নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লেখালেখি একটা নেশার মত। বিভিন্ন ঘাট পেরিয়ে কর্পোরেট জগতে থিতু হওয়ার পরও তাই লিখে যাই যা মনে আসে তাই। পদ্মার ওপাড়ের মানুষ হওয়ায় জন্মগতভাবেই স্মৃতিকাতর। এ আমার দুর্বলতা নয়, অহংকার

পদ্ম পুকুর

একজন শভেনিস্ট ও স্মৃতিকাতর মানুষ

পদ্ম পুকুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে...

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৫


জীবনানন্দ দাস লিখেছেন- সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে...। 'বনলতা সেন' কবিতার অসাধারণ এই লাইনসহ শেষ প্যারাটা খুবই রোমান্টিক। বাংলা শিল্প-সাহিত্যের রোমান্টিসিজমে সন্ধ্যার আলাদা একটা যায়গাই রয়ে গেছে। একটা বাংলা গানে নারী ও পুরুষ শিল্পী খুবই আবেগী গলায় গায়- সন্ধ্যা নামুক না, জোনাকি জ্বলুক না, নির্জনে বসে আরো কিছুটা সময়...। এ ধরনের উদাহরণ ভুরিভুরি রয়েছে।

কিন্তু মানুষের জীবনে যখন বেলা শেষের গান বাজতে থাকে, তখন কোনো রোমান্টিসিজম কাজ করে না। একদমই বলতে ইচ্ছে হয় না ‘সন্ধ্যা নামুক না, জোনাকি জ্বলুক না...’। তবু সন্ধ্যা এসেই যায় মানুষের জীবনে। ঠিক শিশিরের শব্দের মতন। নিঃশব্দে। ইদানিং এজন্য খুব আতংক বোধ হয়।

অফিসের যে কিউবিকল-এ আমি বসি, সেখানে আমার সামনের চেয়ারে বসা একজনের মা গেল সপ্তাহে মারা গিয়েছেন চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হসপিটালে, গত পরশু তাঁর মৃতদেহ গ্রহণ করতে গিয়েছিলাম এয়ারপোর্টে। আমার জানা ছিলো না যে এয়ারপোর্ট থেকে মৃতদেহ বের করা হয় হ্যাঙ্গার গেটে কার্গো লাগেজের সাথে। তিনি গিয়েছিলেন মানুষ হিসেবে, বিমানে বসে আর আসলেন লাগেজ হিসেবে, বাক্সবন্দী হয়ে!
এরও মাস পাঁচেক আগে আমার বাঁ পাশে যিনি বসেন, তাঁর মা মারা গেলেন ঢাকার ল্যাবএইড হসপিটালে। মৃত্যুর কিছুদিন আগে আমি এই খালাম্মাকে রক্ত দিয়ে এসেছিলাম। ভর্তি থাকা অবস্থায় আরও বেশ কয়েকবার গিয়েছি হসপিটালে। যখন আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন, আমার সহকর্মী আমাকে বিশেষ ব্যবস্থায় আইসিইউতে নিয়ে গিয়েছিলেন। হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে সেটাই আমার প্রথমবার যাওয়া। খুব কাছ থেকে এই দুজনের মৃত্যু এবং মৃত্যুপরবর্তীতে স্বজনদের হাহাকার আমাকে নাড়িয়ে দিয়ে গিয়েছে। তাই অজানা এক আতংক আমাকে এখন সবসময় তাড়া করে, কারণ ঢাকার ব্যস্ততা ছাড়িয়ে বহুদূরের এক নিভৃত পল্লীতে আমার বৃদ্ধা মা, বাবাকে সঙ্গে নিয়ে অবসর জীবন যাপন করছেন।

আজ থেকে প্রায় ত্রিশ বছর আগে বাড়ি থেকে ঢাকায় পড়তে চলে এসেছিলাম। সে আসার পেছনে রাজধানীর চাকচিক্যময় জীবনের আকর্ষণ যতটুকু ছিলো, তারচেয়ে বেশি ছিলো বোধহয় বাবা-মায়ের কড়া শাসনের হাত থেকে বাঁচার সুযোগের আকর্ষণ। আমার বাবা সততা ও ন্যায়ের পক্ষে ন্যূনতম ছাঁড় দেয়ার পক্ষপাতি ছিলেন না, মা-ও বাবারই অনুগামী ছিলেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হতো যে অনেক ক’জন ভাইবোন হওয়াতে তাঁদের ভালোবাসা কমতে কমতে এখন বিরক্তির পর্যায়ে এসে ঠেকেছে আর বাসায় থাকা লাঠিগুলো আমার পিঠে বাদ্য বাঁজিয়ে তারই স্বাক্ষী দিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। এই পরিপ্রেক্ষিতে তখন বাবা-মা একরকম প্রতিপক্ষ হিসেবেই গণ্য হয়েছেন।

