| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশে সম্পর্কগত টানপোড়নে সবচেয়ে বেশী ভুক্তভোগী খুব সম্ভবত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর যুবারা। ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য। নিম্নবিত্তের গন্ডি কিংবা উচ্চবিত্তের বিলাসিতার কিছু কাঠামো থাকে কিন্তু মধ্যবিত্তের উচ্চাবিলাস, অহংকার, অজানার আতংক সবই অসীম। তরুণ সম্ভাব্য ভালো বোঝাপড়ার জুটিগুলোর বেশীরভাগই নষ্ট হচ্ছে বাড়াবাড়ির কারণে। মেয়েদেরকে সময় দেয়া হচ্ছেনা - ছেলেটিকে প্রতিষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার। ছেলের বাসা থেকে মেয়েকে পছন্দ না হওয়ার মূল কারণ তারা নিজেদের পছন্দে বিয়ে দিতে চায়। ছেলের চাকরি না থাকার জন্য আগে মেয়েদের বাবারা প্রস্তাব ফেরত দিতো আর এখন সবখানেই ধরা। বিয়ে না করে প্রেম? - আরে বাবা সে-তো ধর্মে নিষেধ। এরা করবেটা কী? প্রেম করতে গেলে অপরাধ, বিয়ে করতে গেলে আরো বড় বাধা!
আরেক ধরণ চালু হয়েছে বাবা-মা'র দোহাই, "তোকে আমরা সারা জীবন কত কষ্ট করে মানুষ করলাম আর তুই এমন কথা চিন্তা করতে পারলি? আমাদের এইভাবে কষ্ট দিলি?" সন্তান বেচারা বলির পাঁঠা আর কী করবে - সমাজের থুথু বাপ মায়ের অভিশাপ থেকে বাঁচতে জলাঞ্জলি দেয় নিজের অনুভূতিগুলো। কিন্তু আখেরে ওনারা এত কষ্টইবা পাচ্ছেন কেন? - ওরা কী ছিনতাই করলো, ধর্ষণ করলো - করতে চাইলো বিয়ে। এই সহজ রাস্তাকে কঠিন করে তোলার দীর্ঘমেয়াদি ফল হিসেবে বাইপাস খোঁজা শুরু হতে পারে (ইদানিং প্রায়ই শোনা যাচ্ছে - লুকিয়ে বিয়ে ছাড়াই একসাথে বসবাস)। এটা সংকীর্ণতা?
তবে মনে হয় আজ এই বাধা তৈরী করার জন্য এক সময় মাশুল হিসেবে কোন এক প্রজন্মে বাবা-মা কিংবা মাওলানাদের এই কথা বলা লাগতে পারে - বাবা তোমরা এক সাথেই তো থাকছো, অসুবিধা নাই - বিয়েটা করে নিও এক সময়।
মধ্যবিত্তের প্রেমের গল্প চিত্তাকর্ষক, কিন্তু এর চরিত্রগুলোর চেপে রাখা কষ্টগুলো গুমরে মরে সারাটা জীবন।
কী লিখছি জানিনা হুদাই ব্যাক ব্যাক করলাম - ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ২:১৪
পাঠক১৯৭১ বলেছেন: মুখস্হ কথা?