা না।
আমি বলতে চাইছিলাম, আওয়ামীলীগের যে বুদ্ধীজীবি মহল, তারা ইহজাগতিকতা বাদ দিয়া ধর্মনিরপেক্ষতাকে সেকুলারিজম বলতে মানতে রাজি আছে কিনা? আর আওয়ামীলীগের রাজনীতির মদ্ধেই ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করার যে প্রবনাতা আছে তার কি হবে?
এক্তা কথা আমাদের মনে রাখা উচিত, রাজনৈতিক আদর্শ হিশাবে ধর্মের উপজোগিতা জামাত, মুসলিম লিগ আর নেজামে ইসলামী দিয়া সবসময় থিক হইব, সময় টা এইরকম হবে না। কাজেই আলোচনাটাও আরো বড় ক্যানভাসে হওয়া দরকার।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:০২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: না বুঝলে আরেকটা চেষ্টা নেই, স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের দালালী করছিলো সাইনবোর্ডে ইসলাম লাগানো দলগুলো। এগোরে বিজয়ের আগেই নিষিদ্ধ করছে মুজিব নগর সরকার। বুদ্ধিজীবি হত্যাকাণ্ডের পর সরাসরি বলা হইছে এই দেশে ধর্মের নামে রাজনীতি করা যাবে না। একজন হুজুর মাথায় টুপি লাগাইয়া জয় বাঙলা বললেও সেটা তার ধর্মরে ইফেক্ট করে না। ধর্মটা ব্যক্তি আচারে রাখা হইছে রাষ্ট্রীয় নীতিতে আনা হয়। মুজিবের বক্তৃতাসংকলন মৃত্যুর আগপর্যন্ত তার বিশ্বাসের ডকুমেন্টারি যা তিনি বাংলাদেশের সংবিধানে প্রয়োগ করে গেছেন। সেক্যুলারিজম বলতে আপনি যদি বোঝেন রাষ্ট্রের ধর্মহীনতা, আমি তাইলে মানতে রাজী আছি, কিন্তু সেইটা মোটেও নাগরিকদের ধর্ম পালনের অধিকারকে খর্ব করে না। ধর্ম নিয়া রাজনীতি করার রাইট খর্ব করে মাত্র।
৩৭|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:৫৬
রশীদ বলেছেন: ++++++++++++
০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১১
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ
৩৮|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৫০
জোকার হাবিব বলেছেন: হাসিব মীরের আর্গুমেন্তে আমোদ পাইলাম। ইন্টারপ্রেশন, স্টেটমেন্ট, হাইপোথেসিস নিয়া ফ্যাকচুয়াল ডকুমেন্টেশনের বিরুদ্ধে জেহাদ। জব্বর।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১১
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ![]()
৩৯|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১৫
তীব্র রঙিন বলেছেন: ব্যক্তির ধর্মপরিচয় থাকতে পারে, কোন প্রতিষ্ঠানের পারে না। এবিষয়ে শাহদীন মালিকের একটা লেখা ছিল প্রথম আলোতে কিছুদিন আগে। সেখানে উনি একটি মামলার কথা উল্লেখ করেছিলেন, যেখানে ইসলামি ব্যাংক-এর বিরুদ্ধে একটি মামলা জিতেছিলেন এক ব্যক্তি। হাইকোর্ট সেই রায়ে উল্লেখ করে, "প্রতিষ্ঠানের কোন ধর্মপরিচয় থাকতে পারে না।"
আর নাজনীনের কথা বলে লাভ নাই, কারণ, উনি সর্বত্র ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব দেখেন। "সত্যিকারের ইসলাম কায়েম হলে সংখ্যালঘুদের ক্ষতি হবে, এমনটা যারা ভাবে তারা হয় ইসলামকে ঠিকভাবে জানে না, না হয় তারা জেনেও গোপন করে।"
জ্বি, এসব কথা যারা বলে, তাদের কাছে প্রথম প্রশ্ন, এই 'সঠিক ইসলাম'-এর সংজ্ঞা কী?
