নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার নিরক্ষর কিন্তু বুদ্ধিমতী মায়ের কাছ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছিলাম,যথাযথ কর্তব্য পালন করেই উপযুক্ত অধিকার আদায় করা সম্ভব। - মহাত্মা গান্ধী

পদাতিক চৌধুরি

হাই,আমি পদাতিক চৌধুরী।পথেঘাটে ঘুরে বেড়াই।আগডুম বাগডুম লিখি। এমনই আগডুম বাগডুমের পরিচয় পেতে হলে আমার ব্লগে আপনাদেরকে স্বাগত।

পদাতিক চৌধুরি › বিস্তারিত পোস্টঃ

নিশিকুটুম্ব

২১ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:৩৮



আমি তখন কলকাতার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। বাড়ি থেকে যাওয়া-আসা সম্ভব না হওয়ায় সোনারপুরে একটি মেস বাড়ি থেকে পড়াশোনা করতাম । বেশ বড় মেস। আমরা একসঙ্গে দশজন ছেলে মেসটিতে থাকতাম।সে এক দিন গেছে। সবসময় একটা হৈ হট্টগোল লেগেই থাকত মেসে ।তাই সে রাজনীতি হোক বা খেলা হোক আমরা ছিলাম বোদ্ধা। গোটা শহরে আমাদের মত জ্ঞানীগুণী ছিল কিনা সন্দেহ।তার মধ্যে ক্রিকেট বা ফুটবল হলে তো কোন কথাই নেই। বাস্তেন কেন পেনাল্টি মিস করল, সেটা ওদের দলের কোচ বা বাস্তেনের নিজের থেকে আমাদেরই দুশ্চিন্তা ছিল বেশি । বলটাকে ডানদিকে অতটা না চেপে ইষৎ বামদিক চেপে মারলে যে নিশ্চিত গোল হত , এই সাধারন ব্যাপারটা আমরা বুঝলেও বাস্তেনের মত খেলোয়ার না বোঝায় আমরা অবাক হতাম।

সেই সঙ্গে চলতো প্রত্যাহিক সকালে নিয়ম করে আমাদের এক আড্ডাসভাও। সকাল সাড়ে ছটা থেকে পৌনে সাতটার মধ্যে মেসে নেওয়া একমাত্র বাংলা দৈনিক 'আনন্দ বাজার পত্রিকা'র দখল নেওয়ার জন্য আমাদের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা লেগে থাকত।
ফাস্ট সকালে পেপারটি কে আগে হস্তগত করার মধ্যে একটা মজার অনুভূতি লুকিয়ে ছিল। অবশ্য কারণটি যে একেবারেই অকাট্য তা অস্বীকার করা যায় না। পেপার যে পাবে সাধারনত সে, সেদিনের সভা পরিচালনার অলিখিত দায়িত্ব পালন করত। ঠিক পার্লামেন্টের স্পিকারের মত। একের পর এক পাতা উল্টিয়ে সে আলোচনার সুযোগ করে দিত।বিষয় ধরে আলোচনার পর সকলের সম্মতি নিয়ে পরের পেজে যাওয়ার নিয়ম ছিল।মেসের নুতন ছেলেরা সাধারণত এরকম নিয়ম না মেনে নিজের মতো করে পেপার পড়লে তাকে শুরুতে পেপারে হাত দিতে নিষেধ করা হতো।ফলে বড় দাদাদের চাপে পড়ে মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে নুতন যে কোনো সদস্য ভালো স্পিকার হয়ে উঠতো। যাইহোক স্পিকার হেড লাইন দেখে দু-একটি কথা পড়ে শোনাতেই বাকিরা মতামত প্রকাশ করতো।ভাঙা বা দুর্বল চৌকির কুচকাচ শব্দ আমাদের সভা পরিচালনায় কোন ব্যাঘাত ঘটাতে পারতো না।উল্টে ওটা ছিল আমাদের একপ্রকার টেবিল চাপড়ানোর মতো। কোনও পেজ পছন্দ না হলে পরের পেজে চলে যাওয়ার নিয়ম ছিল । উল্লেখ্য মেসের ছেলেরা সাধারনত বেশি রাতজেগে পড়াশোনা করায় একটু গভীর রাতে নিদ্রায় যেত।তুলনায় আমার মত দু একজন যারা বেশি রাত জাগতে পারতাম না, তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ে ওদিকে সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পড়তাম। ঘটনার দিন রাতে বেশ বৃষ্টি হওয়ায় সকলেই প্রায় তখনো ঘুমিয়ে ছিল। আমি অন্য কাউকে না উঠতে দেখে মনে মনে খুশি হই। কিন্তু বারান্দায় পেপার না পেয়ে তার অপেক্ষায় চৌকিতে বসে থাকি।ক্রমশ সময় অতিক্রান্ত হলেও পেপার না আসায় মনে মনে বেশ বিরক্ত হতে থাকি।পরের দিকে মনের মধ্যে একটি অস্থিরতা তৈরী হয় ।এমন সময় ঢং ঢং করে গুনে গুনে সাতবার ঘন্টা বেজে উঠলো।
চোখ চলে গেল মাথার উপরে দেওয়াল ঘড়ির দিকে। দেখি ঘন্টার কাটা সাঁতে দাঁড়িয়ে আছে। বিরক্তির পারদ চূড়ান্ত মাত্রায় পৌঁছে গেল। নাহা! এমন খালি মুখে আর বসে থাকা যায় না। আমার মতই পেপারের প্রত্যাশায় সকালে বারান্দায় পায়চারি করছিল অনুজ মানসও।বাইরে বের হয়ে একটু খোঁজ নেওয়ার কথা বলতেই, এক কথায় রাজি হয়ে গেল। কাজেই আর দেরি না করে, মানসকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তার মোড়ের দিকে পা বাড়ালাম। কিছুটা এগিয়ে আসতেই অবাকজলপানের কাছে দেখি প্রচুর মানুষের জটলা। পাঠকরা আবার 'অবাক জলপান' শুনে অন্য কিছু ভেবে বসেন না। শহরের একটা প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকান 'অবাক জলপান'।যাইহোক লোকজনের আধিক্য দেখে আমাদেরও কৌতূহল বেড়ে গেল। আরো একটু কাছাকাছি আসতেই পরিচিত মুখ খুঁজতে লাগলাম। নাহা!আশপাশে কাউকে খুঁজে পেলামনা। ভিড়ের মধ্যে মিশে গিয়ে মনে হল এটা অবাক জলপান এর সামনে হলেও পাশের বাড়ির অভিদের বাড়ির গলিতেই তো। সমস্যাটা তাহলে কি ওদের? কৌতুহল নিবৃত্ত করতেই পাশে দাঁড়ানো একজনকে জিজ্ঞেস করতেই অনুমান সঠিক হল।

অভি ওরফে অভিজিৎ দত্ত, সুরেন্দ্র নাথ কলেজে ইংরেজি নিয়ে পড়ে । আমাদের সঙ্গে পাড়ায় মাঝে মাঝে ক্রিকেট খেলতে আসে। বেশ মিশুকে এবং হাসিখুশি স্বভাবের। ওদের গলি বুঝে শুরুতেই ভেতরটা স্যাৎ করে উঠলো। তবে কি ওদের কারও কিছু হয়েছে? মনে একরাশ প্রশ্ন নিয়ে ভীড় ঠেলে সোজা ঢুকে গেলাম ওদের বাড়ির ভিতরে ।
অভি বয়সে আমার চেয়ে অনেকটাই ছোট । আমাদের মত মেসের ছেলেদেরকে শহরবাসীরা অবশ্য নষ্ট বলেই মনে করে। অবশ্য তার একাধিক কারণও আছে। তবে সেই বিতর্কে যাব না। যাইহোক এমনই মেসের ছেলেদের সঙ্গে সাধারনত পাড়ায় কোনো ভদ্র বাড়ির ছেলেরা খেলাধুলা করেনা । আমাদের মেসবাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ক্যানিং লাইন। লাইনের পাশে রেলের একচিলতে পতিত জমিতে বিকালে আমরা একটু শর্টহ্যান্ড ক্রিকেট খেলতাম। লাইনের ওপার থেকেও কয়েকজন খেলতে আসতো আমাদের সঙ্গে। তবে তারা সবাই এলাকার শ্রমিক বা পরিচারিকাদের সন্তান । তারই মধ্যে ব্যতিক্রমী ছিল অভি। একমাত্র ভদ্রবাড়ির সন্তান; যে আমাদের সঙ্গে খেলতে আসতো। স্বভাবতই ও একটু বেশি প্যাম্পারিং পেত আমাদের কাছে। তবে ওর আসাটা বোধহয় সম্ভব হয়েছিল যেহেতু ওর বাবা-মা কেউ বাড়িতে না থাকার কারণে। পেল্লায় একটা দোতলা বাড়িতে ঠাকমাই ছিল ওর একমাত্র আপনজন। অভির কথানুযায়ী ওর বাবা নেভির অফিসার। সারাবছর বাইরে থাকে । বছরে দুচার দিনের জন্য বাড়িতে আসেন । ঐসময়ে বাড়িতে নাকি খুব ধুমধাম করে সময় কাটত।আভির কথানুযায়ী, সত্যিকথা বাবা যেকদিন বাড়িতে থাকেন মনে হয় যেন বাড়িতে উৎসব চলছে । পাশাপাশি মাকে নিয়ে অভি একদিনের জন্যও একটি কথাও খরচ করেনি। একবার মায়ের কথা জিজ্ঞাস করতেই ওর চোখে জল দেখে আমরা উল্টে দুঃখ প্রকাশ করে ওকে শান্ত করি । কাজেই এহেন ছোটভায়ের বাড়িতে লোকসমাগম দেখে খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে দোতলায় একটি ঘরে প্রচুর লোকের মধ্যে ওকে পেয়ে যাই।

আমাকে দেখে নিতান্ত একটু শুকনো হাসি দিয়ে,
-পোকাদা তুমি এসেছ?
আমি হ্যাঁ বা বলে জিজ্ঞেস করি,
-কি হয়েছে অভি?
উল্লেখ্য আমার পোকা নামের পিছনে একটা কারন আছে। প্রসঙ্গক্রমে বিষয়টি না বললেই নয়। আমি বরাবরই ভুজঙ্গাসনের মতো শুয়ে শুয়ে পড়তাম। বাড়িতে আমার বাবার কাছে এনিয়ে প্রচুর বকাবকি খেয়েছি । মেসেও আমি সেই বকার নিস্তার পাইনি । আমার থেকে অনেকটাই সিনিয়র ছিলেন বিকাশদা। ফার্মাসিস্ট বিকাশদা আমার এই শুয়ে শুয়ে পড়া নিয়ে প্রায়ই বকতেন।এর ফলে পরের দিকে বিকাশদাকে দূর থেকে আসতে দেখলেই আমি ধড়ফড় করে উঠে বসতাম। বিকাশদা বুঝে যেত আমার কৌশল। পাশে এসে মাঝে মাঝে হেসে ফেলতেন। একদিন আমাকে বকা দিয়ে সেই যে পোকার সঙ্গে তুলনা করলেন, তারপর থেকে আমার পিতৃপ্রদত্ত নামটিকে বাদ দিয়ে সকলে পোকা নাম চালু করলো। জুনিয়ররা এরপর থেকে আমাকে পোকাদা নামেই ডাকত।

অভির কথানুযায়ী,
-সেকেন্ড সেমিস্টারের পড়ার চাপ ছিল । রাতজেগে পড়ছিলাম । সন্ধ্যে থেকেই মুহুর্মুহু মেঘগর্জন হচ্ছিল । একটু রাত বাড়তেই এবার ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা বেড়ে গেল।বদ্ধ জানালায় বারংবার ধাক্কায় নিচ দিয়ে সিট জল তারই প্রমাণ দিচ্ছিল । মাঝে মাঝে সেদিকে লক্ষ্য গেলেও তখনও পড়ছিলাম। প্রতিদিনকার মত সন্ধ্যা রাতে ঘুমানোর অভ্যাস ঠাকমা তখন ঘুমিয়ে কাঁদা । রাত একটা দেড়টা নাগাদ হঠাৎ মনে হল কারা যেন পাশের ঘরে হাঁটাচলা করছে । বই বন্ধ করে কান খাঁড়া করে চুপচাপ কয়েক মিনিট বসে থাকলাম । অনুমান করার চেষ্টা করছিলাম শব্দটার উৎস কোথায়? বারবার দরজার দিকে চোখ যাচ্ছিল । যদিও দোতলার এই ঘরে দরজায় ছিটকিনি দেওয়া ছিলনা। কিন্তু নতুন করে উঠে ছিটকিনি দিতেও তখন সাহস হচ্ছিল না। দশমিনিট তখনও হয়নি এমন সময় বাইরে থেকে,
-মাসিমা দরজা খুলুন।আপনার ছেলে অসুস্থ ।
আমি হঠাৎ বাবার কথা ভেবে সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে দরজাটা খুলে দেই।
দরজা খুলতেই পরপর ছয়-সাতজন লোক হুরমুড়িয়ে ভিতরে ঢুকে পড়লো । প্রথম একজন আমার মুখে সপাটে মারলো এক চড়,
-শুয়োরের বাচ্চা! আলমারির চাবি কোথায়? শুরুতে সপাটে চড় খেয়ে আমি কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ি। কানের গোড়া তখন রিরি করে জ্বালা করছে।ওদের পলিসির কিনা জানিনা, তবে আমাকে ওভাবে মারতে দেখে ওদেরই একজন ধমক দিয়ে চলে আসে আমার পাশে। মাথায় হাত দিয়ে, গায়ে হাত দিতে নিষেধ করলো। আমি মুহূর্তের মধ্যে বুঝে গেলাম আসলে কি ঘটতে চলেছে। যাহোক সেকথা মুখে না এনে, আমাকে মারতে বারণ করাতে আমি লোকটাকে ধন্যবাদ জানাই। এবার লোকটি আমার একদম পাশে চলে আসে,
- লক্ষীবাবাটি আমার, তোমাদের আলমারির চাবিটা ঔ বদ লোকটিকে দিয়ে দাও দেখি। ওদিকে খাটের উপর দুজন ততক্ষণে ঠাকমাকে বাঁধার চেষ্টা করছে । ঠাকমাও সমানে হাতপা ছুড়ছে। আমি চিৎকার করে ছুটে যেতেই খপ করে আমার হাত ধরে চেয়ারে বসিয়ে দিয়ে বললো,
-আমি দেখছি।
এবারও দেখলাম কাকু ওই দুজনকে বেশ ধমক দিল। এরপর আমি কাকুর নির্দেশ মত উঠে গিয়ে আলমারির চাবিটি দিয়ে দেই। এবার নীরবে প্রত্যক্ষ করি ওদের কান্ডকারখানা। বুঝলাম এই ডাকাতদলের সর্দার কাকু বেশ ভদ্র । আমার পাশে আর একটি টুল টেনে টেবিলের উপরে সাজানো একের পর এক বই ওল্টাতে লাগলো।
আমি বললাম,
-আঙ্কেল বইয়ের মধ্যে কিছু নেই।
-না না আমি তোমার বইগুলি দেখছি মূলত তুমি কি নিয়ে পড়াশোনা কর সেটা অনুমান করতে।
-তুমি লেখাপড়া জানো?
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে,
-হ্যাঁ বলতে লজ্জা হয় তবে না বলতেও পারিনা। জানতাম, তবে কোনও কাজে এলনা।
টেবিলের উপর থেকে শেক্সপিয়ারের মার্চেন্ট অফ ভেনিস গ্রন্থটি তুলে পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে,
- জানো তোমার মত বয়সে এই বইটি ছিল আমার প্রিয় বই । তখন আমিও নিজেকে অ্যান্টেনিও বা বাসেনিওর খুব আপনজন বলে ভাবতাম । কিন্তু এখন আর আমি ওসব নই বরং সাইলক হয়ে গেছি।

