নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাধারণ একজন মানুষ। বলার মতো বিশেষ কিছু নেই। মনের ভাবনাগুলো তুলে ধরতে চাই। ভালো লাগে কবিতা, লিখা-লিখি আর ছবি তোলা, এইতো! https://bhuiyan.us/

ইফতেখার ভূইয়া

গণতন্ত্র মুক্তি পাক, পরিবারতন্ত্র নিপাত যাক

ইফতেখার ভূইয়া › বিস্তারিত পোস্টঃ

দেশী মাছ আর বাঙালীর প্রতারণা

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫৯

কথায় বলে ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাঙে, যদিও সেটার সত্যতা যাচাই করার কোন উপায় নেই। তবে আমার ব্যক্তিগত বাস্তবতার নিরিখে আমি বলি বাঙালী পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাক না কেন চুরি তারা করবেই, মিথ্যে তারা বলবেই। বলতে পারেন এটা আমাদের জাতীগতভাবে রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুঁকে গেছে। এমন নয় যে, এ বিষেয় আমার অনুধাবন সাম্প্রতিক সময়ের।

মোটামুটিভাবে জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই এই জাতীয় চুরির স্বভাব আমার নজরে এসেছে। বিষয়টা প্রথম অনুধাবন করতে পারি খুব সম্ভবত ১৯৯৮ সালের দিকে। সে সময়ে বাবার কথামতো টেলিফোন অফিসে গিয়ে ল্যান্ড ফোনের জন্য আবেদন করতে গিয়ে বুঝতে পারি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমাকে কিছু "মালপানি" ছাড়ার জন্য ঈঙ্গিত দিচ্ছেন। ব্যাপারটা আমি বুঝতে না পেরে, বাসায় এসে বাবার সাথে পুরো বিষয়টা শেয়ার করলে বাবা হেসে দিয়েছিলেন। কারণ টেলিফোন অফিসের ঐ ব্যক্তি যেভাবে "মালপানির" কথা বোঝাতে চেয়েছিলেন, সেটা ঐ বয়সে তখনো রপ্ত করে উঠিনি।

বলছিলাম বাঙালী চুরি আর বাটপারির কথা। আজ প্রথম আলো পত্রিকার "নিউ ইয়র্ক" সেকশনে বাঙালীর প্রতারণার আরো একটি চিত্র সবার সামনে তুলে ধরা হয়েছে। নিউ ইয়র্কে বাঙালী মালিকানাধীন বেশ কিছু গ্রোসারী দোকান, বহু বছর ধরে ক্রেতাদের বার্মিজ বা থাইল্যান্ডের মাছ কে কম দামে আমদানী করে তা বাংলাদেশী ইলিশ লিখা প্যাকেটে বাজারজাত করে দেশীর ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা করছেন। তবে মাছগুলো দেখতে বাংলাদেশী ইলিশ মাছের মতো হওয়াতে অনেকে অনুধাবন করতে পারেন না। রান্না করার পর সেটা বোঝা যায়। বাঙালী মাছ খেতে পছন্দ করে, সমস্যা সেখানে নয়। তবে প্রবাসে নিজের বাড়িতে না থাকলে প্রতিদিন মাছ রান্না করলে সেটা একটা সমস্যার কারণ হতে পারে। রান্না করার সময় মারাত্মক রকম র্দুগন্ধ্যের কারণে পাশের এ্যাপার্টমেন্ট থেকে কমপ্লেইন যাওয়া অসম্ভব নয়, বিশেষ করে নিয়মিতভাবে যদি কেউ মাছ রান্না করেন। তবে, বাঙালী মালিকানাধীন বাড়ি বা যারা প্রজেক্টে থাকেন তাদের হিসেব ভিন্ন হতেও পারে। সে ব্যাপারে আমার ধারনা কম।

