| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বোধের ডাক
রুটি মাংসের হিস্যা রেখে চলো আজ বেটোফেনিক সন্ধ্যা নামাই
আমাদের এই আধখাওয়া জীবনে যতবার আহার, সঙ্গমের কথা ভেবেছি
তার সিঁকিভাগও প্রেম, মানুষ এবং ভালোবাসার কথা ভাবিনি!
কী অদ্ভুত পাষণ্ড রাবণ নিয়ে বুকের ভেতর ঘুরে বেড়াই!
চির অশান্তির এই উদ্ভবের কথা চলো আলোচনা করি
চলো আলোচনা করি, ওথেলো ঈর্ষা, ক্লাডিয়াসের ধূর্ততা নিয়ে।
এই সময়ে মানুষ হননের চেয়ে বিশ্বাসের হনন ঘটে শতগুণ
ঘটে সফোক্লিক পাপ: যার ফলে আমাদের ঔরশ্যে জন্মায় ইডিপাস
আর ছ্যাড়ছেড়িয়ে পেচ্ছাবের মতো তাই তারা মাতে মাতৃসঙ্গমে।
-
তুমি অবিশ্বাসের চোখ নিয়ে চেয়ে আছো আামার দিকে?
চেয়ে দেখো, কার পতাকা আজ কার হাতে।
কোন ক্লাডিয়াস কোন হ্যামলেটকে বিভ্রান্ত করে রাতভর।
আর আমাদের ওথেলো-ঈর্ষা কতটা জ্বালাময়ী হলে পোড়ায়
নাথবাবুর বাস্তুভিটা, দ্রং, সিংয়ের ধূপাধার ও শ্যামার সিঁদুর।
তুমি আজ মদের গ্লাসে আঁকো নগ্ন মেয়ের নাভিমূল,
পতাকার জমিনে পুঁতো দেশপ্রেমের নারকীয় মুণ্ডিখুঁটি!
ভিখারির থালা উল্টে খোঁজো এঁটো মাছের পেটি!
কিছুতেই তোমাদের মেট্রিক টনী উদর আর ভরে না।
-
তাইতো ফের ফিরে আসো জননীর কাছে
স্তন্যপানের বদলে করো রক্তপান,
তোমাদের এই তিয়াস মেটাতে মেটাতে
মা আমার ক্লান্ত, বিধ্বস্ত, জীর্ণ, শীর্ণ।
আর কতোটা ক্ষুধা, তৃষ্ণা তোমাদের ঘিরে ধরলে তোমরা--
পতাকা, জমিন, চেতনা, যুদ্ধ, শহীদ, ধর্ম, সংস্কারের
মাথা বেচে খাওয়া রেখে নিজের শিশ্ন খাবে?
খাবে বাবার শিশ্ন চেটে?
-
তাই বলি কী, চলো এইসব মাখন,রুটি, রক্ষিতার কথা বাদ দিয়ে
একটা সন্ধা নামাই ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁয়ের সরোদ কিংবা স্যাক্সোফোনে।
চলো বুকভরে ঘ্রাণ নিই ডিএল রায়ে, শ্যামা সংগীতে বা খালিদ হোসেনে...
মন মরার আগেই চলো মনটা বাঁচাই। শরীরটা গেছে যখন আরো
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:০১
জমাতুল ইসলাম পরাগ বলেছেন: পৃথিবীটিই নিষ্ঠুর, দাদা।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২২
রাজীব নুর বলেছেন: নিষ্ঠুর কবিতা।