| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দর্পন
বলার তেমন কিছুই নেই , একটা সাধারণ মানুষ www.fb.com/hokkota
"পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১১-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনে পর্নোগ্রাফি বহন, বিনিময়, মুঠোফোনের মাধ্যমে ব্যবহার করা, বিক্রি প্রভৃতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এসবের সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বিশেষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার হবে। এ ছাড়া পর্নোগ্রাফি নিয়ে মিথ্যা মামলার শাস্তি দুই বছর।"(আইনের ফোরাম অবশ্যই বাজারি নীল ছবি নয়,তা কেবল সদ্য ব্রেকাপ ঘটে যাওয়া তরুণ- তরুণীর অথবা সেলিব্রেটি কিংবা মিডিয়া ব্যক্তিদের বাস্তব অভিনীত ফিল্ম)
কিন্তু যে লাইভ দৃশ্য ঘটার পরে পর্নগ্রাফি তৈরী হয়, তার বিরুদ্ধে তো কোন আইন নেই আর নিজ ইচ্ছায়, বাস্তবে ঐই দৃশ্যে যারা অবৈধ পারফর্ম করেন তাদেরতো কোন শাস্তির আওতায় আনা হল না। এর জবাবে প্রগতিশীল নৈতিকতার সোজা উত্তর মানুষ তার ব্যাডরুমে কার সাথে কি করবে তা রাষ্টের দেখার বিষয় না, তা নিতান্তই এক জনের ব্যক্তি স্বাধীনতা ।
তাহলে, কে তার মোবাইলে কি বহন করবে, ব্লু-টুথের মাধ্যমে কি ছড়াবে এটাও তার ব্যক্তি স্বাধীনতা । একটা ভিডিও স্ক্যান্ডাল পর্ণোগ্রাফি ছড়ানোর পর ক্ষতি হয় বড়জোর দুইটি পরিবারের আর এইটা দেখে সচতেন হয় অসংখ্য জন -তারা জানতে পারে সমাজে কিভাবে কি ঘটতে পারে ?
সবার নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এক নয় । কর্পোরেট মিডিয়ার এক বিরাট অংশ মানুষের যৌন প্রবৃত্তি কোন ধর্ম বা আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করার পক্ষে নয়,তারা চান নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যৌন স্বাধীনতা ভোগ করুক ,কিন্তু যেহেতু বৃহত্তর জনগোষ্ঠি শাশ্বত , চিরন্তন ধ্রব নৈতিকতায় বিশ্বাসী তাই ওনারা ভুলেও মুখে এই কথা বলার সাহস পান না। কিন্তু মানুষকে মিডিয়ার চাকচিক্য জগত দ্বারা তারা আকর্ষণ করে লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার অথবা মিস ইউনিভার্সিটির মাধ্যমে তৈরী করেন নিজেদের ভোগ বস্তু কিন্তু ভিডিও ক্লিপ গুলো ইদানিং তাদের অরুণ চৌঃ ও নির্জরদের চেহারা মানুষের সামনে প্রকাশ করে দিচ্ছে, যারা মিডিয়ার জোরে দেশের রোল মডেল তারা ইমেজ হারাচ্ছেন,তাই একারণে যে কোন ভাবে হউক তথাকথিত মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের ইমেজ রক্ষা করতে হবে, আর সেই সাথে টেলি নাটকের প্রযোজক-পরিচালকদের যারা টিভিতে যে নাটক তিন লাখ টাকায় বিক্রি করেন ঐ নাটকের শুটিং-এ ভর্তুকি দিয়ে থাইল্যান্ডে বা সিংগাপুরে গিয়ে সহ দলে ১৫ লাখ টাকা খরচ করেন ।
শেষকথা আইন করতে হলে শুধু বিপণন, বহনকারীদের জন্য নয়, তা অবশ্যই অরুণ ও নির্জরদের নিয়ন্ত্রণ ও শাস্তির জন্য । নাহলে "নষ্টরা কখনো আইডল হতে পারে না" আর তাদের রূপ প্রকাশে ..................।
২|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:১০
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আইনের ফোরাম অবশ্যই বাজারি নীল ছবি নয়,তা কেবল সদ্য ব্রেকাপ ঘটে যাওয়া তরুণ- তরুণীর অথবা সেলিব্রেটি কিংবা মিডিয়া ব্যক্তিদের বাস্তব অভিনীত ফিল্ম। এই কথাটা কি আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে? মনে হয় না। উদ্ধৃত আইনটি কিন্তু সব ধরণের পর্নোগ্রাফিই কাভার করে। এক্স-রেটেড ফিল্ম বিক্রি, বহন দণ্ডনীয় অপরাধ হবে এই আইন অনুযায়ী।
আপনার শেষ প্যারার সাথে একমত।
৩|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:১৫
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন। আগের চেয়ে আরও কঠিন হয়েছে।
সবচেয়ে জরুরী বিষয় হল, শিশুদের পর্নোগ্রাফি থেকে দূরে রাখা। তার জন্য আইনে কি কিছু লেখা আছে ?
