| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জেনারেশন৭৫
বাঁচতে হলে আবার আয় রে ভাই লান্গল ধরি গাঁয়...
স্বাধিনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের দল বি এন পি কে যুদ্ধাপরাধী বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম। এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার আন্দোলনের হুমকি ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি । তিনি আরো বলেন বি এন পিতে অনেক যুদ্ধাপরাধি রয়েছেন । তাহলে কি আওয়ামিতে কোন যুদ্ধাপরাধি নাই।
আজব একটা ব্যপার লক্ষ করলাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফোরাম কতৃক কথিত সেই যুদ্ধাপরাধি লিষ্টে আওয়ামির একজনের নামও অবিস্কার করতে পারেনি! যেখানে, শেখহাসিনার বিয়াই মোশারফ, শেখ সেলিমের বিয়াই মুসাবীন সমসের, সাবেক আওয়ামি মন্ত্রী ফায়জুর রহমান, সাবেক আওয়ামি মন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলাম, বর্তমান আওয়ামি এমপি ডাঃ অনোয়ার হোসেন সহ আরো অনেক আওয়ামি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
আর এদিকে আওয়ামিমনা পত্রিকা গুলো যারে তারে যুদ্ধাপরাধি বানাতে ব্যাস্ত দেখা যাচ্ছে। যাদের তালিকা অনুযায়ি যুদ্ধের সময় ৪ বছরের বাচ্চা রফিকুল ইসলাম খান(ঢাকা মহানগর জামাতের আমির), ৭১ এ ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র এম এ হাকিমক (ঠাকুর গা জামাতের জিলা আমীর ) সহ ৭১ এ ছাত্রলীগ কর্মী ও বাদ নেই। বর্তমানে জামাত করার কারনে একজন মুক্তিযোদ্ধা যিনি ৭১ এর ছাত্রলীগ কর্মী ছিলেন, আওয়ামিমনা পত্রিকা কতৃক তাকেও যুদ্ধাপরাধি বানানো হয়েছে। সংবাদটি নিয়ে আজ এক জাতীয় পত্রিকায় উক্ত নেতা প্রতিবাদ ও করেছেন। প্রতিবাদ অনুযায়ি, জামাতের সাবেক এম পি গাজী নজরুল ইসলাম, যিনি ১৯৬৯ সালে ছাত্রলীগ করেন এবং ১৯৭১ সালে পড়াশুনা ইস্তফা দিয়ে সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিলের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন এবং পরে কিছুদিন তিনি জলিলের নেতৃত্বে জাসদ ও করেন। এরপর ১৯৮৩ সালের দিকে তিনি জামাতে জয়েন করেন। ৯১ এবং ২০০১ জামাত থেকে এম পি নির্বচিত হন। তিনি বলেন শুধু জামাত করার কারনে আওয়ামিমনা পত্রিকাগুলো তাকে যুদ্ধাপরাধি বানান।
তাহলে সেক্টের কমান্ডের বিচারের তীর কি শুধু আওয়ামি বিরোধীদের দিকে????
৩১ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৫০
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: আপনে মানলেও কি দেশের জনগন এটা মানবে তা ভাবেন কি ভাবে!!
বাংলাদেশের মানুষ চরমপন্হী জে এম বিকে ও যেমন লাথী মেরেছে তেমনি লাথী মেরেছে রাশিয়ান ভদগা আর চাইনিজ বাদামগুলোরে ও....
বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু কিন্তূ ধর্মীয় চরমপন্হী বা ধর্মহীন না।
২|
৩১ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:১৬
আবু সালেহ বলেছেন: এটা মনে হয় জামাত আর বিরোধীদল দমনের বিচার....
সত্যিকারের যুদ্ধপরাধীর বিচার বলে মনে হচ্ছে না....
৩১ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৫১
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: সেটাই দেখতেছি.....
সামনে মনে হয় আওয়ামি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি তুলতে হবে...
