নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

pramanik99

আমার স্কুল জীবনের স্মৃতিগুলো বার বার মনে পড়ে। ফিরে যেতে ইচ্ছে করে সেই দিনগুলোতে।

প্রামানিক

শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

প্রামানিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

লালমোহন (মজাদার রেসিপি)

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:১৫



শহীদুল ইসলাম প্রামানিক



(সৌজন্যে কামরুন্নাহার আপা)



গত ১৩ই ফেব্রুয়ারী পহেলা ফাল্গুন ব্লগার কামাল ভাইয়ের শুক্রবারের আড্ডায় গোলাম মোস্তফা ভাইয়ের মন্তব্যে কামরুন্নাহার আপা লালমোহনের ছবি দিয়ে বলেছিলেন বাসন্তী শুভেচ্ছায় বাসন্তী রঙের মিষ্টি খান। লালমোহনের চেহারা দেখেই জিহ্বায় জল এসে গিয়েছিল। মিষ্টির চেহারা খুবই সুন্দর লাল লাল। কামরুন্নাহার আপাকে জিজ্ঞেস করলাম এটা কি আপনার হাতে বানানো? তিনি বললেন, না বাজার থেকে কিনে আনা।



লালমোহনের নাম ভুলেই গিয়েছিলাম। কামরুন্নাহার আপার দেয়া লালমোহনের ছবি দেখে পাকিস্থান আমলে প্রথম যেদিন লালমোহন খেয়েছিলাম সেই কথা মনে পড়ে গেল। সম্ভাবত আটষট্টি বা ঊনসত্তর সাল হবে। বাবার সাথে ফুলছড়ি থানা শহরে বেড়াতে গিয়েছি। বাবার উদ্দেশ্য হলো সিও অফিসে জমি সংক্রান্ত কিছু অফিসিয়াল কাজ করা, আর আমার উদ্দেশ্য হলো ময়রার দোকানের কিছু মিষ্টি ভক্ষণ করা। সেই সময়ে ফুলছড়ি বাজারে কয়েকটি মিষ্টির দোকান ছিল। তার মধ্যে ছতিশ ঘোষের মিষ্টির দোকাটি ছিল বড় এবং নানান পদের মিষ্টি তৈরী করতো। ছতিশ ঘোষ এই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা নন। অন্য জেলা থেকে এসে এখানে মিস্টির দোকান দিয়েছিলেন। সম্ভাবত এই ঘোষকে একাত্তর সালে মেরে ফেলা হয়েছে অথবা ব্যাবসা গুটিয়ে অন্য এলাকায় চলে গেছেন। কারণ দেশ স্বাধীনের পরে ওই মিষ্টির দোকান আর চালু হয় নাই। সেখানে সন্তোষ আর কালিয়ার হাঁড়ি পাতিলের দোকন হয়েছিল।



বাবা সবসময় আমাকে ছতিশ ঘোষের মিষ্টির দোকানে মিষ্টি খাওয়াতেন। সেদিনও তার দোকানে গিয়ে মিষ্টি খাওয়ার জন্য বসেছি। ছতিশ ঘোষের পরনে এক বস্ত্র। ধুতির এক আঁচল পরেছে আরেক আঁচল গায়ে জড়িয়ে চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছে। হোটেল বয় কাকরু এসে বলল, কিরে কি খাবি? আমি বললাম, রসগোল্লা খাবো। কাকরু বলল, না, আজকে তোকে রসগোল্লা নয়, লালমোহন খাওয়াবো। কাকরু আমার চেয়ে বযসে অনেক বড়। আমি বললাম, দাদা লালমোহনের দাম কত? কাকরু বলল, বেশি না চারানা করে। সেই সময় ভাল রসগোল্লা দেড় টাকা সের বিক্রি হতো। প্রতি পিচ দুই আনা ছিল। সেইখানে চারানা দাম বেশি বেশি মনে হলো। কিন্তু লালমোহন খাওয়ার লোভটাও সামাল দিতে পারছিলাম না। আমি কোন কথা না বলে চুপ করে থাকলাম। কাকরু লোহার বড় কড়াই থেকে লালচে রংয়ের হাঁসের ডিমের সমান দু’টি মিস্টি এনে দিল। চামুচ দিয়ে কেটে দেখি উপরে লাল ভিতরে সাদা। খেয়ে খুব মজা পেলাম। বাবা এসে মিষ্টির দাম দিলেন। সেই মিষ্টির স্বাদ যেন আজো মুখে লেগে আছে।



