নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তারা ভরা আকাশ

আমি আবির

আমি ভাল ছেলে.........।।

আমি আবির › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রসঙ্গঃ বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমার রায় ঘোষণা- আসিফ এর কিছু কথা

০৮ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৫২

আমরা যখন মুলা খেতে ব্যস্ত তখন ৬ হাজার কিলোমিটার বাংলাদেশের বুকে ইন্ডিয়ার ফ্ল্যাগ বসে গেছে।

"সমুদ্রে সাড়ে ২৫ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা দাবি করলেও আদালতে তা প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি বাংলাদেশ। ফলে ৬ হাজার ১৩৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা প্রতিবেশী ভারতকে ছেড়ে আসতে হয়েছে।" - আরটিএনএন

সবচেয়ে বড় কথা সমুদ্র সীমার এই রায়কে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্বাগত জানিয়েছে। প্রকাশ ও করা হচ্ছে এভাবে যে ২৫ হাজার জমি নিয়ে বিতর্ক ছিল এর মধ্যে ১৯ হাজার পাইছি আমরা আর ৬ হাজার ইন্ডিয়া। এর মানে আমরা জিতছি।

কিন্তু আসল কথা হচ্ছে এই পুরা ২৫ হাজার আমাদেরই ছিল এবং ভারত এখানে ১ কিলোমিটার জমিও পাওয়ার কথা না। সুতরাং আমার হিসাবে ৬ হাজার কিলোমিটার বলা যায় গিফট করে দিয়ে আসলাম।

যাহোক, আমাদের খুব পরিচিত একটা দ্বীপ যেটা কিছুদিন আগে ও সাধারণ জ্ঞান বইয়ে পড়তাম আমাদের তা হচ্ছে দক্ষিণের তালপট্টি দ্বীপ । আজ থেকে সাধারণ জ্ঞান বইয়ে লেখা থাকবে সেটা ইন্ডিয়ার।

এটা কোন দিক থেকে জয় আমি জানি না। হয়ত এটা সরকারের জয়। ইন্ডিয়ার নতুন সরকারকে সন্তুষ্ট করে আরো পাঁচ বছর সাপোর্ট পাওয়ার জয়। দ্যাটস ইট।

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৮

নবীউল করিম বলেছেন: ++++++++++++

এই কথাটা আমি প্রথম আলোতে মন্তব্বে দিয়েছিলাম, কিন্তু ওরা প্রকাশ করে নাই।

২| ০৮ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৪:০২

ইউরো-বাংলা বলেছেন: সঠিক সময়ে সঠিক কথাটি বলার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

৩| ০৮ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৪:০৪

রাজিব বলেছেন: কিন্তু আসল কথা হচ্ছে এই পুরা ২৫ হাজার আমাদেরই ছিল এবং ভারত এখানে ১ কিলোমিটার জমিও পাওয়ার কথা না।
এই তথ্য আপনি কোথায় পেলেন? যদি বাংলাদেশেরই এই পুরো ২৫,০০০ বর্গ কিলোমিটার বাংলাদেশেরই থাকতো তবে কেন আমাদের আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে হল। রায়টা কি আপনি পড়েছেন? ৫ জন বিচারকের মধ্যে ৪ জনই বাংলাদেশের দাবীর অনেকটা মেনে নেবার রায় দিয়েছেন এবং ১ জন (ভারতীয় বংশোদ্ভূত) বাংলাদেশের বিপক্ষে রায় দিয়েছেন।
আপনি যে ওয়েবসাইট থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন সেখানেই লেখা আছেঃ
উল্লেখ্য, সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশে বিরোধের প্রধান বিষয় হলো- দুদেশের সমুদ্রসীমা শুরুর স্থান নির্ধারণ। এছাড়া ভূমিরেখার মূলবিন্দু থেকে সমুদ্রে রেখা টানার পদ্ধতি নিয়েও মতবিরোধ দেখা দেয়। ভূমির মূলবিন্দু থেকে সমুদ্রের দিকে ১৮০ ডিগ্রির সোজা রেখা দাবি করে বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতের যুক্তি ছিল সমুদ্রতট বিবেচনায় এ রেখা হবে ১৬২ ডিগ্রি।
এখন সালিসি আদালতের রায়ে ভূমির মূলবিন্দু থেকে সমুদ্রের দিকে ১৭৭.৩ ডিগ্রি রেখা টানা হয়েছে, যা বাংলাদেশের দাবির খুব কাছাকাছি।