তাই কম বয়সে ঢাকা চলে আসার পেছনে অনেকগুলো অনিবার্যতা ছিলো নিশ্চিতভাবেই। কিন্তু ক্রমেই সময় পার হয়েছে। একে একে অনেক বসন্ত পেরিয়ে গিয়েছে, আর তার সাথে দৌর্দণ্ড প্রতাপশালী আমার মা-বাবা যৌবন থেকে পৌঢ়, সেখান থেকে অবসর, তারপর বার্ধক্যে এসে পৌঁছে গিয়েছেন। তাঁদের দৃষ্টিতে এখন কুয়াশা জমেছে, মনের গভীরে লুকিয়ে রাখা আদ্রতা নানারকম ছিদ্র খুঁজে নিয়ে এখন ঠিকই বেরিয়ে পড়ছে। আর আমি দেখছি কাঠিণ্যর একেকটা পরত খুলতে খুলতে আমাদের জন্য বাবা-মায়ের জমিয়ে রাখা আসমুদ্র ভালোবাসা, যা দেখার চোখ আমার ছিলোই না সে সময়।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী শৃঙ্খলমুক্তির পরবর্তী সময়ে ঢাকায় এসে বেশ অনেকদিন বিহঙ্গের মত উড়েছি, ইচ্ছেমত, মনের খুশীতে। পেছনে ফেলে আসা মা-বাবা তখন অনেকটাই এসএসসি’র ফোর্থ সাবজেক্টের মত। তারপর একে একে সব পাখি ঘরে আসে-সব নদী-ফুরায় এ-জীবনের লেনদেন...। অতএব অনুভব করতে শুরু করি শিশিরের এই শব্দ। অগত্যা ফিরতে হয় মা বাবারই কাছে।

আমার বাবা-মায়ের নানারকম সীমাবদ্ধতা ছিলো। যে কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে তাঁরা বেড়ে উঠেছিলেন, প্রতিকুলতার সাথে সংগ্রাম করে জীবনকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন, সেখানে বাহুল্য কোনো কিছু করার সুযোগতো ছিলোই না, নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটানোই ছিলো কষ্টকর। আমার মা কোনোদিন আমাদেরকে নিয়ে একসাথে খেতে বসার সুযোগ পেয়েছিলেন কি না আমার মনে পড়ে না। কিন্তু খুব মনে পড়ে, নিজের অফিসে যাওয়ার আগে অন্য সবাইকে অফিস/স্কুলে পাঠাবার জন্য প্রতিদিন অতি সকালে উঠে মাটির চুলায় আগুন জ্বালানোর জন্য বাঁশের চুঙোয় ফুঁ দিতে দিতে ধোঁয়ায় চোখের পানি ফেলছেন মা। আগুনের আঁচে আমার মায়ের ফর্সা মুখটা তখন রাঙা হয়ে যেতো। দিনের পর দিন এভাবে সংসারের একঘেয়ে কাজ করতে করতে ভালোবাসার প্রকাশটাও তাই হয়ে গিয়েছিলো রুক্ষ। খুব স্বাভাবিক।

আমার বাবাও কোনোদিন আমাদের হাত ধরে কোথাও বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাননি। কিন্তু নিত্য পরিশ্রমে শক্ত হয়ে যাওয়া বাবার ওই হাত থেকে আমাদের কাছে নিয়মিত চিঠি আসতো ‘পড়াশোনায় কোনো গাফলতি যেনো করবে না। আল্লাহকে ভয় করবে, কোনো অন্যায় করবে না।’ বাবার বাংলা এবং ইংলিশ হাতের লেখা ছিলো খুব সুন্দর।