কাকরুর দুখের কথা কিছু বলা দরকার। কাকরুর ভাল নাম দীন বন্ধু। বুকের হাড্ডি বেরোনো শুকনা চেহারার কারণে সবাই তাকে ইয়ার্কী করে কাকরু নামে ডাকে। কাকরুর বাড়ি আমাদের গ্রামে। বাবা দীনেশ চন্দ্র সরকার আধা পাগোল। জমিজমা আছে, তবে আধাপাগোল হওয়ায় ঠিক মত চাষাবাদ করতে না পারায় পেটের ভাত জোটে না। সবসময় অভাব লেগেই থাকে। কাকরু ক্লাস নাইনে ভর্তি হয়েছে। পাঁচ ভাইবোনসহ সাত জনের সংসার। অভাব এমনভাবে জেঁকে বসেছে যে এক বেলাও ভাত জুটছে না। দু’দিন হলো সবাই না খাওয়া। ক্ষুধায় কুলাতে না পেরে বাধ্য হয়ে কাকরু এই মিষ্টির দোকানে এসে খাওয়াসহ মাসিক দশ টাকা বেতনে চাকরী নিয়েছে।



দেশ স্বাধীনের কয়েক বছর পরে কাকরু অনেক পয়সাওয়ালা হয়েছিল। আমাদের এলাকায় প্রথম সৌদি চাকুরী করতে যায় এই কাকরু। কোম্পানীর খরচে যাওয়া আসা করায় কাকরুর চারানা পয়সাও খরচ করতে হয় নাই। তখন আমাদের এলাকার লোকজন জানতই না যে বিদেশে চাকরী করা যায়। কাকরুই প্রথম সৌদী তিন বছর থেকে এসে সবার নজর খুলে দেয়। বিদেশ ফিরে অনেক পয়সার মালিক হয়ে জমিজমা কিনে সংসারের সচ্ছল অবস্থা ফিরিয়ে আনে। কিন্তু ততদিনে তার বাবা অনাহারে অর্ধাহারে চুয়াত্তুরের অভাবে না খাওয়া অবস্থায় মারা যায়। কাকরুর সেই সুখ বাবা দীনেশ চন্দ্র সরকারের ভাগ্যে জোটে নাই।



যাই হোক কামরুন্নাহার আপার দেয়া ছবিতে লালমোহনের চেহারা দেখে ছতিশ ঘোষের দোকানের সেই লালমোহনের কথা মনে পড়ে যায়। তৃপ্তিসহকারে লালমোহন খাওয়ার জন্য ঘরেই তৈরী করার প্রস্তুতি গ্রহণ করি। তবে ছতিশ ঘোষের তৈরী সেই স্বাদ কখনই পাবো না। কারণ সেই লালমোহন ছিল খাঁটি দুধের তৈরী ছানা ও মাওয়া দিয়ে তৈরী। আর আমি আজকে যে লালমোহন তৈরী করে দেখাবো সেটা হলো দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানোর মত বিকল্পভাবে তৈরী। তবে যেভাবেই তৈরী করি না কেন, এই লালমোহনও অনেক মজাদার।



যাই হোক লালমোহন তৈরী করতে যে সব উপকরণ লাগবে তা নিচে দেয়া হলো ঃ



১। চিনি দুই কাপ

২। পানি দুই কাপ

৩। ময়দা আধা কাপ

৪। বেকিং পাউডার দুই চা চামচ

৫। ফুল ক্রিম গুড়া দুধ পৌনে এক কাপ বা একাপের চার ভাগের তিন ভাগ

৬। ডিম একটি

৭। তেল বা ঘি আড়াই টেবিল চামচ

৮। ভাজার জন্য পরিমাণ মত তেল

৯। ময়ান করার জন্য আরো এক বা দুই চা চামচ চিনি এবং এক বা দুই টেবিল চামচ পানি লাগবে অথবা পরিমান অনুযায়ী।



