নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ধুর!

বিকট

হাসান মাহবুব

আমার অপদার্থতাকে মাহাত্ম্য ভেবোনা...

হাসান মাহবুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডিসটোপিয়া

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৯



আমাদের ঘুম কেড়ে নেয় ইউটোপিয়ান ভ্রান্তি...



যারা জেগেছে রাত, যারা চুমুক দিয়েছে মদের গেলাসে, তাদের বাহুলগ্না নারীর উগ্র সুবাস এবং অসংবদ্ধ নৃত্যের প্রলোয়ল্লাসে আকৃষ্ট হয়ে স্বপ্নগ্রস্থরা ঝাঁকে ঝাঁকে চলে আসে এই বৃহৎ অডিটোরিয়ামে। এখানে ইউটোপিয়ায় আক্রান্তদের জন্যে সর্বপ্রকার সুব্যবস্থা রয়েছে। যারা স্বপ্নে দেখেছিলো অপার্থিব আলোর রেখা অথবা শুনেছিলো বৃষ্টিপিয়ানোর সুর, ঘুম ভেঙে তাদের কেউ কেউ ছিটগ্রস্থের মত আচরণ করে। তাদের এই আচরণ প্রলম্বিত হলে, আরেকটা নাঘুমো দীর্ঘরাত কল্পরাজ্যের প্রলোভনে হাপিত্যেশ করে কাটিয়ে দিলে ভোরের আলোয় তারা দেখতে পায় কার্নিশে বসে আছে শকুনদম্পতি। তাদের দিকে চেয়ে আছে খরদৃষ্টিতে। আবার তাদের কেউ কেউ, সমঝদার অংশটি, নিজেদের রোগনির্ণয় করে নিরাময়ের আশায় চলে আসে এই ডিসটোপিয়ান অডিটোরিয়ামে।



এখানে ব্রাত্য গোলাপচারা জানে সংকটের দিনলিপি...



আমাদের সম্ভ্রান্ত সুখস্বপ্ন সম্ভ্রম হারিয়ে সম্ভ্যাব্যতার গণিতে অকার্যকর প্রমাণিত হলে এ্যানার্কিস্টরা সোল্লাসে চিৎকার করে ওঠে

'চিয়ার্স!'

হলঘরে জমা হয় স্বেতসুরার স্বেতস্রাব। আমরা তাতে অবগাহন করি, হেড়ে গলায় গেয়ে উঠি নৈরাজ্যসংগীত। আমাদের নাম স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ হয় শরবিদ্ধ সম্রাটের শোচনালয়ে, আমাদের ডিসটোপিয়ান ঈশ্বরের দরবারে। কিছু স্বপ্নালু বোকা ইউটোপিয়ান হতচকিত বোধ কাটিয়ে ওঠার আগেই নবনিয়োগকৃত প্রহরীদের অতি উৎসাহী মহড়ায় লাঞ্চনার শিকার হয়ে চিরদিনের জন্যে প্রস্থানে বাধ্য হয়। সংস্ক্রিয়া সুচারুভাবে সম্পন্ন হলে সম্রাট সদম্ভ ভাষণ দেন,

"প্রিয় নৈরাজ্যবাদীরা, তোমাদের স্বাগতম আমার সুরম্য প্রাসাদে। এখন থেকে তোমরা এখানকার আজীবন বাসিন্দা। তোমরা জেনেছো ইউটোপিয়ান সমীকরণের অসারতা। তোমরা জেনেছো নৈরাজ্যের সৌন্দর্য এবং সৌকর্য। অভিবাদন তোমাদের। অভিবাদন পাপ এবং পঙ্কিলতাকে। অভিবাদন দুঃস্বপ্নতাড়িত সহিংসতা। ভালোবাসা অনুভূতিহীনতা, ধ্বংস কর স্বপ্নসুখের যৌথখামার। তার আগে নাচো এবং গাও। পান কর এবং উন্মত্ত হও!"

প্রবল হর্ষধ্বনিতে তার কন্ঠস্বর চাপা পড়ে যায়। তিনি সন্তুষ্টচিত্তে আমাদের প্রফুল্লতা দেখে বিরতি নেন কিছুক্ষণের জন্যে।

"তবে ভুলে যেও না তোমাদের কর্তব্য। আহলাদী সুখ এবং গেরস্থ জীবন এখানে সমাহিত। স্ফুটোনন্মখ ধাতবশিশ্ন দিয়ে ধর্ষণ কর ধরিত্রীকে। ভেঙে ফেলো সব আইনের কাঁচপুতুল।"

এ পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবকরা আমাদের কাছে মেনিফেস্টো বিলি করতে থাকে। আমরা মহান ডিসটোপিয়ান এ্যানার্কিস্ট সম্রাটের উদ্দেশ্যে আরেকবার জয়ধ্বনি করি। আমাদের উশৃঙ্খলতা সকল সীমা অতিক্রম করে। আমরা ভেঙে ফেলি পানপাত্র, সস্নেহে স্বমেহন করে ধর্ষণের প্রস্তুতি নিই। দেয়ালে সজ্জিত ধ্রুপদী তৈলচিত্রগুলোর ওপর বীর্যস্খলন করে পরবর্তী ঘোষণা শোনার জন্যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি।

"ভেবো না তোমাদের এই জাহির করা আচরনে আমি মুগ্ধ হয়েছি। আমার চাই আরো লুন্ঠিত সুখ, ধর্ষিত স্বপ্ন। যদিও তোমরা এই ডিসটোপিয়ান পৃথিবীতে স্থায়ীভাবে তালিকাভূক্ত হয়েছো, তারপরেও তোমাদের মুখোমুখি হতে হবে কঠিন পরীক্ষার। আমি যথেচ্ছভাবে একজনকে নির্বাচিত করব আজ। এখন আমোদ-প্রমোদ বন্ধ করে অভিযানের জন্যে প্রস্তুত হও। আমি তোমাদের ঈশ্বর"





আমাকেই ডাকা হবে এতশত জনের মধ্যে ভাবি নি। তার মুখোমুখি হবার সময় আমার মনে পড়ে গেল কবি আন্দালীবের একটি কবিতার কিছু পঙক্তি,



"শিস বাজাচ্ছো এ্যানার্কিস্ট

তুমি ফড়িঙের যৌথতা ভেঙে দিচ্ছো

প্রথাব্যঞ্জন"



-তুমি প্রস্তুত?

-ফর এনিথিং! এনিটাইম!

-আমি কীভাবে জানবো তোমার সমরশক্তির দক্ষতা, হৃৎপুস্তিকার লেখা মুছে দেয়ার জন্যে ইরেজার...

-আছে!

-প্রজাপতির ডানা, সপ্তসুরের ফিউশনে নেচে ওঠা সপ্তর্ষি, দক্ষিণা হাওয়ার তৈরী বায়ুবাহন...

-আমি ভেঙে দিতে পারি সব প্রথাব্যঞ্জন!

-কে তোমার প্রিয়, মাদার তেরেসা, চে গুয়েভারা, নেলসন ম্যান্ডেলা, জন লেনন...

আমি তার চোখে আমুদে টিটকিরি খেলে যেতে দেখি। সে আমাকে নিয়ে খেলছে। এখানকার, এই বিশাল হলঘরে ফুটে থাকা যৌনগন্ধী ফুলের মাতোয়াড়া সুবাসে এবং মৃত্যর মত রোমাঞ্চকর রাশান রুলেট খেলতে থাকা সতীর্থদের জীবনোল্লাসে আমি সহিংস হয়ে উঠি। তোয়াক্কা করি না কে সম্রাট কে প্রজা, কে ঈশ্বর!

-শোন মাদারফাকার, আই হেইট দেম। শান্তির মত উপাদেয় পান্তুয়া আর নেই জানি, কিন্তু আমি কোন ময়রা না। আমি ধ্বংস করতে চাই।

-কী ধ্বংস করতে চাও?

-যাবতীয় সৃষ্টি এবং অনাসৃষ্টি।

-ঈশ্বর তোমার সহায় হোক!

আমি আবারও রেগে উঠতে গিয়ে বুঝতে পারি যে সে রসিকতা করছে। উচ্চস্বরে হেসে আমি তার সাথে শামিল হই এযাবৎকালের তৈরী এক লাইনের সর্বশ্রেষ্ঠ কৌতুকটিতে।

আহ আনন্দ!

আমার পানপাত্রে সে আরো পানীয় ঢেলে দেয়। লাল রঙের উত্তেজক পানীয়। সেটা রক্ত না ঈশ্বরের অশ্রু, নাকি কুমারীর অনাস্বাদিত উরুসন্ধি থেকে নির্গত তরল নাকি উন্নতমানের ওয়াইন জানি না। ঢোকঢোক করে গিলে ফেলি।

-অভিযানে যাবার আগে একটু চাঙা হয়ে নাও। আরো লাগবে?

সশিশ্ন জিজ্ঞাসা তার। আমি আপত্তি করি না। আমাকে ঘিরে হিপহপ নাচে ক্রুশবিদ্ধ যিশু, অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষুধানাশী ক্ষারক, বিকলাঙ্গ শিশু আর বৃদ্ধদের দল আর বয়সের ভারে ন্যুব্জ কুঁজো ঈশ্বর।

-এরা কোত্থেকে এলো এখানে?

উত্তেজক পানীয় পান করার পর আমার নিজেকেই সম্রাট মনে হয়। আমি তাদেরকে কচুকাটা করার উদ্দেশ্যে মহামান্য এ্যানার্কিস্ট ঈশ্বম্রাটকে ধাক্কা দিয়ে সামনে এগুতে গিয়ে দেখি আমার কোমড়ে সুতো বাঁধা।

-ধীরে! এখনও সবাইকে পরাভূত করার শক্তি দেয়া হয় নি তোমাকে। বিকলাঙ্গ শিশু অথবা অথর্ব বৃদ্ধদের জন্যে তুমি ঠিক আছো, তবে ঈশ্বর এবং তার প্রেরীত পুরুষদের সাথে লড়াই করার যোগ্যতা এখনও অর্জন করো নি।

প্রচন্ড রাগে ফুঁসতে থাকি আমি। শুধুমাত্র শিশু এবং বৃদ্ধদের নিয়ে তো যে কেউ যা ইচ্ছে তাই করতে পারে। আর ঈশ্বর? সেতো নিজেই নিজেকে নিয়ে তটস্থ নানারকম অনুভূতির দংশনে। উফ! কোমড়ের রশিটা শক্তভাবে লেগে আছে।

-শোনো, ঈশ্বরের সঙজ্ঞা আপেক্ষিক। এখন আমিই তোমার ঈশ্বর। তোমাকে আমি পরিচালিত করব। তোমার সীমা আমি নির্ধারণ করব। তবে চিন্তার কিছু নেই। রশিটা অনেক বড়। তুমি অনেকদূর যেতে পারবে নয়া রিক্রুট। যাও! ঝাঁপিয়ে পড় তোমার সমস্ত ধ্বংসস্পৃহা নিয়ে। আমরা ডিসটোপিয়ান পৃথিবী কায়েম করব।

সবাই একসাথে শেষ বাক্যটির প্রতিধ্বনি করে। আমি আর এক পেয়ালা পানীয় পান করে ছিটকে বেরুই অডিটোরিয়াম থেকে।



Welly, welly, welly, welly, welly, welly, well. To what do I owe the extreme pleasure of this surprising visit?



হাহা! আমাকে দেখে কেউ বুঝতে পারছে না আমি কী। বুঝবে কী করে? নিপাট ভদ্দরলোকের মত পোষাক পরিধান করে আছি। হাঁটছি দৃপ্ত পদক্ষেপে। পাশে দাঁড়ানো পুলিসের গাড়িটা একটা ট্যাক্সিক্যাবের কাজগপত্তর পরীক্ষা করতে ব্যস্ত। ছিন্নমূল শিশুরা ডাস্টবিন থেকে ময়লা কুড়োচ্ছে গভীর মনোযোগে, আমার দিকে কারো নজর নেই।



শহরের এই এলাকাটা সন্ধ্যায় খুব জমজমাট থাকে। আমি আমার অন্তর্গত হিংস্রতা অনুভব করে আনন্দ পাই। জিঘাংসু দৃষ্টিতে তাকাই যাবতীয় সৃষ্টিযজ্ঞের দিকে।



খিক খিক খিক!