৬০-এর দশকে আহমদিয়াদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ দাঙ্গায় (মওদুদী এর পেছনে) সরকারি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। বিচারক কায়ানী তাঁর প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে, তিনি একাধিক ইসলাম বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে ইসলামের সংজ্ঞা গ্রহণ করেছেন, কিন্তু, "কোন দুজন বিশেষজ্ঞ ইসলামের সংজ্ঞায় একমত হতে পারেন নি"।
তাদের কাছে দ্বিতীয় প্রশ্ন, যদি কোন দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে সংখ্যালঘুত্বের ব্যাপারটা স্বীকৃতি দেওয়া হয়, তাহলে সংখ্যালঘুদের রাষ্ট্রীয়ভাবে যে-অপমান করা হয়, সে-ব্যাপারে তাদের কোন অনুভূতি বা অভিজ্ঞতা আছে কি না।
পৃথিবীতে রাষ্ট্রধর্ম রাখার পর কোন দেশে সংখ্যালঘুরা নিগৃহীত হয় নি, এব্যাপারে বর্তমান সময়ের কোন পর্যবেক্ষণ কী চোখে পড়ে?
ধর্মনিরপেক্ষতা আবশ্যিক।
যারা বোঝে, তাদের বোঝানোর দরকার নেই, কেন। আর যারা বোঝে না, তাদের বোঝানো যায় না কেন।
ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমি ধর্মান্ধ রাষ্ট্র, নাগরিক এবং মানসিকতার হাতে আক্রান্ত। তাই আমি মানি যে, ধর্মনিরপেক্ষতার, অন্তত রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে, কোন বিকল্প নেই।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ভালো বলছেন। তাদের ভ্রান্তি নিরসন মানে এ যাবত যত কুশিক্ষা তারা গ্রহণ করছে সবটুকুর সঙ্গে তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়া। এই ঝুকিতে তারা যাবে কেন! তখন আইডেন্টিটি ক্রাইসিসটা সামাল দিতে পারবে না, কালচারাল শকের শিকার হবে।
কাদিয়ানী দাঙ্গা পঞ্চাশের দশকে
৪০|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩৮
নাজনীন১ বলেছেন: @ তীব্র রঙীন, আপনার এপ্রোচটা আমার ঠিক ভাল লাগলো না। দৃষ্টিকটূ। আপনার মনে কি কোন হীনমন্যতা কাজ করে? আপনি সবাকের পোস্টেও একই কাজ করেছেন। আপনার যদি আমার কোন কথায় আপত্তি থাকে সেটা সরাসরি আমাকে সম্বোধন করে বলবেন।
আমি জন্মেছি বাংলাদেশে, একাত্তরের পরে, তাই পাকিস্তানের সাফাই গাওয়া আমার জন্য প্রাসঙ্গিক না। তবে আপনি যে ঘটনাটার কথা উল্লেখ করলেন (কাদিয়ানী দাঙ্গা প্রসঙ্গে বিচার), একটু ভেবে দেখুন তো,
১। ঐ দেশটা কি ছিল? ইসলামি প্রজাতন্ত্র।
২। বিচারক কি ছিলেন? সরকারী কর্মচারী।
৩। তিনি কি দাঙ্গাকে উসকে দেয়ার চেষ্টা করেছেন? না।
তাহলে বলুন তো ইসলামী প্রজাতন্ত্র কি সংখ্যালঘুর অধিকার হরণ করেছি কি? একটু মাথাটা খাটান।
৪১|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩৯
নাজনীন১ বলেছেন: *করেছে কি?
