নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

pramanik99

আমার স্কুল জীবনের স্মৃতিগুলো বার বার মনে পড়ে। ফিরে যেতে ইচ্ছে করে সেই দিনগুলোতে।

প্রামানিক

শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

প্রামানিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

উপন্যাস– আঁধারে শশী (শেষ পর্ব)

২৬ শে মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১:৩১


(দশ)
মারুফ চাচার সহযোগীতায় বেনুর অথৈসাগরে কুল ফিরে পেল। গোয়েন্দা পুলিশের রিপোর্টে বেনুর সৎমা ও তার ভাই এবং ভাইপো চক্রান্তের নায়ক বলে প্রমানিত হয়। তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করে হাজতে পাঠায়।
বেনুর পৈত্রিক সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে কোর্টে মামলা দায়েরের ব্যাবস্থা হয়। জেসমীন আক্তার বেনু বাদী হয়ে কোর্টে মামলা দায়ের করে। মারুফ চাচাকে মামলা চালানোর জন্য পাওয়ার অব এটর্নি প্রদান করে।
একদিন মামলা শেষ হয়ে যায়। অপরাধীর সাজা হয়। জেসমীন আক্তার বেনুকে আদালত স্বাধীনতা দেয়। আইনের যথাযথ আশ্রয় থেকে তার পিতার সম্পত্তির ব্যবস্থা নেবার অধিকার বেনুকে দেয়া হয়।
বিজ্ঞ আদালত তার শিক্ষা বিষয়ে এবং তার পিতার অবর্তমানে তাকে দেখা শুনার জন্য একজন যোগ্য অভিভাবক নিযুক্ত করার অধিকার ঘোষনা করে।
সমস্ত সমস্যার ঝড় থেমে গেছে। চক্রান্ত ও শত্র“দের আনাগোনার আঁধার শেষ। সন্দেহ মিথ্যার ঘুর্নিঝড় কেটে গেছে। বেনু এখন মুক্ত স্বাধীন। কিন্তু বেনু তার পিতার আবাসস্থলে যাবে কিনা চিন্তা করে পাচ্ছে না। মারুফ চাচাও বাড়ি যাওয়ার জন্য তৈরী হচ্ছেন।
গত কয়েক মাস ধরে মারুফ চাচা বেনুর সব সমস্যা সমাধান করতে করতে সে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।
তিনি একজন অভিজ্ঞ অবসর প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার হিসেবে বেনুর অভিভাবক নিয়োগসহ শেষ দায়িত্বটি পালন করতে চান। তাই বেনুকে কাছে ডাকলেন।
-- শোন মা বেনু, বসো আমার কাছে এসে, একটু বসো। দেখ অনেক কষ্টে তোমার দুর সম্পর্কের আত্মীয়ের খোঁজ পাওয়া গেছে। তোমার আব্বার দুরসম্পর্কে আত্মীয়। যদি তুমি চাও তবে তাকে না হয় তোমার অভিভাবক নিযুক্ত করে দেই। তোমার এ সম্পত্তির মালিক তুমি, অন্য কেউ নয়। কারণ তোমার অন্য কোন অংশীদার আর নেই।
-- চাচা আমি আর কি বলব। আপনি তো আমার জন্য যা করলেন তার মূল্যায়ন কি ভাবে করব তার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।
-- ঠিক আছে ওনিয়ে তোমার ভাবতে হবেনা। মানুষেই মানুষের উপকার করে। আমি মানুষ হিসেবে আমার একটু কর্তব্য পালক করেছি মাত্র। তা যাক ওসব কথা। এখন তোমার কি মতামত বল আমাকে? তুমি এখন সুস্থ্য মুক্ত ও স্বাধীন। তুমি এখন কোথায় যেতে চাও, কোথায় থাকতে চাও?
