![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একটাই দেশ, বাংলাদেশ।
আজকাল নতুন জিনিস শুরু হয়েছে। কেউ নিজেকে হানাফি বলছে, কেউ নিজেকে আহলে হাদিস বলছে। কেউ নিজেকে শুধু মুসলিম বলতে রাজি নয়। মাজার-পীরের ব্যবসা তো চালুই আছে। শিরকে আর বেদআতে তো দেশ ভরে গেছে। কোন কোন মসজিদের জোরে আমিন করলে বের করে দিচ্ছে। কোনটা সহি হাদিস, কোনটা বানানো হাদিস সে সম্পর্কে কোন ধারনাই নাই। তথাকথিত হুজুররা নিজেদের কথাই ঠিক মনে করে। সঠিক শিক্ষা না থাকা বা নিজেদের খেয়াল খুশি মতো যা খুশি বলা এদের চরিত্র হয়ে গেছে। তাও আজকাল অনেকে নিজে থেকে ইসলাম সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছে। অনেকে এটাও বুঝেছে সপ্তাহে একদিন মসজিদের যাওয়ার নাম ইসলাম না। সঠিক নামাজির সংখ্যা বাড়ছে। তবে এদের কে, কেউ কেউ বিভ্রান্ত করছে। এদের থেকে তৈরি হচ্ছে জঙ্গি। এর জন্য ইসলাম দায়ী নয়, দায়ী শয়তানের অনুসারিরা। সবচেয়ে বড় জিহাদ নিজেকে সংশোধন করা, যখন সেটা না করে অন্য কিছু করতে যায়, তখন সেটা জিহাদ হয় না, হয় শয়তানী। মুসলিমের উপর অত্যাচার হচ্ছে, আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ(সাঃ) প্রথম থেকেই অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। আল্লাহু কি তাকে সাথে সাথে তা প্রতিরোধ করতে বলেছেন? সময় দিয়েছেন, যাতে মুসলিম নিজেকে তৈরি করতে পারে সহি আকিদার মানুষ হিসাবে। আমাদের উচিত হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) সঠিকভাবে অনুসরণ করা। তিনি আমাদের আদর্শ। আল্লাহুর কাছে বারবার ক্ষমা চাওয়া আর সঠিক পথে যাওয়ার জন্য দোয়া করা। অনেক রকম ইসলামিক বই,লেকচার, ভিডিও আছে। এরমধ্যে অনেকগুলো যা বাংলাদেশে প্রচলিত আছে তার মধ্যে শিরক, বেদআতে ভড়া। আমাদের খুজতে হবে সঠিক জিনিস। আমাদের দেখতে হবে, আমরা যা পড়ছি বা দেখছি বা শুনছি তা কি কোরআন এবং সঠিক হাদিসের আলোকে নাকি? একজন বলল আর আমরা বিশ্বাস করে নিলাম, এসব হচ্ছে অশিক্ষিত মানুষের লক্ষণ। যাচাই করতে হবে। আল্লাহু যেন সকলকে সঠিক পথে চলার শক্তি যেন দেন।(আমিন)
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:২৪
ত্রিকোণমিতি বলেছেন: আলাহ সবাইকে ইসলামের প্রকৃত জ্ঞানটা লাভ করার এবং অন্তরে ধারণ করার তৌফিক দান করুন। আমিন
কথায় আছে, "অল্প বিদ্যা ভয়ংকারী"
যারা ইসলাম সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে পারবে, হৃদয়ে ধারণ করতে পারবে তাদের দ্বারা কখনো অশান্তি সৃস্টি হবে নাহ।