৪২|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৪১
নাজনীন১ বলেছেন: তীব্র রঙীন, আবার এটা ভেবে বসবেন না যেন আমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নামই পাল্টে ফেলতে বলছি। আপনারা তো আবার একটু আগ বাড়িয়ে বোঝেন, সমস্যা সেখানেই।
৪৩|
০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫২
নাজনীন১ বলেছেন: @ তীব্র রঙীন, Click This Link
বর্তমান সংবিধানটি দেখুন, লক্ষ্য করুন ২এ, ১৯, ২৭, ২৮, ২৯ নং আর্টিকেল। সংবিধানে কোথাও সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু শব্দ নেই। আমি আসলে সংবাদপত্রে প্রচলিত শব্দে কথা বলে ফেলেছি। সংখ্যালঘুর জায়গায় অন্য ধর্মাবলম্বী বলা দরকার ছিল। আমাদের সংবিধানে দেশের সকল নাগরিকের সমান অধিকারের কথাই বলা আছে। পারলে পুরো সংবিধানটা পড়ে দেখুন।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: কিন্তু সংবিধানে রাষ্ট্রের সুন্নতে খতনা করা হয়েছে, একে ইসলামীকরণ করা হয়েছে। যখন রাষ্ট্রের একটা নিজস্ব ধর্ম থাকে, তাতে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ঘোষণা দিয়ে বা লিখিত দিয়ে সংখ্যা লঘু বলতে হয় না। পত্রিকায় দেখবেন সংখ্যালঘু বলতে হিন্দু সম্প্রদায় বোঝায়। এটা একটা অলিখিত কিন্তু সংবিধানসম্মত রায়। এটাকে মানা উচিত। আজ স্রেফ জন্মদোষে যে ছেলে বা মেয়েটা হিন্দু হয়ে জন্ম নিয়েছে, তাকে বাংলাদেশ নাগরিকতা দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সে সংখ্যালঘু। একজন মুসলমান রিকশাওয়ালা একজন হিন্দু এমএ পাশের চেয়ে বর্তমান সংবিধানে রাষ্ট্রের বেশী নিকটের। কারণ সে রাষ্ট্রের ধর্মে দিক্ষিত, আর হিন্দু ছেলেটি স্রেফ ধর্মের কারণে বাঙালী হয়েও বাংলাদেশের নয়। তাকে সুযোগ পেলেই মালাউন বলে ভিটে মাটি উচ্ছেদ করার অধিকার আছে আমাদের, সে ধর্মকর্ম করলে তার পুজোর মন্ডপ, মূর্তি ভাঙার অধিকার আছে আমাদের। সে শাখ বাজালে বা উলু ধ্বনি দিলে সেটা আমরা শব্দদূষণ বলে বিবেচনা করি, একই কারণে মাইকে আজান দেওয়াটা নিয়ে কারো মুখ খোলার উপায় নেই কারণ সেটা মুসলমানদের ধর্মীয় আচার যা রাষ্ট্রনীতিতে আছে। এইবার বলেন আপনি কোন সমান অধিকারের কথা বলছেন? লিখিত না প্রায়োগিক?
৪৪|
০৯ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৫১
আজনবী বলেছেন: পিয়াল ভাই, আমি একটি তথ্য যোগ করছি। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি, পাকিস্তান থেকে দেশে ফেরার পথে দিল্লীতে ইন্দিরা গান্ধীর সাথে একমঞ্চে দাড়িয়ে বঙ্গবন্ধু প্রথমেই বলেছিলেন -
প্রথমে আমি একজন মানুষ
তারপর একজন মুসলমান
অত:পর একজন বাঙ্গালি
আমি বিশ্বাস করি গনতন্ত্রে
আমি বিশ্বাস করি সমাজতন্ত্রে
আমি বিশ্বাস করি ধর্ম নিরপেক্ষতায়।
উপরের এই কথাগুলোর ব্যাখ্যা যে কত বিশাল- যা অনুধাবন করার ক্ষমতা আমাদের আজও হলনা।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: প্রথম তিনটা লাইন রেসকোর্সেও বলছিলেন
আগে একটা লেখা লেখছিলাম Click This Link
৪৫|
০৯ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮
নাজনীন১ বলেছেন: @লেখক, "তাকে সুযোগ পেলেই মালাউন বলে ভিটে মাটি উচ্ছেদ করার অধিকার আছে আমাদের, সে ধর্মকর্ম করলে তার পুজোর মন্ডপ, মূর্তি ভাঙার অধিকার আছে আমাদের। সে শাখ বাজালে বা উলু ধ্বনি দিলে সেটা আমরা শব্দদূষণ বলে বিবেচনা করি, " --- এসব আমাদের সামাজিক দৈন্যতা, সবল কর্তৃক দুর্বলের প্রতি অত্যাচারের কদর্যতা। সংবিধানসম্মত কোন আচরণ না।