এইখানে আবাসিক এলাকায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বন্দী হয়ে কেউ জীবন চুদাচ্ছে। অভিজ্ঞ বাঞ্চোতরা পুরোনো দিনের গান গেয়ে ঢেকুরস্য কুকুর অথবা কুকুরস্য ঢেকুর হয়ে বুদবুদিয়ে উড়ে যাচ্ছে ইউতোপিয়ানো আহা কী মধুর শব্দ ই্যউঠোপিয়ানো মেঘমুত্রের দেশে। এইখানে সূর্যটা পশ্চিম দিকে একটু হেলান দিলে সবাই বালেশ্বরের প্রার্থনায় মেতে উঠবে। একই সাথে প্রজন্মান্তিক পতিতারা বের হবে জরাগ্রস্থ জরায়ু নিয়ে। পতিতাদের আমার ভালো লাগে। ওদেরকে জোর করে ডিসটোপিয়ান হলরুমে নিয়ে যেতে হয় না। মাগী, মাগীর দালাল, ছিনতাইকারী সবাইকে নিমন্ত্রণ জানাতে হবে। দশজঙ্কে নিয়ে যেতে পারলে আমি কমিশন পেতে পারি ডেস্টিনির আবালগুলার মত। হেহেহে! এই ডেস্টিনিগুলাকে অবশ্য গোণায় ধরি না আমি। ওদের প্রোডাক্টের ওপর আমি ছ্যাড়ছ্যাড় করে প্রস্রাব করে দিবো।

হেই হেই হেই ভ্রাদার! ভ্রাদার হইলো ভ্রাতা যোগ ব্রাদার। ভ্রাদার, তোমার বড়বুকঅলা বউয়ের ভাতার হব আমি আজকে রাতে। ফোরপ্লে স্কিপাবো। ডিরেক্তো। সরাসরি রসারসি। রাত নামছে রাত! ঘুম আসছে ঘুম! স্বপ্ন? স্বপ্ন দেখা ভালো। স্বপ্নদোষ হওয়াও স্বাভাবিক শরীরবৃত্তিক আচরণ। তবে আমাদের ডিসটোপিয়ান হলরুমে আসতে হলে ফরজ গোসল করার দরকার নাই। ইউঠোপিয়ান দিদ্র্রিমস! আচ্ছা কোন প্যাথেটিক হোমিওপ্যাথ এই টার্মটা বানাইছিলো? তার চোদনেচ্ছা দেখে আমি অবাকাকলাশ হয়ে যাই। অনেক্ষণ ধরে খেচি না। আমার এরশাদটা খাড়া হয়ে রীতিমত পেইন দিচ্ছে। ভালো মাগী টাগী থাকলে একটা কুইকি দেয়া যাইতো। কারো বাসায় ঢুইকা পড়া যায় অবশ্য। এ্যালেক্স এবং তার ড্রুগসদের মত। আমার অবশ্য ড্রুগস নাই। ড্রাগস নেয়া যাইতে পারে। অবশ্য সেক্সের চেয়ে বড় ড্রাগস আর কী আছে? ঢুইকা পড়ব নাকি কারো বাসায়? খাসা একটা মিল্ফেটোমিন দেখা যায় জানলা দিয়া। নাহ যাই গা,

'ফাক!'

রশিতে টান পড়ল কেন? বোচাকোদা ঈশ্বম্রাট তো বললো রশিটা অনেক বড়। তাইলে এরকম কেন হইলো? ওহ মনে পড়ছে। আমাকে তো একটা এ্যাসাইনমেন্ট দিছিলো। ওটা শেষ করার পরে যাবতীয় এ্যালেক্সিজম। একটা পিয়ানো কনসার্ট হইবো শহরের সবচেয়ে সুশীলাভ প্রান্তে। উঁ, সভ্য ভব্য হয়ে যেতে হবে। নো স্ল্যাং। ওখানে আজকে মোৎসার্ট বাজিয়ে শোনাবে কমবয়সী এক বিস্ময়কর প্রতিভা। তবে আমার জন্যে যাওয়া সহজ। কারণ, আমি ওখানেই কাজ করি। রক্ষণাবেক্ষণের। অনেকদিন ধরে সুরের ভড়ঙ আর সৃষ্টির আবেশে মশগুল হয়ে থাকা স্বপ্নাদিষ্ট মানুষদের দেখে বিরক্ত হয়েছি। নিখিল বাংলাদেশ ডিসটোপিয়ান সমিতির সদস্য হবার পরে আর এসব সহ্য করতে হবে না। এমন অনেক রাত কেটেছিলো আমার সুখস্বপ্ন দেখে আতঙ্কিত হয়ে সারারাত জেগেছি। এখন থেকে আর ঘুমুবো না, স্বপ্ন দেখবো না। জেগে থাকবো, জেগে থাকবো এ্যাড্রিনালিনের প্রবাহে, এখনও অনেক কিছু নষ্ট করা বাকি, নষ্ট হওয়া বাকি...



সুত্রধরদের বিবাদে জর্জরিত জগৎ...



ডিসটোপিয়ান হলরুমে ঈশ্বম্রাট বসে আছেন চিন্তিত ভঙ্গীমায়। রশিগুলো ঠিকঠাক কাজ করছে না। তবে কী অন্য কেউ আছে? মহাবিশ্বের কোনখান থেকে কেউ কি সূতোযন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নেবার চেষ্টা করছে? এরকম তো হবার কথা না! যাবতীয় ধর্মগ্রন্থ এবং ঈশ্বর এবং প্রেরীত পুরুষদের বন্দী করে রাখা হয়েছে এখানে। কেউ কেউ বেশ পোষ মেনে গেছে। তারা নাচছে, গাইছে, পান করছে। তারা কী গোপন কোন চাল চালছে? মনে হয় না। কিন্তু কোন একটা গড়বড় হয়েছে বোঝা যাচ্ছে। নব্য নিয়োগকৃত ডিসটোপিয়ানটার জন্যে বরাদ্দ দড়িটা ছোট হয়ে আসছে। পিয়ানো কনসার্টের ভেতরে ঢুকে নৈরাজ্য সৃষ্টি না করে সে সুর শুনছে। মহাবিশ্বের কোথাও মহাশক্তিশালী কেউ আছে কী না, কিংবা থাকলেও তার তৈরী নীতিমালা ইউটোপিয়ান কী না আবার নতুন করে যাচাই করা দরকার। তিনি তার প্রধান সহকারীকে ডাকলেন।

-কোথাও একটা গোলমাল হচ্ছে। চারধর্মের প্রধানকে ডাকো তো।

-ওদেরকে ডেকে লাভ নেই। আমাদের সংঘাত ওদের সাথে না। ওরা নিজেরাই তো নিজেদের মধ্যে সংঘাত করে চলেছে। ওরা আমাদেরই লোক। হাহাহা!

-তাহলে সমস্যাটা কে করছে?

-হায় ঈশ্বর! আপনি কেন সর্বজ্ঞাত নন? ঈশ্বররা কী এরকমই হয়? অবশ্য ঈশ্বরদের দেখেছি মোটামুটি সবাইকেই। আপনি বা তার ব্যতিক্রম হবেন কেন?

-তুমি আমার মধ্যে ক্রোধ সঞ্চারিত করছো!

-ঈশ্বর মাত্রই ক্রোধান্বিত এবং লোভী।

-আমরা মনুষ্যসৃষ্ট ঈশ্বরকে বন্দী করেছি, আমরা আমাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এখন বাজে কথা না বলে একটা সমাধানের পথ খোঁজো।

-আপনি কি নিশ্চিত যে ঈশ্বরকে বন্দী করতে পেরেছেন? এখানে যারা আছে তারা আসল ঈশ্বর তা কী করে বুঝলেন বলুনতো? হয়তোবা আমরা প্রকৃত ঈশ্বর খুঁজে পাই নি, হয়তোবা এখানে যারা আছে তারা নকল, কিংবা তারা যদি আসলও হয় তাহলে অন্য কোথাও অন্য কেউ আছে...

-আরে এটাইতো আমি জিজ্ঞাসা করছি তোমাকে এতক্ষণ!

-হাহাহা! দেখুন, যদি থেকেও থাকে সেরকম কেউ, তো লড়াই করুন। শক্তিমানেরা জয়ী হয় সর্বত্রই। এটা মানুষ এবং ঈশ্বর দুই প্রজাতির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।



*

আরে! পিয়ানোর কনসার্ট শেষ হয়ে গেছে। কী করলাম আমি এতক্ষণ! আমি কী সুর শুনছিলাম? আমি কী সৃজনে ডুবে ছিলাম? ছি ছি! আমাদের এ্যানার্কিস্ট সাম্রাজ্যে প্রবেশাধিকার হারালাম বোধ হয়! তবে এখনও সুযোগ আছে। ওই যে গ্র্যান্ড পিয়ানোটা, একা পড়ে আছে, ওটাকে ভেঙে চুরমার করে ফেলবো! ইয়াপ্প! সেই ওল্ড আল্ট্রা ভায়োলেন্সের নেশা প্রবাহিত হচ্ছে আমার শিরায় শিরায়।



ডিসটোপিয়ান ঈশ্বর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়ে প্রসন্ন হয়ে ওঠেন। তিনি দড়িটা সম্প্রসারিত করেন। যাও বাছা, যাও বাঁচো!



পিয়ানোটার কাছে গিয়ে একটা সুন্দর প্রজাপতি দেখলাম। রিডের ওপর দিয়ে চলে ফিরছে সহজ চাপল্যে। বাহ!

*

যাহ! হতচ্ছারা প্রজাপতিটা আবার কোথা থেকে এলো। এর সূতো তো আমার কাছে বাঁধা নেই। অন্য এক প্রবল সূত্রধর বেশ জোরেসোরেই নেমেছে খেলায় বোঝা যাচ্ছে। আচ্ছা আমিও দেখাচ্ছি দাঁড়া!



*

একটা ধেরে টিকটিকি এসে জুটেছে। জুলজুল করে তাকিয়ে আছে প্রজাপতিটার দিকে। বাহ বাহ! ভেবেছিলাম আমিই পিষে ফেলবো প্রজাপতিটাকে। এখন আর সেটার দরকার পড়বে বলে মনে হয় না...



*

-এই!

-হু বল।

-কী সুন্দর বৃষ্টি পড়ছে দেখছো?

-দেখছি না। শুনছি। আজকের পিয়ানো কনসার্টের সুরে বিভোর ছিলাম এতক্ষণ। মেয়েটা কী দারুণ বাজালো, তাই না? এখন শুনছি মেঘদলের মেলোডি।

-কী অদ্ভুত সৃষ্টি এই বৃষ্টি! বিনামূল্যে এর চেয়ে ভালো সুর আর কোথাও পাওয়া যাবে না।

-কে বলেছে পাওয়া যাবে না? যেবার আমরা মাধবকুণ্ডে গেলাম, জলপ্রপাতের সুরে মুগ্ধ হও নি? অথবা কক্সবাজারের উত্তাল তরঙ্গ, বাতাস। বাতাসেরও নিজস্ব সুর আছে। শুনতে কী পাও?

-পাবো না! এই সুরের টানেই তো বেঁচে আছি। প্রকৃতির নিজস্ব সুর, আমাদের নিজেদের তৈরী সুর, সারারাত সারাদিন হৃদয় ভায়োলিন। কে বানালো এসব বলত?

-আছে নিশ্চয়ই কোন এক অবাক জাদুকর। নিপুন সূত্রধর!



*

হাহাহা! টিকটিকি আর প্রজাপতি দুটোকেই মারলাম পিষে, আমার এ্যানার্কিজমের বিষে! এখন পিয়ানোটা ভেঙে ফেলবো। জয় হোক ডিসটোপিয়ান পৃথিবীর! মুছে যাক সব সুর, সব সৃষ্টি, ধ্বংস হোক সকল সৌন্দর্য। চিয়ার্স! তার আগে একটু জিরিয়ে নিই। সারাদিন বেশ ধকল গেছে। পিয়ানোটার ওপরেই বসে পড়ি! বসার সাথে সাথে রিডগুলো আন্দোলিত হয়ে বিদঘুটে এক সুর সৃষ্টি করল। বেশ মজার তো! একটু বাজিয়ে দেখি...



*

-শোবে না?

-দাঁড়াও, মজার একটা খেলা দেখাচ্ছে টিভিতে ওটা শেষ করে নিই।

-আমিও দেখবো। কী খেলা?

-টাগ অফ ওয়ার!

মন্তব্য ২৭৮ টি রেটিং +৫২/-০

মন্তব্য (২৭৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫০

প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার বলেছেন: দুর মিয়া..ঘুর ঘুর করতাছি কখন পোস্ট দিবেন !

যাই এখন পরি! /:)

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: :-B

২| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫১

হাসান মাহবুব বলেছেন: এই গল্পটি লেখার পেছনে একটা ইংরেজি অণুগল্প অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। ফাহাদকে ধন্যবাদ, তার তাগাদাতেই গল্পটি লেখা হল।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: অণুগল্পটির নাম

The Marionettes Of Distant Masters
লেখক Russell Edson

A pianist dreams that he's hired by a wrecking company to
ruin a piano with his fingers . . .
On the day of the piano wrecking concert, as he's
dressing, he notices a butterfly annoying a flower in his window
box. He wonders if the police should be called. Then he thinks
maybe the butterfly is just a marionette being manipulated by
its master from the window above.
Suddenly everything is beautiful. He begins to cry.

Then another butterfly begins to annoy the first butterfly.
He again wonders if he shouldn't call the police.
But, perhaps they are marionette-butterflies? He thinks
they are, belonging to rival masters seeing whose butterfly can
annoy the other's the most.

And this is happening in his window box. The Cosmic
Plan: Distant Masters manipulating minor Masters who, in turn,
are manipulating tiny butterfly-Masters who, in turn, are
manipulating him . . . A universe webbed with strings!
Suddenly it is all so beautiful; the light is strange . . .
Something about the light! He begins to cry . . .

৩| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫১

পাগলমন২০১১ বলেছেন: আগে জায়গা দখল B-)

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: স্বাগতম!

৪| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৯

অথৈ সাগর বলেছেন: জটিল এবং কঠিন । :||

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: পড়ার জন্যে ধন্যবাদ। শুভরাত্রি।

৫| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৯

মাহবু১৫৪ বলেছেন: চমৎকার।


অন্যরকম এক স্বাদ পেলাম লেখায় ।


পোস্ট এ ৩য় ভাল লাগা। :)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ!

৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০০

~মাইনাচ~ বলেছেন: আর একটু সহজ করে লিখলে কি হয়? /:) মাইনাচ /:)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: এর পরেরটা লিখুম ওক্কেই?

৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০২

এ বি এম হায়াত উল্লাহ বলেছেন: আপাতত প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম। কাল পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষে পড়ব।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: প্রিয়তে না নিয়ে বুকমার্ক করে রাখতে পারতেন। আপনি অবশ্য প্রিয়তে নেন নাই! ব্যাপার না। শুভরাত!

৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০২

পটল বলেছেন: সহজ নয়! :)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: খুব একটু কঠিন না কিন্তু!

৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৫

ব্রেথ অব ফেট বলেছেন: +

wont say anything else..

off topic: where do u get the pictures u put in your stories..??

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: আপনি কী বলতে চাইছিলেন শুনলে ভালো লাগতো। ছবি গুগল ইমেজ সার্চ করে নেই সবসময়।

১০| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৬

প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার বলেছেন: টাগ অফ ওয়ার, জেকেল এন্ড হাইড, সুর, অসুর!


প্রিয়তে নিলাম! হাসান মাহবুবীয় পোস্ট! ম্যালাদিন পর /:)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১২

হাসান মাহবুব বলেছেন: এতদিন তাইলে কী লিখলাম :((

১১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৭

মামুন হতভাগা বলেছেন: আমি ছুট মানুষ,পড়ে মাথা ঘুরে কিন্তু পিলাচ কঠিন সব ভাষার জন্য :D :D

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধৈন্যা পিলাচের লিগা!

১২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৭

এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: মনোযোগ সহকারে সময় নিয়ে পড়তে হবে। তাই পোষ্ট পর্যবেক্ষন বাক্সে টিক দিয়ে রাখলাম। পরে প্রতিক্রিয়া জানাবো।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: নিশ্চয়ই! শুভরাত্রি!

১৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১০

সুদীপ্ত কর বলেছেন: এজ ইউজুয়াল অস্থির হৈসে।

এত বড় লেখা পইড়া টায়ার্ড।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: থেংকু! আমি তো ভাবসিলাম ছোড হৈয়া গেলো নাকি :-/

১৪| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১২

অর্ক হাসনাত কুয়েটিয়ান বলেছেন: অস্থির!!!
ধ্বংস হোক সব।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: দ্যা আল্টিমেট এ্যানার্কি সং

১৫| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৩

এ বি এম হায়াত উল্লাহ বলেছেন: ভাইয়া, প্রিয়তে তো আগেই নিয়েছিলাম। শুভ রাত্রি ।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ! পরীক্ষার জন্যে শুভকামনা রইলো।

১৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৬

মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন: ভালো লাগলো, হামা ডিয়ার। :-B :-B :-B :-B

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২০

হাসান মাহবুব বলেছেন: থেংকু!

১৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৪

বৃত্তবন্দী বলেছেন: ইউ আর এ ব্লাডি ট্যালেন্টেড রাইটার ম্যান...

অনেকদিন পর এই লেখায় কমেন্টাইতে লগাইলাম...

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: আপ্নার কাছ থেকে এরকম কমেন্ট অনেক ইন্সপায়ারিং। থেংকু বাডি! নিয়মিত লগাইলে খুশি হৈতাম।

১৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩১

রাজসোহান বলেছেন: এই মাস সহ সারা বছর ব্যাপক ফর্মে আছিলেন দেখা যায় B-)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: লাস্ট দুইমাসে টোটাল আটটা গল্প দিছি। আমি নিজেই বিস্মিত!

১৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩১

প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার বলেছেন: Right now
I am an Anti-Christ,
and I am an anarchist.
Don't know what I want, but I know how to get it,
I wanna destroy the passer by

Cause I want to be Anarchy. No dog's body. ..

ভাই..গৃহপালিত হওয়ার আগে একটা পার্টি দেন /:)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: পার্টি, এনিটাইম! গৃহপালিত অথবা গৃহছাড়িত, ডাজন্ট ম্যাটার।

২০| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৩

মিরাজ is বলেছেন: বস পরে কমেন্ট করছি, মনোযোগ দিতে পারছিনা।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: মনোযোগী কমেন্টের অপেক্ষায় থাকলাম!

২১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫০

ইউসুফ খান বলেছেন: সোজা প্রিয়তে। বাকিটা পরে। একটু পরেই পড়ে ফেলছি। উপস্থিতি জানিয়ে গেলাম। ভালো থাকবেন। :)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! আপনিও ভালো থাকবেন।

২২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৬

ডেজা-ভু বলেছেন: এইটা কি বছরের শেষের দিকের ধামাকা দিলেন নাকি?!!!


মারাত্মক।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১০

হাসান মাহবুব বলেছেন: ঐসব হিসাব কৈরা তো আর লিখি না! কেমনে যেন আয়া পর্ল! গল্প যখন যেভাবে আসে, যে সময়ে, আমার নিয়ন্ত্রণ নাই এতে।

থ্যাংকস!

২৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৯

নাবিক হ্যাডক বলেছেন: অদ্ভুত, অসম্ভব, ভাষাতীত......(ডিটেলে পরে বলবো, এই ঘোর অনবদ্য অসুখের, জটিল পাপের, সুখহীনতার উপভোগ্য যন্ত্রণায় মিশে গিয়ে এখন শৈল্পিক নৃশংতার সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটিয়ে গেলো)
আবদুল মান্নান সৈয়দের একটা কবিতা মনে পড়লো গল্পটা পড়ে কেন জানি:

পাগল এই রাত্রিরা


এই রাত্রিরা বেথেলহেম-কে ব্রথেলে পরিণত করে, করুণ কবাটের মতো ঝোলানো বাড়ির দেয়াল থেকে লুটিয়ে থাকে যেন বর্ম কিংবা বিরুদ্ধ পদ্ধতি হাওয়ার­– রূপালি চাবির অভাবে। এই রাত্রিরা সেই লাল আলোর ভালো যা তোমাকে প্রশস্ত স্ট্রিট থেকে নিয়ে যাবে কঙ্কালের সরু-সরু পথে, অনাব্য স্ত্রীর মতো কেবলি অন্যদিকে;– যখন জানালায় ছিন্নপত্র ঝরে অবিচ্ছিন্ন, লোকালোক পুড়ে যায় বরফে। এই রাত্রিরা জিরাফের গলা বেয়ে লতিয়ে উঠতে দেয় আগুন, যেটা আমাদের আকাঙ্ক্ষা, অবশ্য যদি তার মাংস হতে রাজি হই তুমি আর আমি; ঈশ্বর নামক গৃহপালিত মিস্তিরি ভুল সিঁড়ি বানাচ্ছে আমাদের উঠোনে বসে– আগুনের, যে-অসম্ভবের সিঁড়িতে উঠতে-উঠতে আমরা সবাই পাতালে নেমে যাবো হঠাৎ।

সিংহের খাঁচায় বসে আমি গল্প লিখছি মনে-মনে।

শোনো– এই-যে পুরোনো একটা বাড়ি যেখানে অনেককাল মানুষ বাস করে না, আমরা কয়েক ঘণ্টার খাদ্য, এই বারান্দা এই চৌকাঠ এই মেঘ : সমস্ত এই বাড়িটাকে ইচ্ছে ছিল বদল করবো আমার শরীরের সঙ্গে, এখন যেখানে গোধূলি আসন্ন বিশ্বাস তথা কৃষ্ণগোলাপ। দ্যাখো– আস্তাবলে বাঁধা তিনটি স্তনের এক মাতালরূপসী এমন এক ঘোড়া মানুষের জন্ম দিচ্ছে, যে-সন্তান দুপুরবেলার অলৌকিক অন্ধকারে বসে শেলাই করবে গভীরতর দরোজা, মাতৃহননের। ফ্যালো– তোমার হাতের ভিতর হাসি ফেলে বিক্রি করো আমাকে; বললাম : যখন যেটা যাবে, পরিদের ঝাঁকে একটি কুকুর তো থাকবেই; দাও আমাকে সুযোগ বিশুদ্ধ পাগল কি বিশুদ্ধ মাতাল কি বিশুদ্ধ চরিত্রহীন কিংবা বিশুদ্ধ ভালোমানুষের; অর্থাৎ, আমি মানুষ হতে চাই না, মানুষ নামের ফানুশ, আমাকে ঈশ্বর বানাও কিংবা শয়তান, আমাকে এই পুরোনো বাড়ির জানালা থেকে ঝুলিয়ে রেখো না, আমাকে সুযোগ দাও।

খটখটে মাটির ভিতর উনিশ বছর আমি ছিপ ফেলে বসে আছি আত্মার সন্ধানে।

পায়ের তলায় দয়া চিবিয়ে একটিমাত্র চোখের একজন ভদ্রলোক খুলে দিচ্ছেন আমাকে: ঘৃণা-যন্ত্রণা-আক্রোশ ছোটো-ছোটো নুড়ির মতো আমার কালো-হয়ে-আসা মুখের মণ্ডলে এসে পড়ছে, আমি ভূতের মতো উল্টো-পায়ে পুরোনো এই বাড়িতে উঠছি, নামছি, চাবিহীন হাসছি– কতোদিন আমি কাঁদিনি, মনে হলো : আমার একটিমাত্র কান্নার ফোঁটার উপর বিরাট একটি জাহাজ দাঁড়িয়ে আছে, নোঙর নেমে গেছে মাটি ভেদ করে পাতালের দিকে, মাল্লারা দড়িদড়া ছুঁড়ে দিচ্ছে চারদিক থেকে, যে-মমতার দড়ি আমাকে ফেলছে বেঁধে; আমার প্রণয়িণীরা পরপারে ইজিচেআরে বসে আলো ফেলছে মুখ দিয়ে, একটিমাত্র হাতে ভীষণ-সুন্দর তালি দিচ্ছে, আমাকে ঘিরে-ঘিরে নাচছেন সাত-আটজন তিনকোনা চারকোনা পাঁচকোনা আয়না।

দর্পণই সেই দেয়াল, যার পরপারে বিরাজ করেন আরেকজন ‘আমি’।

আমার প্রতিভা সেই শয়তান, যিনি আমার কাঁধ থেকে আলগা করে ফেললেন হাড়, খুবলে নিলেন চোখ, তারপর নগ্ন করে ছেড়ে দিলেন পুরোনো এই বাড়িতে, যেখানে আমার মধ্য থেকে ডাক দিল মৃত সব নিরিন্দ্রিয় কবি; অথচ কী সাধারণ আমি, মুখে যা-ই বলি আমি জানি আমি কী; প্রতিভা, বেয়াড়া মেয়েমানুষের মতো, আমাকে টান করে ধরে পুরোনো এই বাড়ি অসংখ্যবার ঘুরিয়ে চলেছেন কেবলি, দ্যাখো, আমি তাঁর কৃতদাস : জীবন, আমার বোন, কেন আমার চাবি আমার বোনের ভিতর প্রতিশ্রুত হতে পারবে না? আমার এক হাত ধরে টান দিয়েছেন শয়তান, আরেক হাত ঈশ্বর– কী উল্লাস আমাকে নিয়ে! আমি ঐ দুজনের ভোজ, মাঝখান থেকে আমার দুহাত দুদিকে ছিঁড়ে বেরিয়ে গেল, থামছে না, স্বগতের মতো উল্টোদিকে হাত দুটো চলে যাচ্ছে সম্পূর্ণ।

আমি, হ্যাঁ আমিই, অ্যানাক্সাগোরাসের কালো বরফ।

এই যে উচ্ছিষ্টের ভিতর বেড়ে উঠছে আঙুরলতা পুরোনো এই বাড়িতে রাত্রিতে, অর্থাৎ যাকে বলা যায় সুখ, দুঃখই আমার সুখ, পণ্ডিতকে বলবো, ‌‘দাও হে অভিধান ফেলে, তোমরা যাকে দুঃখ বলো তাতেই যদি আমি আনন্দ পাই, কী তাহলে উপায় তোমাদের? ছিঁড়ে ফ্যালো ব্যাকরণ, বিধান চাই না বলেই তো কবি, আমি এক নতুন ব্যাকরণ সৃষ্টি করবো যা আসলে ব্যাকরণই নয়।’–কিন্তু এই কথা হাওয়ায় ছিটিয়ে দেবার সঙ্গে-সঙ্গে হেসে ফেললো মুশকিল; অসীম যে-মেয়ে অলিতে-গলিতে, ঝিমন্ত ফোয়ারায়, বিচ্ছুরিত আঙুরঅলার গাড়ির পাশে, ইঁদুরের মতো ধাবমান ট্যাক্সিতে, রাস্তায় ও জোচ্চোরের প্রশংসিত আস্তানায় সারারাত্রি সর্বত্র ফেরি করে বেড়িয়েছে শরীর, মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ায় মুখ থেকে বেরিয়ে পড়ল তার সতের লক্ষ চার হাজার একশো তেইশটি তারা, আর তার ত্বকের ভিতরকার উচ্ছল দোকানগুলি মরে যেতে থাকল একে-একে; আর আমার শক্তি তার কোল থেকে আমাকে ঝেড়ে ফেলতে চাচ্ছে যখন আমি কামুক স্বামীর মতো আছি আরামের তল্লাশে, যে-আরাম কাৎ করে ফেলে দ্যায় পণ্ডিতকে; আর্থাৎ, শাদা ভাষায়, যা আরামই নয়, যা প্রচলিত দুঃখ দেয় আমাকে : কবি ও পাগল, ইন্দ্রিয়ের বৈকল্যে যারা ভোগেন, এই পুরোনো বাড়িতে পাগল রাত্রিতে তাদের জন্যে আগুন লেগেছে, যে-আগুন সর্বাঙ্গ জুড়োয় নিঃশব্দে।

পাপের ভিতর গোলাপ থাকে, এমনকি শব্দের পাপে, ও কবিরা যেমন ।।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০২

হাসান মাহবুব বলেছেন: আবদুল মান্নান সৈয়দের গল্প পড়েছি। কবিতা পড়া হয় নাই। অসম্ভব ভালো লাগলো। থ্যাংকস মুহিত!

২৪| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০০

বাদ দেন বলেছেন: :#) :#) gr8+++

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: যাক...আগের গল্পে আপনি হতাশা প্রকাশ করেছিলেন। এটা ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। অনেক ধন্যবাদ!

