নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাজ

বাজ ৩

,,

বাজ ৩ › বিস্তারিত পোস্টঃ

অপারেশন হাইভোল্টেজ এটাক ৩ (২য় পর্ব)

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:১১

"আর ছেলেমেয়েদের দিকে তাকানো থেকে পুরোপুরি তওবা করো।" আমি যেখানে ডিউটি করি সেখানে প্রতিদিন নতুন নতুন চেহারা দৃষ্টিগোচর হতে থাকে।নতুন নতুন চেহারার মানুষ প্রতিনিয়ত আগমন করে।তবে আমি সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করি কারোদিকে না তাকানোর জন্য।
হালত এই যে অন্তরের মধ্যে প্রশান্তির থেকে অস্থিরতা বেশি।আমলের মধ্যে বার তাছবিহের যিকির করি গভীর রজনীর নীরবতার মধ্যে।আর সকাল বিকাল একটা আমল জারী ছিলো কিন্তু এখন পুরোপুরি আদায় হচ্ছেনা।
সকালে সূরা ইয়াসিন ও আদায় হচ্ছেনা,অথচ এই আমল আমার নিয়মিত আমল।

বিশ্লেষন : হালত পাঠ করে দুঃখিত হলাম।আবার আনন্দিতও হলাম চেষ্টা অব্যাহত আছে এজন্য। সূরা ইয়াসিন সকালে আবার শুরু করা হোক।আর সকাল বিকালের সেই আমলও যা পুরোপুরি আদায় হচ্ছেনা খুবই দৃঢ়তর সহিত শুরু করা হোক।আর ছেলে মেয়ে কারো দিকেই চক্ষু মেলিয়া তাকাবেনা।আর আশাফ আলী থানভী রহ.এর কিতাবসমূহ থেকে তরবিয়াতুস সালিক পাঠ করিবে।অধিকাংশ সময় নিরব থাকবে,ভালো কথা বলবে নতুবা চুপ থাকবে।আর আমল সমূহ অব্যাহত রাখবে,তারপর যা হয়ে যায় হয়ে যাক।

(জোড়া দুর্ঘটনার পরের হালত)

অপারেশন হাইভোল্টেজ এটাক ৩
(২৩ জুলাই থেকে ২০ জানুয়ারি ২০২৬)
আজকের তারিখ:১আগষ্ট ২০২৬(শনিবার)

হালত: খুবই লজ্জাজনক এবং দুঃখজনক,খুবই হতাশাজনক হালতের মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত হচ্ছে।কাম প্রবৃত্তির আক্রমনে নাজেহাল হয়ে পরেছি।বারবার পরাজিত হচ্ছি।শুধু ফরজ নামাজ ব্যাতিত অন্য কোনো আমল হচ্ছেনা।

অন্তর অন্ধকারের মধ্যে পরে গিয়েছে।যেন অন্ধকারের চাদর মুড়ি দিয়ে রয়েছি।অন্তরের উপর অন্ধকারের কালো মেঘ জমেছে। এই করুন দশা এবং অবস্তা থেকেও আমি উদ্ধার হতে পারবো?

বিশ্লেষন:
হালত বিশ্লেষন করতে হিমসিম খাচ্ছি।ধৈর্যের তিক্ততা যদি সহ্য করতে না পারো তাহলে কে বলেছিলো এই সাধনায় আত্মনিয়োগ করতে? আত্মিক পথে চলা মানে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে বিক্রি করে দেওয়া।আল্লাহর সন্তুষ্টির বাইরে এক পা ও না চলা।এতে জীবন চলে যায় যাক।এতটুকু দৃঢ়তাও যদি না থাকে,এই পথ থেকে চলে যাও।

তুমি তো এখন সাধারন একজন মানুষের থেকেও অনেক নিচে নেমে গিয়েছো। এই অবস্তা থেকে উদ্ধার হতে পারবে যদি মহা ধৈর্যের পরিচয় দিতে পারো। অনেক কঠিন কঠিন রিয়াজত সাধনা এখন তোমার উপর জুরুরি হয়ে পরেছে।আগামী বৃহস্পতিবার থেকে টানা কয়েকদিন রোজা রাখবে। প্রায় এক সপ্তাহ।তারপর একদিন বাদে একদিন রোজা রাখবে।অপারেশন হাইভোল্টেজ এটাকের মেয়াদ পর্যন্ত এভাবেই চলতে থাকবে।