আর এজাতীয় অন্যায় আচরণের স্বীকার শুধু অন্য ধর্মাবলম্বীরা, আপনি দেখুন মুসলিম সমাজে মুসলিম নারীরাও কতটা নির্যাতিত, যৌতুক, এসিড-সন্ত্রাস, হিল্লা বিয়ে, বিয়ে করে স্ত্রীকে একা ফেলে রেখে স্বামীর পালিয়ে গিয়ে আরেকটা বিয়ে করা যৌতুক নিয়ে, মেয়েদের সম্পত্তি না দেয়া, দিলেও আবার ভাইদের দখল করে নেয়া বা স্বামী কর্তৃক দখল করা, মোহরানা শোধ না করা...............এরকম হাজারো অনাচারের উদাহরণ দেয়া যাবে যেটা আমাদের সমাজে দুর্বলের প্রতি সবলরা করে থাকে।
***অথচ আমাদের সংবিধানে নারীদের জন্য আলাদাভাবে আর্টিকেল আছে।***
আমি নিজের কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি, আমার স্কুলজীবনের সবচেয়ে প্রিয় যে শিক্ষিকা, তিনি একজন হিন্দু। সেই স্কুল-কলেজ লাইফে আমাদের হিন্দু বান্ধবীরা যেমন ঈদের সময় আমাদের সাথে বিভিন্ন বান্ধবীদের বাসায় বেড়াতো, আমরাও পূজার সময় তাদের বিভিন্ন বাসায় বেড়িয়েছি। হল জীবনে আমি একজন হিন্দু রূমমেটের সাথে একই খাটে ডাব্লিং করেছি, কই, আমারতো অসুবিধা হয়নি। আমাদের হলে(রোকেয়া হলে) ডাইনিং-এ কখনো গরুর গোশ্ত রান্না করা হয়না, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে, আমি তো কখনো দেখিনি কোন মুসলিম মেয়েদের এ নিয়ে কোন অনুযোগ করতে। যার ইচ্ছা হয়েছে সে হয় নিজে রুমে রান্না করে খেয়েছে বা ছুটিতে বাড়ি গেলে খেয়েছে বা ঢাকাতে আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় গেলে খেয়েছে। হলের যারা খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ছিল তাদের সাথে গল্প করতে, মিলেমিশে চলতে তো আমাদের বিন্দুমাত্র অসুবিধা হয়নি।
আর শুধু অন্য ধর্মাবলম্বীদেরই জমি দখল হয়? এ দেশে চর দখল হয় না, বুড়িগঙ্গা দখল হয় না? আমার বাবার বাড়ির সীমানার ঠিক পাশ ঘেঁষে পুকুর কাটা হয়েছিল যাতে আমাদের ঘরটা ভেঙ্গে পড়ে। আমিও তো হিন্দু নই, যারা সে কাজ করেছে তারাও তো অন্য ধর্মের নয়। দুই পক্ষই মুসলিম। এবার বলুন সমস্যা আসলে কোথায়? থিঙ্ক ইউরসেলফ।
কাগজে-কলমে, আইন-কানুনে অনেক তাত্ত্বিক ভাল কথা লেখা থাকে। সমস্যা হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয় না, আমাদের লোভ-লালসা আমাদের কুরে কুরে খাচ্ছে, অসততা, দূর্নীতি আমাদের সমাজে ছেয়ে যাচ্ছে প্রতিটা স্তরে। আসলে আমাদের তাক্ওয়াতেই সমস্যা দেখা দিয়েছে।
আমি হলফ করে বলতে পারি সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা হলেই যে এ সমাজের মানুষগুলো মুক্তি পাবে, এটাও একটা তাত্ত্বিক কথা, এর বেশি কিছু না।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আমার ধারণা আপনি এখনও ধর্ম নিরপেক্ষতার সংজ্ঞা সম্পর্কে অন্ধকারে আছেন
৪৬|
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১৪
মনোয়ার পারভেজ বলেছেন: অনেক সুন্দর একটা পোষ্ট। আমি এখানে নতুন। তাই তেমন কিছু জানি না। আপনি কি আমাকে বলতে পারেন, আপনি এই লেখাটা লিখতে কন কন রেফারেন্স এর সাহায্য নিয়েছেন? আমি নিজে একটু পড়ে দেখতাম। আপনি এরকম লেখা আরও চালিয়ে জাবেন, এ কামনা এ করি।
১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: এখানে প্রত্যেকটি শেখ মুজিবুর রহমানের উল্লিখিত সময়ে করা বক্তৃতার নির্বাচিত অংশ বিশেষ। বক্তৃতাগুলো বিভিন্নভাবে কালেক্ট করা। বই, পত্রিকা, অডিও এবং ভিডিও ফুটেজাকারে। সম্ভবত উনার উপর একটা অমনিবাস আছে। সেটা পড়ে মিলিয়ে নিতে পারেন।
৪৭|
১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৩৩
তারা ১২৩ বলেছেন: আহারে আমি যদি তখন রেসকোর্স ময়দানে থাকতাম!
এই আক্ষেপ শেষ হবার নয়
+++++++++++++++++++++++++
৪৮|
১১ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৫৮
তীব্র রঙিন বলেছেন: @ নাজনীন১:
@ তীব্র রঙীন, আপনার এপ্রোচটা আমার ঠিক ভাল লাগলো না। দৃষ্টিকটূ। আপনার মনে কি কোন হীনমন্যতা কাজ করে? আপনি সবাকের পোস্টেও একই কাজ করেছেন। আপনার যদি আমার কোন কথায় আপত্তি থাকে সেটা সরাসরি আমাকে সম্বোধন করে বলবেন।
হ্যাঁ, নাজনীন। আসলে একজনের ব্লগে এসে অন্যের সাথে কূটকচালি করার ইচ্ছে থাকে না। আর, আমার মন্তব্যটা লক্ষ্য করলে দেখবেন, আমি ঠিক আপনাকে কথাটা বলি নি। আমি লেখকের সাথে আমার দু'একটা ভাবনা ভাগাভাগি করছিলাম, তাই আপনার মতো মানসিকতার যারা আছে, তাদের কথাও প্রাসঙ্গিকভাবে চলে এসেছে। ব্যক্তি আপনি নন, আপনি যে-মানসিকতার ধারক ও বাহক, তারই ব্যাপারে কথা বলছিলাম। সবাক-এর পোস্টেও তাই। একটু খেয়াল করে দেখবেন।
আর, ধর্মনিরপেক্ষতার ব্যাপারে আপনার চিন্তাধারার সাথে আমার মাত্র একটি মেরুর দূরত্ব। এব্যাপারে আমার মন্তব্য আমি ওপরেই করেছি, তাই আপনার সাথে বাহাসে যাওয়ার আগ্রহ বা সময় কোনটাই পাচ্ছি না, দুঃখিত।
আপনার যে-প্রিয় শিক্ষিকা বা বান্ধবী বা অন্য কেউ, যারা অন্য ধর্মাবলম্বী, তাদের সময় বা সুযোগ পেলে একটু জিজ্ঞেস করবেন তো, আপনি/তুমি/তুই কি একটা ইসলামি প্রজাতন্ত্রে থাকতে চাইবি না হিন্দু/বৌদ্ধ/ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে? আশা করি, তখন অন্যের আয়নায় আপনার মুখটা কেমন লাগে তার কিছু ধারণা পাবেন (অবশ্য যদি তারা সত্যি বলেন)। সংখ্যাগুরু মানসিকতার বিকট দিক সম্পর্কে আপনি হয় নেহাৎই নাদান বা তুখোড় মতলববাজ।
আহমদিয়ারা এখন পাকিস্তানে মুসলিম হিসেবে গণ্য নয়, জানেন তো? কথা বলার আগে তাই একটু মনে রাখবেন প্রমথ চৌধুরীর এই কথাটি, "উক্তি মাত্রই যুক্তি নয়"।
আমি আগেই বলেছি, "ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমি ধর্মান্ধ রাষ্ট্র, নাগরিক এবং মানসিকতার হাতে আক্রান্ত। তাই আমি মানি যে, ধর্মনিরপেক্ষতার, অন্তত রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে, কোন বিকল্প নেই।"
আমি শিবিরের হাতে মার-খাওয়া, আমার দূর সম্পর্কের আত্মীয় খুন হয়েছেন শিবিরের অস্ত্রে (নাম বলতে চাই না, সবাই চিনবেন), আমি লিগের গুন্ডার হাতে মার খেতে খেতে বেঁচে যাই। সুতরাং, ধর্মনিরপেক্ষতার রাজনৈতিক স্লোগানে আমার আস্থা নেই।
এটাকে আমি আমার দেশে ভালভাবে বাঁচার একটা বড় পদক্ষেপ হিসেবেই দেখি এবং দেখবো আমৃত্যু। মাছকে ডাঙার বিপদ তথ্য/তত্ত্ব/উপাত্ত দিয়ে শেখাতে বা বোঝাতে হয় না।
যারা ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধিতা করেন, তাদের প্রতি এতোটাই ঘৃণা অনুভব করি, যা যদি কখনো দেখাতে পারতাম তাদের, অনেকেই হয়তো আতঙ্কিত হয়ে উঠতেন বা প্রচণ্ড বিব্রত বোধ করতেন (যদি বিবেকের কিছুটা অবশেষ থাকে)। যাক, ব্যক্তিগত মতামত। এমনিতে চুপচাপ থাকি, কখনো বেরিয়ে আসে।