আঙ্কেলের সঙ্গে গল্প করতে করতে দেখলাম বেশ কয়েকবার পেটে হাত বুলাতে। আমি জিজ্ঞেস করি,
-তোমার কি খিদে পেয়েছে আঙ্কেল?
- হ্যাঁ, বাবু বড্ড খিদে পেয়েছে। আছে নাকি বাড়িতে কোনও খাবার দাবার? আমি ইশারা করে ফ্রিজের দিকে দেখাতেই, খুব খুশি হল। ফ্রিজ থেকে একেরপর এক খাবার বার করতে লাগলো । আমাদের বাড়িতে ঠাকমার বয়স হওয়ায় সাধারনত একসঙ্গে একটু বেশি রান্না করে ফ্রিজে রেখে খাওয়ার চল আছে । একসময় কৈ মাছের ঝালটা বার করতেই,
-আঙ্কেল, কৈ মাছ আমার খুব প্রিয় মাছ।
সঙ্গে সঙ্গে আঙ্কেল মাছের ঝালটি ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিল।
আমি বললাম,
-আমি তো তোমাকে এমনিতেই আমার ভালো লাগাটা জানালাম। তোমরা ওটা খেতে পারো।
- না,মাসিমা তোমার জন্য রান্না করেছেন, আমরা বরং মুগডাল আর এই সব্জি দিয়েই খেয়ে নেবো।

ওদের সকলের খাওয়ার পরে ঠাকমার একটি কাপড়ে পুটুলি বেঁধে চলে যাওয়ার সময় আমাকে আশীর্বাদ করে বললো,
-বড় হও, মানুষের মত মানুষ হও।
-আঙ্কেল, সবই তো নিয়ে যাচ্ছো। কিন্তু আমরা আগামীকাল খাবো কি?
সঙ্গে সঙ্গে জিহ্বা কেটে,
- সরি, বলে পকেট থেকে পাঁচশ টাকা বার করে আমার হাতে দিয়ে ঠাকমাকে প্রণাম করে বলল,
- এমন কুসন্তানকে পারলে যেন ক্ষমা করে দিয়েন মাসিমা।
সঙ্গে মুখে বিড়বিড় করে বলল,
-সারে চার বছরের মেয়ের লিউকোমিয়ার চিকিৎসার খরচ আনুমানিক বারো লক্ষ টাকা অথচ আমাদের যে অন্য কোনও উপায় নেই,বলে সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেল।
আমি নিশিকুটুম্বের পশ্চাদগমন লক্ষ্য করতে লাগলাম।

বিঃদ্র-পোস্টটি রিপোস্ট। মূল পোস্টে যারা মন্তব্য করেছিলেন তাঁরা হলেন[email protected]তারেক ফাহিম,@ব্লগার প্রান্ত,@চাঁদগাজী,@নিজাম উদ্দিন মন্ডল,@শামচুল হক,@জুনাপু,@আহমেদ জী এস ভাই,@প্রামানিক ভাই,@কাওসার চৌধুরী,@শাহাদাত হোসাইন,@রাজীব নুর,@সুমন কর,@মৌরি হক দোলা,@তারেক মাহমুদ,@নীলপরী,@রূপক বিধৌত সাধু, এবং সবশেষে শ্রদ্ধেয় খায়রুল আহসান স্যার।


মন্তব্য ৮২ টি রেটিং +২২/-০

মন্তব্য (৮২) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



এবার রিপোষ্ট করার সময় কিছু এডিট মেডিট করেছেন?

২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৫৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ একটু এডিট মেডিট করেছি।

২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,




অভির অংশটুকু পড়তে গিয়ে মনে হলো আগেও কোথায় যেন এমন কিছু পড়েছি। শেষে দেখি - রিপোস্ট আর সেখানে আমার মন্তব্যও না কি আছে!
তাই আর আলাদা মন্তব্য করা হলোনা।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: দু বছরেরও আগের পোস্ট, যখন আমার ব্লগিং জীবন সবে শুরু হয়েছিল। এই দু বছরে অনেক নিয়মিত ব্লগার অনিয়মিত হয়ে গেছেন। নতুন নতুন অনেকেই আবার ব্লগে এসেছেন। মূলত নতুন পাঠকদের জন্যেই রিপোস্টের ভাবনা। তবে সেদিনকার পোস্টে অনেকটাই এডিট করেছি।
মন্তব্য করব না বলেও মন্তব্য করায় খুশি হলাম। ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় ভাই আপনাকে।

শুভেচ্ছা নিয়েন।

৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১:০০

রাজীব নুর বলেছেন: শুনেছি মেস জীবন আনন্দময় হয়। শাসন করার কেউ থাকে না।
বাস্তেন কোন দেশের ফুটবলার?
সকালের সবার আগে কড়কড়া খবরের কাগজ পড়ার আনন্দ আছে।
পোকাদা নামটা অদ্ভুত।

রিপোষ্ট হলেও আমার সমস্যা নেই।
একটা লেখা দুই তিন বার পড়ার মধ্যে মজা আছ্বে। একেক সময় একেক রকম অনুভূতি হয়।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ ছোট ভাইয়ের শোনা কথা অনেকাংশে সঠিক। আড্ডা হই হট্টগোল হলেও জুনিয়রদের পক্ষে লাগামহীন করা একটু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। যেহেতু আমি মাস্টার ডিগ্রী পড়াকালীন মেসে থেকেছি কাজেই আমাকে অতটা সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়নি। আর তাছাড়া ব্যক্তিজীবনে আমি খুব একটা উশৃংখল নই যে কারণে বড়দের কথা শুনতে আমার কখনোই সমস্যা হতো না। কিন্তু আমার জানা গ্রাম থেকে সদ্য আগত ছেলেদের বাবারা তাদেরকে চোখে চোখে রাখার কথা বলে যেত। এরকম দুটি ছেলের উশৃংখল আচরণে মৌখিকভাবে না শোধরালে বাবাদেরকে রিপোর্ট করে মেসছাড়া করার ভয় দেখালে তারা অবশ্য বাহ্যিকভাবে সংশোধন হয়ে যায়। এই ছেলেগুলো পরে খুব মেনে চলত। এদের একজনের বাবা প্রতিবারই এলে আমাকে খুব স্নেহ করতেন। ছেলের পরিবর্তন লক্ষ্য করে চোখে মুখে একপ্রকার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেন। যাইহোক মেসে থেকে খারাপ হবার প্রচুর নজির আছে। তবে আমি যেখানে ছিলাম জুনিয়রদের হান্ডলিং করতাম। অনেক ক্ষেত্রে তার সফলতা পেয়েছি।


রিপোস্টেও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ প্রিয় ছোট ভাইকে।

শুভেচ্ছা রইল।

৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ২:১৩

রামিসা রোজা বলেছেন:

নিশিকুটুম্ব গল্পে দুই ধরনের আমেজ পেলাম । বান্ধবীদের
মহিলা হোস্টেলে গিয়ে চুটিয়ে আড্ডা দেওয়ার মজাটা ছিল
অন্যরকম বিনোদন । অনেকটা পিছনে ফিরে গেলাম ।
এবার আসি ডাকাত সর্দার কাকু যিনি খুবই দয়ালু এবং
শেষ পর্যন্ত লজ্জায় বিপদের কথা জানিয়ে গেলেন।
সব শেষে এসে বুঝতে পারলাম গল্পের নামকরণ ,
পড়তে ভালো লাগলো ।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৫০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: নিশিকুটুম্ব গল্পের দুই ধরনের আমেজ পেলেন। পাশাপাশি আপনার মহিলা হোস্টেল জীবনের সুখস্মৃতি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে। আমার মনে হয় জীবনে অন্তত একবার বাইরে না থাকলে কমিউনিটি ফিলিংস তৈরি হয় না।আর এই সময়ের মজাই আলাদা।
ডাকাত সর্দার সম্পর্কে আপনার অবজারভেশন সঠিক। পুরানো সেই প্রবাদটি এক্ষেত্রে বোধহয় বলাই যায় যে চোর হলেও বংশ ভালো।
গল্পের সঙ্গে নামকরণটিও ভালো লাগাতে এবং পোস্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।


৫| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ২:৫০

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: চমৎকার লেখনী, ঝরঝরে বর্ণনায় তরতর করে এগিয়ে যাওয়া গল্পে অনেক অনেক ভালোলাগা রইল। +++

আগে পড়া হয় নাই, রিপোস্ট এর জন্য ধন্যবাদ।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৫৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার কোনো কমেন্ট পেলাম; ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।,, লেখা ভালো হয়েছে সঙ্গে ট্রিপল প্লাস ও পোস্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।