২৫| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৮

স্বর্ণমৃগ বলেছেন: প্রথমবার পড়ে মাথার উপ্রে দিয়া গেল!
দ্বিতীয়বার পড়ে এ্যান্টেনায় ধাক্কা খাইলো!
তৃতীয়বার পড়ে মাথা হ্যাং!
এখন কি করুম উস্তাদ কন!
...লেখনির ধরনটা অসাধারণ!!
জাস্ট স্যালুট টু ইয়ো' রাইটিং স্টাইল!

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: আপনি এখন দুই নং কমেন্টের রিপ্লাইয়ে যে কবিতাটা দেয়া আছে ঐটা পড়ে দেখতে পারেন!

অনেক ধন্যবাদ!

২৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৩

ফারজুল আরেফিন বলেছেন: প্লাস দিয়ে নিবন্ধন করে যাই, পরীক্ষার পর পড়ব :)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: পরীক্ষা ভালো হোক। শুভকামনা।

২৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৫

কল্পবিলাসী স্বপ্ন বলেছেন: এত সুন্দর ভাবে লেখেন কি করে?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: আপনার স্ট্যাটাসজনিত গোলযোগ কেটে গেছে দেখে ভালো লাগলো। হ্যাপি ব্লগিং!

২৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৫

নিশাচর২৮ বলেছেন: উফফ হয়রান হয়ে গেছি বুজতে বুজতে ... ... । । বাংলাতে যে এত কঠিন শব্দ আছে জানতামই না :( :#> কিন্তু যতটুকু বুজেছি তাতেই আমি তৃপ্ত হয়েছি ।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:১৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমি তাতেই অনেক খুশি। ধন্যবাদ!

২৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:৫৭

নিশাচর ভবঘুরে বলেছেন: দারুন। ++++++++++
ইয়ে, আপনার কী-বোর্ড গুলো এতো কঠিন সব শব্দ লিখতে আপত্তি করেন?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:০৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ!

না আমার কিবোর্ড খুবই অনুগত!

৩০| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৫৩

ফেলুদার চারমিনার বলেছেন: মায়েরে বাপ লেখা, মাথা পুরাই গরম হয়ে যাচ্ছে।

ভাই,আপনারে স্যালুট, কিভাবে পারেন বস??



২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:১২

হাসান মাহবুব বলেছেন: সবই ঈশ্বরের দয়া! তবে এখানে ডিসটোপিয়ান নাকি ইউটোপিয়ান ঈশ্বর দয়া করেছে সেটা আমি বলোবো না :-B

৩১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৫৫

ভিয়েনাস বলেছেন: সব কিছু কি নষ্টদের দখলে চলে গেছে নাকি অবশিষ্ট আছে কিছু ????

প্লাস

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:১৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: টাগ অফ ওয়ার চলছে দুইপ্রকার ঈশ্বরের মাঝে। কে বিজয়ী হবে জানি না!

শুভভোর!

৩২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৫৭

নাজেহাল নাগরিক বলেছেন: একটু আগেই ঘুম থেকে উঠলাম,ব্রেইন এখনো পুরাপুরি রিস্টাট নেয় নাই, ভিরমি খাইলাম পড়ে,গরম কফি চলকে ঠোট আর বাড়ন্ত ভুড়ি কে ছ্যাক দিলো বাস্তবে ফিরে আসার জন্যে।

এটা হলো পড়ে আমার অনুভূতি। দারুন।+++++++++++

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:১৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! আমরা, নাগরিকেরা কমবেশি সবাই নাজেহাল, কী বলেন!

৩৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:০৯

শফিক আসাদ বলেছেন: -কোথাও একটা গোলমাল হচ্ছে। চারধর্মের প্রধানকে ডাকো তো।
-ওদেরকে ডেকে লাভ নেই। আমাদের সংঘাত ওদের সাথে না। ওরা নিজেরাই তো নিজেদের মধ্যে সংঘাত করে চলেছে। ওরা আমাদেরই লোক। হাহাহা!
-তাহলে সমস্যাটা কে করছে?
-হায় ঈশ্বর! আপনি কেন সর্বজ্ঞাত নন? ঈশ্বররা কী এরকমই হয়? অবশ্য ঈশ্বরদের দেখেছি মোটামুটি সবাইকেই। আপনি বা তার ব্যতিক্রম হবেন কেন


মাক্ষি লাগলো। এই আপনার লিখবার ধরণটা পড়তে আর ধরতে আমার চিনি ছাড়া কড়া কফির মতো লাগে...

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:১৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমি অবশ্য মোটেও কফিপ্রেমী না, যদিও রাত জাগি অনেক। তবে পরপর দুটো কফিবিষয়ক কমপ্লিমেন্ট পেয়ে অনেক ভালো লাগলো।

কৃতজ্ঞতা!

৩৪| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:০৪

রিয়েল ডেমোন বলেছেন: ছবিটা তো দারুন!


পোষ্ট সম্পর্কে কি বলোবো! সুন্দর।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:১৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস রিক! শুভসকাল।

৩৫| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৪৯

ফারিয়া বলেছেন: আগের কমেন্ট আসেনি দেখি!

চিন্তা করার মত লেখা!

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:০১

হাসান মাহবুব বলেছেন: পড়ার জন্যে ধন্যবাদ ফারিয়া! শুভসকাল।

৩৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:০৪

দ্যা ডক্টর বলেছেন: খুব হাই থটের গল্প, নির্ঘুম রাত কাটাইছি, এখন মাথায় ঢুকবেনা। আবার এসে ভালো মতন পড়তে হবে।
গল্পের জন্য শুভকামনা।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:১১

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভঘুম!

৩৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:০৩

রেজোওয়ানা বলেছেন: আমি কিছুই বুঝি নাই হামা!
আবার পড়ি :(

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১২

হাসান মাহবুব বলেছেন: আপু কোন প্রশ্ন থাকলে নিঃসঙ্কোচে করবেন। আপাতত চতুর্মাত্রিকে দেয়া একটা রিপ্লাই তুলে দিচ্ছি।

গল্পের থিমটা সাদা কথায় বলতে গেলে, ভালো এবং খারাপ ঈশ্বরের দড়ি টানাটানি। ঈশ্বরের ব্যাখ্যাটা এখানে সংশয়বাদী দৃষ্টিকোণ থেকে দিয়েছি। মানুষের মাঝেই খারাপ ঈশ্বর বিদ্যমান। ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত ঈশ্বরেরা ধরে নিলাম, ঠুনকো, অথর্ব। কিন্তু তারপরেও, এই বিশাল সৃষ্টিযজ্ঞের পেছনে কেউ কী নেই! হয়তোবা আছে। হয়তোবা সে কোন ধর্মের না, সৌন্দর্য এবং সৃজনের ঈশ্বর। ভালো ঈশ্বর। তাকে কিন্তু কম হ্যাপা পোহাতে হচ্ছে না মনুষ্যসৃষ্ট এ্যানার্কিস্ট ঈশ্বরের সাথে যুঝতে। আর মানুষও কার দ্বারা প্রভাবিত হবে এটা নিয়ে কনফিউজড।

৩৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১৮

ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:

কবিতাটি একটু বাংলায় লিখে দিলে
আমার বুঝতে সুবিধে হয় ।
যদি যথেষ্ট সময় থাকে ।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:২৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: এটার অর্ধেক অনুবাদ করেছিলো ফাহাদ। সেটা পড়ে দেখতে পারেন।

অনুষ্ঠানের সাজসজ্জা পরিধান করে পূর্ণসজ্জিত হয়ে অভিনয়ের মহড়ায় হঠাৎ তার
দৃষ্টিতে পড়লো লম্বাটে ডানার অত্যন্ত আকর্ষণীয় এক প্রজাপতি । চৌকষ
দৃষ্টিতীরের নিঃশব্দ সেই আততায়ী প্রজাপতির বড় জোড়া পুঞ্জাক্ষি ক্রমাগত
জ্বলাতান করছিল জানালার কার্নিশের পাশের বাগানের সাগর নিসিন্দা, জলধনিয়া
আর বড়নখা এর বুন ফুলগুলোকে । প্রজাপতিটির প্রতি তার মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার
হল । পিয়ানোবাদক তাৎক্ষনিকভাবে শৃঙ্খলা শান্তি ও আইন রক্ষার্থে
আরক্ষাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন । তখুনি তার মনে হল প্রজাপতি আসলে
মোটা সুতায় নাচানো পুতুল যা হতে পারে ম্যানিকুইনের মতই অনুভতিশুন্য ।
হয়তো প্রজাপতি নিপুণতার সাথে ক্রিয়াশীল হয় কোন বর্ষীয়ান মায়েস্ত্রোর
সুরলহরীর জাদুতে ।

৩৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৪৫

ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:

আমার নগণ্য অনুভবের জায়গাটি অনুভবেই থেকে যায় ।
বড়ই অপরিসর প্রকাশ অপ্রতুলতায় ভরা ।
এ আমার অক্ষমতা
আপনাকেই মেনে নিতে হবে ।
প্রিয় লেখক ।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:২৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: আপনার অনুভব কোনভাবেই আমার কাছে নগণ্য নয় হেলাল ভাই!

৪০| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৪৬

নাজনীন১ বলেছেন: ভাল-মন্দের দ্বন্দ্ব!

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:২৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: নাজনীন মনে হয় এই প্রথম আমার ব্লগে মন্তব্য করলেন। স্বাগতম আপনাকে!

৪১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:১৪

কাউন্সেলর বলেছেন:
আপনার এই গল্পটি আলাদা একটা ট্যাবে আটকে রাখলাম, সময় নিয়ে পড়বো, তাই ভালো লাগা জানিয়ে গেলাম (কোন ভাবেই স্বজনপ্রীতি নয় কিন্তু, আপনি অনেক ভালো লেখেন, সেটা দূর্জনেরাও বলবে)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:২৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ সুজনেষু!

৪২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৪৬

সালমাহ্যাপী বলেছেন: ওরেএএএএএ কত কঠিন রে!!!মাথায় ঢুকতেই চায়না।

তারপরও কমেন্টের রিপ্লাইয়ে যা বুঝলাম ভালোই লেগেছে।

এত কঠিন করে না লিখলে কি হয়???আমার মত সোজা সরল পাঠকদের এমন কঠিক লেখা পড়তে বেশ বেগ পেতে হয় :( :(

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমার মনটাই এরকম কী করব বলেন!

৪৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৩

অদৃশ্য বলেছেন:
হাসান ভাই......


......... অনবদ্য .........


শুভকামনা সবসময়......

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভদুপুর অদৃশ্য!

৪৪| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৫

অদৃশ্য বলেছেন:


...... চরম হইছে .....


শুভকামনা সবসময়....

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: ফিরায় আনসি মুছে ফেলা মন্তব্যটা! B-))

৪৫| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪১

সানজিদা হোসেন বলেছেন: পড়া শেষ করে মাথা ঘুরছে ।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমি দুঃখিত সানজিদা!

৪৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪৫

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: পুরোপুরি না হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে Equilibrium মুভিটার সাথে মিল পেলাম। বিশেষত যখন দেখায় মানুষগুলোকে অনুভুতিহীন করতে সরিয়ে ফেলা হয়েছে সমস্ত চিত্রকর্ম, গান, সুর, গল্প-কবিতার বই। কিন্তু তারপরও কিছু মানুষ খুব গোপনে সেসব লালন করে, তাদের ঘরের গোপন কুঠুরিতে লুকানো থাকে বিশ্বসেরা চিত্রকর্ম, সুর, বই।

সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্যই সুন্দরের লালন। যতই না কেন হতে চাক মানুষ এ্যানার্কিস্ট, লুন্ঠন করতে চাক সুখ, ধর্ষণ করতে চাক স্বপ্ন...মনে মনে খুব গোপনে সবাই-ই সুন্দরের খোঁজ করে যায়, সুখের স্বপ্নটা একটু ছুঁয়ে দেখতে চায়।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: Equilibrium দেখি নাই। দেখতে হৈবো তো! শেষ কথাগুলো গল্পে প্রচ্ছন্নভাবে বলা হয়েছে। অবশ্য এর বিপরীত দিকটাও প্রকটভাবে দেখানো হয়েছে। একটা কনফ্লিক্ট!