প্রথমেই চিনি দুই কাপ এবং পানি দুই কাপ দিয়ে সিরা তৈরী করে নিন। সিরা তৈরী করার জন্য বলে রাখি যতটুকু চিনি নিবেন সেই পরিমাণ পানি দিবেন। যদি সিরা বেশি করতে চান তাহলে যত কাপ চিনি দিবেন তত কাপ পানি দিয়ে জাল দিবেন। সিরার পানি ফুটলে নামিয়ে রাখবেন।



এবার ডিম ভেঙে ভাল করে ফেটে নিন, এর পর এক বা দুই চা চামচ চিনি এবং আড়াই টেবিল চামচ ঘি বা তেল ডিমের সাথে ভাল করে মিশিয়ে নিন। ফুল ক্রিম গুড়ো দুধ, ময়দা এবং বেকিং পাউডার একত্রে করে ভাল করে মিশিয়ে নিন। মনে রাখবেন বেকিং পাউডার যেন দানা দানা বা দলা দলা না থাকে। ভাল করে ডলে দলা ভেঙে প্রয়োজনে ছাকনি দিয়ে ছেকে নিবেন। এরপর ময়ান করার জন্য ডিম দুধ ময়দাসহ সব উপকরণ একত্রে করে হাত দিয়ে ভাল করে মাখতে থাকুন। সব মিশিয়ে শক্ত শক্ত কিছুটা নরম লেইয়ের মত হলে। হাতে তেল নিয়ে ছোট ছোট গোল গোল করে দেশি মাঝারি বড়ইয়ের আকার করে পাত্রে রাখুন। যে পাত্রে রাখবেন তাতে কিছুটা তেল মাখিয়ে নিবেন, তা না হলে পাত্রের গায়ে লেগে যেতে পারে। মনে রাখবেন বড়ইয়ের আকার তৈরী করলেও রসে ভিজানোর পর চারগুণ বড় হয়ে মুরগীর ডিমের সমান হবে।



এবার ডুবো তেলে ভাজার জন্য কড়াইয়ে পরিমান মত তেল ঢালুন। কড়াই চুলায় দিয়ে তেল গরম করে বানানো গোল গোল ময়ানগুলো ছেড়ে দিন। এইখানে একটি কথা মনে রাখবেন। আমি প্রথম যেদিন লালমোহন তৈরী করেছিলাম গরম তেলে তাড়াতাড়ি ভাজার জন্য মাঝখানে বিচির মত শক্ত হয়েছিল। চাপার দাঁত দিয়ে কামড়িয়ে খেতে হয়েছে। আমার মেয়ে ইয়ার্কী করে বলল, আব্বু এরকম মিস্টি তো কোনদিন খাইনি, গাবের বিচির মত চিবাতে হয়। সেই সমস্যার সমাধান পরে পেয়েছি। ডুবো তেলে যখন ভাজবেন তখন খুব কম জ্বালে আস্তে আস্তে অনেক সময় নিয়ে ভাজবেন এবং ঘন ঘন উল্টিয়ে পাল্টিয়ে ভাজবেন। তহলে পুরোটা উপর-নিচ-ভিতরসহ এক সমানে সিদ্ধ হবে। তবে বেশি কড়া ভাজবেন না তহেল সিরা ভিতরে নাও ঢুকতে পারে।





