নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাধারণ একজন মানুষ। বলার মতো বিশেষ কিছু নেই। মনের ভাবনাগুলো তুলে ধরতে চাই। ভালো লাগে কবিতা, লিখা-লিখি আর ছবি তোলা, এইতো! https://bhuiyan.us/

ইফতেখার ভূইয়া

গণতন্ত্র মুক্তি পাক, পরিবারতন্ত্র নিপাত যাক

ইফতেখার ভূইয়া › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশে সাইবার ক্রাইম নিয়ে সচেতনতা প্রয়োজন

২০ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ৩:২৪


বিগত এক দশকে বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর স্বাভাবিকভাবেই অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সাইবার অপরাধের প্রবণতাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে উন্নত বিশ্বে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন থাকার কারণে এবং তার ব্যাপক প্রয়োগের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই সাইবার অপরাধের দমন সম্ভব হয়েছে, বিশেষ করে ব্যক্তি পর্যায়ে সংঘটিত অপরাধগুলো অনেক ক্ষেত্রেই বিচারের আওতায় এসেছে। তবে এ কথাও অস্বীকার করার উপায় নেই যে, সাইবার ক্রাইম এখন আর কোন সুর্নিদিষ্ট দেশের গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই এবং এর ব্যাপকতা ধীরে ধীরেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে সাইবার ক্রাইম এবং এর পরিধি নিয়ে ততটা জনসচেতনতা লক্ষ্য করা যায় না। তবে বাংলাদেশেও এ ব্যাপারে ধীরে ধীরে আইন সুসংগঠিত হচ্ছে। প্রচলিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একটি বিশেষ ইউনিট সাইবার ক্রাইম এর বিষয়গুলো দেখভাল করে থাকে। এক্ষেত্রে যে কেউ ভুক্তভোগী হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় স্বাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে আইনের শরনাপন্ন হতে পারেন। বিশেষ করে যেসব ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী শিশু কিংবা নারী, সেসব ক্ষেত্রে সাইবার ক্রাইমের ব্যাপকতা অনেক বেশী। এ ক্ষেত্রে ডিএমপি'র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নাজমুল ইসলামের এই ইন্টারভিউটি দেখতে পারেন।

লক্ষ্য করুন ভিডিওটির প্রথম দিকেই কমিশনার "সাইবার বুলিং" বা "মানহানির" বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেছেন। সেদিক থেকে "সামুর" মতো একটি পাবলিক প্ল্যাটফর্মও বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের আওতাধীন। খুব সংক্ষেপে বলতে গেলে, সামুতে লেখা কোন পোস্ট বা কমেন্ট যদি কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি উদ্দেশ্য করে, তাকে হেয় করে লিখা হয় এবং কেউ যদি মনে করেন তিনি বা তারা সাইবার বুলিং এর শিকার হচ্ছেন বা তার মানহানির উদ্দেশ্যে কেউ ক্রমাগত মিথ্যে বা ভিত্তিহীন প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন, তাহলে আপনি ঐ লিখা বা মন্তব্যগুলো সংরক্ষণ করে তা প্রমাণ হিসেবে রেখে আইনের দ্বারস্থ হতে পারেন।

অনলাইনে যদি কেউ ফেইক/ভুল/কাল্পনিক নাম ব্যবহার করে বা ভুয়া ইমেইল ব্যবহার করেও যদি আপনাকে প্রতিনিয়ত ট্রল বা হয়রানি করা হয়, তবুও তা সংরক্ষণ করে রাখুন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ঐ অভিযুক্ত ব্যবহারকারীর ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করে, তাকে খুঁজে বের করে আইনের মুখোমুখি করতে সক্ষম।