৩|
৩১ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:২৪
ইবনে সালাম বলেছেন: সরকার একবার বলছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, একবার বছরে মানবতা বিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচার, একবার বলছে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হবে। কিন্তু তদন্তের আগেই তারা তালিকা প্রকাশ করে ফেলল। যাদ%
৩১ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: বুঝাই যাচ্ছে বিচার কাজ ডমিনেটিং হবে আওয়ামিমা সেক্টর কমান্ডার কাউন্সেল দ্বারা..... তাদের লিষ্ট গুলোইতো বিভিন্বভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আসছে.......
৩৬ হাজার পাকি দালালদের যে তালিকা ছিল সেটা ধরে বিচার কাজ করতে চাচ্ছেন না কেন সরকার ? না ঘাপলা আছে... লক্ষ পুরুন হবে না...
এটা যে বিরোধি দমনের একটা হাতিয়ার হচ্ছে তা ক্রমে ক্রমে পরিস্কার হচ্ছে......
৪|
৩১ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:০৪
মোসাজস বলেছেন: এই লিষ্টা হলো বিরোধি দল দমনের একটা হাতিয়ার......... এখানে সবাই জামাত, বি এন পি ও জাতীয় পার্টির.....
৩১ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১০
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: হুম....
৫|
৩১ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫০
লুৎফুল কাদের বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফোরাম পুরাটাই আওয়ামীলীগ চামচা ফোরাম. এদের ৭১এর যুদ্ধের জন্য সালাম কিন্তু এখনকার কাজের জন্য পুরা পাছায় লাত্থি.
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৩৪
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফোরামের হারুন সাহেব গতকাল বলেছেন, বিচারের আন্তজাতিক মানের খেতা পুরি....... আমরা আমদের মত বিচার করব।
৬|
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১৪
মোসাজস বলেছেন: @লুৎফুল কাদের বলেছেন: কথা ঠিক বলেছেন। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফোরাম পুরাটাই আওয়ামীলীগ চামচা ফোরাম. এদের ৭১এর যুদ্ধের জন্য সালাম কিন্তু এখনকার কাজের জন্য পুরা পাছায় লাথী ও গদাম
৭|
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২৩
শাওন বলেছেন: এজন্যেই রাগ আমার । সব যায়গাতেই রাজনীতি । এদের শিরায় উপশিরায় রাজনীতির ময়লা রক্ত । এদেরকে অপরাশেন করে নতুন রক্ত লাগাতে হবে ।
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: এই বাকশালী গুলো বাংলাদেশের রাজনীতির অর্থই বদলিয়ে দিয়েছে....
ওদের মধ্য একটা লোক দেখানতো যে সুস্হ মসতিস্কের....
৮|
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩১
সুধাসদন বলেছেন: যুদ্ধাপরাধের বিচারকে আওয়ামী লীগ হাস্যকর বিষয়ে পরিণত করেছে।
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: ৪ বছরের বাচ্চাও রাজাকার!!
৯|
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০০
রাগ ইমন বলেছেন: আবু সালেহ বলেছেন: এটা মনে হয় জামাত আর বিরোধীদল দমনের বিচার....
সত্যিকারের যুদ্ধপরাধীর বিচার বলে মনে হচ্ছে না....
------------ খুব অবাক হলাম সালেহ । আমি যেদিন তোমাকে প্রশ্ন করেছিলাম তুমি জামাত করো কি না, অনেক অনেক দ্বিধা দ্বন্দ্বের পরে জবাব দিয়েছিলে যে , না , তুমি জামাত শিবির করো না ।
এখন জামায়াত পন্থীদের সাথে তোমার কন্ঠ মিলে যাচ্ছে কেন?
আওয়ামী লীগ যদি চেষ্টা করে কিছু যুদ্ধাপরাধীদের বাচিয়ে দেওয়ার, আমাদের উচিত হবে তাদেরকে সেইটা করতে না দেওয়া । লীগ ও বি এন পির ভিতরের যুদ্ধাপরাধীদেরও বিচারের মুখোমুখি দাড় করানো।
এইটার সাথে লীগ না, বাংলাদেশের প্রতিটা দেশপ্রেমিক মানুষের স্বার্থ জড়িত ।
বিচারের ভুল ত্রুটি সংশোধনে আন্দোলন ও বাধ্য না করে , পুরা বিচারটাকেই বাতিল করে দেওয়ার চেষ্টাটা কাদের পক্ষে আর কাদের বিপক্ষে যায়, সেইটা তো আমরা সবাই বুঝি, তাই না?