এবার ভাজতে ভাজতে লাল লাল হয়ে গেলে সিরায় ছেড়ে দিন এবং সিরার পাত্র চুলায় দিয়ে মাঝারির চেয়ে একটু বেশি আঁচে জাল দিতে থাকুন। দেখবেন লালমোহন ফুলে ফেঁপে চারগুণ হয়েছে। বড়ইয়ের আকার থেকে ডিমের আকার ধারন করেছে। যখন জ্বাল হয়ে ফুলে ফেঁপে বড় হয়ে যাবে তখন চুলা থেকে নামিয়ে রেখে দিন এবং কমপক্ষে সাত ঘন্টা অপেক্ষা করুন। কারণ লালমোহন গরম গরম মজা পাবেন না। ভাল হয় আগের দিন রাতে তৈরী করলেন পরের দিন সকালে খাবেন, তবে ফ্রিজে রাখবেন না, তাহলে মজা পাবেন না।



ধন্যবাদ সবাইকে, আমি নিজহাতে তৈরী করে খেয়েছি আপনারাও বাসায় ভাবিরা ভাইকে নিয়ে এবং বোনেরা দুলাভাইকে সাথে নিয়ে তৈরী করে খান এবং পারলে আমাকেও দাওয়াত করেন। আমি খাওয়ার জন্য হাজির হয়ে যাবো। তবে খেয়াল রাখবেন, কাউকে বাদ দিয়ে কেউ চুরি করে খাবেন না, তাহলে ভাই, ভাবী, দুলাভাই যে কেউ ঠকে যেতে পারে।

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:২৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: লোভনীয় পোস্ট । #:-S ।প্রিয়তে রেখেদিলাম । আমি প্রচুর মিষ্টি খাই । !:#P

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৩

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ সেলিম আনোয়ার ভাই। আপনার ভাল লাগায় খুশি হলাম। শুভেচ্ছা রইল।

২| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৪৮

যোগী বলেছেন:
লালমোহন আমার প্রিয় মিষ্টি। বানানোর ট্রাই করব যদিও নিজের ওজন নিয়ে কিছুটা চিন্তাই আছি :(

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৪

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ যোগী ভাই। ওজন নিয়ে চিন্ত করে লাভ নাই। খায়া মইরা যান মরার পরে তো খাওয়ার চিন্তা নাই।

৩| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:১০

এম এ কাশেম বলেছেন: লাল মোহনের আদি ইতি জেনে ভাল লেগেছে
মিষ্টি খেতে ও ভাল লাগে ।
ডাইবেটিস হবে না তো আবার ?

শুভেচ্ছা প্রামানিক ভাই।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৫

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ কাশেম ভাই। আগে মিষ্টি খান তারপরে ডায়াবেটিসের চিন্তা করেন। না খায়া মইরা লাভ কি?

৪| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৫

এ কে এম রেজাউ করিম বলেছেন:
প্রিয় কবি প্রামানিক'র প্রতি সুভেচ্ছা রহিল ।
তার ছড়া আমার ক্ষনিকের জন্য হলেও আমার আন্দন ।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:২১

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ করিম ভাই। শুভেচ্ছা রইল ।

৫| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:





এ যে দেখছি সহি লালমোহন-নামা!
লালমোহনের আদ্যোপান্ত।

এক-কাপড়-পড়া ঘোষের বানানো লালমোহনই মনে হয় বেশি মজা।
এদের সংখ্যা কমে আসতেছে...

চমৎকার পোস্টটির জন্য অভিনন্দন গ্রহণ করুন, প্রামানিক ভাই!

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:০১

প্রামানিক বলেছেন: আগের দিনের খাঁটি মিষ্টি তৈরী করা ধার্মিক ঘোষের সংখ্যা সত্যিই কমে গেছে। সেই কারণে এখন সেই রকম মুখোরোচক মিষ্টি আর পাওয়া যায় না।

৬| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৫

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: লোভনীয়! =p~

পোস্টের জন্য অভিনন্দন।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:০২

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই দিশেহারা রাজপুত্র। শুভেচ্চা রইল।

৭| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৪৪

কথার পাগল বলেছেন: খাও বেশী করে খাও, গরুর চোনা খুব ভালোভাবে মিক্স করা আছে। B-)

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:০৩

প্রামানিক বলেছেন: সত্যি কথাই বলেছেন কথার পাগল ভাই। গরুর দুধ খেতে গেলে দু'এক ফোঁটা চোনা থাকতেই পারে। ধন্যবাদ