-- চাচা আমি কিছু বলতে পারছি না। আমার আব্বা নেই আপনি আমার আব্বা। কারণ পিতার অবর্তমানে আপনি যা করেছেন তা কোন পিতা ছাড়া অন্য কোন নিকট আত্মীয় করে বলে শুনি নাই। অতএব চাচা আপনাদের মত এত দয়ালু উদার লোক কোথায় পাবো। আমি মনে করি আপনারাই আমার বড় অভিভাবক। যদি একটু দয়া করে আমায় ভিখারিনী হিসেবে আমাকে আপনাদের পায়ের কাছে একটু ঠাঁই দেন সেইটাই হবে জীবনের বড় পাওয়া। কারণ মনে হয়না অন্য কোথায় গিয়ে আপনাদের মত এত আদর যতœ পাবো।
-- ছিঃ বেনু তুমি এমন করে বলছো কেন? তুমি বুদ্ধিমতী মেয়ে। বাঁচার জন্য তুমি যা করেছো তা কয়জন মেয়ে করতে পারে? এখন তো তুমি ঠান্ডা মাথায় ভাবতে পারছো। তাই তোমাকে একটা ডিসিশন তো নিতেই হবে।
-- চাচা- আমি আর কিছু ভাবতে পারছি না। আপনি আমার বড় ডিসিশন।
মারুফ সাহেব একটু থমকে গেলেন। বেনুর এ আবদারে। সে তো একজন অনাত্মীয় অচেনা মেয়ে। হঠাৎ সেকি আমাকে সম্বোধন করে বসল, এবং কি আবদার করে বসল।
জীবনে তার সংসারে ছেলে সন্তান আসেনি। সে নিঃসন্তান তাই কামালকে ছেলের আদর দিয়ে রেখেছে। সন্তানের কথা মনে হলেই তাই কামালের বাড়িতে আসে। এখন আবার বেনু একি বলল, তার পিতার অবর্তমানে সেই পিতা। এ কোন আহবান। সে যেন দুর্বল হয়ে গেল, তার হৃদয়ে যেন পানির স্রোত বইতে শুরু করল। মারুফ সাহেব ধীরে ধীরে উঠে বেনুর চিবুকে হাত দিয়ে বললেন, মা বেনু, তুই একি শোনালি মা!
বেনু আবেগে মারুফ চাচা কে জড়িয়ে কেঁদে ফেলল,
-- চাচা আপনারা ছাড়া আমার তো আর কেউ নেই। ওরা যদি তাড়িয়ে দেয় তাহলে আমি কি করব চাচা?
-- কি বললে বেনু।? এতবড় কথা মুখে আনতে তোমার মুখে বাঁধল না।
চমকে উঠলো বেনু। পিছনে তাকালেন মাহমুদা দরজায় এসে দাঁড়িয়েছেন। রাগে দুঃখে তার চোখ জ্বলছে।
-- তাতো হবেই আজ আঁধার কেটে গেছে। এখন আলোর সন্ধান পেয়েছো। এখন অনেক কিছুই বলবে। আজ কটা মাস গত হল এসেছো আজ বলছো এড়া তাড়িয়ে দেবে।
-- না মা আপনি আমার অপরাধ মাফ করুন। বেনু বিনয়ের সাথে বলল।
-- আরে মা বলবেই তো? দুনিয়ার নিয়মই তাই। চোখ ভিজে উঠল মাহমুদার।
-- বেনু দৌড়ে এসে মাহমুদার পায়ের কাছে এসে পড়ল। বলল, মা আমিতো যেতে চাই না। মাগো আমি আপনার কাছেই থাকতে চাই। চাচাকে তাই বলছিলাম মা।
-- তোকে যেতে বলেছে কে মা? চোখের পানিতে ভেসে যাচ্ছে মাহমুদার, বেনুও কাঁদছে।
মাহমুদা বেনুর মুখটি তুলে ধরল, চোখে চোখ রেখে বলল, তুই যাবিনা মা, তুই আমার কাছে থাকবি।
মারুফ সাহেব বেনু ও মাহমুদার মাতৃত্বের বন্ধনের স্মৃতিটুকু দেখে তার মনে নুতন চিন্তার উদয় হল। শিউলীকে দেখার জন্য কামালের বিয়ের দরকার। কিন্তু বেনু তো শিউলীকে যতœ করছে ওদের হৃদয়ের বন্ধন হয়েই। মেয়ে খুঁজে কি লাভ। বেনু তো আর ছোট মেয়ে নয়, কি অপুর্ব আবিস্কার! আল্লাহকে ধন্যবাদ।
ভোরেই শরাফতকে আসতে দেখে কামালের মনটা যেন কেমন করে উঠল। বাগানের দরজা খুলে এগিয়ে গেল কামাল।
-- কিরে শরাফত তুই ঘুমোসনি? এত ভোরে যে?
না না আমি ঘুমিয়েছি। কিন্তু চল ভিতরে যাই আগে। খালাম্মা কেন যেন রাতে ফোনে আমাকে সকালে আসতে বলেছে।
-- কই আমি তো কিছু জানি না।
-- কাল রাতে বলল, বেনুর অভিভাবক এবং সম্পত্তির বিষয়ে কি না আলোচনা করবে তাই আমাকে নাকি থাকতে হবে।
-- তোকে থাকেত হবে কিন্তু আমাকে তো কিছু বলল না।
-- কামাল অফিসের দিকে চলল।
-- তুমি কোথায় চললে।