০৮ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৫:২৯

আমি আবির বলেছেন: কী মজা কী মজা!
পশ্চিমে দিলাম পামপট্টি
দক্ষিনে গায়েব তালপট্টি
জাস্ট বিউটি

৪| ০৮ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৪:০৪

আসোয়াদ লোদি বলেছেন: আবারও কেক কাটার উৎসব হয় কিনা দেখি ।

৫| ০৮ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৫:০৩

মো সিরাজিম মুনীর দীপ বলেছেন: @রাজিব, ভাই এটা আপনার এ৪ সাইজের পাতা না যেখানে ২.৭ ডিগ্রি হয়তো খুব বড় কিছু না কিন্তু কিলোমিটারের হিসাবে সেটা অনেক বড়।
একটা গল্প জানেনত, যেখানে একজন বলে যে সে নাক দিয়ে খায়। সবাই বলল এটা কিভাবে সম্ভব, হতেই পারে না। সে বলল, না ঠিক নাক দিয়ে না কিন্তু একটু নিচ দিয়ে।

৬| ০৮ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৫:২৬

শাহ আজিজ বলেছেন: সব কিছুর মাঝে সত্য বলি । তালপট্টি দ্বীপ কারোরই দখলে ছিল না । এটাকে মাঝিরা শীতকালিন আশ্রয় ও মাছ শুকানোর কাজে ব্যাবহার করত । যেহেতু দেশ স্বাধীন হবার পর সীমানা নির্ধারণে কারোরই তেমন গরজ বা সময় ছিল না , কারন বাংলাদেশ তখন গদি দখল নিয়ে ব্যাস্ত আর ভারত একটি সুখময় বিজয় , মানে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ বিজয়ের পর তার শক্তি বাড়াতে ৮১ সালেই এ দ্বীপটিতে নৌ সেনা মোতায়েন করে । ঠিক এসময়ে শেখ হাসিনা দেশে ফেরেন । ওই দিনের পত্রিকায় হেডলাইন হয় তালপট্টি দ্বীপ দখল করেছে ভারত । জেঃ জিয়ার সরকার ইঙ্গিত করছিলেন হাসিনা দিল্লীতে বসে কিছু একটা গোপন শলা পরামর্শ করে এসেছেন , ফলশ্রুতি তালপট্টি দান। সেদিন দেখার মত জমায়েত হয়েছিল হাসিনার আগমনে । পরদিন খবরে থলের বিড়াল বেরুল । তালপট্টি দ্বীপ প্রায় একমাস আগেই নৌসেনাদের ঘাটি বানিয়েছে কিন্তু জিয়ার সরকার তা চেপে গেছে এই কারনে যে আগত হাসিনার মর্যাদা ক্ষুন্ন হোক এই খবর আগমনি দিনে প্রকাশ করে দিতে । যাই হোক এখন নগদ যা পেয়েছি তা কতটুকু নিষ্কণ্টক দখলে আসবে জানিনা এজন্য যে বার্মার সাথে এখনো আদালতি দখল নিতে পারিনি আর ভারত তো মাছ ধরছেই ।

৭| ০৮ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৭

কলাবাগান১ বলেছেন: তাল পট্টি দ্বীপ তো ডুবে গেছে বহু আগে। গুগুল ম্যাপে দেখে নিলেই পারেন।

বিনপি সরকার হেগে যে একটা আন্তর্জাতিক আদালত আছে, তা জানত কিনা সন্দেহ...

এই সরকার কে সাধুবাদ এমন উদ্দ্যোগ নেওয়ার জন্য।

এখন জামাতিরা উঠে-পড়ে লাগবে এই বিজয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে.... ১৮০ ডিগ্রির জায়গায় ১৭৭ ডিগ্রি পেল (যেখানে আগে ছিল ০ ডিগ্রি), তাতেও অনেকের গা জ্বালা করছে কেন ৩ ডিগ্রি হারাল?????