৪৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০৬

ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন: এইটা আমি প্রায় দুই বছর আগে পাইছিলাম । মাথায় ছিল গল্প লিখুম একটা এইটা থিক্কা । একটা দারুন আবস্ট্রাক্ট অনুগল্প মনে হৈসিলো । থিমটাতে আধ্যাতিকতা আর দর্শনে সেইরকম একটা ডার্ক কম্বিনেশন, ব্লেন্ডিং আছে । পরে ভাবলাম এইটা একটা মাষ্টার পিছ হৈব, ভাল কৈরা লিখতে পারলে । আর গল্পে আপনার মুনশিয়ানা তো সর্বজন বিদিত । B-) তাই আপনারে গিপ্টু কর্ছি ।

====

আমি এইটারে বাংলায় রুপান্তর কৈরা লইছিলাম নিজের মত কৈরা । ভাবছিলাম এর থিকাই গল্পটা বাহির কৈরা লমু, প্রেস্টিজের মত দুই জাদুকরের কনফ্লিক্ট দিয়া । রুপান্তর টা দিয়া গ্যালাম । আজকে একটু বিজি । গল্প লয়া কালকে কমেন্টামু ।



==========




পিয়ানোবাদক রাতের আধারে স্বপ্ন দেখে । একটি জাহাজ নির্মান ও মেরামত কোম্পানীর ভাড়াকরা একনিষ্ঠ চাকুরে সে ।

অবশেষে এল এমন এক দিন যেদিন তাকে একটি ধ্বংসানুষ্ঠানে তার আপন হাতে একটি পিয়ানো ভেঙেচুরে বিনাশের দায়িত্ব অর্পন করা হল ।

অভিনয়ের মহড়ায় অনুষ্ঠানের সাজসজ্জা পরিধান করে পূর্ণসজ্জিত হলে হঠাৎ তার দৃষ্টিতে পড়লো জানালার কার্নিশ পেরিয়ে লম্বাটে ডানার অত্যন্ত আকর্ষণীয় এক প্রজাপতি । পলাতক বাতাসের প্রতিটি কোষের শুন্যতাকে ভেঙে ভেঙে চলে সেই প্রজাপতি শরীর । চৌকষ দৃষ্টিতীরের নিঃশব্দ সেই আততায়ী প্রজাপতির বড় জোড়া পুঞ্জাক্ষি ক্রমাগত জ্বলাতান করছিল জানালার কার্নিশের পাশের বাগানের সাগর নিসিন্দা, জলধনিয়া আর বড়নখা এর বুন ফুলগুলোকে । প্রজাপতিটির প্রতি তার মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হল । পিয়ানোবাদক তাৎক্ষনিকভাবে শৃঙ্খলা শান্তি ও আইন রক্ষার্থে আরক্ষাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন । তখুনি তার মনে হল প্রজাপতি আসলে মোটা সুতায় নাচানো পুতুল যা হতে পারে ম্যানিকুইনের মতই অনুভতিশুন্য । হয়তো প্রজাপতি নিপুণতার সাথে ক্রিয়াশীল হয় কোন বর্ষীয়ান মায়েস্ত্রোর সুরলহরীর জাদুতে ।

মুহুর্তেই সবকিছু সুন্দর হয়ে ধরা দেয় তার কাছে । একটা সুখী তিতিরের চোখের ভিতর কেঁদে উঠে একটা নদী । বৃষ্টির ছোট্ট ছোট্ট জলকণাদের অপার ভালোবাসায় আলিঙ্গন করে নেয় সেই নদীর জল ।

কিছুক্ষন পরেই দৃশ্যপটে উপস্থিত আরেকটা প্রজাপতি । লম্বাটে ডানার অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রজাপতিটাকে দ্বিতীয় প্রজাপতিটা উত্তক্ত করছিল । । পিয়ানোবাদক পুনরায় শৃঙ্খলা শান্তি ও আইন রক্ষার্থে আরক্ষাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন । তক্ষুনি তার মনে হলো-হয়তো দ্বিতীয় প্রজাপতিও হয়তো নিয়ন্ত্রিত হয় কোন পাপেটিয়ারের হাতে, কোন স্ট্রিং অর্কেষ্টার ক্রিয়ানকের হাতের ইশারায় । হয়তো এই দুই অর্কেষ্ট্রেটরের মাঝেই রয়েছে চিরন্তন কোন বিরোধ ।

হঠাৎ তার কাছে পৃথিবীটা অনেক সুন্দর মনে হতে লাগলো । অদ্ভুত এক অচেনা আলোর রোশনাই তাকে মুগ্ধতায় আচ্ছন্ন করে তোলে । মনের ঘরে অদ্ভুত সে আলো ছড়িয়ে যায় অশরীরি অসমোসিসে ।

(এইটা যাষ্ট একটা খসরা ছিল)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: অতি দ্রুত তোমার পাঠ প্রতিক্রিয়া এবং খসরাটাকে পূর্ণ লেখা হিসেবে দেখতে চাই!

৪৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৪৬

মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: খুব বেশি এক্সাইটেড হয়ে লেখা নাকি? টাইপো'র তো দেখি মড়ক লাগসে!

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: এ্যাঁ! কেউ তো কিছু কইলো না। তারাহুড়া করে লেখা না। টাইপো থাকলে সেটা আমার বানানজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। আরেকবার রিভাইজ দিমু নি। আর তুইও ক।

৪৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫৩

মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: লেট মি গিভ ইউ আ ভেরি সিম্পল এক্সাম্পল।

হলঘরে জমা হয় স্বেতসুরার স্বেতস্রাব
'স্বেত' বলে কোনও শব্দ আছে নাকি বাংলায়? হয় স্বেদ হবে, নয়তো শ্বেত হবে, রাইট?

আমি শুধু একটা কথাই বারবার বলতে চাই তা হলো এত ভালো একটা লেখায় এত টাইপো মানায় না। স্পেসিফিক্যালি এই লেখাটার জন্য এর টাইপোগুলো বড় বেশি ডিসগ্রেসফুল।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: লেখাটা তোর ভালো লাগসে জেনে খুশি হৈলাম। এখন বাকি এক্সাম্পল গুলাও দিয়া ফালা!

৫০| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫৩

অদৃশ্য বলেছেন: হাসান ভাই....

মন্তব্য দুইটাই করছিলাম..... একটা নাই করে দিলেন.... অসুবিধা নাই


শুভকামনা....

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমি ভেবেছিলাম দুটা একই মন্তব্য। স্যরি খেয়াল করি নি। তবে ফিরায় আনারও ব্যবস্থা আছে। দাঁড়ান!

৫১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫৭

মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: পুরো লেখাটাই আ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ ছবির মত (ইন ফ্যাক্ট ঐ থিমেই লেখা) তাই না? বিস্মিত (কিংবা মুগ্ধ) হবার মত অজস্র উপাদান ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এখানে। ভালোভাবে কমেন্ট করতে হলে প্রতিটা লাইন তুলে দিয়ে ব্যাখ্যা করতে হবে, মাগার অত টাইম নাই ভ্যাব্লার। /:)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:০১

হাসান মাহবুব বলেছেন: ক্লকওয়ারর্ক অরেঞ্জ এবং দ্বিতীয় কমেন্টে উল্লেখিত কবিতা দুটোই ইনসপায়ার কর্সে। এ্যালেক্সের ভাবনাটা তুলে ধরতে চাইসি মূলত Welly, welly, welly, welly, welly, welly, well অংশে। ভ্যাব্লা এক্টু টাইম দিলে কী হয়!

৫২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:২০

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ইটোপিয়া আর ডিস্টোপিয়ার দ্বন্দে পইড়া আমার মাথা নস্ট।

এই লেখার জন্য কঠিন শব্দের ব্যাবহার ঠিক ই আছে। যে মন্তব্য করতাম আগেরগুলা পড়ে ক্লিয়ার হয়ে গেলাম।

অটঃ আমো কিন্ত একটা পার্টি পাই। নাইলে আমি আর নাহোল মিলা হামলা চালাবো তোমার ঘরে।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫২

হাসান মাহবুব বলেছেন: এই লেখায় মূলত তিনরকম শব্দ ইউজ কর্সি, কাব্যময়, নাট্যময় আর স্ল্যাংময় হাহা!

পার্টি হবে হবে! অধৈর্য্য হওয়ার কিছু নাই।

৫৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৩৩

অদৃশ্য বলেছেন: হাসান ভাই.....

এই মজাটা এই প্রথম পেলাম..... হারানো জিনিস পেলে কেমন লাগে বুঝেনিতো ........ এই শ্রম দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ

ভালো থাকুন....

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: ব্যাপারটা খুব কঠিন কিছু না কবি! শুভদুপুর!

৫৪| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৭

ত্রাতুল বলেছেন:
একটা পারফেক্ট হাসান মাহবুবীয় গল্প হল অনেকদিন পর।
এক দুইবার পরে পুরোটা বের করা যাবে না। আবার পড়তে হবে।
আমার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে ভাল করে সমালোচনাও করতে পারি না। :(

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:০৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: হাসান মাহবুবীয় গল্প... আমি ঠিক বুঝতেসি না এইটা কী জিনিস! :| পাঠককে বারবার পড়তে বাধ্য করা নাকি একবারেই পাঠনির্যসের গেলাস তুলে দেয়া কোনটা যে করি! আমি অবশ্য যখন যেভাবে লিখতে ইচ্ছে করে সেভাবেই লিখি।

শুভদুপুর ত্রাতুল।

অট-এত বিনয় দেখানোর কী হৈলো /:)

৫৫| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:০৮

যোগিনী বলেছেন: ভাই, এইসব কি লিখেন?? ইদানিং আপনার লেখাগুলোতে আগের টেস্ট পাই না :|| :(

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: টেস্ট পরিবর্তনশীল!

৫৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:২৬

রবিন মিলফোর্ড বলেছেন: আবারও পড়তে হবে ।


২৮ তম ভাললাগা থাকল ।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস রবিন।

৫৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫২

ফয়সাল তূর্য বলেছেন: বরাবরের মতই জটিল এবং মাথার উপরের গল্প!! /:) /:)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: কী আর করা!

৫৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০১

মেমনন বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে... :|

একটু দম নিয়ে নি, তারপর কমেন্টগুলো পড়ব।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:১৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: ওকে! শুভসন্ধ্যা।

৫৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০৭

মেমনন বলেছেন:
The Cosmic Plan: Distant Masters manipulating minor Masters who, in turn, are manipulating tiny butterfly-Masters who, in turn, are manipulating him . . . A universe webbed with strings!


গল্পটা আবার আমারে অনেকক্ষন থেকে ম্যানিপুলেট কর্তে শুরু কর্সে। /:)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২২

হাসান মাহবুব বলেছেন: গল্পের মধ্যে ঈশ্বর আছে না কয়েকটা! তাগো কাম এইডা B-)

৬০| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২২

দূর্যোধন বলেছেন: আপনি অসম্ভব মেধাবী লেখক.... মারাত্মক রকমের মেধাবী !!

এমন একটা লেখা সৃষ্টি করা দুঃসাধ্য ! টুপি খোলা অভিবাদন আপনাকে :)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমার অপদার্থতাকে মাহাত্ম্য ভেবোনা...

৬১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪১

কথক পলাশ বলেছেন: শ্রুতপূর্ব শব্দের মত শরীরের এক একটি চূড়া লুটিয়ে পড়ে উদ্ধত শিশ্নে। সঙ্গীর শেষবিন্দু থেমে যায় সঙ্গমে-সন্তান প্রসবাও কখনো কুমারী হতে পারে।

এই নিন গানঃ
* শর্ত প্রযোজ্য। :P

১. নীলাঞ্জনা-নচিকেতা

২. রাজশ্রী ৩য় পর্ব-নচিকেতা

৩. কফি হাউস-নচিকেতা

৪. চল যাব তোকে নিয়ে-নচিকেতা

৫. জীবন-অঞ্জন দত্ত

৬. আমায় ডেকোনা-লাকি আখন্দ

৭. জল মাটির কাব্য-কথা ও সুরঃ কথক

৮. একলা মেয়ে-কথা ও সুরঃ কথক

৯. দাদারে তোর-ভূমি; কন্ঠঃ বাকী ও কথক


২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২০

হাসান মাহবুব বলেছেন: লাইনগুলা জটিল হৈসে।

গানের জন্যে খালি শর্তই প্রযোজ্য? যাউক। আমি ভাবসিলাম ভ্যাট, ট্যাক্স ইত্যাদিও লাগবো B-)

৬২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২০

অপরিনত বলেছেন: হামা ভাই....এই জীবনে আপনার লেখা বোধহয় আমার বোঝা হবে না...

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৩৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: আগের লেখাটা পড়ে দেখতে পারেন। ওইটা অনেক সোজা। আসলে কী করুম কন মনের ভেতর বড়ই জটিলতা। লেখায়ও তাই চলে আসে।

৬৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৫

স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: অন্যরকম ভাললাগা, হাসান মাহবুব

আর ফাহাদ যেন এক থীম ইঞ্জিন

প্রিয়তে আর কত রাখবো!

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:০৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ হাসনাইন। মনে মনে রাখলেই হবে :#)

৬৪| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৪

ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: অসাধারণ লাগল, তবে একটু জটিল এবং সেই হাসান মাহবুবীয় !!


৩১তম ভাললাগা।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:০৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস চয়ন! শুভসকাল।

৬৫| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১০

ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: অট:সামনের মাসে কারও বিয়েতে যাবার ইচ্ছা আছে কিন্তু দাওয়াত নাই :(

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:০৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: কার রিজিক কোনদিন কোনখানে এটা আল্লাহ ভালো জানেন 8-|

৬৬| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৪

মিরাজ is বলেছেন: লিটল এলেক্সের ও হালকা প্রভাব আছে বলে মনে হইছে আমার কাছে। অনেক সাহসী একটা লেখা।


শেষের পরিনতিটা এমনি আশা করছিলাম। আমাদের মন যা চাই তার কতটুকুই বা করতে পারি কিংবা করতে চাইলে এক যায়গা থেকে কনভার্ট হয়ে আরেক যায়গায় চলে যায়।


উপ্রে মেলা প্রশংসা পাইছেন তাই আর প্রশংসা কর্লাম্না :P

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:১২

হাসান মাহবুব বলেছেন: মাঝখানের হার্ডকোর অংশটায় লিটল এ্যালেক্সের চিন্তার অনুবাদ করার চেষ্টা কর্সি। কিছু আনইউজুয়াল স্ল্যাং!

সাক্ষাতে বাকি কথা হবে নে। আইতাছো তো?

৬৭| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০০

হানিফ রাশেদীন বলেছেন: ভালো লাগা রইলো।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:১৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভসকাল!

৬৮| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৪৯

ময়নামতি বলেছেন: এক নজর চোঁখ বুলিয়ে গেলাম পরে বিস্তারিত পড়ে কমেন্ট করব।

ধন্যবাদ।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৫৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: ঠিকাছে। শুভসকাল।

৬৯| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪৯

যোগিনী বলেছেন: হুমম। আমার মাথা আজকাল মনে হয় আরো আস্তে চলে :|

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: স্লো এন্ড স্টেডি মাথাই ভালো!