-- একটু অফিসে তোমাদের ওইসব আজে বাজে ঝামেলায় আমি নেই। তাই যাচ্ছিÑ।
-- তাই বলে শুক্রবারেও যাবে? শরাফত যেন একটা মুচকি হাসি দিল।
-- শুক্রবারের কোন বিশেষ অর্থনেই। সবই আল্লাহর দিন। তাই কাজের অসুবিধা কোথায়।
-- কিন্তু খালাম্মা যে তোর কোন কাজিন বোন রুবিনা দেশের বাড়িতে রয়েছেন তাকে বিয়ে করতে অনুরোধ করছেন।
-- কামাল থমকে গেল। কারন কি?
-- কি বলছিস শরাফত? নির্বোধের মত বলে উঠল সে।
-- তারপর ঘরের ভিতর দু’জনে ফিরে এল।
শরাফত কামালকে সাবধানে হাটতে বলল, আবার পড়ে যাসনে।
এতক্ষণ কামাল লক্ষ্য করেনি। শরাফতের হাতে ঝুড়ি বোঝাই ফুল।
-- তুই তো আচ্ছা আহাম্মক দেখছি। এই সাত সকালে ফুল নিয়ে এসে হাজির হয়েছিস বিয়ের নাম শুনেই। কোথায় রুবিনা, কোথাকার কে তার খোঁজ খবর নেই। তোর দেখি ঘুম নেই।
কামাল তুই ঝুড়িটা রাখ বলে তার হাতে দিল শরাফত।
কামাল বারান্দায় উঠে দরজা খুলে দাঁড়ালো। দরজার মুখে দাঁড়িয়ে আছে বেনু। বেনুর হাত ধরে আছে শিউলী। ভোরের আলোয় শিউলীকে দেখাচ্ছে যেন এক ফুটন্ত লাল গোলাপ ফুলের মত। আর যে হাত ধরে আছে সেই মেয়েটিকে এত ভাল করে কোন দিন দেখেনি। মেয়েটি যেন একটা দুধে ধোয়া অবুঝ বালিকা। তার চিন্তহীন মুখে যেন আলোর ঝিলিক। লাল পেরে শাড়ীর আঁচল যেন তার গলা ঘিরে আছে। গলার মাঝখানে সোনার লকেট সেটা নাকি তার মায়ের। কৌটার সব গহনাগুলোই মনে হচ্ছে হাতে কানে জড়িয়ে আছে। গহনায় তার হাত ভরে গেছে। অলংকারে সজ্জিত এই মেয়েটিকে যা সুন্দর দেখাচ্ছে তাতে চোখ ফিরিয়ে নেওয়া মুস্কিল।
কামাল এতরুপ দেখে সহ্য করতে পারছে না। আবার পিছিয়ে যেতে পারছে না। কারণ শরাফত পিছনে দাঁড়িয়ে। অবস্থাটা কাটিয়ে উঠার আগেই বেনু বলে উঠল আসুন শরাফত ভাই, নাস্তা করুন।
-- নাস্তার টেবিলে বসে আছেন মারুফ চাচা। তিনি খবরের কাগজ পড়ছিলেন। আড়চোখে কামালের লুকোচুরি দৃশ্যটা পুরোটাই দেখলেন। মনে মনে ভাবলেন তোমার জন্য এখানে পাঠিয়েছে ওকে।
-- মাহমুদা বেগম এসে দুবার ঘুরে গেলেন নাস্তার টেবিল দেখে। কামাল চায়ে শেষ চুমুক দিয়ে আনমনা ভাবে উঠে গেল।
-- কামাল। মাহমুদা পিছন থেকে ডাক দিলেন।
-- তুই ফুলগুলো এখানে রাখলি কেন? শরাফত এত যতœ করে এনেছে তা টেবিলে গুছিয়ে রাখ।
-- জী রাখছি মা। কামাল ফুলনিয়ে ঘরের দিকে যাচ্ছিল।
-- মারুফ ভাই শরাফতকে ডেকেছি আপনাকে নিয়ে জরুরী বিষয়ে আলোচনা করার জন্য।
-- তার মানে কি আম্মা আমাকে কোন দরকার নেই। ঠিক আছে বলে দ্রুত চলে গেল কামাল যেন মায়ের সাথে একটা নিছক অভিমানের ভাব দেখালো।
মারুফ সাহেব বললেন, কি আলোচনা হবে তা কিছুটা আঁচ করতে পারছি। আল্লাহ যা করে সবই মঙ্গলের জন্য করেন। তা খুব ভাল হবে। কামাল বেনুতে যা মানাবে তা ভাষায় বলা যাবে না। এতএব শুভকাজ অদ্যই সমাপ্তী হোক। আমি শেষ করে যাচ্ছি। অতএব যাত্রা স্থগিত করলাম।
-- মাহমুদা যেন আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠলেন। তার যেন বুকের ভিতর কিসের যেন অভাব ছিল তা পুরণ হয়ে গেল।
-- কামাল ঘরে প্রবেশ করে টেবিলে ফুল রাখতে যাবে এমন সময় হাতের চুড়ির শব্দ শুনে থমকে দাঁড়িয়ে গেল।