আমাদের মা-বাবাকে কোনোদিন ‘তুমি’ বলা হয়নি, তার সাহসই পাইনি কখনও। ‘আপনি’র আবরণে এক দুরত্ব নিয়েই দেখেছি বাবা-মাকে সবসময়। এখন সেই দুরত্বটুকু নেই কিন্তু প্রিয়জনের মত ‘তুমি’ বলা হয়না তবুও। ভালোবেসে কখনও মা বাবার হাত ধরা হয়নি সেবেলায়, হয়তো বাবা বা মা আমাদের হাত ধরেছেন, তবে তা কঠিনভাবে, যেনো ছুটতে না পারি। এখন বাবা মা আর আমার হাত ধরেন না, সুযোগ পেলে আমিই বরং বিভিন্ন ছুতোয় বাবা-মায়ের হাত ধরি মমতার সাথে। এখন আর বাবা-মাকে কোনোভাবেই প্রতিপক্ষ ভাবতে পারি না।

এত এত পরিবর্তন তবু কোনোদিন বলা হয়নি মনের ছোট্ট একটা কথা। হয়তো অস্পষ্ট আড়ষ্টতা কোনো দিনই মুখ ফুটে বলতে দেবে না যেহেতু আমি লিখতে যাও পারি, বলতে কিছুই পারি না। আজ তাই লিখে যেতে চাই একটা কথা- প্রিয় মা-বাবা, এই পৃথিবীতে আপনাদেরকেই সবচে বেশি ভালোবাসি।

মন্তব্য ৫১ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৫১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:১৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: একরাশ ভালোগালার ভালোবাসা ।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:১৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। ইদানিং সব পোস্টের মন্তব্য ঘরেই আপনাকে দেখছি। ভালো।

২| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:২১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কঠিন সত্য গল্প। সুন্দর করে লিখেছেন। আমরা ছোটোবেলা মা বাবার শাসন বুঝি না। তাদের খালি ভুলই বুঝি। তবে আমার আম্মা আব্বার কাছে কখনো কড়া শাসন পাইনি। আব্বা সেনাবাহিনীতে চাকুরী করার সুবাদে ঢাকাই থাকতেন। তারপর এক সময় কুয়েত সেনাবাহিনীতে গেলেন তারপর কাতার ছোটবেলার সময়গুলো আব্বাকে বেশী কাছে পাইনি। আম্মা শাসনই জানতো না হাহা । ডিগ্রি পাশ করার পরও ভাত খাওয়া নিয়ে রাগ করলে আম্মা খেতে সাধতো আমি বলতাম আমাকে কোলে করে রান্নাঘরে নিয়ে গেলে খাবো । এখন মনে হলে হাসি, কারণ আমার বিচ্ছু তামীম সিক্সে পড়ে কিন্তু তাকে এখনো কোলেই রাখতে হয়। সে একটা সুপার গ্লো বাসায় গেলে রক্ষা নাই আদরে যন্ত্রণায়, আমার কাজ কামের বারোটা বাজে।

আর বড় ছেলেকে ধমক দিয়ে কাছ থেকে সরাই। তাদের বাবা শাসন করলে বড় ছেলে কেবল ভুল বুঝে। আমি বলি বাপরে বাপের শাসনটাই দেখলি, এই তুই এসএসসি দিতেছিস, এখনো তুলে খাওয়ায় দেয়, যখন যা চাচ্ছিস তাই পাচ্ছিস তারপরও বাপেরে প্রতি এত রাগ। তোর ভালোর জন্যই তো বকা দেয়। এত সেনসেটিভ হোস না বাপ।

আপনার লেখা ভালো লাগলো

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:২৮

পদ্ম পুকুর বলেছেন: গতকাল বলেছিলেন- নতুন লেখা নাই এইডা কিছু হইলো হুহ
এই যে নতুন লেখা। কিন্তু এই লেখা আমাকে বিষাদাক্রান্ত করে দিয়েছে। লেখাটা পোস্ট হওয়ার পর আমার বাঁ পাশের সহকর্মীকে দিলাম লেখাটা, উনি আমার লেখা পড়েন। কিছুক্ষণ পর দেখি তিনি মাথা নিচু করে আছেন, একটু যেনো ফোস ফোস শব্দ হচ্ছে। আমি কাছে গিয়ে দেখি টেবিলের কাগজের উপরে কয়েক ফোটা পানি!! নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে।

যাক, আপনার ছোটবেলা আর এখন তামীমের ছোটবেলার পরিবেশ দেখে হিংসে লাগছে।

ভালো থাকবেন। শুভ ব্লগিং।

৩| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৩৫

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: কি বলব ভাইয়া। ভাষা পাচ্ছিনা। ভীষণ আবেগ্লাপুত হয়ে পড়েছি। লেখাটা চোখে জল এনেছে।

চোখের কোণে জমে থাকা জল নিয়েই লিখছি....