এত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে চড়া দামে বাঙালী দোকান থেকে তথাকথিক বার্মিজ বা থাই ইলিশ কিনে প্রতারিত হতে কারোই ভালো লাগবে না। আমারও লাগেনি। এমনিতেই মাছা রান্না করা হয় খুব কম। আমি রুটি বেশী পছন্দ করি, ছোটবেলা থেকেই রুটি খেয়ে বড় হয়েছি। তিনবেলা রুটি খেলেও আমার সমস্যা হয় না। বিভিন্ন রকম সবজি, মাংশ, স্যালাদ দিয়েই রুটি আমার ভালো লাগে। মাছ রান্না করাও ঝামেলার কাজ আার স্বাদ না হলে তখন সারাদিন অফিস থেকে ফিরে দুমুঠো মাছ-ভাত মুখে দেয়ার সাথে সাথে মেজাজ বিগড়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে যারা দু'বেলা বা তিনবেলা মাছ-ভাত খাচ্ছেন, এই ধরনের বাঙালী প্রতারণা তাদের জন্য বেশ বেদনাদায়ক সেটা বুঝতে পারি।

প্রবাসে আসার পরে একটা ব্যাপার বেশ পরিষ্কার হয়েছে আমার কাছে। বিদেশীরা বাঙালীদের তুলনায় অনেক বেশী পারফিউম ব্যবহার করেন। দু' একজন ছাড়া আমি খুব বেশী বাঙালীকে দামী ব্র্যান্ডের পারফিউম ব্যবহার করতে দেখিনি। বেশীরভাগ লোকজনের সাথে মেলামেশা করলে তাদের ব্যবহৃত বেশীরভাগ জামা-কাপড় থেকে মূলত তরকারি বা মশলার ঘ্রাণ বেশী পাওয়া যায়। কালেভদ্রে কমদামী পারফিউমের কিছু ঘ্রাণ পেতেও পারেন। বাঙালী লোকজনদের ট্যাক্সিতে চড়লেও যদি ঐ ধরনের কোন ঘ্রাণ পাওয়া যায় তাতেও আমি অবাক হইনা কারন আমি ব্যাপারটা বুঝতে পারি। বাসায় যদি দু'বেলা মাছ-মাংশ রান্না হয় তাতে কাপড়ে কিছু মশলার ঘ্রাণ পাওয়া অবাক ব্যাপার নয়, তবে সেটাও যদি প্রকৃত ইলিশ খেয়ে হতো, তবে অন্তত তৃপ্তির একটা ঢেকুড় তোলা যেত। কিন্তু দিন শেষে আমরা বাঙালী তো.. তাই ঢেঁকিও ধান ভেঙ্গেই যাচ্ছে।


মন্তব্য ৩৫ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৩৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৩৯

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: ঢেঁকি স্বর্গে গেলে ধান ভাঙবেই, কোনোভাবেই তাকে ঠেকানো যাবে না। আর কুকুরের লেজ চোঙার ভিতর বারো বছর ভরে রাখলেও সেটা সোজা হবে না (কুত্তার লেজ বললাম না, তাতে অনেকে সংক্ষুব্ধ হতে পারেন )। =p~

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:১২

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: কুত্তার লেজ কেটে দিয়ে কেমন হয়? B-))

২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৫১

ওমেরা বলেছেন: কোন দেশের মানুষ গুলো ভালো ?

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:১৬

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আপনি যদি অন্যকোন দেশের মানুষের সাথে মিশে থাকেন তাহলে তাদরে ব্যাপারে আপনার কম-বেশী একটা ধারনা থাকার কথা। সেটা ব্যক্তিবিশেষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করছে। তবে আমার এই লিখার উদ্দেশ্যে অন্যকোন দেশকে বিচার করা নয়, যদিও সে ব্যাপারেও আমার কম-বেশী মতামত আছে। এই লিখার উদ্দেশ্য হচ্ছে আত্মসমালোচনা করে নিজের ভুলগুলোকে শোধরানো, ধন্যবাদ।

৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:০৩

অধীতি বলেছেন: ঢেঁকিই বদলে ফেলতে হবে দেখছি।

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:২২

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ঢেঁকির দিন শেষ। নিজেকে বদলাতে হবে, নয়তো বাতিলের খাতায় নাম লিখাতে হবে। কিছু বাঙালী অবশ্য সে কাজও করে ফেলেছে। এখানে এসে বিভিন্ন জালিয়াতি করে ধরা পড়ে জেল খেটেছে এবং খাটছে। কেউ কেউ এক ধাপ এগিয়ে আছে, হাতে পায়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দেয়া ট্র্যাকিং ডিভাইস পড়ে ঘুরছে যাতে দেশ থেকে পালাতে না পারে। বাংলাদেশেতো প্রশাসনকে টাকা দিয়ে পার পাওয়া যায়, এখানে ওরা ওটারও চেষ্টা করেছে, পারেনি।

৪| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: মালপানি না দিলে সরকারি অফিসে কাজ হয় না, এই কথা সরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়েই জেনেছি।

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ২:১২

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আমারও একই অভিজ্ঞতা। দেশ ছাড়ার আগে পাসপোর্ট অফিসেও একই কাহিনীর শিকার হয়েছে। ঘুষ না দিলে পাসপোর্ট হবে না। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সমগ্র দুনিয়াকে একটা ঝাঁকি দিয়ে এই ধরনোর মানুষরুপী উইপোঁকাগুলোকে নিয়ে যাক।

৫| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:৫৫

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: এমন কয়েকটাক্ষ সাক্ষী আমি নিজেও।কি একটা অপরাধ করার জন্য একজনের চাকরি চলে গেছে।অপরাধটা সম্পর্কে তার কলিগ জানতো।সে কেন রিপোর্ট করেনাই এইজন্য তারও চাকরি নট।দুই বাংগালী চাকরি হারিয়ে পথে পথে ঘুরছে।বর্তমানে অড জব করছে।

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ২:১৬

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ব্যাপারটা কিছুটা দুঃখজনক হলেও ছোট বেলায় শোনা ঐ কথাগুলোকে মনে করিয়ে দিলো,
অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে
তব ঘৃণা তারে যেন তৃণ সম দহে।

আশা করছি লাইনগুলো ঠিকভাবেই লিখেছি। ধন্যবাদ।

৬| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ৩:১৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



ভারতীয়, পাকী, চীনা ও বাংগালীরা মিলে আমেরিকাকে এশিয়া বানাচ্ছে ক্রমেই।
বাংগালী দোকানীরা বাংগালী মহিলাদের যেই পরিমাণ ঠকায়, ইহা বলার মতো নয়; আপা, আপা করে পকেট কাটে।

৭| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৭:২৮

শাহ আজিজ বলেছেন: বিদ্যুৎ অফিসে ঘুষ নিয়ে হুজুর পকেটে রেখে বলল আমি আছর নামাজ সেরে আসি তারপর কাজ সেরে দেব । হতভম্ব আমি ।

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:০৩

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আমি শুনেও হতভম্ব নই। বাঙালীদের দ্বারা সব সম্ভব।

৮| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৭:৪৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

রাজীব নুর বলেছেন: মালপানি না দিলে সরকারি অফিসে কাজ হয় না, এই কথা সরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়েই জেনেছি।

আর কোন শিক্ষিত সচেতন ব্যক্তি যদি মালপানি সেধে ইচ্ছে করে দিয়ে দেয় তাহলে দোষটা কার হবে?

জনগনের দায়িত্ব বেশী।

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:০৪

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ভালো লিখেছেন তবে যেচে কেউ মালপানি দেয় সেটা জানা ছিলো না। জানা হলো।

৯| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:০৭

স্থিতধী বলেছেন: এই লিখার উদ্দেশ্য হচ্ছে আত্মসমালোচনা করে নিজের ভুলগুলোকে শোধরানো

এই বিষয়টা বহু বাঙালী বোঝেনা। আত্মসমালোচনা কে তাঁরা সর্বদা আক্রমণ হিসেবেই দেখে।

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:২৩

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আপনার সাথে পুরোপুরি একমত। আক্রমণ মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক তবুও নিজের ভুলগুলো নিজচোখে এড়িয়ে যাওয়াটাও খুব একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। এদিকটাতে আমাদের আরও নজর দেয়া প্রয়োজন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১০| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:৩৩

স্থিতধী বলেছেন: তবুও নিজের ভুলগুলো নিজচোখে এড়িয়ে যাওয়াটাও খুব একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। এদিকটাতে আমাদের আরও নজর দেয়া প্রয়োজন।

এটাইতো প্রকৃত আত্মসমালোচনার স্বরূপ। আপনাকেও ধন্যবাদ চমৎকার প্রতিমন্তব্যের জন্য।

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৮

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৭

ফয়সাল রকি বলেছেন: মাছে ভাতে বাঙ্গালি!