-- শিউলীর মাথা আঁচড়িয়ে ফিতা দিয়ে ফুলতুলে দিচ্ছে বেনু। বেনু ঘুরে দাঁড়াল এবং কামালের হাতে ফুলের ঝুড়ি দেখে দাঁড়িয়ে গেল।
কামাল ভাবল ভালই হল ভাল ভাবে বিদায় নেয়া যাক। তাই নিজকে গুছিয়ে নিয়ে মৃদু স্বরে বলে উঠল, বেনু তুমিতো আজ চাচার সাথে চলে যাচ্ছ। আমি তোমার সাথে যে খারাপ ব্যবহার করেছি এজন্য আমি দুঃখিত ও অনুতপ্ত। আমাকে ক্ষমার চোখে দেখবে। কামাল কথা বলতে বলতে দু’বার খেকানি দিয়ে কথা শেষ করল।
-- বেনু একবার কামালের দিকে তাকিয়ে দেখে আবার ফুলের দিকে তাকিয়ে দেখে। কোন কথাই সে বলল না। হঠাৎ চমকে উঠল সে।
-- পিছন থেকে মাহমুদা তিরস্কার করে বলে উঠল, ওকিরে! বোকার মত ফুলগুলো নিয়ে দাঁড়িয়ে আছিস যে। আর বেনু তুমি বা কেমন মেয়ে ফুলগুলো নিয়ে রাখতে পারলে না ভাল করে। শরাফত এত শখ করে ওগুলো নিয়ে এসেছে।
-- তবু দুজনেই চুপ। মাহমুদা বিরক্ত বোধ করলেন।
-- বেনু আমার ছেলে কি তোমাকে বাড়ি থেকে যেতে বলেছে?
-- জী । বেনুর গলার স্বর কেঁপে উঠল।
-- ওর কোন কথাই কানে তুলবেনা। ও তোমার সাথে মজা করে আনন্দ ভোগ করে।
-- আর আমি বলছি তোমার কোথাও যাওয়া হবে না। তুমি আমার কাছেই থাকবে। তুমি উকিল হও আর ব্যারিস্টার হও। তুমি চিরদিন আমার কাছে থাকবে। নইলে ওর মেয়েকে মানুষ করবে কে? ইতি মধ্যেই মেয়েকে তো বানিয়েছো তোমার পিয়ারী। মাম্মী ছাড়া এক মিনিট চলে না। আর আমরই কি চলে? কি মুশকিলে যে পড়েছি তা আমি জানি।
-- মাহমুদা বেগমের কথা শুনে কামাল যেন আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলো না ফুলগুলো হাত থেকে ফেলে দিয়ে সরে পড়লো।
-- ছেলের লজ্জা দেখে মাহমুদা মনে মনে হাসলো।
-- বেনু ফুলের ঝুড়িটা টেবিলে তুলে রাখল। সারাদিন চলল বিয়ের আয়োজন, সন্ধ্যায় বিয়ের কাজ শেষ হল। লোকজন সবাই চলে গেল। বাড়ির সবাই ঘুমোতে গেছে।
বেনু বসে আছে কামালের বিছানায়। বেনুর শরীর কাপছে। কি বলে কামালকে একটা ধন্যবাদ জানাবে।
কামাল ঘরে প্রবেশ করছে ধীরে ধীরে। তার মনেও দ্বন্দ, সেতো তাকে ভাল চোখে দেখেনি। ভাল ব্যাবহার করেনি। তাহলে তার সাথে কিভাবে কথা বলবে।
কামাল ঘরে এলো বেনু উঠে সেই ফুলগুলো তার হাতে তুলে দিয়ে বলল এইযে তোমার ফুলগুলো।
Ñ কামাল ফুল গুলো তার হাতে ও খোপায় গুঁজে দিল এবং বিছানা ছড়িয়ে দিল। আর হাত ধরে বলল, আগে বল আমার ব্যবহারের জন্য তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছো।
-- ছিঃ অমন করে বলে না। তুমি প্রথম দিনই যে উপকার করেছো তারই মূল্য আমার কাছে নেই। আর আজ যা দিলে এর জন্য আল্লাহ তোমাকে অনুদান দিবে।
কামাল বেনুর চিবুক উঁচু করে চোখে চোখ রেখে দেখতে লাগল। বেনু অপলক নয়নে চেয়ে রইল। বেনুর জীবনে আঁধার কেটেছে এসেছে পুর্ণিমার শশী। সেদিন আকাশেও আধার নেই কোন মেঘ নেই। মুক্ত আকাশে ভরা পুর্ণিমার চাঁদ। তাদের এই মিলনে যেন উজ্জল আলোয় হেসে উঠল।
-০- সমাপ্ত -০-

( আগের পর্ব দেখার জন্য নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন )
উপন্যাস– আঁধারে শশী (পর্ব-৫)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.