আপনার এই ভাবনাটার সাথে আমার ভাবনাটা ঠিক মিলে গেছে....

সব পাখি ঘরে আসে, সব নদী ফুরোয়.... যখন জীবনানন্দ দাশের কবিতার এমন জীবনের ইতি টানার লাইন পড়া হয় তখন ভয় যেন ধানা বাঁধে অন্তরে.... বাঁচার আকুতি প্রবল হয়ে যায়।।

কিছুদিন আগেও জিনিষটা প্রচুর ভেবেছি... প্রচুর.. আমরা যখন প্রেম করি তখন প্রিয়তমাকে ভালবাসি শব্দটা বলা হয়ে যায় শতাধিকবার, সহস্রাধিকবার...৷ অথবা আমরা কোন বন্ধুকে কিংবা কোন নেতাকেও শব্দটা কিঞ্চিৎ না ভেবেই বলে ফেলি(নেতা টেতাকে দেখতেই পারি না, বলিও না)।

অথচ, আমরা যাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি, আমাদের প্রাণের চেয়ে বেশি, যারা আমাদের পৃথিবী, যারা আমাদের স্বর্গ নরক সেই প্রাণাধিক প্রিয় বাবা মার কপালে চুমু খেতে পারি না, কেমন জানি মনে হয়, তাঁদের কখনো বলাই হয় না "ভালবাসি"।।

এই ভালবাসি শব্দটা বলতে না পারারও একটা যন্ত্রণা বয়ে যায় হৃদয়ে।।

দোয়া করি দূর পল্লীতে বাস করা আপনার বাবা মাকে যেন সুস্থা রাখেন, শান্তিতে রাখেন। নেক হায়াত দান করেন। আমিন।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:৩৭

পদ্ম পুকুর বলেছেন: অথচ, আমরা যাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি, আমাদের প্রাণের চেয়ে বেশি, যারা আমাদের পৃথিবী, যারা আমাদের স্বর্গ নরক সেই প্রাণাধিক প্রিয় বাবা মার কপালে চুমু খেতে পারি না, কেমন জানি মনে হয়, তাঁদের কখনো বলাই হয় না "ভালবাসি"।।
এই ভালবাসি শব্দটা বলতে না পারারও একটা যন্ত্রণা বয়ে যায় হৃদয়ে।।


আসলেই তাই। বলতে না পারলেও সেই যন্ত্রণা থেকে আজ লিখেই ফেললাম!!

ভালো থাকবেন, শুভ ব্লগিং।

৪| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৫৮

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: মনে হয় এটাই নিয়ম দিনের শেষে শিশির আসে সন্ধ্যা নামে
আর একদিন কিছু না বলে ফুরুদ------------

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:৪২

পদ্ম পুকুর বলেছেন: জ্বী স্যার, মানুষতো নিয়মের কাছে অসহায়।

৫| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:৪১

এম এ হানিফ বলেছেন: ছোটবেলার প্রাণবন্ত উম্মাদনা আর কাছের সব মানুষদের ছেড়ে, বাইরের একদম অচেনা পরিবেশে, মানুষ হবার যে অভিপ্রায় নিয়ে ঘর ছেড়েছিলাম, সেদিনের সেই ছলছল জলধারা চোখের সামনে বিষবাষ্পের মত ভেসে ভেসে উঠল।


ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটি লেখনীর জন্য।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৩৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। আপনি ছলছল জলধারা নিয়ে ঘর ছেড়েছিলেন আর আমি বাসা ছেড়েছিলাম মা-বাবার মাইরের হাত থেকে বাঁচতে :P । কিন্তু এখন বুঝি আমার আসলে তখন আপনার মতই ছলছল জলধারা নিয়েই ঘর ছাড়া উচিৎ ছিলো।

