| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ধর্মীয় ও জাতিগত কারণে বৌদ্ধ ও মুসলমানদের দাঙ্গা চলছে, বিষয়টি এমন নয়। সব সময়ই দেখা যায়, এ ধরনের দাঙ্গাকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার চেষ্টা হয়। মিয়ানমারের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দাঙ্গার কারণ যত না ধর্মীয়, তার চেয়ে বেশি অর্থনৈতিক। এশিয়ার অন্যতম দরিদ্র দেশটিতে মেখতিলা প্রদেশে ও দেশটির কেন্দ্রস্থলে অবস্থানকারী মুসলমানদের অর্থনৈতিক অবস্থা বৌদ্ধদের চেয়ে ভালো।
দেশটিতে মুসলমানদের সংখ্যা ৫ শতাংশের কম। মেখতিলায় তাদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ। মুসলমানদের হাতে আছে আবাসন ব্যবসা, ইলেকট্রনিকস পণ্যের ব্যবসা, কাপড়ের দোকান, রেস্তোরাঁ ও মোটরসাইকেলের ডিলারশিপ। শহরটির বৌদ্ধদের মোট আয়ের বহু গুণ বেশি আয় করে মুসলমানেরা। বৌদ্ধরা মুসলমানদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে শ্রমিক বা মুসলমানদের উত্পাদিত পণ্যের বিক্রেতা হিসেবে কাজ করে থাকে।
মিয়ানমারে সামরিক শাসনের অবসানের পর নতুন বাণিজ্য ও বাজার প্রসারের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। বিরাট এ বাজারে দখল কায়েম করা ও জারি রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক দাঙ্গা চলতে থাকলে নতুন মিয়ানমারের অর্থনৈতিক হিসাব-নিকাশ থেকে ছিটকে বেরিয়ে যাবে ধনী মুসলমানেরা। তাই তাদের টিকে থাকার লড়াইও অর্থনীতিকে কেন্দ্র করেই।
©somewhere in net ltd.