৭০| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৪

মেমনন বলেছেন: এক বন্ধুকে পড়তে বলেছিলাম গল্পটা, ওর সামুতে নিক নেই। ওর মন্তব্য দিয়ে দি-

এইটাই কামুন জানি একটা ক্যামিস্ট্রি আছে...
আমি সাধারন্ত দ্রুত পড়তে পারি না...
ক্যামুন জানি তাড়াহুড় করএ সেশ হয়ে গেল...
অনেক পিপাসা লাগ্লে জামন পানি খাই...তেমন...
সামনে থেকে হ্যাচকা টান দ্যায়

পরিচিত ঘটনা...
মানে অনুভূতি গুলা...
অস্থীরতা গুলো

ব্রেক দিয়া আরো কয় একবার পড়ব...


কম্যুনিকেটর থেকে ডিরেক্ট কপি-পেস্ট করে দিলাম।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১১

হাসান মাহবুব বলেছেন: তোমার বন্ধুকে আন্তরিক ধন্যবাদ! গল্পের ব্যাপারে তাড়াহুড়া করি নাই, তবে যেহেতু পাঠক বলেছে, এই ব্যাপারটা মথায় রাখবো পরবর্তী লেখার সময়।

৭১| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৪

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: আবারো সেই ধারার গল্প, আবারো প্রিয়তে।

আমার মনে হয় হাসান মাহবুবীয় গল্প বলতে বোঝানো হচ্ছে যা সচরাচর মাথার উপ্রে দিয়া যায়

হে হে হে।

আপনে তো মিয়া ফর্মে আছেন দেহি।

অনেক ভাল লাগল। যদিও আর কবার পড়তে হবে

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১২

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস তানিম! হাসান মাহবুবের লেখার স্টাইল ফলো করার চেষ্টা করুম :-B

৭২| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৭

সোমহেপি বলেছেন: বাংলা লেখা উল্টা পাল্টা দেখাচ্ছে কেন?হামা ভাই

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: আপনার ব্রাউজারে সমস্যা মনে হয়।

৭৩| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:৪০

মেমনন বলেছেন: "গল্পের ব্যাপারে তাড়াহুড়া করি নাই"- ও মনে হয় তাড়াহুড়া বুঝায় নাই, গল্পের গতির কথা বুঝাইছে। :)

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৫৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: সেই তো বলল যে "ক্যামুন জানি তাড়াহুড় করএ সেশ হয়ে গেল..." তাই ভাবলাম ওরকম।

৭৪| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৫১

একজন বাউন্ডুলে বলেছেন: :-B :-B :-B ভালু লাগিসে

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৫৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: থেংকু!

৭৫| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:০২

স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: আপনার সেই গানের লিংকটার জন্য আরেকবার থ্যাঙ্কস দিতে এলাম।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৫৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: প্রিয় গান সবার সাথে শেয়ার করতে ভালো লাগে। আপনার ভালো লেগেছে জেনে আনন্দিত!

৭৬| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৩৪

জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
বরাবরের মতই অসাধারন লেখা .......

শুভকামনা সবসময়ের জন্য......

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪১

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ জিসান ভাই! এই থিমটা অনেকদিন ধরেই মাথায় ছিলো। লেখার পর শান্তি পেলাম।

শুভদুপুর!

৭৭| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৮

কালো হিমু বলেছেন: এন্টেনার ওপর দিয়ে গেল। :||

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪২

হাসান মাহবুব বলেছেন: :|

৭৮| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:০৭

সায়েম মুন বলেছেন: এই গফে ভালো ঈশ্বর খারাপের ঈশ্বর। প্রকৃত সৃষ্টির ঈশ্বর মুনুষ্য সৃষ্ট ঈশ্বর যার সৃষ্টিকম্ম/ নৈমিত্তিক কম্ম নিয়েই লিখেন না কেন গফের ভাষাশৈলী বা শব্দশৈলী আমাকে রীতিমত মুগ্ধ ও বিমোহিত করেছে। এই জন্য স্যালুট জানাইলাম।

আপনার পোষ্ট আর কত ব্লগশেল্ফে নিবো #:-S

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:১৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমার জন্যে একটা আলাদা ব্লগশেল্ফ বানান :-B

৭৯| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:১০

মেমনন বলেছেন: "ক্যামুন জানি তাড়াহুড় করএ সেশ হয়ে গেল...
অনেক পিপাসা লাগ্লে জামন পানি খাই...তেমন..."

মানে গল্পটা ঢকাঢক খেয়ে ফেলেছে। B-) B-)




"ব্রেক দিয়া আরো কয় একবার পড়ব..."
বুঝতে হবে ;)

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:১৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: আচ্ছা এইবার বুঝলাম B-))

৮০| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১৬

অনিক আহসান বলেছেন: ফ্রিক্যোয়েন্সী জ্যাম আছে তাই ধরতে পারলাম না...
২০১২ সালের জন্য রইলো শুভেচ্ছা..

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫২

হাসান মাহবুব বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা!

৮১| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৭

বেঈমান আমি বলেছেন: শুভ নববর্ষ ।চিয়ার্স ব্রো

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫২

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভ নববর্ষ ব্রো। চিয়ার্স!

৮২| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৫২

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: নতুন বছরের শুভেচ্ছা জনাব! !:#P !:#P !:#P :D :#>

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১:১০

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ ম্যাডাম! শুভেচ্ছা জানবেন। :-B

৮৩| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১:১৬

কাউন্সেলর বলেছেন: নতুন বছেরর শুভেচ্ছা নিন।
অনেক ভালো থাকুন।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১:৪৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভ নববর্ষ। আপনিও অনেক ভালো থাকুন।

৮৪| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১:২৯

~মাইনাচ~ বলেছেন: শুভ নববর্ষ





আপনার আগামী হোক নির্ভেজাল সুন্দর ও আনন্দময়

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১:৪৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভ নববর্ষ।

৮৫| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:১৯

রবিন মিলফোর্ড বলেছেন: নববর্ষের শুভেচ্ছা হামা ভাইয়া ।


আনন্দে কাটুক সারা বছর ।
ভাল থাকুন অনেক । :) :)

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:২৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভ নববর্ষ রবিন। আনন্দে থাকো, ভালো থাকো।

৮৬| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:০২

জসিম বলেছেন:

হামা ভাই আছেন কিরাম!


হ্যা পি নি উ ই য়া র !:#P !:#P

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:০৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: ভালো আছি। শুভ নববর্ষ!

৮৭| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৮:০৪

ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
লিখাটা কি বলবো, ‘অহ, ব্লিস, ব্লিস আন্ড হিয়েভেন’ । চরম রকম একটা ক্যায়োটিক ব্লিস পাইসি । রুশুডুকে সেরকম একটা স্টিমুলাস পাইলাম মনে হৈল । উপমা আর চিত্রকল্প গুলো অত্যন্ত সার্থকতার সাথে ফুটায়া তুলসেন । প্রায় প্রতিটা বাক্যেই ছিল স্যাটায়ার, হেইটের বহিপ্রকাশ । ইটস অ্যা মাষ্টার পিস । আমার কাছে এখন পর্যন্ত আপনার সেরা উপস্থাপনা ।


শ্যাষ দুই প্যারার আগ পর্যন্ত ক্লকওয়ার্কের ফিল্টা একটু বেশি ডমিনেন্ট হয়ে গ্যাছে আমার কাছে । কবিতাটার ফিলোসোফি কিংবা অ্যাস্ট্রানেসের এক্সট্রিম ফিল্টা এইখানে পাইতে হৈলে ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জকে আগে ফিল করতে হবে, মানে দেখিতে হৈবে তাদেরকে যারা দেখে নাই । আপনি এখানে ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জের কুবরিক সৃষ্ট ইমেজারি ডিস্টোপিয়ান সোসাইটি...এর প্লটটা ইউজ করছেন । আর থিম হিসাবে এসেছে রাসেল এডসনের কবিতার ক্লাস অফ দ্যা টাইটান এলিমেন্ট টা । মিরর অফ ম্যাটার এখানে পুরাটা তুলে আনা আসলেই টাফ । কারন এই কবিতাটার কন্সেপ্টা এমন যে ‘দ্যা হোল ইজ গ্রেটার দ্যান দ্যা সাম অফ ইটস পার্টস’...মানে হোলিজম । কেন যেন মনে হচ্ছে, কবিতাটায় আরো কিছু আছে, আরোও অনেক কিছু । গল্পটার কথা যখন ইন্ডিভিজুয়ালি চিন্তা করি তখনও ঐ হোলিজমের কথাই মনে আস্তাসে । কেম্নে কি :P

ডিসটোপিয়ান সোসাইটিতে আলেক্সরাই প্রকৃত অর্থে ইউটোপিয়া গ্রস্থ, রুপকের আড়ালে । একটা ডাইলোগ ছিলনা ক্লকওয়ার্কে, আলেক্সেরই, অনেকটা এইরকম, একটা সমাজে সবাই আমার মত রাতে উতসবে মেতে উঠতে পারেনা । ডিস্টোপিয়ান অডিটোরিমটা ক্লকওয়ার্কের করোভা বারের ডিপিকশন, সেইখানে আপনার সিগনেচার স্পষ্টতই প্রতিয়মান; রাইট, রাইট? আন্দালিব ভাইয়ের কবিতাটার কথা আমারও মনে মনে ছিল । এই তিনটা দারুন ছিল । ‘এগুতে গিয়ে দেখি আমার কোমড়ে সুতো বাঁধা’ – পাপেট মাষ্টারের স্ট্রিংয়ের ক্রিয়ানক সে । ভাষনের কথাগুলো পার্ফেক্ট । এইখানে পার্থিব ইশ্বর বা সম্রাট ক্রিয়ানক হয়ে মাইন্ড গেম খেলে, চলে ব্রেইন স্ট্রোমিং । ‘ঈশ্বর এবং তার প্রেরীত পুরুষদের সাথে লড়াই করার যোগ্যতা এখনও অর্জন করো নি’ এইখানে এসে আলেক্সের ফিলথি ওল্ড ড্রাঙ্কি টারে পিটানোর কথাটা মনে আইসে । এইভাবে গল্পের দৃশ্যগুলো বিভিন্নভাবে ক্লকওয়ার্কের কিছু কিছু দৃশ্যের সাথে মিলানো যায় । ক্লকোয়ার্কে যেমন অনেক অনেক নতুন শব্দ দারুন ভাবে ইউজানো হৈসে, এই গল্পেও বেশ কিছু শব্দ পাইছি ঐরাম :P । ‘ওরা নিজেরাই তো নিজেদের মধ্যে সংঘাত করে চলেছে’ -রিয়ালিজম । পিয়ানো কন্সার্ট এলেক্সের ‘লাভলি লাভলি লুডউইগ ভ্যান’ এক্সপেরিয়েন্সের রুপায়ন ।

শেষের দুই প্যারাতে এসে ডিসিশান নিলাম এই কবিতা নিয়া আর গল্প নয়, রাসেল অ্যাডসন নিয়া একটা লেখা লেখুম, মায়কোভস্কি নিয়ে লিখাটার মত । আমি ভাবছিলাম একটা রাগনারক ঘটায়া ফেলবেন শ্যাসম্যাষ, সব ধ্বংস কৈরা ফেলবেন, কিন্তু ফিনিশিংটা অসাধারন হৈসে ।

আপনার লিখাটা পড়েই কেন যন ব্লগেই পড়া মৃদুল মাহবুবের ‘প্রার্থণা চিরবৈশ্বিক অন্ধকার’ এর কথা মনে পড়লো । থিম প্লট বা ফরম্যাটে নয়, উপস্থাপনায় । আমার এক্ষুনি আবার ক্লকওয়ার্ক দেখতে ইচ্ছা করতেছে । হেইল নিখিল বাংলাদেশ ডিসটোপিয়ান সমিতি, ডিস্টোপিয়ান ওয়ার্ল্ড ।


আগের কমেন্টা বাদ :-B

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৩০

হাসান মাহবুব বলেছেন: ডিয়ার ফাহাদ, আমার মাথায় দউিটা থিম ঘুরটএসিলো। একটা হৈলো ডিসটোপিয়ান ওয়ার্ল্ড, অবশ্যই ইন্সপায়ার বাই ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ, আর তোমার দেয়া কবিতাটা। দুইটা আলাদা গল্প হবার কথা ছিলো, কিন্তু ভেবে দেখলাম কম্বাইন করলে কেমন হয়! তোমার কমেন্টের জন্যে অপেক্ষা করছিলাম। কারণ তমি খুব আশা করে ছিলা এই গল্পটা নিয়ে। আর তোমার তাগাদা ছাড়া হয়তোবা গল্পটা লেখা সম্ভব হতো না।

আর তোমার পাঠ প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কী বলব! এ্যালেক্সের মত নতুন স্ল্যাং ইউজ করা, করোভা মিল্কবারের গল্পায়ন, সবকিছু নিখুঁতভাবে দেখসো।

আমি আনন্দিত। থ্যাংকস আ লট ব্রো!

৮৮| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:১৫

আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: হামাভাই ৩৭ তম ভাললাগা জনাতে পেরে ভাল লাগছে :)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:২৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস রোমাস!

৮৯| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:২৯

anisa বলেছেন:
সুন্দর অথচ কঠিন !
অনেক বার পরলাম
আমি সবসময়েই লেট
তাই ক্ষমাপ্রার্থী ।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:০০

হাসান মাহবুব বলেছেন: আপনি সবসময়ই স্বাগত এখানে। ক্ষমা চাওয়ার কিছু নেই। অনেক শুভেচ্ছা!