শুভকামনা রইলো।

৬| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ ভোর ৪:৫০

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: অত বড় গল্প পড়া আমার কম্ম না।তাই আর কমেন্ট করলাম না।কি লিখতে কি লিখবো

২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৫৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ঠিক আছে গল্প পড়ার ধৈর্য না থাকলেও এসেছেন এটাই বা কম কিসে। ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভেচ্ছা জানবেন।

৭| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ ভোর ৬:৫৯

কবিতা ক্থ্য বলেছেন: এরা তো ডাকাত না গো,
এরা মহা মানুষ। (নাকি অতি মানুষ)

২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:০১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হেহেহে.... ঠিকই বলেছেন এরা ডাকাত নয়,মহা মানুষ। তবে আমার দৃষ্টিতে ওরা নিশিকুটুম্ব।
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। শুভকামনা জানবেন।

৮| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৩৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আগে পড়ে ছিলাম একবার । এখন পড়ে ভালো লাগলো গল্পটা।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ নেওয়াজ ভাই রিপোস্ট হওয়াতে আপনার আগে পড়া থাকতে পারে। তবে আমার এক দৃষ্টিতে মনে হলো আপনার ব্লগিং শুরুর আগেই গল্পটি পোস্ট করা হয়েছিল। যাইহোক পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভেচ্ছা জানবেন।

৯| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:০৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সহানুভূতি অর্জনের জন্য মনে হয় লিউকেমিয়ার গল্প বলেছে। তবে ৫০০ টাকা ফেরত দিয়ে একটা ভালো কাজ করেছে। বাকি পুরো কাজটাই ডাকাতি।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:০৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনার অনুমান একেবারে অযৌক্তিক নয় সাচু ভাই।হতেও পারে, আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য নিজে অন্যায়টাকে একটা যুক্তির উপর দাঁড় করিয়েছে। তবে চক্ষুলজ্জা একটু আছে এই আর কি। 500 টাকা ফেরত দেওয়াতে আপনার মন্তব্যেও যে বিষয়টি ধরা পড়েছে।

শুভেচ্ছা নিয়েন।

১০| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:৫৫

শাহিন-৯৯ বলেছেন:



বড় হও, মানুষের মত মানুষ হও।
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আশির্বাদ।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:৫৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ শাহিন ভাই আপনাকে। সহমত আপনার সঙ্গে যে, উপরোক্ত কথাটি world-wide আশীর্বাদ বাক্য।

পোষ্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

শুভকামনা আপনাকে।

১১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:০০

ইসিয়াক বলেছেন: আগামীকাল পড়ে মন্তব্য করবো। খুব ঘুম পাচ্ছে।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:০০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: যদি আপনার ফাইনাল মন্তব্য ইতিমধ্যে পেয়েছি।তবে গত কয়েক দিনের কথা থেকে বুঝেছি আপনি এখন শারীরিকভাবে খুব একটা সুবিধাজনক স্থানে নাই। সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিন।
শুভেচ্ছা জানবেন।

১২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:২১

নীল আকাশ বলেছেন: কালকে এই পোস্টে আমি আবার ফিরবো।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:০২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনার ফাইনাল মন্তব্য ইতিমধ্যে পেয়েছি। আমি বরং বিলম্বিত উত্তর দেয়ার জন্য দুঃখিত।

শুভেচ্ছা জানবেন।

১৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:০৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ছোট ভাইকে আবার কমেন্টে পেয়ে খুশি হলাম। আমি প্রতি মন্তব্য দিতে একটু দেরি হলেও আজ পর্যন্ত কাউকে উত্তর দেওয়া থেকে বঞ্চিত করে নি। যদিও নিজে একাধিক ব্লগারের পোস্টে প্রতিমন্তব্য পাইনি। তবে সেটা তাদের ব্লগিং সৌজন্যের অভাব বলেই মনে করি। কাজেই ভাইকে আমার পোস্টে উত্তর না দেওয়া স্বাভাবিক। হয়তো একটু দেরি হবে এই যা।
শুভকামনা প্রিয় ছোট ভাইকে।

১৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৪৫

নীল আকাশ বলেছেন: সুশিক্ষিত ডাকাত। শেক্সপিয়ার পড়ে এসেছে! দারুন!
পরিস্থিতি মানুষের জীবনে হুট করে এমন সব পরিবর্ত ন নিয়ে আসতে পারে যে সেটা মানুষ নিজেও জানে না।
সাড়ে চার বছরের মেয়ের লিউকোমিয়া যে কোন বাবাকেই দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেল এইরকম করে ফেলতে পারে।
আপনার এই লেখা আমি আগে পড়িনি কেন? কি আশ্চর্য? আগের লিংকটা এখানে দিয়েন তো?
শুভ কামনা

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:১৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সহমত প্রিয় নীল আকাশ ভাই আপনার সঙ্গে যে গল্পে বর্ণিত ডাকাত রীতিমতো শিক্ষিত এবং মার্জিত আচরণের অধিকারী। তবে মানুষ কিছুটা যেমন অভাবে করে তেমনি কিছুটা করে স্বভাবেও। সঙ্গে বাচ্চার অসুস্থতা ও ডাক্তারদের পিশাচ আচরণ বহু মানুষকে হিংসার আশ্রয় নিতে বাধ্য করে। গল্পে তেমনই একটি দিক উল্লেখ করা হয়েছে।
পর্বটি প্রথমে পোস্ট করেছিলাম আমার ব্লগিং জীবনের একেবারে শুরুর দিকে। সে সময়ে সম্ভবত আপনার সঙ্গে আমার তেমন পরিচয় গড়ে ওঠেনি। মূলত এসব উদ্দেশ্যেই পুরানো পোস্টটিকে আবার সামনে আনা।
পোস্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা প্রিয় নীল আকাশ ভাইকে।

১৫| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৪৯

রানার ব্লগ বলেছেন: মেস জীবন আনন্দের যেমন যন্ত্রণার ও তেমন বিশেষ করে যদি আপনার মেস থাকে স্থানীয়দের আড্ডা খানা।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:১৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সহমত আপনার সঙ্গে প্রিয় রানার ভাই।" মেস জীবন আনন্দের তেমন যন্ত্রণার ও তেমন বিশেষ করে যদি আপনার মেস থাকেন স্থানীয়দের আড্ডাখানা।"চমৎকার একটি কথা বলেছেন ভাই। ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভেচ্ছা জানবেন।

১৬| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৫৮

করুণাধারা বলেছেন: কিছুটা পড়ে ভালো লাগলো। আশাকরি পরে আবার আসতে পারবো।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:১৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সময়াভাবে শেষ করতে পারেননি, কোন সমস্যা নেই আপু। যদি সময়ের সংকুলান হয় তাহলে আবার এসে পূর্ণাঙ্গ কমেন্ট করবেন আশায় থাকবো। অন্যথায় না এলেও জানব আপনি সময় ম্যানেজ করতে পারেননি।
পোস্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

শুভেচ্ছা নিয়েন আপু।

১৭| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:১১

ইসিয়াক বলেছেন: পোকা নাম থেকেই কি পদাতিক নাম এসেছে কিনা বুঝতে পারছি না ;) থাক বাবা নাম নিয়ে আর কিছু বলছি না তখন বকা খেতে হবে :P তবে আমারও উবুড় হয়ে বই পড়া মোবাইল নিয়ে ঘাটাঘাটি করার অভ্যাস।
গল্প মোটামুটি লাগলো। তবে একটা প্রশ্ন অসুস্হ বাচ্চাটির পরে কোন খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল?