ভালো থাকবেন,
শুভ ব্লগিং

৬| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৩৩

মীনক্ষোভাকুল কুবলয় বলেছেন: আমার যখন ৪ বছর বয়স তখন মা মারা যায় ।
তাই শিশু কৈশোর বেলায় কোনদিন আব্বা,ভাইবোন কেউই আমাকে শাসন করেনি ।
আজ তাই আদরের খুব অভাব আমার ।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪৫

পদ্ম পুকুর বলেছেন: এই অভাবটা আসলে মেকি, আমরা অভাব হিসেবে ট্রিট করি না বুঝে। হয়তো আরো পরে যখন সন্ধ্যা আসতে থাকবে, তখন বুঝবেন দিন শেষে পরিবারের মানুষই আপন মানুষ। অন্তত আমি তাই আশা করবো।

মন্তব্যর জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন,
শুভ ব্লগিং।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:০৫

পদ্ম পুকুর বলেছেন: বাই দ্য ওয়ে, আপনার নিকনেমটার কি কোনো বিশেষ অর্থ আছে?

৭| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৩৫

ফয়সাল রকি বলেছেন: আট বছর বয়সে বাবাকে হারিয়েছি। তারপর থেকে মা আমাদের চার ভাই বোনকে বড় করেছেন, পড়াশুনা করিয়েছেন। মানুষ করেছেন বলবো না, কারণ কতটুকু মানুষ হতে পেরেছি- তা আসলেই জানি না। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন একজন শিক্ষিকা। আমার মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ হবার পরের মাসে মা অবসর নেন। এরপর প্রায় একযুগ পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত তাঁর কথা অমান্য করতে পারিনা। তেমনি এখনো বলতে পারিনি- মা আপনাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি।
লেখায় +++

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৫৫

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আমার মাও স্কুল শিক্ষিকা ছিলেন।
আপনার বক্তব্য অনুযায়ী যে ভীষণ দায়িত্ব তিনি পালন করে চলেছেন, সেই কঠিন দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই ভালোবাসার প্রকাশটা রুক্ষ হয়ে যায়, একটা আবরণ তৈরী হয় তাঁকে ঘিরে। সে আবরণ ভেদ করে মাকে বলা হয়না কিছু সুন্দর কথা।

আপনাকে একটা গল্প বলি- সদ্য মোহসীন হলে উঠেছি, চারদিকে যৌবনের গান খুব বাজছে। এর তার জন্মদিন পালন করতে করতে আমরা অস্থির। তো আমারও জন্মদিন আসলো। এর আগে জন্মদিন ফিনের কোনো অস্তিত্ব আমাদের জগতে ছিলো না। আমি ভাবলাম, জন্মদিনে মায়ের কাছে যাবো। তারপর বাস-রিকশা-নৌকা পার হয়ে বাসায় যখন পৌঁছুলাম, দেখি, মা কিছু একটা পড়ছেন। আমাকে দেখে খুশীই হলেও এই অসময়ে ক্লাস ফেলে আসায় খানিকটা বকাও দিলেন। আমি বলতে পারলাম না যে মা, আজ আমার জন্মদিন, তাই আপনার কাছে এসেছি.... কেমন বেঁধে গেলো।


ভালো থাকবেন।
শুভ ব্লগিং।

৮| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার সহকর্মীর মা মারা গেছেন আমি জানি। আমি শ্রদ্ধা জানাই। আল্লাহ তাকে বেহশত নসিব করুক।
চেন্নাই গিয়েছিলাম। প্রথম থেকেই শেষ পর্যন্ত পুরোটাই জানি।
বাবা মা জীবনে অনেক বড় ব্যাপার।।

আপনি আপনার বাবা মাকে ঢাকা নিজের কাছে নিয়ে আসছেন না কেন?
বাবা মা চোখের সামনে থাকলে অনেক শান্তি লাগে। সারা দিন অফিস শেষ করে বাসায় ফিরে বাবা মা কে দেখবেন। এর চেয়ে আনন্দের আর কি আছে!