৮| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:০৪

জাফরুল মবীন বলেছেন: আড্ডার সাথে খাওয়া-দাওয়ার সম্পর্ক অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত।আলাপচারিতার সাথে রেসিপি উপস্থাপন বেশ চিত্তাকর্ষক।আপনি সেই কাজটিই করেছেন।

বেশ ভাল লাগল।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:০৪

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই জাফরুল মবীন। আপনার মূল্যবান মন্তব্যর জন্য শুভেচ্ছা রইল।

৯| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:০২

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন:

স্মুতিচারনের সাথে সাথে লোভনীয় মিস্টির রেসিপি। :)


দারুণ পোস্ট+++

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:০৫

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায়। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

১০| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:২১

সুমাইয়া আলো বলেছেন: স্মৃতিচারণ সহ পোস্টে ভালবাসা জানিয়ে গেলাম।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৫৯

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ বোন সুমাইয়া আলো। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

১১| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৬

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক অনেক শুভেচ্ছা প্রামানিক ভাই!! ভালই রান্না হলো লালমোহন!!!
শুধু আমার ভাবিটাকে কষ্ট দেয়া!
এত্তগুলো মিষ্টি ফাইনালি বানাতে সাত ঘন্টা সময়ও লাগে!!!!
তবে শুভেচ্ছা রেসিপিটা পোষ্ট করার জন্য।

আর লালমোহন খাওয়ার স্মৃতিচারণ খুব ভাল লাগল!!!!!

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৫৮

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ বোন কামরুননাহার বীথি। রেসিপি বানাতে সাত ঘন্টা লাগে না। রেসিপিটা বানানোর পর সতঘন্টা রেখে ঠান্ডা করে খেলে মজা পাওয়া যায়। ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মন্তব্যর জন্য।

১২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৩০

নির্জন জাহিদ বলেছেন: এই রকম পোষ্ট না দিলেই পারতেন জিহবা টা কেমন কেমন জানি করতাছে :P :P

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৫৬

প্রামানিক বলেছেন: এরকম পোষ্ট না দিলে জিহ্বাগুলো অলস হয়ে যায়। তাই জিহ্বা সচল করার জন্য এরকম পোষ্ট দেয়া। ধন্যবাদ ভাই নির্জন জাহিদ। রসিকতার জন্য শুভেচ্ছা রইল।

১৩| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৩

সুমন কর বলেছেন: এত কষ্ট করে কে বানিয়ে খাওয়াবে !!! একদিন দাওয়াত দেন চলে অাসবো। ভয় নেই সব উপকরণ নিয়েই অাসবো। হাহাহাহাহাহা...........

শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: ভাই সুমন কর, উপকরন আনা লাগবে না। আপনি এসে শুধু খেয়ে যাবেন। দাওয়াত রইল।

১৪| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৪১

এহসান সাবির বলেছেন: কথা নয় কাজে পরিচয়....

বানাতে গেলাম....

একটু পরে আপডেট দিচ্ছি...

১৫| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৩১

এহসান সাবির বলেছেন:




আমাদের বেশি নরম হইছিল, ছোট বোন বলছে তোমার প্রমান (!!) দা'র ডিম ছোট ছিল, আমাদের ডিম বড় তাই গোলা বেশি হইছে, আমরা দুধ দিয়েছি পরে..

আমরা নানা রকম সাইজ বানাইছি...



কোন টা কম ভেজেছি, কোনটা বেশি, কোনটা একটু বেশি বেশি..

কাল সকাল পযর্ন্ত অপেক্ষা


অনেক ধন্যবাদ প্রামানিক'দা।

১৬| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৩১

দৃষ্টিসীমানা বলেছেন: সত্যি চমৎকার ।

১৭| ০১ লা মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৩:৩২

সোহানী বলেছেন: ওওওও দারুন গল্প আর রেসিপি সাথে ফাও। তবে ফাও সবসময়ে মজার তাই ওটাই এবার নিলাম ও সাবির ভাইয়ের মত ট্রাই করে ছবি দিব নিশ্চই.....++++

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.