লিখার মূল উদ্দেশ্য হলো, সামুর মতো ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মেও আমরা কেউই যাতে সাইবার বুলিং বা হয়রানির শিকার না হই সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ এবং সচেতন থাকার অনুরোধ করা। সামু একটি মুক্ত ভার্চুয়াল স্থান হলেও তা আইনের বাইরে নয়, তাই মত প্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি আমাদেরকে আরো কিছু বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। মতামত থাকতেই পারে, সমালোচনা হতেই পারে তবে সেটা হতে হবে পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ এবং ব্যক্তির সম্মান বজায় রেখে, তবেই প্রত্যেকের লিখালেখি থেকে ভালো কিছু বের হয়ে আসবে যা সবার জন্য শিক্ষণীয় হতে পারে। আসুন আমরা সবাই মিলে সামুকে একটি সুন্দর আর সুস্থ পরিবেশ তৈরীতে সহযোগীতা করি। হ্যাপী ব্লগিং।

দ্রষ্টব্যঃ আমি কোন আইন বিশেষজ্ঞ নই, তাই আইনগত সহযোগীতা পেতে নিকটস্থ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা আইনজীবীর শরনাপন্ন হওয়ার অনুরোধ থাকছে।

ছবি কপিরাইটঃ স্লাইডশেয়ার
ভিডিও কপিরাইটঃ বিডিনিউজ২৪.কম


সহায়ক লিঙ্কঃ বাংলাদেশ পুলিশ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১০:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



সামুতে আপনি ১৫ বছর আছেন, কখনো বুলিং চোখে পড়েছে?

২০ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:২৪

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: সামুর প্রথম দিকে এগুলো ছিলো না তবে বিগত কয়েক বছরে তেমন কিছু লোকজনের আনাগোনা চোখে পড়েছে। বিষয়টি ধীরে ধীরে উদ্বেগজনক পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে অবগতও আছেন।

২| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



অনেকে অভিযোগ করেন যে, আমি ব্যক্তি-আক্রমণ করি; আপনার চোখে পড়েছে?

২০ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৪৮

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: এ ব্যাপারে আমার খুব ভালো কোন ধারনা নেই, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে আপনি ব্যক্তিগত আক্রমন করে বা কাউকে হেয় করে মন্তব্য করেন। ব্যাপারটা ঠিক শোভন মনে হয় নি। এটা মনে রাখা জরুরী যে, আমাদের করা মন্তব্যগুলো আমাদের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট বা প্রমাণপত্র। আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ন। ধন্যবাদ।

৩| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৩৭

নতুন বলেছেন: আমাদের দেশের মানুষকে অন্যর কথায় নাক গলানো বন্ধ করতে শিক্ষা দিতে হবে।

ফেসবুকে অনেক পেজে একজনের পোস্টে এসে অন্যকে কমেন্টের কারনে গালাগালী করতে দেখা যায় অনেকেই।

সামান্য ইমোজি বা হাহা রিয়েকসন দেবার কারনে ঝাগড়া বেধে যায় =p~

২০ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:০০

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ব্যাপারগুলোর সাথে আমি কম-বেশী পরিচিত তবে স্যোশাল মিডিয়া বলতে যেই সাইটগুলোকে বোঝায় সেখানে আমার উপস্থিতি খুব কম তাই বিষয়গুলো আমি খুব বেশী সিরিয়াসলি নেই না। তবে সামু'র ব্যাপারটা আমার কাছে একটু ভিন্ন। আমি সামুকে স্যোশাল মিডিয়া সাইটগুলো থেকে অনেক উঁচু স্থানের বলে মনে করি এবং গুরুত্ব দেই। এখানে যে কোন বিষয়ে যে কারো মন্তব্য, আলোচনা বা সমালোচনা থাকাটাই স্বাভাবিক এবং সেটাই সামু'র মতো প্ল্যাটফর্মগুলো তুলে ধরার সুযোগ করে দেয়। সে জন্য সামু কর্তৃপক্ষ ধন্যবাদ পাবার দাবী রাখে বৈ কি! যেটা স্বাভাবিক নয় সেটা হলো ব্যক্তিগত আক্রমন করে মন্তব্য, হুমকি-ধামকি দেয়া, অশোভন শব্দ বা ছবি ব্যবহার করে তা প্রতি উত্তর দেয়া, ট্রলিং করা। ব্যাপারগুলোকে গা ঝারা দিয়ে এড়িয়ে না গিয়ে বরং সবাইকে সচেতনতার দিকে আহবান জানালে পুরো পরিবেশটা আরো অনেক বেশী সুন্দর আর গঠনমূলক হবে। ধন্যবাদ।