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আপনার জেনে যাওয়ারই কথা। আপনি তো তাঁর এবং আমার পরিচিতই।

আমি চাইলেই তো আর বাবা মা ঢাকায় আমার কাছে থাকবেন না; তাঁদেরও ভালোলাগার ব্যাপার আছে। এমনিতে তাঁরা সারাজীবন চাকুরীসূত্রে বিভিন্ন জেলায় জেলায় ঘুরেছেন। তারপর অবসর জীবনে সোজ গ্রামে.... মাঝে সাঝে ঢাকায় আসলে ফেরার জন্য অস্থির হয়ে যান। সুতরাং ওই আনন্দ পাওয়ার সুযোগ আমার নেই স্যার।

ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য। ভালো থাকবেন।

৯| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:১৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
জীবন বাবুর কবিতার লাইন দিয়ে শুরু করা লেখাটা শেষ হয়েছে মা-বাবার প্রতি আমাদের গোপন ভালবাসার অপ্রকাশিত আর্তনাদ নিয়ে।

সত্যি আমরা খুব ভালবাসি মাতা পিতাকে কিন্তু প্রকাশ করতে পারিনা। +++++++++++++

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

পদ্ম পুকুর বলেছেন: সত্যিকার ভালোবাসাটা হয়তো প্রকাশ করা যায় না, অথবা প্রকাশ করার প্রয়োজন পড়ে না। প্রয়োজন পড়ে সেখানেই, যেখানে আদতে ভালোবাসা নেই...

ভালো থাকবেন।
শুভ ব্লগিং

১০| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:২০

অজ্ঞ বালক বলেছেন: কি দারুণ, কি মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা। অসাধারণ।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ধন্যবাদ স্যার।

১১| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৪১

নীল আকাশ বলেছেন: ভাই আপনার লেখা পড়ে ইমোশনাল হয়ে গেলাম। কী লিখবো মাথায় আসছে না। অল্প কিছুদিন আগেই আমার স্ত্রীর মা মারা গেছেন। খুব কাছ থেকে মৃত্যু শোক দেখলাম। আমার বাবা কিছুদিন মারা গেছেন। বাবা মা কী সেটার মর্ম বুঝা যায় যখন আমরা নিজেরা বাবা মা হই। আমরা সবাই খুব ভালবাসি বাবা মা কিন্তু একেজনের প্রকাশ ভঙ্গি ভিন্নতর। শ্রান্ত জীবনের শেষে সবারই
"সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে"...
লেখা খুব ভালো লেগেছে। প্রিয়তে রেখে দিলাম ভাই।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫২

পদ্ম পুকুর বলেছেন: বাব্বাহ! আমার লেখাও আজকাল প্রিয়তে যাচ্ছে তাহলে! মানুষের রুচির কি আকাল পড়লো রে বাবা!! নিচেই দেখেন একজন 'সাধারণ' হিসেবে মার্কিং করে গেছে। সেই সাধারণ লেখা যদি মানুষ প্রিয়তে নিতে চাই, তাহলে ধন্ধে পড়তে হয় বৈকি!!

যাকগে, এই লেখাটা প্রকাশের পর আমি নিজেই একটু বিষাদাক্রান্ত হয়ে গেছি, ২ নম্বর প্রতিমন্তব্যে বলেছি সেটা। এখন আপনার প্রিয়জন হারানোর কথা শুনে আরো খারাপ লাগছে। তবুও এটাই সত্যি যে আমরা সবাই খুব ভালোবাসি বাবা-মাকে, কিন্তু একেজনের প্রকাশ ভঙ্গি ভিন্নতর।

১২| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৩০

নিভৃতা বলেছেন: নিজের অজান্তেই চোখটা ভিজে গেলো। অসাধারণভাবে মনের কথাগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন লেখায়।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আপনি আট বছরের বেশি সময় ধরে লিখছেন, কিন্তু আপনাকে আগে দেখেছি বলে মনে পড়ছে না। আমার ব্লগে আসার জন্য ধন্যবাদ।

ভালো থাকুন, নিয়মিত লিখুন।
শুভ ব্লগিং।

১৩| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


সাধারণ

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

পদ্ম পুকুর বলেছেন: সেতো জানা কথাই!! নতুন করে বলার কিছু নেইতো স্যার। তবে এই সাধারণ পোস্টে আপনার মত অসাধারণ ব্যক্তিত্বের পদচিহ্ন আমার ব্লগজীবনকে ধন্য করে গেলো। আজ এই দিনটাকে সোনার খাতায় লিখে রাখবো যেনো আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যুগের পর যুগ এই দিনটাকে বিশেষ দিন হিসেবে পালন করতে পারে।

ভালো থাকুন, শুভ ব্লগিং।

১৪| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৯

করুণাধারা বলেছেন: আল্লাহ আপনার মা-বাবাকে ইহকালে ও পরকালে শান্তিময় জীবন ও আল্লাহর সন্তুষ্টি দান করুন।