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৮

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: বাঙালীর মাছ একটু কম খাওয়াই ভালো। দুর্নামটা একটু বেশীই হয়ে গেছে মনে হয়। এখন তার মাশুল দিতেও হচ্ছে।

১২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: বলতেও লজ্জা লাগে, এত নিকৃষ্ট হয়ে উঠছি আমরা। মিথ্যা ভেজাল আমাদের রক্তে মিশে গেছে। আমার আব্বা মুক্তিযোদ্ধা, সেনাবাহিনীতে ছিলেন। তিনি তাঁর পেনশনের উপর লোন উঠাবেন কিন্তু সোনালী ব্যাঙকের ম্যানেজার ১০ হাজার টাকা চাইছে। আমরা না করেছি কোনোভাবেই যেন ঘুষ না দেন। এমন অনেকেই ঠকছেন যারা এত বুঝেন না। কিন্তু আব্বার এ বিষয়ে জ্ঞান থাকায় আব্বা রাজী হননি। এখনো লোন উঠাতে পারেননি এখনো।

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৬

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: জেনে ভালোলাগছে যে আপনার বাবা মুক্তিযোদ্ধা, তাকে আমার সালাম জানাবেন। আমার বাবাও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। বাবার অমত থাকায়, তার সন্তান হয়েও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারিনি, তখন বেশ রাগ হয়েছিলো বাবার উপর, এখন মনে হয়, তিনিই সঠিক ছিলেন, আমিই ভুল বুঝেছিলাম। অবশ্য দেশটাতো এখন কিছু মানুষের পৈত্রিক সম্পত্তি হয়েগেছে। পরিবারের মতোই চালানো হচ্ছে দশকের পর দশক ধরে। যাইহোক, আশা করছি কোন না কোনভাবে আপনার বাবা তার পেনশনের টাকা পেয়ে যাবেন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমেরিকাতে আমাদের ও তাদের মানুষ জন সম্পর্কে আরো বেশী করে লিখুন।
জীবনে তো যেতে পারবো না।
পড়ে যতটা সম্ভব বোঝার চেষ্টা করি।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:৪৫

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: কম-বেশী প্রায় লিখবো আশা করছি। ধন্যবাদ।

১৪| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:০৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: কয়লা কখনোই সাদা হয় না । ধুয়ে আর লাভ লাই

১৮ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:৫০

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: বাঙালী জাতি হিসেবে আমরা দেখতে চিত্তাকর্ষক না হলেও পুরোপুরি কয়লা নই। মানে আমরা দেখতে অসুন্দর, বেটে বা কালো হলেও ভেতরটা যে সব সময়ই কয়লার মতো ছিলো সেটা মনে করি না। আমাদের মাঝেও কম বা বেশী নীতি-আদর্শ, ভালো-মন্দ আছে। তবে বিগত কয়েক দশক ধরে সেটার অবনতি হচ্ছে। জাতীর সমষ্টিগত মানসিকতার যে নেগেটিভ পরিবর্তন আসছে সেটা পরিবর্তন করার চেষ্টা করা দরকার।

১৫| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৯

জিকোব্লগ বলেছেন:



শুধু বাঙালীরাই প্রতারণা করে না। ইন্ডিয়ান পাকি চেকিশ রোমানিয়ান
রাশিয়ানরা বাঙালীদের চেয়ে অনেক বড় ধরণের প্রতারণা করতে পারে।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:৫৭