আমার সর্বশেষ পোস্ট :
নতুন বছরের পরথম দিনে তিনখান প্রতিজ্ঞা করিলাম
৪|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৩৯
রবিনহুড বলেছেন:
কতদূর দেখা গেলে সেটাকে পর্নগ্রাফী বলা যাবে?
বিচে গোসল করা অবস্থায় যদি হটপ্যান্ট ও টাইট গেন্জি পরা কোন তরুনীর ছবিটা কি র্পর্নের পর্যায়ে পরবে? ![]()
৫|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০৩
স্বর্ণমৃগ বলেছেন: বাংলাদেশে আইনের প্রয়োগ নেই+নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি মানুষের আকর্ষন বেশি...
ফলাফল=পর্ণগ্রাফি আরো বেশি বেশি ছড়াবে!
আর এতদিন পর এই আইন পাশ হবার যথেষ্ঠ কারন আছে!
কারন মন্ত্রী-মিনিষ্টার আর তাদের পোলাপাইনদের কীর্তি-কলাপ ইউটিউব আর ইন্টারনেটের কল্যানে মুঠোফোনে পৌছে যাচ্ছে।
ভয় কি আর সাথে পাইছে!
৬|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৫৫
ওবায়েদুল আকবর বলেছেন: এইটা সিগারেট আর পলিথিন নিষিদ্ধের মত একটা দেখনদারী আইন হবে। আমার মতে এর ফলে এর বিস্তার আরো বাড়বে।
তবে মজা হবে যদি শাজাহান সিরাজের মত যদি সাহারা খাতুন যদি নিজে লোকজনের মোবাইল সার্চ করতে করতে পর্ণ খোজার মিশনে নামেন আর তার পিছনে পিছনে টিভি ক্যামেরা ল্যাতুর দেয়।
. ওহ কী মজা
। আমি এই সিন দেখার জন্য টিভির সামনে এখন থেকে বসে থাকব প্লীজ আপনারাও থাইকেন। অবশ্য সমস্যা নাই - দৃশ্যগুলা ইউটিউবে সংরক্ষিত থাকবে। পরে দেখে নিতে পারবেন। আমিই সেটা আপলোড করে দিব - জনস্বার্থে।
৭|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৫৩
কান্টি টুটুল বলেছেন:
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই @:উদ্ধৃত আইনটি কিন্তু সব ধরণের পর্নোগ্রাফিই কাভার করে। এক্স-রেটেড ফিল্ম বিক্রি, বহন দণ্ডনীয় অপরাধ হবে এই আইন অনুযায়ী।
পর্ণ সাইট গুলি এখনো বহাল তবিয়তে আছে,
তবে তো এই দাড়াচ্ছে সরকার একদিকে এক্স-রেটেড ফিল্ম নেটের মাধ্যমে পাবলিকের হাতের নাগালে পৌছে দিচ্ছে অন্য দিকে এটি সংরক্ষন করলে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫১
খেয়া ঘাট বলেছেন: শেষকথা আইন করতে হলে শুধু বিপণন, বহনকারীদের জন্য নয়, তা অবশ্যই অরুণ ও নির্জরদের নিয়ন্ত্রণ ও শাস্তির জন্য । নাহলে "নষ্টরা কখনো আইডল হতে পারে না" আর তাদের রূপ প্রকাশে ..........একমত।