অ.ট.১: আমার কেমন যেন ক্ষীণ সন্দেহ হচ্ছে ত্রিভুজ সাহেব বোধহয় আরেকটা লেখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, "আপনি শান্ত হউন নাজনীন১, দুর্বৃত্তদের উপেক্ষা করুন।"
অ.ট.: নাজনীন, আপনার লেখায় প্রচুর বানান বিভ্রাট। এমনকি আমার নিকটাও আপনি প্রতিবারই ভুল লিখেছেন।
দুঃখিত, পিয়াল। আপনার পোস্টে অন্যকে নিয়ে অনেক কথাই বলে ফেললাম। এটা করতে চাই নি। কিন্তু, নাজনীন কিসব কম্প্লেক্স-টম্প্লেক্স বলে বসলেন তো, আসলে বাঙাল মানুষ। বাংলায় গালিগালাজই সইতে পারি না, আবার ইঞ্জিরিতে??? কাদিয়ানিসংক্রান্ত তথ্যের জন্যে ধন্যবাদ।
৪৯|
১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:১১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পোষ্টটি পড়া হয় নি। ভাল পোষ্ট।
৫০|
১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩
নাজনীন১ বলেছেন: @ তীব্র রঙিন, আপনার নামের বানানের ভুলটি অনিচ্ছাকৃত। এর জন্য ক্ষমা চাইছি। উপরে একবার সংখ্যালঘু শব্দটা উচ্চারণ করে, পরে বুঝেছি সেটা আসলে সাংবিধানিকভাবে ভুল ছিল, সেটাও উল্লেখ করেছি।
"কম্লেক্স-টপ্লেক্স" ইংরেজী গালি কোথায় ব্যবহার করেছি, ঠিক মনে পড়ছে না। তাই তার জন্য ক্ষমাও চাইতে পারছি না। ![]()
আপনি যেকোন মতের বিরোধিতা করতে পারেন, তবে এজন্য কারো নাম না উল্লেখ করেও করা যেতে পারে, ভেবে দেখবেন আশা করি। আর আমি তো নিশ্চয়ই খুব ভিভিআইপি কেউ নই!
আরেকজনের পোস্টে এসে কারো নাম নিয়ে কোন মতের সমালোচনা করা কতটা সৌজন্যের মধ্যে পড়ে এটাও ভেবে দেখবেন।
উপরের কমেন্টে আবারো আমার নামের সাথে আরেকজনের নাম টেনে আনলেন। এটাও দুঃখজনক।
কারো হাতেই সময় খুব বেশি থাকে না, আর ব্যক্তিগত ঝগড়া তো আরো পছন্দ করি না। কিন্তু কেন জানি আপনি এতেই উৎসাহ পাচ্ছেন বলেই এ নিয়ে তিনবার প্রমাণিত হলো।
যাক্, এরপর থেকে আপনাকে ইগ্নোর। সংশোধন হবেন এ আশাতেই উপরে কমেন্ট করেছিলাম।
৫১|
১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৭
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: "আপনারা যারা এখানে মুসলমান আছেন তারা জানেন যে, খোদা যিনি আছেন, তিনি রাব্বুল আলামিন, রাব্বুল মুসলেমিন নন।" এই কথার সারমর্ম ছাগুরা বুঝলে তো হৈতোই..কিন্তু চোরা না শুনে ধর্মের কাহিনী।
ছাগুদের লেটেষ্ট পারফোরমেন্স সন্তোষজনক
Click This Link
৫২|
১৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৩
গরম কফি বলেছেন:
কি বলবো ছাগুদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেও তারা রাতকে দিন আর দিনকে রাত বানাবে। এর পরেও আর কিছুই বলার থাকেনা।
৫৩|
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:১০
