![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গণতন্ত্র মুক্তি পাক, পরিবারতন্ত্র নিপাত যাক
বেশীরভাগ মানুষের কথা, মন্তব্য কিংবা লেখনি থেকে অনেক সময় মানুষের রাজনৈতিক বিশ্বাস কিংবা আদর্শ সম্পর্কে কম-বেশী ধারনা পাওয়া যায়। তবে এটা সব সময় সঠিক ধারনা নাও দিতে পারে। উন্নত বিশ্বের বেশীরভাগ মানুষ তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শকে খোলাখুলি সবার সামনে তুলে ধরেন না। বিশেষ করে যারা আমাদের মত খেটে-খাওয়া সাধারন চাকুরিজীবি শ্রেনীর, এখানেও ভিন্নতা আছে। এটা অনেকটাই ব্যক্তিগত বিষয় তাই এটা নিয়ে কেউ কখনো অন্য কাউকে সরাসরি প্রশ্নও করেন না। বলতে পারেন, এটা এক ধরনের ভদ্রতার অংশও। তবে সবাই যে ওমন, সেটাও নয়। অনেকেই তাদের রাজনৈতিক আদর্শকে সরাসরি প্রকাশ করতে ভালোবাসেন। এটি মূলত তাদের ব্যক্তিগত আদর্শেরই একটা অংশ।
ব্যতিক্রম ধরনেরও মানুষ আছেন। যেমন, বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি কখনো ডেমোক্র্যাটিক পার্টি কখনো রিপাবলিকান পার্টিকে সমর্থন করেছেন। বলতে পারেন তার মতাদর্শ ও দৃষ্টিভঙ্গি বেশ ক'বার পরিবর্তন করেছেন। এটাকেও আমি অস্বাভাবিক বলে মনে করি না। মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি তথা মানবিক আদর্শের পরিবর্তন হওয়াটা বেশ সাধারণ একটা বিষয়।
তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশের মানুষ এসব ব্যাপারে খুব বেশী রাখ-ঢাক করেন না। জাতি হিসেবে আমরা রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে ও শুনতে পছন্দ করি বলেই আমার মনে হয়েছে। আমিও যে খুব বেশী ব্যতিক্রম তাও নয়। তবে আমি সুর্নিদিষ্ট কোন দলকে কখনোই সমর্থন করিনি আর আজও করিনা। আর কখনো করবো বলেও মনে হয় না, যদি না আমি নিজেই কোন রাজনৈতিক দল খুলে বসি। তবে সে সম্ভাবনাও বলতে গেলে শূন্যের কোঠায়।
ছোট বেলায় বাবার মুখে শেখ মুজিবের অনেক গল্প শুনেছি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় বেঁচে থাকা পরিণত বেশীরভাগ মানুষকেই দেখেছি তার প্রতি সম্মান দেখাতে। খানিকটা বড় হয়ে যখন বুঝতে শিখেছি, তখনো তাকে অসম্মান করার মতো কোন বিষয়ও আমার তেমন চোখে পড়ে নি। তবে ধীরে ধীরে ইতিহাস নিয়ে যখন পড়াশোনা করা শুরু হলো তখন এমন অনেক বিষয় এসেছে যা আমাকে বিস্মিত করেছে। অনেক বিষয়ই আমার কাছে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর বিভিন্নজন ও বিভিন্ন সূত্রথেকে বিভিন্ন আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়ছে বলে মনে হয়েছে। একই প্রশ্নে তিনি কারো কাছে মহানায়ক তো অন্য কারো কাছে মহাভিলেন। একই কথা বলা যায় জিয়াউর রহমান-কে নিয়েও। বিষয় হলো, যেহেতু আমরা তাদের সমসাময়িক জেনারেশন নই বা তাদের সময় ঘটে যাওয়া ঘটনার চাক্ষুস স্বাক্ষী নই তাই সত্য-মিথ্যে নির্ধারণ করা আমাদের জন্য বেশ কঠিন।
এক এক সময় এক এক রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এসেছে, যখন যারা ক্ষমতায় এসেছে তখন তারা তাদের নেতার গুণগান গেয়েছে। নতুুন করে ইতিহাসের সত্য-মিথ্যে নির্ধারণ করেছে। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি অতীত আঁকড়ে পড়ে থাকাটাকে ঠিক বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করি না। সময় এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সাথে বদলে যাচ্ছে এই পৃথিবীর তথা আমাদের মাতৃভূমির ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা। তবে দিন শেষে রাজনৈতিক শক্তি যে দলের হাতেই থাকুক না কেন, যারাই দেশকে সত্য, সুন্দর আর ন্যায়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে আমি তাদের পক্ষেই কথা বলবো। কারন, সবার আগে দেশ।