হায়রে বাংগালী!!!!!!!

৮| ০৯ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ১২:৩৬

আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: যারা এই রায়ে খুশি না তারা ইন্ডিয়ায় গিয়ে যুদ্ধ শুরু করে দেন। খালেদা জিয়ার হিংসার আগুনে ঘি ঢেলে দেশের কোন উপকার করতে পারবেন না। তার চেয়ে বরং যুদ্ধ করে ঐ ৬ হাজার কিলোমিটার উদ্ধার করেন।

৯| ১২ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ১২:৫৭

আমি আবির বলেছেন: Click This Link

১০| ১২ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ১:২৭

াহো বলেছেন:

সমুদ্রসীমা---বিবিসি বাংলা ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স
বাংলাদেশরে জয় বলেছে


প্রায় অস্তিত্ববিহীন ওই দ্বীপটির অধিকার পেলেও সমুদ্রসীমা বা সাগরে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন নির্ধারণে তা তাদের খুব একটা সুবিধা করেছে বলে ভারত প্রাথমিকভাবে মনে করছে না
বিবিসি বাংলা

(Reuters) - A U.N. tribunal has awarded Bangladesh nearly four-fifths of an area sprawling over 25,000 sq km (9,700 sq miles) in the Bay of Bengal, ending a dispute over a sea border with India that has ruffled ties between the neighbours for more than three decades.

The verdict, binding on both countries, opens the way for Bangladesh to explore for oil and gas in the Bay of Bengal, the site of important energy reserves.

Link 1. Click This Link
Link2
Click This Link

==============================

Fazlul Bari
6 hours ago · Edited
সমুদ্র সীমা নিয়ে বিচার হয়েছে হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে। সেই আদালতের কোড অব কন্ট্রাক্ট হচ্ছে উভয় পক্ষ আদালতের সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য। এসব জেনেশুনেই বাংলাদেশ সেখানে গিয়েছিল। অনেক টাকা খরচ করে নিয়োগ দিয়েছিল আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বেশ কিছু কোসুলি। এ নিয়ে অন্য কোথাও আপীল করার সুযোগ নেই। ওই বিচারক প্যানেলে আবার ভারতীয় এক বিচারক ছিলেন! কোর্ট বাংলাদেশকে যতটা দিয়েছে ওই বিচারক তাতে সন্তুষ্ট হতে না পেরে রায়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন! যেন আরও বেশি এলাকা দেয়া উচিত ছিল ভারতকে! এখন ওই বিচারক নোট অব ডিসেন্ট দিলেও কিন্তু আদালতের সিদ্ধান্ত বদলাবেনা! বাংলাদেশ বা ভারত কোন যদি এখন এই রায় না মানে তাহলে রায়টি শুধু অকার্যকর না, যে পক্ষ মানবেনা সে পক্ষকে বড় জরিমানা সহ নানা ব্যবস্থার সুপারিশ করতে পারে।
এখন বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশে যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখানো হচ্ছে যেন সরকারই ইচ্ছে করে ভারতকে সব দিয়ে এসেছে! সমুদ্র সীমা বিরোধ মীমাংসার পথ আছে দুটি। এক। কোর্টে যাওয়া, দুই। যুদ্ধ করে আদায় করা! যুদ্ধ করবেন না বা পারবেন না বলেইতো কোর্টে যাওয়া হয়েছিল। সর্বশেষ ২০০৭ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা বিএনপি এ নিয়ে যুদ্ধ করলোনা, কিন্তু কোর্টেও গেলোনা কেনো? ভারত বিরোধী রাজনীতির তাসটি বাঁচিয়ে রাখার জন্যে? বাংলাদেশ যখন কোর্টে গেলো তখনও তারা কোর্টটির কোড অব কন্ডাক্ট ভালো করে পড়েনি? না সেটি ইংরেজিতে লিখা থাকায় পড়তে পারেনি? বা এতদিন একবারও কেন বললেন না, এ কোর্টে যাওয়া একদম উচিত হয়নি বাংলাদেশের! দক্ষিন তালপট্টি নিয়ে সমস্যার সূত্রপাতের দিনগুলোতেতো বিএনপি-জাতীয় পার্টি ক্ষমতায়। সারাদিন শুধু শাঁখা-সিঁদুর, উলুধবনি, মসজিদ সব মন্দির হয়ে যাওয়া রাজনীতি করতে পারেন, তালপট্টি নিয়ে তারা কী কোন দিন যুদ্ধ করেছেন? না যুদ্ধের ডাক দিয়েছেন? না এখন বলবেন আগামিতে ক্ষমতায় গেলে যুদ্ধ করে উদ্ধার করবেন তালপট্টি! যুদ্ধেও ডর লাগে, কোর্টের রায়েও অনাসক্তি, আবার ভারতীয় মোদীর বিজয়ে কাপড় তুলে লাফান, সে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমার সঙ্গে দেখা পেতে ছুটে যান তার হোটেলে, এমন সবদিক গুলাইয়া ফেলার রাজনীতি আর কতো? কবে আমরা একমত একসঙ্গে হতে পারবো জাতীয় ইস্যুতে?