মিনহাজ উদ্দিন বলেছেন: আসলে শেখ মজিবরের ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে পাকিস্তানের ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এটি একটি চমকপ্রদ অসাধারন সর্তযুক্ত ভাষণ। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় ট্রিমেনডাস কন্ডিশনাল স্পিচ। এই ভাষণকে কোন বিচার বিশ্লেষনেই স্বাধীনতার ঘোষনা বলা যায় না ইতিহাসের বিচার বিশ্লেষনে শেখ মজিব রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণকে বলা যায় ট্রিমেনডাস কন্ডিশনাল স্পিচ বা চমক প্রদ অসাধারন সর্তযুক্ত ভাষন। শেখ মজিব রহমান যদি ৭ই মার্চের ভাষণকে প্রকৃত অর্থেই চুরান্ত ভাবে স্বাধীনতার ঘোষনা করেই থাকে তাহলে,
১। ঐ ভষনেই পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়ার কাছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রি হওয়ার দাবি করেছিলেন কেন? ঐ ভাষনেই মুখ্য ও গুরত্ব পুর্ন বিষয়ই ছিল শেখ মজিব কে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রি করা
২। ২৩শে মার্চ পাকিস্তান দিবসে শেখ মজিবরের ধানমন্ডির বাড়িতে স্বাধীন বাংলার পতাকার পরিবর্তে পাকিস্তানের পতাকা উত্তলন করেছিলেন কেন? শেখ হাসিনার ঐক্যমতের সরকারের মন্ত্রি আ,স,ম রব দাবি করেছেন রাষ্টিয় ভাবে ২রা মার্চ কে স্বাধিনতার পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করতে হবে। ২রা মার্চ কে যদি পতাকা উত্তোলন দিবস হিসেবে পালন করা হ্য় তাহলে শেখ মজিবোর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষনের গুরত্ব কতটুকো থাকে ?
৩। যেখানে ৭ই মার্চে পাকিস্তান সেনাবাহিনির অবাঙ্গালী দুর্বল হাজার পাচেক সৈন্য কে বন্দি করে প্রায় বিনা যুদ্বে বিনা রক্ত পাতে বাংলাদেশ স্বাধীন করা সম্ভব ছিল। তা না করে পুর্ব পাকিস্তানের সৈন্য সমাবেশ করার পূর্ণ সুযোগ দিয়ে ২৫শে মার্চ বা ২৬মার্চ আমাদের উপর আক্রমন করা পর্যন্ত দীর্ঘ সময় দেওয়া হয়েছিল কেন?
৪। ২৫শে মার্চ রাতে ঘরে ডঃ কামাল হোসেন থাকতে এবং হাতে কাছে তাজুদ্দিন আহমেদ সহ অন্যান্য জাতীয় নেতৃবৃন্দ উপস্তিত থাকতেও শেখ মজিবুর রহমান কেন তাদের কছে স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন না?
৫। ২৫ মার্চের কালো রাতে নিরীহ নিরস্র বাঙালির উপর পাকিস্তানি বর্বর বাহিনি যখন পৈচাশিক আক্রমন করলো এবং নির্বিভচারে বাঙালি হত্যা করতে লাগলো এবং বাঙালী সৈনিক, ই,পি,আর, পুলিস আনসার পাকিস্তানী হানাদারের মোকামেলায় যুদ্ব করতে লাগলো তখন শেখ মুজিবর রহমান দিশেহারা বাঙালীর নেতৃত্ব না দিয়ে কেন পাকিস্তানিদের কাছে ধরা দিলেন?
৬। তাহলে কি শেখ মুজিবের কন্যা শেখ হাসিনা যে বলেন ২৬শে মার্চ দুপুর আরাইটা তিনটায় পাকিস্তানের জেনারেল টিক্কা খান আমাদের বাসায় এসে আব্বাকে(শেখ মজিবকে) সেলুট দিল, মাকে (বেগম মুজিব) সেলুট দিল, দিয়ে আব্বাকে বললো স্যার, প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান আপনার সাথে আলোচনা করার জন্য আমাকে একটি স্পেশাল বিমান সহ পাঠিয়েছে, আপনাকে রওয়ালপিন্ডি(পাকিস্তানের তখনকার রাজধানী) নিয়ে যাওয়ার জন্য। আপনি ম্যাডামকে (বেগম মজিব) সাথে নিতে পারেন। চাইলে অন্য কাউকে নিতে পারেন। আব্বাকে সসম্মানে জেনারেল টিক্কা খান নিয়ে গেল। যাওয়ার সময় মাকে জেনারেল টিক্কা খান সেলুট দিয়ে গেল। তাহলে এটাই কি সত্যি?