বর্তমান বাস্তবতার নিরিখে আমি আমার ব্যক্তিগত ব্লগে বহু বছর আগে লিখেছিলাম, কেন আমি একজন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভোটার। মানে আমি একজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে কেন আমেরিকার কোন রাজনৈতিক দলের সরাসরি (রেজিস্টার্ড) সমর্থক নই। এর অন্যতম একটা কারণ ছিলো কোন একক দলের সব মতাদর্শের সাথে আমি কখনো একমত হতে পারি নি। যখন যে প্রতিনিধি নির্বাচনে এসেছে আমি তাদের নির্বাচনী এজেন্ডাগুলো বোঝার চেষ্টা করেছি আর সে অনুযায়ী ভোট দিয়েছি।
ব্যক্তি জীবনে আমি বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করি যদিও আমি আপাতত বাংলাদেশের ভোটার নই। এদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলকে আমি ক্ষমতায় দেখেছি। তাদের শাসনামলও দেখা হয়েছে অতীতে। অন্যদিকে ধর্ম ভিত্তিক দলে আমার আস্থা নেই। ব্যক্তিগতভাবে আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনীতির চর্চার পক্ষে নই, তাই বলে ৫২-'র ভাষা আন্দোলনকে আমি অস্বীকার করি না আবার ২৪-শের আন্দোলনেও ছাত্রদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে সেটাও অস্বীকার করা যায় না। তবে ২৪-এর ছাত্রদের থেকে আমার ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি ছিলো কিছুটা ভিন্ন। আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, তদুপরি আমি আমার বা আমার সন্তানদের জন্য কোন কোটা চাই নি, সেটাই মূখ্য বিষয় ছিলো। আমি চেয়েছি এদেশের মেধাগুলো তাদের যোগ্যতায় সামনে এগিয়ে আসুক, বাপ-দাদার পরিচয়ে নয়। কৃষকের ছেলেও যেন সরকারি চাকুরিতে নিজ যোগ্যতায় আসতে পারে, তেমন একটা ব্যবস্থা বা পথ খোলা থাকুক। এতটুকুই।
এক সময় বিট্রিশ সামরাজ্য পৃথিবী শাসন করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সে চিত্র পাল্টে আর্বিভাব হয়েছে নতুন শক্তির। সময়ের ক্রম ধারায় একদিন তারাও অতীত হবে আর এটাই বাস্তবতা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও এর ব্যতিক্রম নয়। সময়ের ব্যবধানে রাজাও যে ফকির হতে পারে তা এক জীবনে আমি দেখেছি। তাই কে কোন দলের সমর্থক সেটা আমার কাছে মুখ্য নয়, মুখ্য হলো কে বাংলাদেশের জন্য কাজ করছে, কে এদেশের পতাকা-কে সবার উপরে তুলে ধরতে পারছে আমি তাদেরই বাহবা দেবো, তাদেরই গুণগান গাইবো। তুমি আর তোমার চৌদ্দ পুরুষের দল, তোমাদের কাছেই থাকুক। আই ডোন্ট কেয়ার। ধন্যবাদ।
০১ লা আগস্ট, ২০২৫ রাত ৯:৪৪
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: অন্ধভাবে কোন আদর্শই অনুসরণ করা ঠিক নয়। জেনে-শুনে আর বুঝেই করা উচিত। সততা এমন একটা গুণ যেটা নিচু শ্রেনীর/স্বভাবের/মানের মানুষ থেকে আপনি কখনোই আশা করবেন না। ধন্যবাদ।
২| ০১ লা আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ২:১৪
রাজীব নুর বলেছেন: আপনার ভোটার আইডি কার্ড নেই??
করান নি?