একটা সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা আশা করছি তোমার কাছ থেকে।
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: আওয়ামিপন্হি মিডিয়া গুলো বরাবরেই আওয়ামিপন্হি যুদ্ধাপরাধিদের সেফ সাইটে রেখেই সরকারকে একটা তালিকা তুলে দেয়ার চেষ্টা করছে...
এটা কি অস্বিকার করবেন?
আমরা স্বচ্ছ বিচার চাই।
পত্রিকায় দেখলাম গতকাল মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফোরামের লে. হারুনউর রশিদ সাহেব বলেছেন, বিচারের আন্তজাতিক মানের দরকার নেই....... আমরা আমদের মত বিচার করব........
১০|
০২ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:২২
রাগ ইমন বলেছেন: রাজনৈতিক দলের ভিতরের মীর জাফররা তো চাইবেই নানান তাফালিং করতে ।
আমরা তা করতে দেব কেন?
জামায়াত শিবিরকে ৭৫ এর আগের সরকার কঠোর ভাবে দমন করতে পারেনি । তখন ফাঁসী হয়ে গেলে আজকে আমরা বেঁচে যেতাম। মুজিবকে হয়ত এমনিতেও মেরে ফেলতো । কিন্তু আমরা অন্তত হাজার হাজার রাজাকার , আল বদর , আল শামসের হাত থেকে তো বাঁচতাম!
৭৫ এর পরবর্তী প্রতিটা সরকার জামায়াত শিবিরকে প্রশ্রয় দিয়েছে । এইটা যে শুধু বিদেশী প্রভুদের ভয়ে দিয়েছে তাত না । নিজেদের লোভ লালসার জন্যও দিয়েছে, দিতে বাধ্য হয়েছে ।
কারণ সম্পূর্ন জনমুখী ও কল্যাণমুখী সৎ সরকার হলে জামায়াতের মত আগা পাশ তলা ভন্ড , প্রতারক , খুনী দলকে সাথে নেওয়া লাগতো না । সেই পাপের ফল আমরা কেন ভোগ করবো?
এখন জামায়াত তাড়া খেয়ে যদি লীগ, জাপা , বি এন পিতে তাদের বন্ধু বান্ধবের নাম বলে দেয় তো আমাদের জন্যই ভালো । শত্রু চেনা থাকলে তার বিরুদ্ধে অন্তত লড়াই করা যায়।
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:১৪
হায়রে দুনিয়া বলেছেন: ১) শালা, সব জায়গায় পলিটিক্স। তালিকা বানাতে গিয়ে আ লীগও দেখা যাচ্ছে বেশ ঘাপলা করছে।
২) যদি তালিকাতে বড় রকমের ঘাপলাও হয়, যদি অনেক অপরাধী বেচেও যায়, তারপরও যদি ২-৪ টার পালের গোদার শাস্তি হয়, তাহলেই আমি চরম খুশি।
৩) জামাত করার কারনে যদি কিছু নট-যুদ্ধাপরাধীর শাস্তি হয়, তাও আমি চরম খুশি। কারন জামাত করাটাই অপরাধ। ছাত্রলীগ, মুক্তিযুদ্ধ, জাসদ করার পর যে লোক জামাতে যোগ দেয়, তারচেয়ে বড় ক্রিমিনাল আর নাই। তার বিচার হওয়া উচিত সবার আগে।
৪) ব্যক্তিগতভাবে আমি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সাথে সাথে বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলন যদি বন্ধ হয় বা কমে যায়, তাহলে বেশি খুশি। বাংলাদেশ ইসলামী দেশ না, এখানকার মানুষের মেন্টালিটি ইসলামী না, এদেশকে ইসলামী রাস্ট্র তথা পাকিস্তান/আফগানিস্তান টাইপ দেশ বানানোর অপতৎপরতা বন্ধ হলেই আমি খুশি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের চেয়ে এটা আমার কাছে একটুও কম গুরুত্বপূর্ন না, বরং হয়ত বেশি কারন অতীতে যা হয়েছে, আমাদের দেশের ভবিষ্যতের জন্য এই ইসলামী আন্দোলন বন্ধ করা এখনই জরুরী।