===========================

ভারতের ড. প্রেমারাজু শ্রীনিবাসা রাও ভিন্নমত

হেগ-এর পাঁচ বিচারক সমন্বয়ে গঠিত স্থায়ী সালিশ আদালতের অন্যতম সদস্য ভারতের ড. প্রেমারাজু শ্রীনিবাসা রাও কয়েকটি ক্ষেত্রে অপর চার বিচারকের সঙ্গে ভিন্নমত (নোট অব ডিসেন্ট) পোষণ করেন। তবে ড. রাও অধিকাংশ ক্ষেত্রে একমত হন। একমত হওয়া বিষয়গুলো হচ্ছে সালিশ আদালতের এখতিয়ার, মামলার যুক্তি ও কোন উপায়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হবে। আর তিনি একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলের সীমা নির্ধারণ, মহীসোপানের বিস্তৃতি সুনির্দিষ্টকরণ ও সীমানা নির্ধারণ রেখা টানার পদ্ধতি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন। বঙ্গোপসাগর ও ভূমির মূলবিন্দু থেকে সমুদ্রের দিকে ১৮০ ডিগ্রি বরাবর রেখা টানতে বাংলাদেশের দাবির বিপরীতে চার বিচারক ১৭৭ দশমিক ৫ ডিগ্রী বরাবর রেখা টানার সিদ্ধান্ত দেন। অন্যদিকে ড. রাও এর বিরোধিতা করেন। আদালতের অন্য বিচারকরা ছিলেন জার্মানির রুডিজার উলফ্রাম (প্রেসিডেন্ট), ফ্রান্সের জঁ পিরেরে কট, ঘানার টমাস এ মেনশা ও অষ্ট্রেলিয়ার আইভান শিয়াবার।
Ittefaq

====================================

সমুদ্রে বিলীন দক্ষিণ তালপট্টি ভারতের

১৯৭০-এর প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের পর সৃষ্ট বংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমায় অবস্থিত দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ ১৯৮৫ সালের উড়িরচর ঘূর্ণিঝড়ের পরই সমুদ্রে বিলীন হয়ে যায়। অস্তিত্ব না থাকলেও বহুল আলোচিত তালপট্টি দ্বীপ এলাকাটি এই রায়ের ফলে ভারতের মধ্যে পড়েছে। ১৯৮০ সালের পর প্রণীত প্রতিটি মানচিত্রে তালপট্টিকে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার মধ্যে রাখা হয়নি। ১৯৪৭ সালে রেডক্লিড প্রণীত সীমানা মানচিত্রেও এই দ্বীপটি বাংলাদেশের মধ্যে ছিল না। Ittefaq

অধিকাংশ গ্যাস ব্লক

বাংলাদেশের

বঙ্গোপসাগরের অভ্যন্তরে অবস্থিত ২৮টি গ্যাস ব্লকের মধ্যে অধিকাংশই এখন বাংলাদেশের। ২০১২ সালের রায়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ ১৭টি ব্লকের মধ্যে ১১টি পেয়েছিল বাংলাদেশ। আর ভারতের দাবিকৃত ১০টি ব্লকের সবগুলোই বাংলাদেশ পেয়েছে। আর একটি ব্লক আগে থেকেই বাংলাদেশের ছিল। Ittefaq