৭। শেখ মুজিবর রহমান কি মনে করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান তাকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রি বানানোর জন্য ওয়ালপিন্ডি যাচ্ছেন? আর তাই কি পাকিস্তানী হানাদার বাহিনির আক্রমনের মুখে গোটা বাঙালি জাতিকে অসহায় অরক্ষিত রেখে তিনি জেনারেল টিক্কা খানের সাথে পাকিস্তান চলে গেলেন?
৮। পাকিস্তানী নরপিচাশ হায়নাদের আক্রমনের মুখে আপোষকামি
নেতার আপোষের ফলে, দিশেহারা নাবিকের মতো কিংকর্তব্যবিমুর
বাঙালি জাতি।ঠিক সেই সময় পাকিস্তানী সেনাবাহিনির কঠোর শৃংখলার মধ্যে থাকা বাঙালী সৈনিক, পাকিস্তানী সেনা আইনে ফায়ারিং স্কোয়ার্ডে
মৃত্যুদন্ডের সম্পুর্ণ ঝুকি নিয়ে নেতৃত্বশূন্য দিশেহারা বাঙালিকে নেতৃত্ব ও পথের দিশা দিতে এগিয়ে এলেন এক তরুন বাঙালি সৈনিক ।
মুক্তি পাগল স্বাধীনতাকামী মানুষকে তিনি শোনালেন স্বাধীনতার অমর বাণী চট্রগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি ঘোষনা করলেন,আমি মেজর জিয়া বলছি, আমি স্বাধীনতা ঘোষনা করলাম। ২৭শে মার্চ
প্রতুষে ইথারে ভেসে এলো এই অমর স্বাধীনতার বাণী। সঙ্গে সঙ্গে বাংলার মুক্তি পাগল দামাল ছেলেরা ঘর থেকে বেরিয়ে পড়লো মুক্তিযু্দ্ধে ঝাপিয়ে পড়ার জন্য। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান প্রথমে ঘোষনা করলেন, "আই অ্যাম মেজর জিয়া, পেসিডেন্ট অফ পিপলস রিপাবলিক অফ বাংলাদেশ, আই ডিকলেয়ারর্ড ইনডিপেনডেন্ট অব বাংলাদেশ।" পরে কৌশলগত কারণে তিনি বল্লেন, আই অ্যাম মেজর জিয়া, আই ডিকলেয়ারর্ড ইনডিপেনডেন্স অফ বাংলাদেশ অন বিহাব অফ আওয়ার গ্রেট লিডার শেখ মুজিবুর রহমান।"
মেজর জিয়াউর রহমানের ঘোষণাই কি পাকিস্থানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সাথে আপোষের ভিত্তিতে শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষমতা গ্রহনের পথে অন্তরায় হলো?
সূত্র: আমার ফাঁসি চাই ( মতিউর রহমান রেন্টু), পৃষ্ঠা: ২৫৯ থেকে ২৬১
৫৪|
২৯ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৩
মেজো ছেলে বলেছেন: মিনহাজউদ্দিন, জবাব তো দিছে একজন
৫৫|
২২ শে জুন, ২০১১ সকাল ৮:২৫
ভদ্র বলেছেন: ভাষণগুলোর রেফারেন্স কোথায়?
আর ইসলাম তো সম্পূর্ণ জীবনব্যবস্থা। ইসলামী রাজনীতি বলতে বোঝায় অর্থনৈতিক, পারিবারিক, প্রশাসনিক ইত্যাদি সকল প্রকার কাজ ইসলামের বিধি অনুসারে হবে। ইসলামে তো অন্য ধর্মের প্রতি কোন আক্রমন নেই।
৫৬|
২৪ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৪৫
ভদ্র বলেছেন: সেক্যুলারিজম কি তা জানার জন্য।
Click This Link
Click This Link
৫৭|
৩১ শে মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:৪৭
নাওেয়দ বলেছেন: এ তো দেখি দুই মুখো সাপ?!!
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৩৭
রাজসোহান বলেছেন: আসলেই
এরপরও যারা জল ঘোলা করতে চান, তাদের অভিসন্ধিতে খোদার লানৎ পড়ুক