৯০| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:২৬

প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার বলেছেন: ফাহদা ভাইয়ের কমেন্ট 8-|

০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩১

হাসান মাহবুব বলেছেন: সেরকম একটা পাঠ প্রতিক্রিয়া!

৯১| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৪২

জাফরিন বলেছেন: থ্যাংকস্। আবার আপনাকে ফিরে পেলাম।
গ্রেট জব!

০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৪৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: ভালো লাগলো জেনে, জাফরিন। ভালো থাকবেন।

৯২| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪৪

পাগলমন২০১১ বলেছেন: বুঝতে অনেক কষ্ট হয়।

তয় ভাল লাগা হামা ভাই।

ফেবু তে রকু পাঠাইছিলাম।



ভাল থাকুন নিরন্তর।শুভ নববর্ষ।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: কষ্ট করে পড়ার জন্যে ধন্যবাদ। ফেবুতে কী নাম থেকে রিকু পাঠিয়েছিলেন একটা মেসেজের মাধ্যমে উল্লেখ করেন।

শুভ নববর্ষ।

৯৩| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৪৮

শায়মা বলেছেন: বাপরে!!!


আবার গেছি গেছি টাইপ গল্প!!


একটা গান শুনছিলাম অনেকদিন আগে.....

এই যে দুনিয়া কিসের লাগিয়া
এত কষ্টে বানাইয়াছেন সাই ......

হাকিম হইয়া হুকুম করো
................................
সর্প হইয়া দংশন করো
ওঝা হইয়া ঝাড়ো
যেমনে নাচাও তেমনে নাচি
তুমি খাওয়ালে আমি খাই ......


:P

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ ভোর ৪:০৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: জাফরিন বলেছেন: থ্যাংকস্। আবার আপনাকে ফিরে পেলাম।
গ্রেট জব!

শায়মা বলেছেন: বাপরে!!!

আবার গেছি গেছি টাইপ গল্প!!

এখন আমি যে কী করি! :|

৯৪| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:৪৭

শায়মা বলেছেন: তোমার অবস্থাও তাইলে গল্পের মেইন ক্যারেক্টারের মত।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:৫৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: এই ক্যারেক্টারলেস গল্পের আবার মেইন ক্যারেক্টার :-/

৯৫| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৩৩

জুন বলেছেন: ভালোলাগলো ছোটো গল্প হাসান ।
+

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৩৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ জুন।

৯৬| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৫২

রু আদে বলেছেন: সিম্পলি অসাম।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:০৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস প্রিয়কবি!

৯৭| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৪৪

রেজোওয়ানা বলেছেন: আবার পড়া, তোমার রিপ্লাই, ফাহাদের মন্তব্য .......সব মিলিয়ে এইবার ঠিক ভাবে আস্বাদন করতে পারলাম!
বুঝতে পেরে শান্তি লাগছে :)

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৪৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: এই লেখাটা লেখার পর আমারও শান্তি লেগেছে। শুভবিকাল আপু!

৯৮| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩৯

ফারজুল আরেফিন বলেছেন: আমার মতো মানুষের পক্ষে এই লেখা বুঝে ফেলা কঠিনতর কাজ। অবুঝ বালকের মতো হাওয়াই মিঠাই তৃপ্তি সহকারে খেলাম। হাওয়াই মিঠাইয়ের অসাধারন আকর্ষন ক্ষমতা। :)

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ!

৯৯| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:৫৩

আবু সালেহ বলেছেন: ধামাকা -২০১১....
নতুন বছরের শুভেচ্ছা......

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:০৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধামাকা! :||

১০০| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৫

আজমান আন্দালিব বলেছেন: গল্পটা আগেই পড়েছিলাম। কমেন্ট করা হয়নি। আবারও পড়লাম এবং যথারীতি ভালো লাগা।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ! শুভসন্ধ্যা।

১০১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৩৫

কাউন্সেলর বলেছেন: আপনার লেখার মধ্যে নেশা আছে- শুরু করলে শেষ করা যায়না- এবার পড়তে একটু দেরি হয়ে গেল।
তবে আপনার লেখা পড়ে একটা গানের কথা মনে হয়-"...তুমি কেমন করে গান কর হে গুণী..."
খুবই দারুন লাগলো!

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৫৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: এই নেশায় ডুবে থাকতে চাই এবং ডুবিয়ে রাখতে চাই আপনাদের। অনেক ধন্যবাদ অনুপ্রেরণামূলক মন্তব্যের জন্যে। শুভরাত্রি!

১০২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:৫০

ভাঙ্গাচুরা যন্ত্রপাতি বলেছেন: লেখাটার শুরুর দিকে কিছুটা অসংলগ্ন মনে হয়ছে, ঠিক যেম ঐকতান ছিল না। কিন্তু পরের দিকের ডায়ালগগুলা সেই ক্ষতি পুষিয়ে দিয়েছে। আপনার এই লেখাটার সাথে একটা মিউজিকের ভাল মিল আছে। ধ্বংসাত্মক আবার শান্ত। যেমন কনসার্টে যেয়ে সুরে বিভোর হয়ে কিছুক্ষণ শান্ত আবার পরক্ষনেই ধ্বংসাত্মক আবার কিছুক্ষণ পরে একটু ইনএকটিভ। যে অণুগল্পটা দিয়েছেন সেটা আপনার প্রেরণা হলেও, গল্পটার ছায়া আপনার গল্পটায় খুবই কম, রশি টানাটানির সময় একটু শুধু একটু বোঝা যায় অণুগল্পটার প্রভাব, কিন্তু বাকি গল্প স্বতন্ত্র।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ ভোর ৪:২৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস! গল্প সম্পর্কে এরকম পরিপূর্ণ প্রতিক্রিয়া পাইলে লেখাটা সার্থক মনে হয়।

মিউজিকটা ডাউনলোড দিলাম। শুভভোর!

১০৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ ভোর ৬:১০

টুকিঝা বলেছেন: এখন থেকে আর ঘুমুবো না, স্বপ্ন দেখবো না। জেগে থাকবো, জেগে থাকবো এ্যাড্রিনালিনের প্রবাহে, এখনও অনেক কিছু নষ্ট করা বাকি, নষ্ট হওয়া বাকি.

ভয়ংকর জটিল, কিন্তু আকর্ষণী ক্ষমতাও সেরকমই ভয়ংকর জটিল!!!! ঘোরের মত ভেতরে নিতে থাকে!!!

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:০২

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভসকাল টুকিঝা। অনেক পরে আপনার কমেন্ট পেলাম! ভালো থাকবেন।

১০৪| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:৪৯

ভাঙ্গাচুরা যন্ত্রপাতি বলেছেন: কেন লাগল মিউজিকটা? আর বিগটেন দেখছেন?

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:৪১

হাসান মাহবুব বলেছেন: মিউজিকটা দারুণ! বিগটেন এর কথা তুমি অনেকদিন ধৈরাই বলতেসো। আজকে ডাউনলোড দিমুনি।

১০৫| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৩৬

টুকিঝা বলেছেন: সকাল দেখা হয়না আজকাল! এক্ষুনি উঠলাম ঘুম থেকে!!!


সেদিন পুরোটা পড়া হয়নি তাই কমেন্ট করিনি, কাল পড়ে করলাম!!!

শুভ দুপুর ভাইয়া।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৩৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভদুপুর টুকিঝা! এরকম ঘুম মিস করি খুব এখন।

১০৬| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:০৭

নস্টালজিক বলেছেন: এরকম থীমের সাথে আমি রিলেট করতে পারিনা পুরোপুরি,

কিন্তু তুমি যেই ভাবনাটা মাথায় নিয়ে লিখতে বসছিলা, পড়া শেষ করে আমার মনে হলো ভাবনাটার দৃশ্যায়ন পারফেক্ট হইসে!

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:১০

হাসান মাহবুব বলেছেন: এরকম থিম নিয়ে লিখতে আমার ভালো লাগে। ভাবনার দৃশ্যায়ন পারফেক্ট হৈসে জেনে ভালো লাগলো। থ্যাংকস!

১০৭| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:৩১

ঘুমকাতুর বলেছেন: হামা ভাইয়ের সব লেখা আমার কাছে গবিতা মনে হয়।

ভাল লাগা দিলাম

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: গবিতা! গদ্যকবিতা? B:-/

ধন্যবাদ।

১০৮| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৫৭

নাঈম আহমেদ আকাশ বলেছেন: আমি এই পোস্ট টা এই পর্যন্ত তিনবার পড়লাম,এত মনোযোগ দিয়ে পড়ার পরেও কেন জানি আবছা আবছা লাগতাছে । 8-|

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০২

হাসান মাহবুব বলেছেন: এই যে দেখছি আবছায়াটাই লাগছে ভালো- কবীর সুমনের গান :-B

১০৯| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০৪

নাঈম আহমেদ আকাশ বলেছেন: =p~ । আপ্নের কি রম্য ভালো লাগে না?

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: অবশ্যই ভালো লাগে! একসময় আমি রম্য লিখতাম উন্মাদে। এই ব্লগেও কিছু রম্য/ফানপোস্ট দিছি। লিংক দিমুনা খুঁইজা বাইর করেন :||

১১০| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৩৪

নাঈম আহমেদ আকাশ বলেছেন: আইজকা রম্য লিখছি । অথচ আপ্নে দেখলেন ই না।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৪০

হাসান মাহবুব বলেছেন: আজকের অনেক পোস্টই পেন্ডিং। দেখুম নে। পোস্ট তো আর পালায়া যাইতাছে না। আর আপনে তো আমার অনুসারিত লিস্টে আছেন। মিস হওয়ার কুনৈ চান্স নাইক্যা!

১১১| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:০৬

নাঈম আহমেদ আকাশ বলেছেন: অক্কে ভাই ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৩৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভরাত্রি।

১১২| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৪৫

ঘুমকাতুর বলেছেন: জী, গদ্যকবিতা

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:০৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ আবারও!

১১৩| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:২৫

শত রুপা বলেছেন:
অচেনা সড়ক খুঁড়ে (কোনদিকে!)ইচ্ছেমত যাবো ?

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:০৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: যেখানে ইচ্ছের শতরূপ!

১১৪| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:২৫

নেক্সাস বলেছেন: বরাবরের মত অনেক সুন্দর গল্প। হামা ভাই আমার প্রিয় গল্পকার। সামুর সেরাদের একজন। অনেকদিন বলগে আসনি। মিস করেছি আপনার লিখা।
ফিরে এসেও আবার চলে যেতে হচ্ছে। সামুতে যে মনপলি আর ব্যাক্তিগত সম্পর্কের জোয়ার উঠেছে তাতে করে আমার পক্ষে এখানে থাকাটা কঠিন হয়ে পড়েছে।
আজ শেষদিন সামুতে আমার প্রিয় গল্পকার হিসেবে আপনাকে ভিজিট করে গেলাম। কোন ব্যাক্তিগত সম্পর্কের বাইরে শুধু লিখালিখির মানই আপনাকে আমার প্রিয় করে তুলেছে।

দুঃখ সামু ৩০/৪০ জন ব্লগারকেই মূল্যায়ন করে। সামুর পথ চলায় আমরা কোন অবদান রাখিনি বা আমাদের লিখা নিতান্তই মানহীন আঁকিবুকি।
সেইজন্য কারো ব্যাক্তিগত মতামত সামু ষ্টিকি করে।

যাইহোক আপনার লিখা মিস করবনা। সচলে নিয়মিত পড়ি। ওখানে দেখা হবে।

ভাল থাকবেন। আপনার কাছ থেকে একটা গল্প সংকলোন বই আকারে আশা করি। প্রয়োজন হলে বলবেন। প্রকাশনার সাথে পরিচয় আছে। সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।

শুভ হোক ২০১২

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:০৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভকামনা। ভালো থাকবেন।

১১৫| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ ভোর ৫:৫৩

সাগর রহমান বলেছেন: আপনার গল্প পড়ে পড়তে এসেও একটা লাভ আছে। যা যা বুঝিনি, তাও অনেকের মন্তব্যের ভিতর দিয়ে বোঝা হয়ে যায়।

মন্তব্যকারী হিসেবে আমি দূর্বলতম। চমৎকার বললে তেমন কিছুই বলা হয়না জানি, এটুকু বলতে পারি, এজাতীয় থিম আর স্টাইল আপনার এখন নিজস্ব আর তা আমার খুব ভালো লাগে। ফাহাদ ভাইয়ের অনুবাদটাও ভালো লাগছে।

ওয়েল ডান দি স্টোরী টেলার।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:১৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সাগর ভাই!

১১৬| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:৪৫

শহিদুল ইসলাম বলেছেন: হুম . এক কথায় দারুণ :) :)

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:২০

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

১১৭| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:৪২

নষ্ট কবি বলেছেন: আপনার নাকি বিবাহ হবে??

আমাগো খাওন দেবেন না???

B-)) B-))


এই গল্পটা আমি লিখতে গেলে নিশ্চিত আমার মাথা নোষ্ট হইয়া যাইত :( :(

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪০

হাসান মাহবুব বলেছেন: নষ্ট কবি আবার নতুন কৈরা কী নষ্ট হৈবো! B-))

১১৮| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৪৭

আরজু পনি বলেছেন:

আপনার এই লেখাটা মনে হলো রাশিয়ার গল্পের অনুবাদ পড়লাম যেন...

আপনি অসম্ভব সুন্দর করে কঠিন, ঢেকে রাখা বাস্তবকে আমাদের সামনে কি দারুন অবলীলায় উপস্থাপন করেন...

অনেক ভালো লাগলো :) :)


অ.ট. হামা ভাই, আপনার প্রতিটা পোস্ট আমি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ি....

বলতে গেলে খোজ্ও রাখি...

কিন্তু মন্তব্যে কেন যে এতো অনিয়মিত!!!