৪| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: বাংলাদেশের পুলিশ সাইবার ক্রাম ঠেকানোর জন্য আছে। এবং তাঁরা ভালো কাজ করছে।

আমার উপরে আপনার রাগ কি কমেছে?
রাগ রেখে লাভ কি? কখন না কখন মরে যাই। হাত বাড়িয়ে দিন।

২০ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:০৯

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: রাজীব ভাই, আপনার উপর রাগ করার মতো তেমন কিছুতো হয় নি। তবে মানুষ হিসেবে আমারও অভিমান বা অভিযোগ থাকাটাওতো আর অস্বাভাবিক নয়। সবার বোধদয় হোক, পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় থাকুক, মৌলিক বিষয়গুলো তার আপন মহিমায় উদ্ভাসিত হোক, এটাই চাওয়া।

যাইহোক, এবার অন্য প্রসঙ্গে আসি। আপনি এত তাড়াতাড়ি মরবেন কেন? মেয়ে বিয়ে দেবেন, আমাদের দাওয়াত দেবেন B-) , আমরা একটু ভূড়িভোজ করে পান-বিড়ি খেয়ে মা-মণিকে আর্শীবাদ করবো না?! এইটা কোন কথা হলো?! B:-)

৫| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন: এ ব্যাপারে আমার খুব ভালো কোন ধারনা নেই, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে আপনি ব্যক্তিগত আক্রমন করে বা কাউকে হেয় করে মন্তব্য করেন।

-আপনি প্রথমে বললেন এই ব্যাপারে ধারণা নেই; আবার সাথে সাথে বলছেন যে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে মনে হয়েছে!

২০ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:২৯

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আমার আগের মন্তব্যটার যে অংশটুকু কোট করেছেন সেটি আবার পড়ুন, আর আপনার এই মন্তব্যটা পড়ুন যতক্ষন পর্যন্ত না পার্থক্য খুঁজে পান। ধন্যবাদ।

৬| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১:২১

নতুন বলেছেন: ব্লগারদের থেকে আমরা আসলে আরো ভালো আচরন আশা করতেই পারি।

ব্লগে সচেতন মানুষই সময় দেয় লেখেন বলেই আমার বিশ্বাস।

২১ শে আগস্ট, ২০২১ ভোর ৫:৩৭

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: সমাজের একজন সাধারাণ মানুষ হিসেবে সবার কাছ থেকে স্বাভাবিক ভদ্রোচিত আচরনটা-ই প্রত্যাশিত। তবে নিজের হাতের পাঁচ আঙুল যেহেতু কখনোই সমান হয় না তেমনি সমাজের সবাই একরকম হবে না। সে জন্যেই আইনের প্রয়োজন পড়ে আর সেটাও জরুরী।

ব্লগে বিভিন্ন কারণে হয়তো অনেকে সময় দিতে পারেন না, ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যাতো আছেই। তবে যা-ই লিখিনা কেন সেটা যেন হয়, ভদ্রোচিত বা শোভন। অযাচিত বা কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহারে কোন বীরত্ব নেই, কোন অর্জন নেই, তবে তা থেকে তাদের পারিবার এবং তাদের থেকে প্রাপ্ত শিক্ষার ব্যাপারে একটা ধারনা পাওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে ডিগ্রী অর্জন করা সম্ভব হলেও, প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন হয় ভালো পরিবার আর ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা। ধন্যবাদ।

৭| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:০৯

নতুন বলেছেন: একজন মানুষ কতটুকু মার্জিত ব্যবহার করে সেটা নির্ভর করে তার জ্ঞানের উপরে। একজন জ্ঞানী মানুষ কখনোই খারাপ আচরন করতে পারেনা। বিনয়ী হয়, ।

যারা কুরুচীপূর্ন শব্দ ব্যবহার করে তাদের জ্ঞানের লেভেল খুবই নিচু স্তরের হয়ে থাকে।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৫৬

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.