যাই ফেবুতে আপনি কমেন্ট করেছেন উত্তর দিয়ে আসি।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:২৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: না না এরকম কিছু নয়। আপনাকে আবার বকাবকি করবে কে মাথায় আসছে না। আমার এখানে কমেন্ট করছেন বলে কি কেউ আপনাকে বকাবকি করে? তেমন হলে খুব অন্যায়। আমাকেও প্রায়ই একজন বকাবকি করে। কি কিছুন্তু মনে করিনা। বয়স হয়েছে কাকে কি বলতে হয় তার চিন্তাশক্তি লোপ পেয়েছে বলে পাত্তা দেই না। আপনিও ওসব নিয়ে অযথা সময় নষ্ট করবেন না।
ভালো থাকুন সবসময়।

১৮| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৩০

আখেনাটেন বলেছেন: বেশ বেশ। নিশিকুটুম্ব তো দেখি বেশ আদর যত্নেই পগার পার হয়ে গেল।

প্রথমের একটানা প্যারাগ্রাফ পড়তে একটু সমস্যায় হল। প্যারা বাড়াতে পাড়তেন, চোখের আরাম হত। :D


২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৩৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আগে বলুন এতদিন কোথায় ছিলেন? না কি ফ্যারাওদের খবরাখবর নেওয়া আমাদের মতো সাধারণ জনগণের সাজে না বলে গালমন্দ করবেন?
পোস্ট সম্পর্কে- হ্যাঁ নিশিকুটুম্ব বেশ আদরযত্ন করেই পগার পারহলেন।বংশটা যে খারাপ নয় সেটা মানতেই হবে।আর বড় প্যারা পড়তে কষ্ট হয়েছে শুনে দুঃখিত।আগামীতে শুধু আপনার কথা মাথায় রেখে প্যারা ছোট করার চেষ্টা করবো।

পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা প্রিয় আখেনাটেন ভাইকে।

১৯| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:৩৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,
মনোজ বসুর নিশিকুটুম্ব আর সাহেব চোরের কথা মনে পরে গেলো কেনো যেন আপনার গল্প পরে । কিছু কিছু গল্প কেমন করে যেন জীবন থেকে নয়া গল্পের মতো লাগে । এটাও তেমন লাগলো । সুন্দর । অভিকে দেওয়া কঠিন গালিটা মনে হয় এড়ানো যেত গল্পের ক্ষতি না করেও ।ভালো থাকুন ।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:৪৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার কমেন্ট পেয়ে খুশি হয়েছ ধন্যবাদ আপনাকে।

মনোজ বসুর নিশিকুটুম্ব আর সাহেব চোরের কথা গল্প পড়ে মনে হওয়াতে খুশি হলাম আবারো ধন্যবাদ আপনাকে। তবে আপনি শুনলে হয়তো বিশ্বাস‌ করতে নাও্ পারেন যে মনোজ বসুর নিশিকুটুম্ব আমার পড়া নেই। আপনার বলার পর কালেক্ট করে পড়বো বলে স্থির করেছি। মনোজ বসুর নিশিকুটুম্বের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজে পাওয়াতে খুশি হলাম আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।
আর গালি নিয়ে আপনার আপত্তি থাকায় মলাটবদ্ধ করার আগে আপত্তিজনক শব্দটি বাদ দিয়ে দেবো। তবে আমার ব্যক্তিগত অভিমত রাতের বেলা চোর-ডাকাত বাড়িতে এলে বাড়িওয়ালার সঙ্গে অত্যন্ত কদর্য আচরণ করে। সময় বিশেষ তারা বিশেষ গুলি বা বোমা চালাতেও পিছুপা হয়না। আর তখনই মুখ দিয়ে নানা রকম অশ্লীল কথাবার্তা বার করে।


২০| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৪৫

পদ্মপুকুর বলেছেন: আপনার গল্পগুলো পড়তে গিয়ে একটু ধ্বন্ধে পড়তে হয়, প্রথমদিকে মনে হয় নিজের অভিজ্ঞতা বলছেন, কিন্তু শেষে এসে দেখি গল্প.... বিশ্ববিদ্যালয় হোস্টেলে ভুত, এক বন্ধুর সাথে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ভুত, তারপর জমিজমা নিয়ে মাকে মেরে ফেলার গল্প, সবগুলোতেই একইরকম বোধ হয়েছে আমার। এটা গল্পকারের সার্থকতাই বলতে হবে।

প্রায় বছর ত্রিশেক আগে আমাদের বাসায় এক রাতে চোর আসলো। আমাদের রান্নাঘর মুল বাসা থেকে একটু দুরে ছিলো। চোর ঘরে ঢুকতে পারেনি, কিন্তু রান্নাঘরে ঢুকেছিলো। সকালে আমরা দেখি- রান্নাঘরে আগেরদিন কেনা ঝোল করা দুটো ইলিশমাছের পুরোটুকুই হাপিশ! নিশ্চিতভাবেই চোরটা অভাবী ছিলো, একা একবারে অতগুলো মাছ খেয়ে ফেলা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। চোর হয়তো বাড়ির মানুষের জন্য মাছগুলো নিয়ে গিয়েছিলো।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৩০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি বিলম্বিত উত্তর প্রদানের জন্য।গত দুইদিন একটু বেশি ব্যস্ত থাকার জন্য লগইন করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি।

পোস্ট প্রসঙ্গে:- গল্প পড়তে গিয়ে ধন্দে পড়েছেন জেনে নিজেই যে লজ্জা পেয়ে গেলাম‌। হেহেহে....
আপনি বিষয়টি উল্লেখ করেছেন বলে, জানাই যে প্রত্যেকটি গল্পই জীবন থেকে নেওয়া কাজেই সেখানে কিছুতো জীবনের মিল থাকবেই। সে দিক থেকে আপনার ধারণা একেবারেই অমূলক নয়। আগামীতেও সেই ধারা অক্ষুণ্ন রাখার চেষ্টা করব। আশাকরি বরাবরের মত আপনাকে পাশে পাব।আর গল্প ভালো লাগছে জেনে অনুপ্রাণিত বোধ করছি ধন্যবাদ আপনাকে।

গল্প পাঠের সঙ্গে সঙ্গে আপনার বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য প্রীত হলাম আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।তবে রান্নাঘরে ওরকম ইলিশ থাকলে চোরকে আর দোষ দেই কি করে। পাশের বাড়ি ইংলিশ রান্না হলে আমরা বড়রাই যে নিজেদের ঠিক রাখতে পারি না। কাজেই চোর বেচারাকে আর দোষ দিয়ে লাভ নেই।

পোস্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।



২১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৫১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: দারুন গল্প ছিলো

এমন ডাকাতও দুইনাইত আছে হাহাহাহা

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৩১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বিলম্বিত উত্তর প্রদানের জন্য ক্ষমাপ্রার্থ অনেকদিন পর আপনাকে দেখে খুশি হলাম আপু।

ছোট্ট কমেন্টে ভালোলাগা।

পোস্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

২২| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৫৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আহারে কেউ হয় ইচ্ছে করে ডাাকাত কেউ পরিস্থিতির শিকার।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৩৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বিলম্বিত উত্তর প্রদানের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী প্রিয় মাইদুল ভাই। ছোট্ট কমেন্টে ভালোলাগা।
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

পোস্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা মাইদুল ভাই আপনাকে।

২৩| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:০১

করুণাধারা বলেছেন: একটা বড় মন্তব্য লিখে পোস্ট করতে যেতেই অন্য পোস্ট চলে এল। এখন আর লিখতে ইচ্ছে করছে না। শুধু একটা জিনিস জানতে চাই, সেদিন কি পত্রিকা পেয়েছিলেন?

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৩৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বিলম্বিত উত্তর প্রদানের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী আপু। গত দুদিন বড্ড ব্যস্ত ছিলাম লগইন করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি।প্রযুক্তিগত অসুবিধার জন্য মাঝে মাঝে এরকম হয়ে থাকে আপু। আমারও এমন ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। নিজেকে খুব অসহায় লাগে তখন।
হ্যাঁ ঘটনাটা সবটা গল্প নয় কিছুটা সত্য। বেলার দিকে ফিরে দেখি সে পেপার দিয়ে গেছে।

আবার মন্তব্যে আসায় আনন্দ পেলাম। ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
শুভেচ্ছা জানবেন।