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: বড় ধরনের প্রতারণা করার জন্য জ্ঞান লাগে, সেটার অভাব আমাদের প্রকট। গার্মেন্টস ব্যবসায় দু'পাতা ইংরেজী লিখে বায়ারদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য যাদের ভারত, শ্রীলঙ্কা থেকে লোক আমদানি করে মোটা অঙ্কের বেতন দিতে হয়, তাদের জ্ঞানের অভাব অবশ্যই আছে। বিষয় সেটা নয়, বিষয় আত্নোপোলব্ধির। কে কি করছে সেটা বিচার করার জন্য তাবত দুনিয়ার মানুষ বসে আছে। দুনিয়ার মানুষ আমাদের প্রতারক জাতি ভাবার আগেই সেটার সমাধান জরুরী।

১৬| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: মাছের ব্যপারটা আমাদের এখানেও একই ঘটনা। বার্মিজ রুই, ইলিশ বালাদেশী ইলিশ / রুই লেখা প্যকেটে বিক্রি করে। সবাই জানে ব্যপারটা। তবে কিছু সমস্যাও আছে শুনেছি বাংলাদেশ থেকে আনানোতে। প্যকেজিং , মান, খরচ কোনটাই সুবিধার নয়। কয়েকবার রিয়েল বাংলাদেশী ট্যংরা , পুটি কিনে এনে দেখেছি ।বেশিরভাগই পচা। এসব কারনেই সম্ভবত মিয়ানমার থেকে আনানো হয়।কাস্টমারদের মন খুশি করতে বাংলা লেখা প্যকেটে বিক্রি হয়।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:৫৯

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আমরা জাতিগতভাবে নষ্ট মনের খুব নিচু পর্যারে লোকজন।

১৭| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৩

শুভ্রনীল শুভ্রা বলেছেন: গত পহেলা বৈশাখে ইন্ডিয়ান দোকান থেকে শখ করে বেশ দাম দিয়ে ইলিশ মাছ কিনেছিলাম। কিন্তু দেশী ইলিশের স্বাদ পাইনি। ওটা মনে হয় তাইলে বার্মিজ /থাইল্যান্ডের হবে। কিন্তু প্যাকেটের গায়ে বাংলাদেশের মাছ লিখা ছিল। স্বাদ নেই জন্য আর কখনো কিনিনা।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ২:০২

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: দক্ষিণ এশিয়ার বেশীরভাগ মানুষগুলোই কম-বেশী একই ধারার। অত্যন্ত দরিদ্র দেশ থেকে আসার কারণে এদের মাঝে ১/২ ডলারের জন্যেও মিথ্যে বলতে বা প্রতারণা করতে বাধে না। ইন্ডিয়ানদের ব্যাপারেও আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। দেশী মাছ খাওয়া কমিয়ে দিয়ে, টুনা বা স্যালমন খাওয়ার অভ্যেস করুন। ধন্যবাদ।

১৮| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ফেইক ইলিশ বাংলাদেশেও বিক্রি হয়, যদি কেউ সেটাকে না চেনেন। আমি ২০১১/১২ সালে টাঙ্গাইলের মধুপুর বাজার থেকে কিনেছিলাম। মাছটা একটু বেশি চওড়া, চ্যাপটাও একটু বেশি, ইলিশের চাইতে বেশি রুপালি। বিক্রেতা বলছিলেন এটা 'অমুক' ইলিশ (নাম ভুলে গেছি। কলম্বো ইলিশ না কিন্তু), অরিজিন্যাল ইলিশের মতোই স্বাদ। দাম একটু কম ছিল। বাসায় আনার পর রান্না করা হলো। খাওয়া তো দূরের কথা, দুর্গন্ধে বাসায় টিকতে পারি নি। রিন্সেন্টলি এই ইলিশের নাম আবার চাওড় হচ্ছে।

বাঙালি স্বভাব স্বগ্‌গে গেলেও রয়ে যাবে।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ২:০৪

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: সমস্যা হলো দেশে আইনের শাসন নেই। ঠকবাজ আর জনগণের সাথে প্রতারণাকারীদের লিঙ্গ কর্তন না করা হলে এগুলো চলতেই থাকবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.