| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অপারেশন হাইভোল্টেজ এটাক উয়িদ নফস এন্ড শাইতন ৩
(প্রথম দিনের হিসাব)
২৩ জুলাই ২০২৬ বৃহস্পতিবার
১।প্রতি ওয়াক্ত নামাজই বাসায় পড়েছি।
বিশ্লেষন= ক্ষতিকর।অন্তত দুই তিন ওয়াক্ত নামাজ,মসজিদে গিয়ে যোগ্য ইমামের পেছনে জামায়াতের সহিত পড়তে হবে?
২।আলহামদুলিল্লাহ।সকালে একটি দুর্ঘটনা ঘটার পর আর কোনো গুনাহ হয়নি।তবে সকালে ডিউটি ছিলো,সেখানে অনেক মেয়েদের দিকে দৃষ্টি পড়েছে।
বিশ্লেষন=দৃষ্টিকে আরোও সংযত করতে হবে।অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টিকে ক্ষমা করা হয়েছে।কিন্তু বার বার একই ভুল করা যাবেনা।
৩।মুখে সবসময় যিকির জারি থাকেনি।উদাসিনতা ঝেঁকে বসেছে।
বিশ্লেষন=মুখে সবসময় যিকির জারি রাখা দুঃসাধ্য কাজ।তবে কলব জারি হলে সেখানে সবসময় যিকির চলতেই থাকে,মনোযোগ থাহুক বা না থাকুক।আজকের জরিমানা ছয় (৬) রাকাত নফল নামাজ।রাতেই সম্পন্ন করতে হবে।
অপারেশন হাইভোল্টেজ এটাক —৩
২৫ জুলাই ২০২৬(শনিবার)
১।এক ওয়াক্ত নামাজও জামায়াতের সহিত আদায় করতে পারছিনা।একা একা নামাজ পড়তেই বেশি ভালো লাগে।অন্তরের মধ্যে প্রশান্তির বদলে অস্থিরতা বিরাজমান।সকাল বিকালের যিকিরে ত্রুটি হয়েছে,সম্পন্ন করতে পারিনাই।বিকেলে কামপ্রবৃত্তি এসে যন্ত্রনা দিচ্ছিলো,কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ কোনো অঘটন ঘটেনাই।তবে কুচিন্তা হয়েছে।মাগরীব বাদের আমলও অলসতা এবং উদাসিনতার স্রোতে হারিয়ে গিয়েছে।
বিশ্লেষন= খুবই দুঃখজনক হালত।ব্যাথাদায়ক এবং অপ্রীতিকর হালত।
অপারেশনের নাম হাইভোল্টেজ এটাক!কিন্তু নামের সাথে কামের কোনোই মিল দেখছিনা।
আজকের জরিমানা ২০ রাকাত নফল নামাজ।আজ রাতেই সম্পন্ন করতে হবে।
অপারেশন যিহাদে কাবীর—০৩
(২৬ জুলাই ২০২৬)রবিবার
এক ওয়াক্ত মাত্র জামায়াতের সহিত পড়তে পেরেছি।বাকি সব নামাজ জামাত ছাড়া একা একা পরেছি।
কাম প্রবৃত্তি বার বার আক্রমন করলেও কোনো অঘটন ঘটাতে পারেনাই।(বিপক্ষদল থেকে কাউন্টার এটাক হলেও গোল দিতে পারেনাই।) আমার পক্ষ যা কিছু পাল্টা আক্রমন হয়েছে তা হলো-
অন্তরের উপর সার্বক্ষনিক পাহারাদারি বা করা দৃষ্টি ছিলো।যদিও সবসময় মুখে যিকির জারি থাকেনি,তারপরেও ক্বলবি যিকির চলছিলো।বড় একটি অঘটন যা হয়েছে তা হলো-একজনের হারাম বা সন্দেহজনক টাকা হাদিয়া নিয়ে ফেলেছি,এবং সেখান থেকে কিছুটা খেয়েছিও।
বিশ্লেষন=হালতকে এখোনো উন্নত বলতে পারিনা।কামপ্রবৃত্তি শয়তানের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।যদি সে এতে বিফল হয় তাহলে অন্যদিক দিয়ে ধোঁকা দিতে ছাড়েনা।হারাম টাকা হাদিয়া নেওয়া ঠিক হয়নি।আজকের জরিমানা চার রাকাত নফল নামাজ।
২৭ জুলাই ২০২৬(সোমবার)
হাল:লেখার মতো তেমন কোনো হাল নাই,তারপরেও নিয়ম অনুযায়ী কিছু লিখতে হয়,তাই লিখছি।
ফজরের আগে দূরাচার কুপ্রবৃত্তি এসে মহা যন্ত্রনায় ফেলেছিলো।পরাজিত হয়ে গেলাম দূরাচার প্রবৃত্তির নিকট।অন্যান্য আমল অন্য দিনের মতোই চলেছে।সকাল বিকালের আমলটাও ঠিকমতো আদায় হচ্ছেনা।
বিশ্লেষন=খুবই লজ্জাজনক এবং দুঃখজনক হালত।অপারেশন হাইভোল্টেজ এটাক—৩ এ যা করার কথা ছিলো তা কিছুই করা হচ্ছেনা।পঞ্চাশ রাকাত নফল নামাজ জরিমানা করা হলো।রাত এবং দিনের মধ্যেই তা সম্পন্ন করতে হবে।(হিম্মত করলে সম্ভব)
৩০ জুলাই ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
কিছুদিন যাবত হালত বা অবস্তা জানাতে পারিনাই।এজন্য দুঃখিত।গত কয়েকদিনের হালত আজ একসাথে জানিয়ে দিচ্ছি।
নামাজ একা পড়তেই ইদানিং বেশি সাচ্ছন্য বোধ করি।যদিও জামাতে নামাজ পড়ার মর্যাদা জানি।যিকির সবসময় মুখে জারি না থাকলেও ক্বলবি যিকির সবসময় হতে থাকে। ক্বলবে যিকির স্থায়ী মনে হয়।অটো মনোযোগ চলে আসে।কিছুদিন যাবত ভয়ংকর সব গুনাহের কাজে লিপ্ত ছিলাম।পঞ্চাশ রাকাত জরিমানা আদায় করার পর থেকে গুনাহের আকর্ষন বিকর্ষনে রুপ নিয়েছে।গুনাহ করতে করতে এখন গুনাহের প্রতি অনিহা এবং ঘৃণা জন্মেছে।আলহামদুলিল্লাহ।এই হালত যেন আরো পরিপক্ক হয় তাই চাই।মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি।কিন্তু কিছু জরুরি ক্ষেত্র ব্যাতিত।যেমন কর্মস্থলে এবং বাসার রুমমেটদের সাথে কথাবার্তা হয়।সকাল বিকালের যিকিরে মন বসাতে পারছিনা।
বিশ্লেষন=
হালত পাঠ করিলাম।এই হালতকে উন্নত বলতে পারিনা।তবে একেবারে নিচুমানের হালতও নয়।তরিকতের শিশুদের এই ধরনের হালত হতে থাকে।একজন মধ্যবর্তী সালিকের যেইধরনের হালত হওয়ার কথা,এই হালত তার ধারেকাছেও যায়নি।গুনাহগুলো থেকে এবং ছেলে মেয়েদের দিকে তাকানো থেকে পুরোপুরি তওবা করো,আজকে কোনো জরিমানা নেই।সাহসিকতা এবং হিম্মতকে কাজে লাগা।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: