নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আনিকা_পিউলী

জীবন আর মৃত্যু এক সুতোয় গাথা। তাই বর্নিল রং এ ভরিয়ে তোলাটাই মানবধর্ম।

আনিকা_পিউলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

একান্ত ভাবনা ০২

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ১:৫৬

প্রায়শই পুরুষ কিংবা নারীকে বলতে শুনি, পুরুষ বেশি শক্তিশালী , জগতের সকল আবিস্কারের মূলে তারাই রয়েছে অর্থাৎ মস্তিষ্কের দিক থেকেও পুরুষ এগিয়ে। কখনো কখনো আবার আসে পুরুষের সকল কাজের অনুপ্রেরণা নারী।অনেক পণ্ডিত ব্যক্তিকেও বলতে শুনি মহিলারা কি আবিষ্কার করেছে ?এমন গুরুত্তপূর্ণ তো কিছু নয় !! তাই নিজেও সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে একত্র করলাম...

জানি,যারা জেগে ঘুমায় তাদের কর্ন গহ্বরে যত জোরেই আওয়াজ দেওয়া হোক তারা ঘুম থেকে উঠবে না তবে এহেন প্রশ্ন এর পর থেকে এড়িয়ে যাবে যেহেতু উত্তরখানা চোখের সমুখে থাকবে। সত্যি বলতে নারীকে ধর্ম দিয়ে,সমাজ দিয়ে এমন ভাবে বেঁধে রাখা হয়েছে যেন কোনভাবেই উচ্চপদস্থদের তালিকায় তারা ঢুকতে না পারে। তাই কখনো ছলনা, কখনো আবেগ, কখনো শাসন-শোষণ যেভাবেই হোক নারীকে দমন করা হয়েছে। সে শোষক বাবাও, ভাই-ও, স্বামী আবার ছেলেও। শুধু তাই নয় নারীর নিজের শত্রু সে নিজেও। মেয়েবেলা থেকে তাকে ভদ্রতার নামে,সহনশীলতার নামে "মেনে নেওয়া মহৎ গুন " শেখান হয়।

কিছু উদাহরণ দিচ্ছি প্রমাণস্বরূপ:
গনিতের এথেনা "নোথার", চাঁদের একাংশের নাম তার-ই নাম নামাঙ্কিত, অবদান এবস্ট্রাক্ট এলজেবরায়।পদার্থবিদ্যা এবং মহাকাশ গবেষণায় তার অবদান অনস্বিকার্য ।তবুও তার নাম পীথাগোরাস কিংবা গ্যালিলিওর মত সমাদৃত নয়।
নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়ায় অটো-হ্যান এর সাথে এক-ই অবদান রাখলেও এককভাবে নোবেলের আশায় "মিটনার" এর নাম বাদ দেওয়া হয়। এখানেও ছলনা!!!

অনেকে আবার বলেন নারী চাকরি বা বাণিজ্য না করলে কী বা এমন অসুবিধে হবে!! নারী সংসার করবে আর পুরুষ অর্থের যোগান দিবে। এমন মনোভাবকে যে শুধু পুরুষ সমর্থণ করে তা নয় , নারীরাও করেন বটে। আমি কিন্তু গৃহিনীদের একদম ছোট চোখে দেখছি না। আমার মা-ও একজন গৃহিনী। একজন কর্মজীবী মহিলা যখন প্রানের আচার কিনে রসনা বিলাস করেন, গৃহিনী নিজে সেটি বানিয়ে স্বামীর সেই অর্থ বাঁচান। কিন্তু স্বামী-শ্বাশুড়ি,ছেলে মেয়ে , সমাজ কর্মজীবী মহিলাকেই সম্মান জানান,তার মতামতের গুরুত্ব দেন। এখানে সমস্যা শুধুমাত্র লিঙ্গ বৈষম্যের নয়,বৈষম্যটি অর্থের, ক্ষমতার। সমাজে একজন লাখপতি যেভাবে সমাদৃত হন, দিনমজুর সেভাবে হননা। তাই নারীকে মানুষের মত বিবেচিত হতে, আত্মসম্মান অর্জনের জন্য অর্থ উপার্জন করতে হবে। এখানে বিবেচ্য যে, মানুষ যখন ঘরের বাইরে পা দেয়, তখন সে পৃথিবী দেখে, বিভিন্ন সমস্যায় টিকে থাকার কৌশল রপ্ত করে, সোজা হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শেখে।নারী যদি এখন-ই নিজের অধিকার সম্পর্কে সোচ্চার না হয় তবে আরো আরো ১০০ বছর পিছিয়ে পরবে। যেমনিভাবে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে হয় ,তেমনি করে অধিকার দানের জিনিস নয়,আদায় করে নিতে হয়।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০৮

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন: :) :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.