আজকের জরিমানা ১২০ রাকাত নফল নামাজ।২ আগষ্ট দিন এবং রাতের মধ্যেই তা সম্পন্ন করতে হবে।
গুনাহ এবং সীমা লংঘনে সীমা অতিক্রম করেছো।বার বার গুনাহ এবং নাফরমানি করে নিজের উপর ওপর অত্যাধিক অত্যাচার করেছো।অঙ্গিকার সমূহে ত্রুটি করেছো।জাহান্নামের অতল তলায় নিক্ষিপ্ত হওয়ার আগে কঠিনভাবে সতর্ক হও।নতুন করে দৃঢ়তা সহকারে নিয়ত করো।
জোড়া দুর্ঘটনার কারনে আরো কিছু জরিমানা ধার্য করা হলো,বিবেকের আদালত থেকে।—
১।৷ ১২০ রাকাত জরিমানা আদায়ের পর প্রতিদিন ৫০ রাকাত,কষ্ট লাগলে কমপক্ষে ২০ রাকাত নফল আদায় করবে।২০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

২।। আরেকটি জরিমানা হলো,যেই গুনাহ হয়েছে মৃত্য পর্যন্ত আর সেই গুনাহের কাছেও যাবেনা।মোবাইলে অশ্লিল ছবি নেংটা ছবি দেখবেনা, ছেলে মেয়ে কারো দিকেও তাকানোর প্রয়োজন নেই।


অপারেশন হাই ভোল্টেজ এটাক ৩
২ আগষ্ট রবিবার ২০২৬
———————
১২০ রাকাত জরিমানা আদায় করতে পারিনাই।৪০ রাকাত পর্যন্ত পরেছি।অবশ্য রাতের অনেক সময় এখোনো বাকি আছে।আগ রাত্রে ঘুমিয়ে নিয়েছি যাতে ঘুম এসে কাবু না করে।

অন্তরের অবস্তা : গুনাহের কালিমা অন্তর থেকে এখোনো বিদূরিত হয়নি।অন্ধকারের চাদর মুড়ি দিয়ে রয়েছি।জানিনা কেয়ামতের দিন আমার কি দশা হবে।এখন আমি চাই শুধু আমার পাপ গুলো যেন ক্ষমা হয়ে যায়,অন্তত জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি লাভ যেন হয়।

বিশ্লেষন=
হালত পাঠ করিলাম।গুনাহ করার আগে কি মনে থাকেনা এসব।কান্নাকাটি করো। ক্ষমা চাও,আর কষ্টসহকারে আমলগুলো করতে থাকো।আশা করা যায় আল্লাহ তায়ালা সব গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।শর্ত হলো ভবিষ্যতে আর কোনো গুনাহ করবেনা।

আর জরিমানা গুলো যেন মনে থাকে।গুনাহ যত বড়,আমল এবং কষ্টও তত বড় আকারে করতে হবে। আর পরিক্ষা যত বড় হয় সওয়াবও তত বড় আকারে পাওয়া যায়।হাদিসেও বিষয়টা রয়েছে।হালত জানাতে থাকো, আর যে পরামর্শ দেওয়া হয় পালন করতে থাকো।

অপারেশন যিহাদে কাবীর ৩
৫ আগষ্ট ২০২৬(বুধবার)

১২০ রাকাত জরিমানা আদায় করার কথা ছিলো কিন্তু আদায় করতে পারিনাই।আজকে ৫ আগষ্ট পর্যন্ত ৬০ রাকাত হয়েছে।অথচ ২ আগষ্টের মধ্যই তা সমপন্ন করার কথা ছিলো।আমি খুবই দুঃখিত।

অন্তরে আর আগের সেই প্রশান্তি নেই,অস্থিরতা বিরাজমান।পুরোপুরি নির্ভেজাল হালাল জীবনেও মনে হয় খেতে পারিনাই আমল সমূহ আদায়ের মধ্যেও অলসতা ঝেঁকে বসেছে।সকালে সূরা ইয়াসিন আদায় হচ্ছেনা।আজকের হালত এপর্যন্তই।