Source

Ittefaq
Click This Link



===========================


তালপট্টির আয়তন মাত্র ১ দশমিক ১৩ কিলোমিটার। আর রেডক্লিফের কল্যাণেই এর চেয়ে কয়েক গুণ বড় গোটা হাড়িয়াভাঙ্গা নদীটা পেয়েছি। এই নদী ভারত ব্যবহার করত। সেটা এখন তারা পারবে না।
prothom -alo
Click This Link

============================
Some Observation(Updated)
1)তালপট্টির আয়তন মাত্র ১ দশমিক ১৩ কিলোমিটার। আর রেডক্লিফের কল্যাণেই এর চেয়ে কয়েক গুণ বড় গোটা হাড়িয়াভাঙ্গা নদীটা পেয়েছি। এই নদী ভারত ব্যবহার করত। সেটা এখন তারা পারবে না।.

2)বঙ্গোপসাগরের অভ্যন্তরে অবস্থিত ২৮টি গ্যাস ব্লকের মধ্যে অধিকাংশই এখন বাংলাদেশের। ২০১২ সালের রায়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ ১৭টি ব্লকের মধ্যে ১১টি পেয়েছিল বাংলাদেশ। আর ভারতের দাবিকৃত ১০টি ব্লকের সবগুলোই বাংলাদেশ পেয়েছে। আর একটি ব্লক আগে থেকেই বাংলাদেশের ছিল.

3)সমুদ্রে বিলীন দক্ষিণ তালপট্টি ভারতের.

4)হেগ-এর পাঁচ বিচারক সমন্বয়ে গঠিত স্থায়ী সালিশ আদালতের অন্যতম সদস্য ভারতের ড. প্রেমারাজু শ্রীনিবাসা রাও কয়েকটি ক্ষেত্রে অপর চার বিচারকের সঙ্গে ভিন্নমত (নোট অব ডিসেন্ট) পোষণ করেন। তবে ড. রাও অধিকাংশ ক্ষেত্রে একমত হন।.

5)সমুদ্রসীমা---বিবিসি বাংলা ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স.
বাংলাদেশরে জয় বলেছে.

6)আদালত বলেছেন, রেডক্লিফ ১৯৪৭ সালে যে লাইন ড্র করে দিয়ে গেছেন, সেটাই সীমান্ত।.

7) দেখুন কলকাতার Telegraph পত্রিকার আহাজারি online.

8)As far as I know , there is a time frame to apply . You can not apply after this time. I forget which year is this time limit


=======================
Some Observation
1)তালপট্টির আয়তন মাত্র ১ দশমিক ১৩ কিলোমিটার। আর রেডক্লিফের কল্যাণেই এর চেয়ে কয়েক গুণ বড় গোটা হাড়িয়াভাঙ্গা নদীটা পেয়েছি। এই নদী ভারত ব্যবহার করত। সেটা এখন তারা পারবে না।.

2)বঙ্গোপসাগরের অভ্যন্তরে অবস্থিত ২৮টি গ্যাস ব্লকের মধ্যে অধিকাংশই এখন বাংলাদেশের। ২০১২ সালের রায়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ ১৭টি ব্লকের মধ্যে ১১টি পেয়েছিল বাংলাদেশ। আর ভারতের দাবিকৃত ১০টি ব্লকের সবগুলোই বাংলাদেশ পেয়েছে। আর একটি ব্লক আগে থেকেই বাংলাদেশের ছিল.

3)সমুদ্রে বিলীন দক্ষিণ তালপট্টি ভারতের.

4)হেগ-এর পাঁচ বিচারক সমন্বয়ে গঠিত স্থায়ী সালিশ আদালতের অন্যতম সদস্য ভারতের ড. প্রেমারাজু শ্রীনিবাসা রাও কয়েকটি ক্ষেত্রে অপর চার বিচারকের সঙ্গে ভিন্নমত (নোট অব ডিসেন্ট) পোষণ করেন। তবে ড. রাও অধিকাংশ ক্ষেত্রে একমত হন।.

5)সমুদ্রসীমা---বিবিসি বাংলা ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স.
বাংলাদেশরে জয় বলেছে.