লেখাটা পড়ে মন বিষণ্ন হয়ে এলো। কয়েকমাস আগে মা মারা গেছেন, আমাদের ছোট ছোট রেখে যখন বাবা মারা যান তখন মা ছাতা হয়ে মাথার উপর ছিলেন, কখনো যে ছায়া সরে যেতে পারে ভাবিনি। নিজের সংসার, সন্তান নিয়ে এত ব্যস্ত হয়ে গেলাম যে, মাকে প্রতি দিন একটা ফোন পর্যন্ত করি নি। আজ একথা ভেবে দুঃখের শেষ নেই...

দোয়া করি আমার মতো দুঃখ যেন আপনি না পান, সবসময় মা-বাবার খবর করবেন।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:০৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আপনার মাকে আল্লাহ জান্নাতবাসী করুন।
নিজের সংসার, সন্তান নিয়ে এত ব্যস্ত হয়ে গেলাম যে, মাকে প্রতি দিন একটা ফোন পর্যন্ত করি নি। আমিওতো তেমনই ছিলাম। সবাই হয়তো তেমনটাই করে একসময়। কিন্তু নীল আকাশের সাথে আমি একমত, সবাই খুব ভালবাসি বাবা মা কিন্তু একেজনের প্রকাশ ভঙ্গি ভিন্নতর।

ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকুন, শুভ ব্লগিঙ।

১৫| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:০৯

নিভৃতা বলেছেন: না ভাই, আমি আট বছর ধরে লিখছি না। আমার লেখালেখির বয়স দুই আড়াই বছর হবে। তাও এক বছর ধরে লেখালেখি বন্ধ রেখেছি। কারণ নিজের লেখা নিয়ে আমি সন্তুষ্ট না। আট বছর আগে এই ব্লগে কোনভাবে যুক্ত হয়েছিলাম এবং সেটা বেমালুম ভুলেও গিয়েছিলাম। কারণ ব্লগিং সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলাম। কদিন আগে এই ব্লগে আবার যুক্ত হতে গিয়ে দেখলাম আমি আগে থেকেই যুক্ত আছি। এই হলো আমার কাহিনী। :)
ধন্যবাদ আপনাকে। অনেক শুভ কামনা।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৪৭

পদ্ম পুকুর বলেছেন: :( B:-)

১৬| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৫৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সত্যিকার ভাবে বাবা মা' য়ের ভালোবাসা মুল্যায়ন করার জন্য মনে হয় এক জীবন যথেষ্ট নয় :(
কারন অনেকটা সময় ভুল বুঝেই কেটে যায়।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১৭

পদ্ম পুকুর বলেছেন: যথার্থই বলেছেন যে অনেকটা সময় ভুল বুঝেই কেটে যায়। ধন্যবাদ আপনাকে।

১৭| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৩১

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য আপানকে অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২০

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ঘটনা কি? আমি তো মন্তব্যর উত্তর দিই!!!

১৮| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:৪১

রায়হানুল এফ রাজ বলেছেন: অসাধারণ।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২১

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৪৬

সোহানী বলেছেন: টাইম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে যখন পড়ছিলাম তখন টিচার একটা কথাই বারবার বলতেন। সময়ের কাজ সময়েই বুঝিয়ে দিবা। যাকে ভালোবাসো তাকে তখনই জানিয়ে দিবা যে তাকে ভালোবাসো। সেটা ভবিষ্যতের জন্য জমা রাখবা না।

তার পর পরই আমি মা'কে জড়িয়ে ধরে বলেছিলাম "মা, আমি তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসি। আজ যে জায়গাটিতে দাঁড়িয়ে আছি সেটা তোমারিই জন্য্।" তারপর...... আর কখনই সুযোগ হয়নি মা'কে কিছু বলার। সেদিন যদি মা'কে না বলতাম তাহলে সারাটি জীবন এ দু:খবোধ থেকে যেতো।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:২৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আপনি তো আমার ইউনিভার্সিটির সিনিয়র, তাই আপনি যে কাজ বহু আগেই করে ফেলেছেন, সেই দায় আমি এখন শোধ দিচ্ছি.... যদিও অস্পষ্ট আড়ষ্টতার কারণে আমি মুখে বলতে পারিনি...