বিশ্লষন=

সময় সবসময় একরকমভাবে যায়না।এখন যেই পেশায় লিপ্ত আছো,সেটা সন্দেহজনক হলে,বিকল্প পেশা খোঁজ করতে থাকো।আর যতদিন বিকল্প কোনো ব্যবস্তা না হয়,যেখানে আছো সেখানেই থাকো,আর বিশেষ সময়ে দোয়া করতে থাকো।ইনশাআল্লাহ কোনো ব্যবস্তা হয়ে যাবে।

আর অন্যের দেওয়া খাবার সন্দেহজনক হলে খাবেনা,কৌশলে এড়িয়ে যাবে।আর খাবেনা কোনো বেনামাজী ফাসেকের দেওয়া খাবার।এগুলো অন্তরের নূর নষ্ট করে।

আর জরিমানা পুরোপুরি আদায় করো দ্রুত।আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে মহাসাধনায় পুরোপুরি আত্মনিয়োগ করো।আর হালত জানাতে থাকো আমি কার্পন্য করবোনা উন্নতির চেষ্টায়।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৫৯

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: ৬ আগস্ট ২০২৬(বৃহস্পতিবার)
হালত : ১২০ রাকাত জরিমানা আদায় হয়েছে।আমলগুলো উদাসিনতার সহিত আদায় হচ্ছে।আজ বৃহস্পতিবার। আজ থেকেপুরোদমে আত্মশুদ্ধি রিয়াজত মুজাহাদায় লিপ্ত হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।অবস্তা এই যে অন্তরের মধ্যে অস্থিরতা প্রশান্তির তুলনায় বেশি।অধিকাংশ সময়েই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকি না জানি কেয়ামতের দিন কি দশা হয়।পাপের পরিমান নেকির থেকে বেশি হয়ে গেছে।

১০ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:০৯

বাজ ৩ বলেছেন: হালত পাঠ করিলাম।পাপের কারনে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়া শুভ লক্ষন,এবং শুভ হালত।নফসে লাউয়ামা পাপের পরে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়।আশা করা যায়,আমল অব্যাহত থাকলে, আর গুনাহের কাজ না করলে ইনশা আল্লাহ অচিরেই প্রশান্ত অন্তর অর্জিত হবে,এবং অন্তর শক্তিশালী হবে।অন্তর শক্তিশালী হলে গুনাহ এবং অসঅসা,সন্দেহ শংশয় এমনিতেই দূর হয়ে যায়।মাগরিব থেকে এশা সময়টাকে কাজে লাগাবে।কু-প্রবৃত্তি যন্ত্রনা দিলে,অযু করবে।তারপর নামাজ অথবা নাফি-ইসবাতের যিকিরে মগ্ন হয়ে যাবে।তারপর যা হয়ে যাওয়ার তা হয়ে যাক।আর হালত জানাতে থাকবে।তারপর যা পরামর্শ দেওয়া হয় পালন করতে থাকবে।

২| ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:২৯

সুলাইমান হোসেন বলেছেন:
১০ আগস্ট ২০২৬(সোমবার)
অপারেশন যিহাদুল কাবীর —০৩
হালত:লেখার মতো তেমন কোন হাল নাই তারপরেও নিয়ম অনুযায়ী কিছু লিখতে হয় তাই লিখছি।অন্তরের মধ্যে তেমন কোনো পরিবর্তন লক্ষ করছিনা।প্রতিদিন ৫০ রাকাত,কষ্ট লাগলে অন্তত ২০ রাকাত জরিমানা পড়ার কথা ছিলো,কিন্তু এখোনো শুরু করতে পারিনাই।আগামীকালকে থেকে শুরু করার নিয়ত আছে।বাসা টু ডিউটি ব্যতিত কোথাও তেমন যাওয়া হয়না।আত্মীয় স্বজনের বাসায় ও যেতে পারিনা বলতে যাইনা।জানিনা কি এক অবস্থায় পড়ে রয়েছি। আমি অন্তরের উন্নতি চাই।কিন্তু কোনো উন্নতি পরিলক্ষিত হচ্ছেনা।বলুন কিভাবে আমি আমার অন্তরের উন্নতি করতে পারবো।অন্তরকে কিভাবে সেই যোগ্যতায় নিয়ে যেতে পারি সেখানে রয়েছেন সিদ্দিকিন এবং সলেহীনরা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.