২৪| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:০২

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: ভালো লেগেছে লেখাটা।আমার মনে হয় লিউকোমিয়ার কথাটা আসলে ডাকাতিকে সিদ্ধ করার জন্য বলা।নিশিকুটুম্বরা আসলেই পেশাদার ডাকাত।নইলে ঢুকেই ওভাবে গালি দিত না। আমি ৬ বছর মেসে থেকেছি।তাই মেসের গল্পে নস্টালজিক হয়ে গেলাম। মেস জীবনটা আসলে খুবই মজার। যদিও সেখানে নিজের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব নিজেকেই পালন করতে হয়।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৫০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বিলম্বিত উত্তর প্রদানের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী । পোস্টটি পাঠ করে সুন্দর একটি মন্তব্য রেখে যাওয়ায় প্রীত হলাম ধন্যবাদ তমাল ভাই আপনাকে। ডাকাতি করলেও যথেষ্ট মানবিক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য লিউকোমিয়ার যুক্তিটি থেকে মনে হয়। পাশাপাশি নিশিকুটুম্ব পেশাদার ডাকাত হওয়াটাও অমূলক নয়। তবে গল্পে উল্লেখিত গালিটি কিন্তু অন্য একজন ব্যাক্তি দিয়েছিল।
আর্ মেস জীবনের প্রসঙ্গ ওঠায় যারা জীবনে কোনো না কোনো সময় অন্তত একবার মেসে কাটিয়েছে তাদের নস্টালজিক হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। আহা কি জীবন কাটিয়েছি। আর মেসে থেকে অভিভাবকত্বটা অনেকটা নিজের উপর ডিপেন্ড করে। তবুও কিছু সিনিয়র সদস্য জুনিয়রদের কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ করে।যদি তাদের বাবা-মাও মাঝে মাঝে এসে খোঁজ নেয়।

সব শেষে আবারও বলি সুন্দর একটি কমেন্ট রেখে দেওয়ার জন্য আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।

নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন।

২৫| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:৫৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এটা আগে পড়া হয় নাই। রি-পোষ্টের কল্যানে পড়তে পারলাম। নিশিরাতে এমন কুটুম্ব না আসলেই ভালো। মানুষ-জন সাবধান থাকলে এসব কুটুম্বদের মেহমানদারী করা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

সোজা ছবি বাকা করে দেয়া মানে কি? টাটা মেডিক্যাল সেন্টার এমন কোন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা না যে, এটাকে খাড়াখাড়ি অবস্থায় পড়া যাবে না। পোষ্টের সাথে ছবির কোন সম্পর্ক দেখলাম না। রাজীব নুর আপনাকে ভালোই ট্রেনিং দিয়েছে মনে হচ্ছে। :)

ছোটবেলায় ''অবাক সন্দেশ'' নামে একটা সন্দেশ আমার খুবই প্রিয় ছিল। ''অবাক জলপান'' দেখে মনে পড়লো।

''বোদ্ধা'' প্রজাতিটা ঝাড়ে-বংশে দিনকে দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্লগেও প্রচুর নমুনা আজকাল দেখা যায়। দুই বাংলার মধ্যে ''বোদ্ধা বিনিময় কার্যক্রম'' চালু করলে কেমন হয়? মডেল টেস্ট হিসাবে ব্লগারদেরকে দিয়েই শুরু করা যায়, কি বলেন!! :P

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:২৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অবশেষে আপনার দেখা পেয়ে খুশি হলাম। আমি ভাবছিলাম কি জানি ওদিকে সূর্য উঠেছে কিনা। আপনি তো ধারাবাহিক পোস্টে আসেন না কাজেই ছোট ছোট পোষ্টগুলো আপনার মতো কয়েকজনের উদ্দেশ্যে দেওয়া।‌নিশিরাতের কুটুম্বরা সব সময় যে আমাদের উপর ডিপেন্ড করে না। তাদের নিজস্ব কিছু চাওয়া-পাওয়া ভালোলাগা থাকবে। পকেট খালি হলে বা কিম্বা স্বভাবের কারণে তারা যে রাতের বেলাতেই ঘোরাঘুরি করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তবে যাই বলেন গভীর রাতে এমন মেহমানদের আগমনে আক্কেলগুরুম হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।

ছবি প্রসঙ্গে আপনার কৌতুহলের জন্যই আপনি আমার এত প্রিয়, এত কাছের; বলা যায় ব্লগে আপনজন বৈকি। আমি যদি খুব ভুল না হয় তাহলে গোটা উপমহাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থার একটা চিত্র উপরের ছবিতে ধরা পড়েছে। টাটা মেমোরিয়াল সেন্টারের মতো জায়গায় চিকিৎসা করতে যাওয়া মানে যে কোন মানুষের ভূপতিত হওয়া বা মেরুদণ্ড ভেঙে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। টাটা মেমোরিয়াল সেন্টারের টাওয়ার এভাবে হেলে যাবে না ঠিকই কিন্তু চিকিৎসা করতে যাওয়া সকলেই টাওয়ার এভাবে হেলে যাবে আশঙ্কা করেই ছবিটি এমন ভাবে দেওয়া। আশা করি এবার আপনাকে যথাযথ বোঝাতে পেরেছি।

আর সঙ্গত কারণেই রাজীব নূর বা আপনার সঙ্গে তুলনা হয়না। আমি দায়িত্ব নিয়েই বলছি ব্লগে বাঁকা ছবি একমাত্র আমিই দিতে পারি। কাজেই এই পেটেন্টটি আমার।আমি বিগত প্রায় তিন বছর ধরে বাঁকা ছাবি দিয়ে আসছি। এরপরও যদি আমাকে পেটেন্ট না দেন তাহলে আমার প্রতি খুব অবিচার হয়ে যাবে। বলে রাখলাম হু....

আপনার অবাক সন্দেশের প্রতি প্রেম দেখে আমারও একটা খাবারের কথা মনে পড়ে গেল। বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা খাবার আমাদের খুব প্রিয় ছিল তার নাম ঢপের চপ। আমি কিন্তু একেবারেই ঢপ দিচ্ছি না খুব সুন্দর দারুন একটা টেস্টি খাবার ছিল। এখন প্রচন্ড মিস করি খাবারটিকে।

আর বোদ্ধা প্রজাতির সম্পর্কে একদম মনের কথা কইয়েছেন। সহমত আপনার সঙ্গে যে এখন ব্লগেও এমন অনেকেরই দেখা মেলে। আর বোদ্ধা কার্যক্রম চালু করা প্রসঙ্গে আপনার প্ল্যানটা দারুণ। খুব শীঘ্রই শুরু করে দিন। 'আমরা বোদ্ধারা' বলে দুই বাংলায় প্রস্তাবিত কার্যক্রমটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। খুব শিগগিরই অনুষ্ঠানটির পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করুন। হেহেহে....

পোষ্টটিতে লাইক করে অনুপ্রাণিত করার জন্য কৃতজ্ঞতা বোধ করছি। নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।


২৬| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:১১

ঢুকিচেপা বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার নিশিকুটুম্ব কাহিনি।
ডাকাত হলেও মানুষ ভালো, অভাবে স্বভাব নষ্ট আরকি।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যে ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি ভাইয়ামনি না আপুমণি তা নিয়ে এখনো মনে সংশয় আছে। আশা করবো আপনি আমার সংশয়ের অবসান ঘটাবেন। নিশিকুটুম্ব ভালো লেগেছে ও পোস্টটিকে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
সহমত আপনার সঙ্গে,' ডাকাত হলেও মানুষ ভালো, অভাবে স্বভাব নষ্ট আরকি।'

নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

২৭| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:০৯

সোহানী বলেছেন: তাইতো ভাবছি এটাতো পড়েছিলাম আগে। শেষে এসে রিপোস্ট দেখে বুঝলাম স্মৃতি এখনো ভালোই আছে।

যাহোক, কমেন্ট সবসময়ই কম হতো কারন বেশীর ভাগ লেখাই ট্রেনে ঝুলে যেতে যেতে পড়তাম। এখন করোনার কারনে একটু শান্তিতে দিন পার করছি।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:২০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ আপু রিপোর্ট হাওয়ায় পড়াটা খুবই স্বাভাবিক।আর আপনি যেখানে একজন নিয়মিত ব্লগার কাজেই এমন পোস্ট চোখের আড়ালে না যাওয়ারই কথা। আর কমেন্ট করার মতো অবস্থা সব সময় হয়ে ওঠেনা। আমি নিজে তার ভুক্তভোগী। এমন বহু সময় গেছে, বাসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ব্লগিং করে গেছি কিন্তু কমেন্ট করা সব সময় সম্ভব হতো না।এত অসুবিধার মধ্যেও আপনি আমার পোস্ট পড়েন এটাই আমার সর্বোত্তম পাওনা।
পোষ্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপু আপনাকে।

২৮| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:৪৯

বলেছেন: ফেবু তে পড়েছি -

বাংলা এপসে ব্যাপক সমস্যা তাই আপাতত বিরতি !!!

