নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পলিটিক্য

পলিটিক্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধরাছোয়ার বাইরে মাদক ব্যবসায়ীরা!

০৮ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৫:৫৭

শেখ জাহিদ:

ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাক্ষী উপস্থাপনে ব্যর্থতার কারণে অধিকাংশ মাদক সংশ্লিষ্ট মামলার আসামিদের কোনও শাস্তি হচ্ছে না। আদালতে মাদক মামলার দীর্ঘসূত্রিতার কারনে অনেক আসামী জামিন নিয়ে বাইরে অবস্থান করছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মামলার বারবার তারিখ পরিবর্তনের কারনেও মামলার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।



স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসা বন্ধে মোবাইল কোর্টের প্রবর্তন এবং ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাদক নিয়ন্ত্রণ (অধ্যাদেশ) আইন ২০১৩-এর খসড়া তৈরির কাজ চলছে।



সূত্র জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগ (ডিএনসি) ২০১৩ সালে ১০ হাজার ৯৯০ জনের বিরুদ্ধে ১০ হাজার ১১১টি মামলা দায়ের করে। যদিও দেশের বিভিন্ন আদালতে ৫০ হাজারেরও বেশি মাদক সংশ্লিষ্ট মামলা বিচারাধীন রয়েছে। প্রতি বছর প্রায় দুই হাজার মাদক সংশ্লিষ্ট মামলার নিষ্পত্তি হয় বলেও সূত্র জানিয়েছে।



এদিকে আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর প্রায় ৫০ হাজার মাদক সংশ্লিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়।



তিন বছর আগে ফেনসিডিল বহনের দায়ে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। ২১ দিনের মাথায় ঢাকার একটি আদালতে মামলার অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। যদিও এরপর থেকে মামলার প্রসিকিউশিন আদালতে কোন স্বাক্ষী হাজির করতে পারেননি। তিন বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে মামলার তারিখ পেছানোর পর অবশেষে আদালত মামলাটি বন্ধ করে দেয়। এ পুরো সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালত থেকে জামিন নিয়ে প্রকাশ্যে বহাল তবিয়তে ছিলেন।



মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ অনুসারে ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যদি দেওয়া না হয় তাহলে অভিযুক্ত বিধি মোতাবেক স্বয়ংক্রিয়ভাবেই জামিন পেয়ে যাবে।



একই ধরণের আরেকটি ঘটনায় জাহানারা নামে এক চায়ের দোকানদারকে গাঁজা বহনের দায়ের গ্রেফতার করা হয়। ছয় বছর আদালতের নানা প্রক্রিয়ার পর তার বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ করেন আদালত। মামলা চলাকালে প্রতিটি শুনানিতে প্রসিকিউশন আদালতকে বলেছেন আসামির বিরুদ্ধে কোনও স্বাক্ষী পাওয়া যায় নি।



এ ধরণের অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের তরফ থেকে আসামির বিরুদ্ধে কোন প্রমাণ বা স্বাক্ষী উপস্থাপন করতে না পারায় আদালত মামলার তারিখ পিছিয়ে দেন।



ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতে কাজ করা অ্যাডভোকেট প্রকাশ চন্দ্র বিশ্বাস আশা প্রকাশ করেন, সংশোধিত আইনে মাদক সংশ্লিষ্ট মামলার জট খুলবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে মাদক সংক্রান্ত অপরাধের বিচার করতে পারবে।



অন্যদিকে মাদকবিরোধী আন্দোলকর্মীদের অভিযোগ, মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দুর্নীতিবাজ আইনশঙ্খলা বাহিনীর সদ্যসদের আঁতাত রয়েছে। এ কারণেই ফলে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষী খুঁজে পায় না।



মাদকবিরোধী সংগঠন তারুণ্য-এর সদস্য রিয়াদুল কবির বলেন, ”সরকার মাদকের সরবরাহ বন্ধ করতে না পারলে মাদকবিরোধী প্রচারণায় সাফল্য আসবে না। কার্যকর পদক্ষেপ নিলে এমনিতেই মাদক সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা কমে আসবে।”



মাদক নির্মূলে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব আছে বলেও জানান তিনি।



তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইন পাস হলে মাদক সংক্রান্ত অপরাধের দ্রুত বিচার সম্ভব হবে। এতে করে মামলা জট কমবে।েখঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাক্ষী উপস্থাপনে ব্যর্থতার কারণে অধিকাংশ মাদক সংশ্লিষ্ট মামলার আসামিদের কোনও শাস্তি হচ্ছে না। আদালতে মাদক মামলার দীর্ঘসূত্রিতার কারনে অনেক আসামী জামিন নিয়ে বাইরে অবস্থান করছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মামলার বারবার তারিখ পরিবর্তনের কারনেও মামলার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।



স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসা বন্ধে মোবাইল কোর্টের প্রবর্তন এবং ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাদক নিয়ন্ত্রণ (অধ্যাদেশ) আইন ২০১৩-এর খসড়া তৈরির কাজ চলছে।



সূত্র জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগ (ডিএনসি) ২০১৩ সালে ১০ হাজার ৯৯০ জনের বিরুদ্ধে ১০ হাজার ১১১টি মামলা দায়ের করে। যদিও দেশের বিভিন্ন আদালতে ৫০ হাজারেরও বেশি মাদক সংশ্লিষ্ট মামলা বিচারাধীন রয়েছে। প্রতি বছর প্রায় দুই হাজার মাদক সংশ্লিষ্ট মামলার নিষ্পত্তি হয় বলেও সূত্র জানিয়েছে।



এদিকে আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর প্রায় ৫০ হাজার মাদক সংশ্লিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়।



তিন বছর আগে ফেনসিডিল বহনের দায়ে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। ২১ দিনের মাথায় ঢাকার একটি আদালতে মামলার অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। যদিও এরপর থেকে মামলার প্রসিকিউশিন আদালতে কোন স্বাক্ষী হাজির করতে পারেননি। তিন বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে মামলার তারিখ পেছানোর পর অবশেষে আদালত মামলাটি বন্ধ করে দেয়। এ পুরো সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালত থেকে জামিন নিয়ে প্রকাশ্যে বহাল তবিয়তে ছিলেন।



মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ অনুসারে ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যদি দেওয়া না হয় তাহলে অভিযুক্ত বিধি মোতাবেক স্বয়ংক্রিয়ভাবেই জামিন পেয়ে যাবে।



একই ধরণের আরেকটি ঘটনায় জাহানারা নামে এক চায়ের দোকানদারকে গাঁজা বহনের দায়ের গ্রেফতার করা হয়। ছয় বছর আদালতের নানা প্রক্রিয়ার পর তার বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ করেন আদালত। মামলা চলাকালে প্রতিটি শুনানিতে প্রসিকিউশন আদালতকে বলেছেন আসামির বিরুদ্ধে কোনও স্বাক্ষী পাওয়া যায় নি।



এ ধরণের অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের তরফ থেকে আসামির বিরুদ্ধে কোন প্রমাণ বা স্বাক্ষী উপস্থাপন করতে না পারায় আদালত মামলার তারিখ পিছিয়ে দেন।



ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতে কাজ করা অ্যাডভোকেট প্রকাশ চন্দ্র বিশ্বাস আশা প্রকাশ করেন, সংশোধিত আইনে মাদক সংশ্লিষ্ট মামলার জট খুলবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে মাদক সংক্রান্ত অপরাধের বিচার করতে পারবে।



অন্যদিকে মাদকবিরোধী আন্দোলকর্মীদের অভিযোগ, মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দুর্নীতিবাজ আইনশঙ্খলা বাহিনীর সদ্যসদের আঁতাত রয়েছে। এ কারণেই ফলে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষী খুঁজে পায় না।



মাদকবিরোধী সংগঠন তারুণ্য-এর সদস্য রিয়াদুল কবির বলেন, ”সরকার মাদকের সরবরাহ বন্ধ করতে না পারলে মাদকবিরোধী প্রচারণায় সাফল্য আসবে না। কার্যকর পদক্ষেপ নিলে এমনিতেই মাদক সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা কমে আসবে।”



মাদক নির্মূলে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব আছে বলেও জানান তিনি।



তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইন পাস হলে মাদক সংক্রান্ত অপরাধের দ্রুত বিচার সম্ভব হবে। এতে করে মামলা জট কমবে।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৫:১৭

আহসানের ব্লগ বলেছেন: সামহোয়ার ইন ব্লগে আপনাকে আমন্ত্রন।
এখানে লিখুন পড়ুন আর প্রাণবন্ত আড্ডায় মেতে থাকুন।
এটাই হউক আপনার ঠিকানা। :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.