ভালো থাকবেন, শুভ ব্লগিং।

২০| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৩৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: সাধারণ B-) :D
হাহাহা উনি কিতা চায় কে জানে । হাহাহা

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:২২

পদ্ম পুকুর বলেছেন: সে তো তিনিই জানেন আর তাহেরী সাব জানেন :-B । ট্রাম্পভাই জানলেও জানতে পারেন।

২১| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৩৮

মুবিন উদ্দীন বলেছেন: Nothing to say. Just feel different kind of feeling.

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৩৭

পদ্ম পুকুর বলেছেন: সর্বস্তরে বাংলা চাই।

২২| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২০

মিরোরডডল বলেছেন: আই উইশ আপনার বাবা মা এই লেখাটা পড়বে ।
এই একটা জায়গায় আমাদের অনেকের মাঝেই অনেক মিল আছে সেটা হচ্ছে আকাশ সমান ভালোবাসা অনুভব করলেও এই কথাটা কখনো বলতে পারিনি ।
বাবা মা সবচেয়ে প্রিয় সবচেয়ে কাছের মানুষগুলোর জন্য সবটুকু দিয়ে করতে ইচ্ছে করে, চেষ্টাও করি ।
কিন্তু তারপরও মনে হয় যেন কিছুই করা হয়নি । আরও যদি কিছু করতে পারতাম । এই জায়গায় একটা অতৃপ্তি থেকেই যায় । খুবই সুন্দর ইমোশনাল একটা লেখা ।
বাই দা ওয়ে, তপন আর মিতালীর গানটা আমার খুবই প্রিয় ।
‘আজ ফিরে না গেলেই কি নয়’

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৪৪

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ধন্যবাদ স্যার। আমি নিজেও চাই তাঁরা পড়ুক, জড়তা ভেঙে বলা হয়ে উঠবে না কোনোদিনই। কিন্তু সেটা হওয়ার সম্ভবনা দেখছি না কোনো। মা-বাবার থেকে দূরে আছি, চাইলেই ছুঁয়ে দেখতে পারি না, তাই আপনার যে অতৃপ্তি, সেই অতৃপ্তির সাথে সাথে একটা আতংক আমাকে সবসময় তাড়া করে।

একটা সময় প্রচুর গান শুনতাম। তপন চৌধুরীর আরও একটা সুন্দর গান আছে-এই রুপালী চান্দে তোমারই হাত ধরে...
এখন গানটান শোনা কমিয়ে দিয়েছি, ভালোও লাগে না, সময়ও হয়না।

ভালো থাকবেন। শুভ ব্লগিঙ।

২৩| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: তিনি গিয়েছিলেন মানুষ হিসাবে, বিমানে বসে, আসলেন লাগেজ হিসাবে। এ পর্যন্ত পড়ে ক্ষান্ত দিয়েছি। এ লাইনটা খুব মর্মস্পর্শী। এমন কিছু পড়ার মতো আমার মনের অবস্থা এখন নেই, আপনি জানেন।

আপন জনের মৃত্যু সবকিছু ভেঙেচুরে উলট পালট করে ফেলে।

আপনার কলিগের মা জান্নাতবাসী হোন, এই কামনা থাকলো।

২৪| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৫৩

জাহিদ হাসান বলেছেন: ভালো লাগল।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৫১

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ধন্যবাদ স্যার।

২৫| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:১১

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
আজ সকাল থেকে আমার শহরটা ঝাপসা , ঘোলাটে। সেই সাথে আমার চোখ কেমন যেন ঝাপসা হয়ে উঠলো। :(

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৫১

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ব্যস্ত না কি কিছু নিয়ে? অনেকদিন পর দেখলাম মনে হচ্ছে।
আমার যখন মা বাবার কথা মনে পড়ে, আমিও এই লেখাটি দেখি এবং আমার চোখও কেমন যেনো ঝাপসা হয়ে যায়..।

২৬| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:১১

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
লেখক বলেছেন : ব্যস্ত না কি কিছু নিয়ে? অনেকদিন পর দেখলাম মনে হচ্ছে।

ব্যস্ততা আর সেই সাথে সদ্য ভূমিষ্ট সদ্য ভূমিষ্ট প্রথম বাবুটাকে সময় দিচ্ছি খুব !! :)
দোয়া করবেন।

আগের মন্তব্য মুছে দিবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.