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:২২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: নো প্রবলেম প্রিয় লতিফ ভাই। আপনি বহুদিন পর কমেন্টে ফিরে এসেছেন এটাই আমাদের গ্রেট পাওনা। ধন্যবাদ আপনাকে। বাংলা অ্যাপসের সমস্যা মিটলো নিয়মিত হবেন আশা করি....

২৯| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:৫০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: পদাতিক চৌধুরী,
মনোজ বসুর উপন্যাসের কথা বলেছি মানে কিন্তু এই না যে তার সাথে আপনার গল্পের মিল আছে সেটা মিন করেছি । সেটা আসলে করিনি। আপনার গল্পের সাথে মনোজ বসুর উপন্যাসের মিল খুবই কম । বাংলা সাহিত্যে মনোজ বসুর নিশিকুটুম্ব একটা ক্লাসিক হিসেবেই পরিচিত । ষাট দশকে লেখা ওই উপন্যাসটা মনে হয় বাংলা সাহিত্যে চোরদের নিয়ে লেখা প্রথম উপন্যাস । আপনার গল্প পড়তে পড়তে তাই সাহেব নামের মানবিক এক চোরের কাহিনী নিয়ে লেখা মনোজ বসুর ক্লাসিকটার কথা মনে হয়েছিল । আর আমার মন্তব্যেই কিছু চেঞ্জ করার দরকার নেই । আপনি দরকারি মনে করলে ওই কথাটা রাখতে পারেন। আমি লেখার ব্যাপারে একটু রক্ষণশীল। তাই ওটা পড়তে গিয়ে হোঁচট খেয়েছিলাম সেই আর কি । ভালো থাকুন ।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:০০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আবার মরণ মন্তব্যে ফিরে আসার জন্য আনন্দ পেলাম ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
অস্বীকার করব না যে যেহেতু মনোজ বসুর নিশিকুটুম্ব উপন্যাসটি আমার পড়া নেই কাজেই হয়তো আমার লেখনী শ্রদ্ধেয় কথা সাহিত্যিকের সৃষ্টির অনুকরণীয় হয়েছে- এমন একটা আশঙ্কা করেছিলাম। আপনি ফিরে আসায় ধারণাটি স্পষ্ট হলো। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। সাথে সাথে আবারো বলছি এই মুহূর্তে আমার প্রধান কাজ উপন্যাসটি সংগ্রহে আনার। ভীষণই আকৃষ্ট হলাম উপন্যাসটি পড়তে। দেখি কত তাড়াতাড়ি সংগ্রহ করতে পারি।
আর পোস্টটি যখনই মুদ্রিত আকারে বার হবে ওই বিশেষ জায়গাটি আমি অবশ্যই চেঞ্জ করে দেব। আপনি ঠিকই বলেছেন লেখনীতেই ফুটিয়ে তুলতে হবে,কোন অশ্লীল বাক্য দিয়ে নয়। আমরা ব্লগে প্রতি মুহূর্তে শিখছি। আপনি বিচক্ষণ বিদ্বজন ব্লগার।আপনার নিদর্শন আমার দিশারী। আবারো ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা ভাই আপনাকে।

শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা আপনাকে।

৩০| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:১০

আমি তুমি আমরা বলেছেন: এতো দেখি মানবিক ডাকাত!!!

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:০২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার মন্তব্য পেয়ে আনন্দ পেয়েছি। আশা করি ভাল আছেন।
হ্যাঁ ভাই ডাকাত হলেও বংশ খারাপ নয়। কাজেই নিশিকুটুম্ব হতে তো আর আপত্তি নেই। হেহেহে...

পোস্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

৩১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:৩৭

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: মর্মস্পর্শী লেখা।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:০৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সেদিনও প্রিয় ছোট ভাইয়ের মন্তব্য ছিল।আজকেও কমেন্ট পেয়ে খুশি হলাম। ধন্যবাদ প্রিয় ছোট ভাইকে।
হ্যাঁ মর্মস্পর্শীই বটে। পাট ও মন্তব্যে ধন্যবাদ ভাইকে।

নিরন্তর শুভেচ্ছা রইলো।

৩২| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৩৫

আনমোনা বলেছেন: মেস জীবনের মজা থেকে নিশিকুটুম্বের হৃদয় ছোয়া কাহিনী। দুটো অংশই আলাদা ভাবে ভালো লেগেছে। তবে দুটো ঠিক মত ব্লেন্ড করেনি। গল্প শুরু হয়েছে মেসের বর্ননা দিয়ে, শেষ হয়েছে অভির জবানীতে, ব্যাপারটা কেমন খাপছাড়া। অভির কথার পরে মেসসদস্যদের প্রতিক্রিয়া পেলে আরো ভালো লাগতো।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৭:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে। আপনার মন্তব্যটি আমার ভীষণই ভালো লেগেছে। খুব সুন্দর একটি বিষয় তুলে ধরেছেন।++ ব্লেন্ড না করার বিষয়টি নিয়ে আবার ভাববো বা ভবিষ্যতে মুদ্রিত হলে ব্লেন্ড করার চেষ্টা করবো। আবারো ধন্যবাদ আপনাকে এমন একটি বিষয় তুলে ধরার জন্য। কোন অজুহাত দেবোনা। তবে একটু বড় হতেই মেসের প্রতিক্রিয়া না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু আপনি বলার পর বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পারছি।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভেচ্ছা জানবেন আপু।

৩৩| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৫৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
পদাতিক দাদা চমৎকার অথচ
নিশিকুটুম্বের করুণ কাহিনী পড়ে
মনটা বিষাদে ভরে গেল।
যা হোক নানাবিধ কারনে ব্লগে
নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েছি। তাই
আগের মতো আসতে ইচ্ছা হয়না
তারপরেও আপনাদের টানে মাঝে
মধ্যে ঢু মারি। ভালো থাকবেন।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৭:৫৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় নুরু ভাই। আশাকরি ভাল আছেন। কাহিনী পড়ে আপনার বিষণ্ণ মনের পরিচয় পেয়ে খুশি হলাম। পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। বুঝতে পারছি সাম্প্রতিক কালে আপনার ব্লগের প্রতি অনাসক্তের কথা। কিন্তু তবুও বলবো, কিছু বিষয়কে এড়িয়ে চলুন। আপনি বিচক্ষণ ব্লগার। পাশাপাশি আমরাও আপনাকে ব্লগে স্বাভাবিক দেখতে চাই। আমি একটু পিছিয়ে পড়েছি।সময় করে সবার পোস্টে ঘুরে আসবো।
ভালো থাকুন। শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা আপনাকে।

৩৪| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:৩১

ওমেরা বলেছেন: আরেকজনে কষ্টে উপার্জিত সম্পদ রাতের অন্ধকারে ছিনিয়ে নেয়া অন্যায়। মেয়ের লিওকোমিয়া হয়েছে বলেই সেটা জায়েজ হয়ে যাবে না ।
পদ্ম পুকুরের মতই আপনার গল্প পড়ার সময় আমারও এরকম মনে হয় যে আপনার দেখা কোন সত্য ঘটনা মনে হয় । শেষে এসে বুঝতে পারি এটা গল্প । এটা অবশ্যই আপনার লিখার সার্থকতা ।
গল্প অনেক ভালো লাগলো ।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপু অন্যের কষ্টার্জিত সম্পদ নেওয়া যে অন্যায়- এই বোধ চোর-ডাকাতদের আর হবে কি করে? বোধ- বিবেক থাকলে ওরা এই পথে এগিয়ে আসতো না। রাতের বেলা বা গৃহস্থের অসাবধানতার সুযোগ নিয়ে সর্বস্বান্ত করত না।
পদ্মপুকুর ভাই একজন গুনী মানুষ। উনি ওনার মতো করে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। আপনিও ওনার সুরে কথা বললেন। ভীষণই খুশি ও অনুপ্রেরণা পেলাম। আপনার কথার সূত্রে পদ্মপুকুর ভাইকে ধন্যবাদ জানাই।‌সাথে আপনাকেও জানাই কৃতজ্ঞতা।
গল্প মোটৈর উপর ভালো লেগেছে জেনে খুশি হয়েছি। পোস্টটিকে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