6)আদালত বলেছেন, রেডক্লিফ ১৯৪৭ সালে যে লাইন ড্র করে দিয়ে গেছেন, সেটাই সীমান্ত।.

7) দেখুন কলকাতার Telegraph পত্রিকার আহাজারি online.

8)As far as I know , there is a time frame to apply . You can not apply after this time. I forget which year is this time limit


=======================

ভারতীয় পএিকা দ্য টেলিগ্রাফের কান্না
পশ্চিমবঙ্গের আয়তনের চেয়েও বড় সমুদ্র অঞ্চল পেয়েছে বাংলাদেশ
বাংলাদেশকে যে এলাকা দেয়া হয়েছে সেটা আমাদের বিবেচনায় অযৌক্তিক--পদস্থ ভারতীয় কর্মকর্তা
জাতিসংঘ কেবল বাংলাদেশের দাবির যৌক্তিকতাকেই মেনে নেয়নি বরং আরো নতুন এলাকা এর সঙ্গে যুক্ত করে।
ভারত ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।-
ভারত নিউমুর বা দক্ষিণ তালপট্টি নামে অতি ক্ষুদ্র একটি দ্বীপের ওপর কর্তৃত্ব লাভ করেছে। তবে উপগ্রহ চিত্র থেকে দেখা যায় যে, এ এলাকাটি ইতিমধ্যেই সমুদ্রে তলিয়ে গেছে।
নয়াদিলি্ল আরো একটি বড় লড়াইয়ে হেরেছে। বাংলাদেশ দাবি করে যে, বিচারকরা কম্পাস ও পেন্সিল দিয়ে '১৮০ ডিগ্রি নীতিমালা' অনুসরণ করেন। অন্যদিকে ভারত এর বিরোধিতা করে। কারণ এর ফলে বাংলাদেশ যা ন্যায্য তার চেয়ে বেশি সমুদ্র এলাকা পেয়ে যাবে।
বাংলাদেশের জন্য এটা হচ্ছে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয় বড় জয়। তারা ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত মামলায় জয়ী হয়েছে। -



১১| ১২ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ১:৩২

াহো বলেছেন:




১২| ১২ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ২:২৫

াহো বলেছেন:
শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বার্থ আপোষ করেন না. সমুদ্রসীমা- এবং farakah সম্পর্কে বাংলাদেশ ভারত সংঘাত

Disputes Over Resources Hurt India-Bangladesh Relations
New York Times
April 9, 1975

Click This Link

NEW DELHI, April 8 India's relations with Bangladesh, her closest ally in the subcontinent, are strained by two disputes over resources



১৩| ১২ ই জুলাই, ২০১৪ ভোর ৪:১৮

াহো বলেছেন:
@ শাহ আজিজ




বাকশাল ---প্রেসিডেন্ট সরাসরি নির্বাচিত হবে
বিশ্ব বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন ইউএসএ
According to Time Magazine USA--Feb. 10, 1975,
Under the new system, executive powers are vested in the President, who will be elected directly every five years, and in a Council of Ministers appointed by him. Although an elected Parliament can pass legislation, the President has veto power and can dissolve Parliament indefinitely.

Parliament may remove the President, however, by a three-fourths vote "for violating the constitution or grave misconduct" as well as for physical or mental Incapacity. The amendment also empowers Mujib to set up a single "national party," thus shutting off any political opposition.



Click This Link


===========================================
শেখ মুজিব মৃত্যুর 10 দিন পরে, বিশ্ব বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন ইউএসএ শেখ মুজিবের নেতৃত্বের প্রশংসা করা হয়েছে.পুরো বাংলা পড়ুন. লিঙ্ক শেষে.