সেজন্য ক্ষমা চাচ্ছি... :(



০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪২

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আরজুপনি! ক্ষমা করা হল না, নিয়মিত মন্তব্য করতে হবে। হেহে!

শুভসন্ধ্যা। ভালো থাকবেন।

১১৯| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:২৬

বৃষ্টিধারা বলেছেন: লম্বু ভাইয়ের লম্বু পোষ্ট পেইজ :-P :-P :-P ......

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:২৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: হাহা!

১২০| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৩৫

রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: ক্যামন আছেন? :( মন মিজাজ খারাপ।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:০৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: ভালাচি। তয় মন মেজাজের ঠিক ধর্তে পার্তাছি না :|

১২১| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৩

সোমহেপি বলেছেন: গল্পটা শব্দ করে পড়ছিলাম।ভাল লাগছিলো।হঠাৎ ডেস্টিনি কি সব প্রসঙ্গ এলো ভাবলাম এমন সুন্দর গল্পে এই নামগুলোর জায়গা হয়ে গেল যে!আবার মজা পেয়েছি খুব।কিছু মব্দ আছে জানি অনেক ক্ষোভ থেকে লেখা তাও হজম করতে পারছি না।শব্দগুলোকে একটু বোরকা পড়ালে কি গল্পের মান কমে যাবে?দেখেনতো।



যারা জেগেছে রাত, যারা চুমুক দিয়েছে মদের গেলাসে
তাদের বাহুলগ্না নারীর উগ্র সুবাস এবং অসংবদ্ধ নৃত্যের
প্রলোয়ল্লাসে আকৃষ্ট হয়ে স্বপ্নগ্রস্থরা ঝাঁকে ঝাঁকে চলে
.......................................
অনেক কাব্যিক হাসান ভাই।গল্পের অনেকগুলো লাইন আছে যাদেরকে পর সাজালেই কবিতা হয়ে যাবে।



সুন্দর সুন্দর শব্দ ও প্রচুর।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:২২

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস! এখানে আসলে তিনরকম ভাষা ব্যবহার করতে চাইসি। কাব্যধর্মী, পুরাই ঘষামাজা না করা এবং নাট্যধর্মী। তিনটার একটা সমন্বয়ের প্রয়াস ছিলো। থাক ওরকমই!

১২২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৩৯

নিখিলেস প্যারিসে বলেছেন: অনেক ভালো লাগা রইল..

সাথে নতুন বছরের শুভেচ্ছা

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৪৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা আপনাকেও।

১২৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৫২

শিপু ভাই বলেছেন:
অনাকংখিত ভুল বোঝাবুঝি ও তার থেকে উদ্ভুত অভিমানের কারনে আমার কিছু অযাচিত মন্তব্যের (বাইরে) জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমার ভুল ভেঙ্গেছে। আশা করি আপনি আমার উপর কোন রাগ রাখবেন না। ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আমি আপনাকে ভুল বুঝেছিলাম।

আশা করি আমাদের ব্লগীয় পথচলা আরো আনন্দময় হবে।

শুভকামনা সবসময়।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:১০

হাসান মাহবুব বলেছেন: হ্যাপি ব্লগিং।

১২৪| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৫৮

শত রুপা বলেছেন:

যেনো সুন্দরে মরে যাই

এবং অসুন্দরেও

১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:১৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: মরে যাওয়াটা আসলে কীরকম? আমি বুঝে উঠতে পারি নি এখনও।

১২৫| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৮:৪৮

রুমমা বলেছেন: ding dong dosto

১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:০৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: ডিংডং রুমমা ফ্রেন্ডো!

১২৬| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৮:৪৯

রোজেল০০৭ বলেছেন: এত এত ভারী লেখক ও ব্লগারদের কমেন্ট।আমি কিছু নাই বা লিখলাম।

লেখাটা পড়লাম এতেই আমি খুশি।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:০৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভকামনা রোজেল!

১২৭| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:০৪

তিথির অনুভূতি বলেছেন: অনেক পড়ে জায়গা দখল করলাম।
ভাল লাগল ।। কেন আগে পড়লাম না
ভাল লেখেন ,

১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৪৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ!

১২৮| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৬

ইলুসন বলেছেন: যেদিন পোস্ট করেছিলেন ওইদিনই মোবাইল দিয়ে পড়েছিলাম, পরে পিসিতে বসে মন্তব্য করব সেই কথা মনে ছিল না। লেখা বরাবরের মতই ভাল হয়েছে। শুধু শেষের দিকে দুইজনের মাঝে কিছু সংলাপ দেখা যায়। ওগুলা কার কার মধ্যে এটা বুঝি নাই?

-শোবে না?
-দাঁড়াও, মজার একটা খেলা দেখাচ্ছে টিভিতে ওটা শেষ করে নিই।
-আমিও দেখবো। কী খেলা?
-টাগ অফ ওয়ার!



ইউটোপিয়ান ঈশ্বরে এখনও বিশ্বাস আছে তাই তাকে নিয়ে একটা গালি লিখছেন ওইটা খারাপ লাগছে।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:০৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: ওটা এক দম্পতির কথোপকথন। ইউটোপিয়ান এবং ডিসটোপিয়ান ঈশ্বরের দড়ি টানাটানি বুঝাইতে ওইটা ইউজ কর্সি।

পাঠের জন্যে ধন্যবাদ।

ইউটোপিয়ান ঈশ্বর যদি থেকে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল! আমার এই গালি তার গায়ে লাগার কথা না!

১২৯| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০৫

বিতর্কিত উন্মাদ মানব বলেছেন: হাসান মাহবুবিয় ভাষার চরম প্রয়োগ। ডরাইসি। পরে ঠান্ডা মাথায় পড়ে কমেন্ট দিব /:)

১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৪৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: হাহা! ঠিকাছে। মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম।

১৩০| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:০১

ইলুসন বলেছেন: দম্পতির কথা তা বুঝতে পারছি কিন্তু হঠাত করে তাদের আগমন এই গল্পে কি জন্যে, এটাই বুঝতে পারছিলাম না। :P

১১ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১:৪৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: এটা এভাবে ভাবতে পারেন, সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী ঈশ্বরদের দড়ি টানাটানি খেলা এ্যাগোনিস্ট ভিউ থেকে দেখা।

১৩১| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:০৪

শিপু ভাই বলেছেন:
নতুন জীবনের হাতছানি.......
আনমনে অনুভবে লাজুক স্বপন........
অনাগত দিন-মাস-বছর-সারা জীবন...
কাটুক হাসি খুশি আর আনন্দে!!!

শুভকামনা রাশিরাশি!!!


You are going to Die
Thats why-

১১ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৩৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস! :#>

১৩২| ১৮ ই মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৮

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক কিছুই বুঝতে পারি নাই। তাও অনেক ভালো লেগেছে পড়তে। কিছু লাইন মন ছুয়ে গেছে। শুভেচ্ছা :)

১৮ ই মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫০

হাসান মাহবুব বলেছেন: যতটুকু ভালোলাগা নিয়েছেন গল্পটি ঠিক ততটুকুই ভালো ধরে নিলাম!

ভালো থাকুন।

১৩৩| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:০৯

হাসিনুল ইসলাম বলেছেন: রশি কাজ না করার নিজস্ব কোন ব্যাখ্যা কি আছে?

আপনি কি শিশু সাহিত্যের দিকে হাত বাড়াবেন? অসম্ভব হিউমার, ব্যঙ্গ, কৌতুহল জাগানিয়া টোপ, দ্ব্যর্থবোধকতা আর আলাপচারিতার সমন্বয় করতে পারেন অনায়াসে। সঙ্গে তো বুদ্ধিবৃত্তির যোগ থাকেই। আমাদের শিশুসাহিত্য হয়ত প্রাণ পেত।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৫২

হাসান মাহবুব বলেছেন: এটা হচ্ছে ইউটোপিয়ান আর ডিসটোপিয়ান ঈশ্বরের দড়ি টানাটানি। আমরা তার দর্শক। মানবসৃষ্ট ঈশ্বরের ভঙ্গুরতা অথবা সেই মানবেরই সৃষ্ট শয়তানের মজবুত দড়ি। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখলে আমি দ্বিতীয়টাকেই প্রাধান্য দিয়েছি! যদিও শেষতক ঈশ্বর, শয়তান, মানুষ সবার মধ্যেই একটা অস্বস্তিকর সাম্য বজায় থাকে! যা অনাকাঙ্খিত।

শিশুমনটা মরে গেছে অনেক আগেই। পুনরজ্জীবিত করার ইচ্ছে আছে।

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩৪| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৪৫

প্রিন্সর বলেছেন: ডিসটোপিয়ানরা কিছুটা 'ক্লক ওয়ার্ক অরেঞ্জের' লিটল এলেক্সের মত ।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৫৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ ফিল্মটি ডিসটোপিয়ান ওয়ারল্ড নিয়েই তৈরি বলে মনে করি। এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলতে পারে। এখন বেড়ুচ্ছি। শুভকামনা।

১৩৫| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৮

নক্ষত্রচারী বলেছেন: ডিসটোপিয়ান বনাম ইউটোপিয়ান !!

শেষের দিকটায় একটু কনফিউসড ।

এ্যানার্কিস্ট ধ্বংস করতে এসে নিজেই সুর সৃষ্টি করতে লাগলো ?

এই জেনারের কিংবা সমগোত্রীয় আর কোন পোষ্ট থাকলে লিংক দিয়েন তো ।।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমাদের কল্পিত ঈশ্বরদিগের দুটো রূপ। একটা শান্তির (ইউটোপিয়ান), আরেকটা ধ্বংসের (ডিসটোপিয়ান)। মানুষের ভেতরও এগুলো সংক্রামিত হয় এবং বিভাজন তৈরি হয়। এখানে দর্শক দুই পক্ষ। সত্যিকারের ঈশ্বর, এবং সত্যিকারের মানুষ। তারা দড়ি টানাটানি দেখছে।

পর্যবেক্ষক ঈশ্বর নিয়ে আমার আরেকটা গল্প আছে। সেটা অবশ্য অত বড় পরিসরে লেখা না।

সাময়িক

১৩৬| ০২ রা অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:২৯

ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:

০২ রা অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:২২

হাসান মাহবুব বলেছেন: আরে জোস তো! এই গল্পের জন্যে পারফেক্ট :-B

১৩৭| ০২ রা অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:২৪

ইমরাজ কবির মুন বলেছেন:
সাম্প্রতিক মন্তব্যে গল্পের নাম দেখেই বুঝসি এটা আপনার B:-/ ||

০২ রা অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৩০

হাসান মাহবুব বলেছেন: দারুণ তো আপনার অনুমান শক্তি! :-B

১৩৮| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:৩০

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: আপনার লেখায় অনেক শব্দ থাকে, সম্পর্কযুক্ত। গল্পে ননস্টপ অনেক রেফারেন্স আসে, তাই আপনার গল্প পাঠকদের কয়েকটা বিষয়ে 'ন্যূনতম' জ্ঞান দাবি করে। যেমন এই গল্পের কথা বলি। 'ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ' ছবিটা, আন্দালীবের একটি কবিতা, 'মিল্ফেটোমিন', ইউটোপিয়ান ও ডাইস্টোপিয়ান থিম ইত্যাদি এসেছে গল্পে। এর কোনটা সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান ছিল না আমার, তাই কয়েক মাস আগে এই গল্প পড়ে কমেন্ট না করেই বিভ্রান্ত হয়ে লগ আউট করেছিলাম।

ছবিটা দেখলাম। থিমগুলো নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলাম। আজ আবার পড়লাম গল্প, এবং চমৎকার একটা অনুভূতি হল।

গল্পের শেষে টানাটানি বজায় থাকলেও অভিযোগ করছি, আপনি পরোক্ষভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। ছোকরার শেষের কথাগুলো উদ্ধৃত হল,

পিয়ানোটার ওপরেই বসে পড়ি! বসার সাথে সাথে রিডগুলো আন্দোলিত হয়ে বিদঘুটে এক সুর সৃষ্টি করল। বেশ মজার তো! একটু বাজিয়ে দেখি...

প্রভাব ভালোর দিকেই থাকছে - সত্য কিনা? হয়তো বীভৎস বাস্তবের মাঝে হঠাৎ সুন্দর এসেছে বলে তাকে এত শাশ্বত মনে হচ্ছে- হতেও পারে।

ভেতরের জন্তুটাকে রূপক দিয়ে, এত চমৎকার সাহসি বর্ণনা দিয়ে আলিঙ্গন করলেন, (কিংবা থাপড়ে দিলেন), প্রিয়তে না নিয়ে পারলাম না।

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:৪৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: গল্পটা যখন লিখি, তখন চেষ্টা করেছিলাম ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ থেকে এ্যালেক্সের মন ধার করতে। আমার ভেতর এ্যালেক্সের প্রভাব প্রবল ছিলো একসময়। এবং সবার ভেতরেই সেটা আবিষ্কার করার চেষ্টা করতাম। এ্যালেক্সকে ডিসটোপিয়ান জগতের যোগ্যতম প্রতিনিধি মনে হত। কিন্তু প্রকৃতির নিজস্ব একটা সাম্যাবস্থা আছে, অতিমাত্রায় এ্যালেক্স প্রভাব দেখা দিলে ব্যালান্স করার জন্যে মানুষের ভেতর মানবিক বোধ প্রোথিত করবেই।

ভালো থাকুন। সুন্দর থাকুন।

১৩৯| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:২৮

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: এই গল্প পড়তে আমাকে কয়েকবার গুগোল ইউজ করতে হয়েছে!

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:৪২

হাসান মাহবুব বলেছেন: বিয়াপক গিয়ানী গপ্প :-B

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.