৩৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:২৩

মা.হাসান বলেছেন: আমি ভেবেছিলাম দুয়ারে সরকার, এখন দেখছি - না, দুয়ারে কাকু। অবশ্য পার্থক্য কম। দুজনেই জনগনকে ভারমুক্ত করতে সচেষ্ট (দু বাংলাতেই)।

আরেক জায়গায়ও অবশ্য দু বাংলার মিল আছে। ব্যাচেলর ছেলেরা চরিত্রহীন বলে এখানেও বাড়িওলারা ভদ্রা পাড়ায় ব্যাচেলর ছেলেদের বাড়িভাড়া দিতে চান না। অবশ্য নিজের মেয়ের বিয়ে দেবার সময় আর চরিত্রবান বিবাহিত ছেলে খোঁজেন না, চরিত্রহীন ব্যাচেলরই টার্গেট করেন। কারণটা ঠিক বুঝে উঠতে পারি নি।

রি-পোস্টের জন্য ধন্যবাদ, রিপোস্ট না করলে এই সুন্দর লেখাটা পড়া হয়ে উঠতো না।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:৩২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: রাত 1:23 এ কমেন্ট করছেন। বুঝতেই পারছি চোখে ঘুম ঢুলু ঢুলু। প্রথমত:- ছবিতে একটা ফিঙে আছে। দ্বিখন্ডিত লেজ তারই প্রমাণ। ফিঙে ব্লগে আমারই প্রতিনিধি। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নিরিখে কতটুকুই বা তার অস্তিত্ব। নিজের উপস্থিতি তাই একটু আত্মমূল্যায়ন করলাম। দ্বিতীয়তঃ একটি বিশেষ জায়গায় শুধুমাত্র আপনার জন্যেই দরজায় ছিটকিনি না দেওয়ার কথা বলা ছিল। যদিও ছিটকিনি আমি এখনোও দিইনি। উল্লেখ্য আপনার আগমনে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো ঠিকই কিন্তু আশা করেছিলাম এই অসঙ্গতিটি আপনি ধরে ফেলবেন।হতে পারে গভীর রাতে এসেছেন ছিটকিনির উপস্থিতি টের পাননি।
আর বিয়ের বাজারে ব্যাচেলর পাত্র মেয়ের বাবাদের বেশি পছন্দ হলেও করিনা কাপুরের মতো হার্টথ্রব নায়িকারা অবশ্য Ok tested.জিনিসকেই বেশি অগ্রাধিকার দেন। আমরা অবশ্য মুখে কিছু কমুনা। হেহেহে....


সবশেষে একেতো রিপোস্ট তার উপর এত বিলম্বিত আগমন তার উপর কাকের দৃষ্টি- সব মিলিয়ে ধন্যবাদ নিমুনা. ‌‌তবে দিতে কিরপিনগিরি করবো না। অনেক শুভেচ্ছা আপনাকে।



৩৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:৪১

ইসিয়াক বলেছেন: প্রোফাইর পিকে আপনাকে ,নিঃসঙ্গ লাগছে ;) আহা কোথায় হারিয়েছে আপনার সাথিটি।

ফিরে এসো! ফিরে এসো, মধুমিতা!!
তোমারই অপেক্ষায় তোমার মনোমিতা।


আপনার জন্য দু লাইন। =p~ =p~ =p~

শুভসকাল

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:০৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনার আবার আগমনে আনন্দ পেলাম; ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রোপিক নিয়ে- দিন শেষে আমরা যে সত্যিই বড় নিঃসঙ্গ। ক্ষণিকের অতিথি মোরা। ভাবনা যে তাই নিজের নিঃসঙ্গতা নিয়ে।কেনই বা এলাম ফিঙে না হয়ে মানুষ হয়ে।ওরা বা কেন মানুষ না হয়ে পেল ফিঙের জীবন। কেন এই বৈপরীত্য? কাজেই এই নিঃসঙ্গতা একান্ত নিজেরই.... দৃষ্টি যেখানে মহাশূন্য থেকে ওই সুদুরে পথে....। মধুরিমা বরং থাকুন কারো না কারো হৃদ মাঝারে।

শুভেচ্ছা প্রিয় ইসিয়াক ভাইকে।

৩৭| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:৩৭

নজসু বলেছেন:



ফাগুনের শুভেচ্ছা র'লো প্রিয় ভাই।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: এতদিন কোথায় ছিলেন? কেমন আছেন? উপরওয়ালার ইচ্ছায় ভালো আছি। আপনার ফাগুনের শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম।
আপনার জন্যও রইলো বাসন্তিক শুভেচ্ছা।

৩৮| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৫

ইসিয়াক বলেছেন: অসাধারণ প্রতি মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ফাগুনের শুভেচ্ছা রইলো।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৩৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। আবার কমেন্টে এসে নিজের অভিব্যক্তি জানানোর জন্য।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

৩৯| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২১

জুন বলেছেন: আবারও ভালোলাগলো পদাতিক । ডাকাতগুলোর জন্য মায়া লাগছে ।
+

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:১৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেক দিন পর আপুর আগমনে খুশি হলাম ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
পোস্টটি ভালো লাগায় ও লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
ডাকুদের জন্য মায়া লাগছে জেনে আনন্দিত হলাম। ঠিকই তো আপু অভাবে হয়তো ওরা রাতে ওভাবে আসতে বাধ্য হয়েছিল কিন্তু ওরা মানবিক।গল্পে এই বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলাম।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন আপু।

৪০| ১৯ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:৫৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: এই গল্পটা পড়ছিলাম আর খানিক পর পর নীচে স্ক্রল ডাউন করে নিজের মন্তব্যটি খুঁজছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল যে গল্পটি আগেও পড়েছি। নিজের নামটি না দেখতে পেয়ে গল্প পাঠ শেষ করে একেবারে শেষে এসে শেষের নামটি দেখলাম আমারই। যাহোক, পুনঃপঠনে বিরক্তি লাগেনি।

নিশিকুটুম্বদলের সর্দার মহোদয়ের উদারতায় এবং মানবিক আচরণে মুগ্ধ হ'লাম।

গল্পে আবারও ভাল লাগা রেখে গেলাম। + +

২১ শে জুন, ২০২১ রাত ৯:০৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: "এই গল্পটা পড়ছিলাম আর খানিক পর পর নীচে স্ক্রল ডাউন করে নিজের মন্তব্যটি খুঁজছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল যে গল্পটি আগেও পড়েছি। নিজের নামটি না দেখতে পেয়ে গল্প পাঠ শেষ করে একেবারে শেষে এসে শেষের নামটি দেখলাম আমারই। যাহোক, পুনঃপঠনে বিরক্তি লাগেনি।"-আপনার এমন আন্তরিক মন্তব্যে প্রীত হলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ স্যার আপনাকে। পুরানো পোস্ট দিতে গিয়ে একটু অস্বস্তিবোধ চলে আসে বৈকি। কিন্তু আপনাদের এমন মন্তব্য মনের সেই অবস্থা অনেকটা পরিষ্কার করে দেয়। আবারো ধন্যবাদ আপনাকে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আগের পোস্টের সঙ্গে এই পোস্টটির বেশ কিছু পরিবর্তন করেছি। যদিও সেসব পরিবর্তন পুরানো পোস্টেই করতে হয়েছে। নতুবা কপি পেস্টে সংশোধনী আনা যেত না।

নিশিকুটুম্বদলের সর্দার মহোদয়ের উদারতায় এবং মানবিক আচরণে মুগ্ধ হ'লাম।"-ধন্যবাদ স্যার আপনাকে।
গল্পে আবারো লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা স্যার আপনাকে।


৪১| ২০ শে জুন, ২০২১ রাত ১২:০৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আনমোনা এবং ওমেরা এর মন্তব্যদুটো ভাল লেগেছে।

২১ শে জুন, ২০২১ রাত ৯:০৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ব্লগে কমেন্টে একটা অভিনভ ধারা সৃষ্টির ঐতিহ্যকে যথারীতি এই পোস্টেও উল্লেখ করে ভালো কমেন্টদাতা হিসেবে উল্লিখিত দুজন সম্মানীয় ব্লগারের নামোল্লেখ করাতে আনন্দ ও প্রেরণা পেলাম। ওনাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও আমার পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানবেন।
ভালো থাকবেন স্যার সবসময়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.