মুজিব।। স্থপতির মৃত্যু ---টাইম সাময়িকী USA
আগষ্ট ২৫,১৯৭৫

তাঁর প্রশংসনীয় উদ্যোগঃ(last paragraph,link bellow full Bangla & English)
স্বাধীনতার পরের তিনবছরে ৬০০০ হাজারের ও বেশী রাজনৈতিক হত্যাকান্ড ঘটে । সহিংসতা সারাদেশব্যাপি ছড়িয়ে পরার আশংকা তৈরী হলে মুজিব রাষ্ট্রীয় জরুরী অবস্থা ঘোষনা করেন । চরমবাম ও চরম ডানপন্থী সংগঠনগুলো নিষিদ্ধ করা হয়, পত্রিকাগুলোকে নিয়ে আসা হয় সরকারী নিয়ন্ত্রনে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয় ।
এ উদ্যোগগুলো বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে গৃহীত হলেও অনেকেই সমালোচনামুখর হয়ে উঠেন । সমালোচকদের উদ্দেশ্যে মুজিব তার স্বভাবসুলভ ভংগীতে বলেনঃ-'ভুলে যেওনা আমি মাত্র তিনবছর সময় পেয়েছি । এই সময়ের মধ্যে তোমরা কোনো দৈব পরিবর্তন আশা করতে পারোনা' ।
যদি ও শেষ সময়ে তিনি নিজেই হতাশ ও বিরক্ত হয়ে কোন দৈব পরিবর্তন ঘটানোর জন্য অধৈর্য্য হয়ে পড়েছিলেন ।
সন্দেহাতীতভাবেই মুজিবের উদ্দেশ্য ছিলো তার দেশ ও দেশের মানুষের উন্নয়ন ঘটানো । শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত মুজিব একটা 'সোনার বাংলা' গড়তে চেয়েছিলেন, যে 'সোনার বাংলা'র উপমা তিনি পেয়েছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছ থেকে, ভালোবেসে মুজিব সেই 'সোনার বাংলা'র স্বপ্নকে তার দেশের জাতীয় সংগীত নির্বাচন করেছিলেন ।
Click This Link

পুরো বাংলা link
http://www.sachalayatan.com/hasan_murshed/7973



=============================
লন্ডনের টাইমস পত্রিকায়
25 Aug 1975

মুজিব অনুসারীদের হত্যার প্রতিশোধ করার শপথ



==============
আমি এ সব 1971/1972 সংবাদপত্রে জিয়ার নাম খুঁজে পাচ্ছি না.
নিউ ইয়র্ক টাইমস
নিউজউইক
টাইম ম্যাগাজিন ইউএসএ
টাইমস সংবাদপত্র ইউকে

============

বিশ্ব বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন ইউএসএ

1) পাকিস্তান এখন শেষ --শেখ মুজিব---15 মার্চ 1971

2)শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন --Apr. 05, 1971
--The World: Pakistan: Toppling Over the Brink

3)গত মার্চে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর বিশ্বব্যাংকের পরিদর্শকদের একটি বিশেষ টিম কিছু শহর প্রদক্ষিণ করে বলেছিলেন, ওগুলোকে দেখতে ভুতুড়ে নগরী মনে হয়। এরপর থেকে যুদ্ধ শেষ হওয়া পর্যন্ত এহেন ধ্বংসলীলার ক্ষান্তি নেই। ৬০ লাখ ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ২৪ লাখ কৃষক পরিবারের কাছে জমি চাষের মতো গরু বা উপকরণও নেই। পরিবহনব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পুল-কালভার্টের চিহ্নও নেই এবং অভ্যন্তরীণ নৌ-যোগাযোগেও অনেক বাধাবিঘ্ন। ---শেখ মুজিবুর রহমান : বন্দি থেকে বাদশা / টাইম সাময়িকী ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২

4)Bangladesh have suffered three consecutive years of natural or man-made disasters—a calamitous cyclone in 1970, the civil war in 1971, and a crop-crippling drought this year. Jan. 01, 1973

5)শেখ মুজিবের সময়কালে ৬০০০ হাজারের ও বেশী মানুষ সহিংসতা নিহত (মুজিব।। স্থপতির মৃত্যু Time Magazine USA আগষ্ট ২৫,১৯৭৫).

6)বাংলাদেশ. "বাস্কেট কেস", নয়, Jan. 01, 1973

১৪| ১২ ই জুলাই, ২০১৪ দুপুর ২:০৬

াহো বলেছেন:

গুগল আর্থ (Google Earth) Map old এবং
'রিয়েল টাইম' হয় না হয়

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.