নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাধারণ একজন মানুষ। বলার মতো বিশেষ কিছু নেই। মনের ভাবনাগুলো তুলে ধরতে চাই। ভালো লাগে কবিতা, লিখা-লিখি আর ছবি তোলা, এইতো! https://bhuiyan.us/

ইফতেখার ভূইয়া

গণতন্ত্র মুক্তি পাক, পরিবারতন্ত্র নিপাত যাক

ইফতেখার ভূইয়া › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্যাটারী পার্ক সিটির গ্রীণওয়েতে কিছুটা ঘোরাঘুরি (ভিডিও ব্লগ)

০২ রা জুলাই, ২০২১ ভোর ৬:২৮


নিউ ইয়র্ক শহরের আবাসিক এলাকাগুলোর মধ্যে খুব সম্ভব ব্যাটারী পার্ক সিটিটাই আমার সবচেয়ে বেশী পছন্দের। এই এলাকাটার প্রতি আমার অন্যরকম একটা ভালোবাসা কাজ করে ২০১০ সাল থেকে। আমার কলেজের জানালা দিয়ে দেখা যেত এই ছোট্ট নেইবারহুডটি। ক্লাসে বসে কখনো কখনো বিভোর হয়ে দেখতাম হাডসন নদী, দূরে স্ট্যাচু অব লিবার্টি আর ওপারের নিউ জার্সি শহর, এক কথায় অসাধারণ একটা জায়গা। কলেজে পড়াকালীন সময়ে কেবলমাত্র একবার বা দু'বার এসেছিলাম ঘুরতে। অনেকদিন পর সম্প্রতি আবারও ঘুরে এলাম। আর কিছু দৃশ্য ধারণ করে নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য।

এই মিনি সিটির উপর উইকিপিডিয়ায় একটা আর্টিকেল আছে। বিস্তারিত জানার জন্য গুগল সার্চ করে ম্যাপটিও দেখে নিতে পারেন। ধন্যবাদ।



ছবি ও ভিডিও কপিরাইটঃ ইফতেখার ভূইয়া

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা জুলাই, ২০২১ সকাল ৯:২১

পুলক ঢালী বলেছেন: এই পার্কের ভিতর দিয়ে স্ট্যাচু অব লিবার্টি দেখতে যাওয়ার সময় ফেরিতে উঠেছি এই পার্কের নাম ব্যাটারী কেন তা ভেবেছি এটা মনে হয় দক্ষিন ম্যানহাটনে। যিনি পরিকল্পনা করেছিলেন তার উপাধি কি ব্যাটারী ??
পোষ্ট ভাল লাগলো। ভাল থাকুন।

০২ রা জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:১৩

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: না, ১৭শ শতাব্দীর শেষ দিকে এই এলাকার আাশেপাশে প্রচুর আর্টিলারি ব্যাটারী (মিলিটারী) বসানো হয়েছিলো বহিঃশত্রু আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য। পরবর্তীতে ১৮২০ সালের দিকে এটি একটি বিনোদনের স্থান হিসেবে পরিণত হয়। সেই থেকেই নামকরণ হয়েছে ব্যাটারী পার্ক। এই সংক্রান্ত উইকিপিডিয়ার একটি লিঙ্ক লিখার মধ্যে শেয়ার করা হয়েছে। ওটা পড়ুন, তাতে বিস্তারিত জানতে পারবেন, ধন্যবাদ।

২| ০২ রা জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:০৩

আলোর_পথিক বলেছেন: নিউ ইয়র্কবাসীর কি এখন স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রয়োজন হচ্ছে না?

০২ রা জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৪১

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: কিছুদিন আগেই গভর্ণর কুমো কিছু কিছু সীমাবদ্ধতা (রেস্ট্রিকশন) তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা মধ্যে যারা করোনার টিকা নিয়েছে তাদের মাস্ক পরার বাধ্যকতা, দোকানে ছ'ফুট দূরত্বে লাইনে দাড়ানো, রেস্টুরেেন্টের ভেতরে খাওয়া-দাওয়া করা ইত্যাদি বিষয়ক বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়া রয়েছে। আর এসব বিষয়ে তার পক্ষে অনেকেই সাফাই গাইলেও আমি ব্যক্তিগত পর্যায়ে এখনো মাস্ক পরা, বাসায় ফিরে হাত স্যানিটাইজ করা ছাড়াও কিছু বিষয়ে এখনো আগের রেস্ট্রিকশন মেনে চলছি। কারণ আমি এখনো মনে করি করোনা এখনো যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ এবং টিকার নামে যা দেয়া হচ্ছে সেটা সবার জন্য শতভাগ নিরাপদ নয়। নিউ ইয়র্ককে আমেরিকার প্রবেশদ্বার মানা হয়, এখানে পৃথিবীর সব দেশ থেকে লোকজন আসে, আসার সময় করোনা বা করোনার ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আসে। আমেরিকায় করোনা নিউ ইয়র্ক থেকেই মূলত ছড়িয়ে পড়েছিলো। করোনা থেকে মুক্তি পেতে ২০২৩/২৪ লাগলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.