০১ লা আগস্ট, ২০২৫ রাত ৯:৫০
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: প্রথম দিকে বাংলাদেশে যে সময় ভোটার আইডি করানো হচ্ছিলো, তখন আমি বাংলাদেশে ছিলাম না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করার পর বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যায় অটোম্যাটিক্যালি। ধন্যবাদ।
৩| ০১ লা আগস্ট, ২০২৫ বিকাল ৪:৩০
মেঠোপথ২৩ বলেছেন: এবারের নির্বাচনে জনগনের আশা আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবার সম্ভাবনা আছে। টাকা দিয়ে এবার ভোট কেনার সম্ভাবনা থাকবে না বলেই মনে হচ্ছে। আমি এনসিপির বিষয়ে খুবই আশাবাদি। তারা যদি দল ও ছাত্রদের মাঝে ঐক্য বজায় রাখতে সক্ষম হয় এবং জবাবদিহিতার বিষয়টা সুস্পষ্ট করে , তাহলে তারা ব্যপক জনসমর্থন পাবে। মানুষ পরিবারতন্ত্রের অবসান চায়।
০১ লা আগস্ট, ২০২৫ রাত ৯:৪৯
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আপনার সাথে আমিও একমত। তবে তাদের আরো অনেক পরীক্ষা দিতে হবে। তাদের দলের লোকজন এমন অনেক কাজ করছে যা তাদের দলের ব্যাপারে জনগণকে কিছুটা ভাবনায় ফেলে দিচ্ছে। দলের নেতৃত্বেও কিছু পরিবর্তন জরুরী। ধন্যবাদ।
৪| ০১ লা আগস্ট, ২০২৫ রাত ১০:৩৩
আহমেদ জী এস বলেছেন: ইফতেখার ভূইয়া,
এদেশের মানুষের কারো "সত্যিকারের রাজনৈতিক বিশ্বাস" বলে আদৌ কি কিছু আছে ? সবাই-ই তো নিজের নিজের ধান্ধায়, সুবিধা মতো কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের ঝান্ডার নীচে এসে লেজুরবৃত্তি করে আখের গোছানোর জন্যে!!!!!!!!!!!! একে "রাজনৈতিক বিশ্বাস" বলে না, বলে - সুবিধাবাদের বিশ্বাস।
০২ রা আগস্ট, ২০২৫ রাত ১২:২২
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আপনি ভুল বলেন নি। মন্তব্যের সাথে সহমত প্রকাশ করছি। ধন্যবাদ।
৫| ০১ লা আগস্ট, ২০২৫ রাত ১১:৩০
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি গত নির্বাচনে ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছেন - এতেই বোঝা যায়, রাজনীতি সম্পর্কে আপনার জ্ঞানের কতটা ঘাটতি রয়েছে!
কয়েকদিন আগে আরেকটি পোস্টে জোহরান মামদানিকে নিয়ে আপনার কটূক্তিও চোখে পড়েছে। ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া এবং মামদানির বিরুদ্ধে এমন ভাষা ব্যবহার দেখে মনে হয়, আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন।
মামদানির ভাষায়, তার নমিনেশনে "বাংলাদেশি আন্টিরা" গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। নিউইয়র্কে বসবাসরত আমাদের এই প্রবাসী আন্টিরা তাঁদের সহজ বুদ্ধিতে যা বুঝতে পেরেছেন, তা আপনি বুঝতে পারেননি।
আপনার রাজনৈতিক অবস্থান জায়োনিস্ট ও উগ্র-পুঁজিবাদীদের বয়ানের সঙ্গে মিলে যায়। আপনি মাঝে মাঝে না-বুঝেই তাঁদের প্রোপাগান্ডাগুলো নিয়ে ব্লগে হাজির হন, যা হতাশাজনক!
০২ রা আগস্ট, ২০২৫ রাত ১:১০
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ট্রাম্পকে ভোট দিলে জ্ঞাণের ঘাটতি আর কমলাকে ভোট দিলে কি জ্ঞাণের কাটতি হতো? কমলা ও বাইডেনের মতো তথাকথিত ডেমোক্র্যাটদের উপর আমার কোন ভরসা নেই। এরা আইন লঙ্ঘন করে দেশটাকে শরনার্থী শিবির আর চোর-বাটপারদের আস্তানা বানিয়েছে। যেখানেই জনগণ ডেমোক্র্যাট মেয়র নির্বাচিত করেছে সে শহরগুলোই মূলত খুন-খারাবি, চুরি-ছিনতাই, অবৈধ অভিবাসী আর গৃহহীনদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। এক এরিক এডাম জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বিলিয়ন ডলার খরচ করে অবৈধ অভিবাসীদের নামি-দামী হোটেলে রাখার ব্যবস্থা করেছে। এখন বাজেটের জন্য ফেডারেল সরকারের দিকে হাত বাড়িয়ে বসে আছে। এনাফ উইথ দিস বি.এস.। যাইহোক, এক ভোট দেয়া নিয়ে আপনি যেহেতু একজনকে মেপে ফেলছেন এবং রীতিমত ভারডিক্ট দিচ্ছেন সেহেতু আপনার ইন্টেলেক্ট নিয়ে কিছু প্রশ্ন থেকেই যায়।
মামদানির মত লোক সিটির মেয়র হলে, শহরটা মূলত বস্তি ও দুষ্ট লোকদের অভয়ারণ্যতে পরিণত হবে। তিনি মেয়র হওয়ার আগেই শহরের বাস সার্ভিস সবার জন্য ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছেন (সূত্র)। ব্যাখ্যা না দিয়েই বলছি কুতুব সাহেবও তার লিখার বেশ কিছু পয়েন্ট তুলে ধরেছেন। তেমনি কিছু এজেন্ডা নিয়েই এরিক এডামও এসেছিলো, শহরটাকে বস্তি বানিয়ে এখন বিদায় নিচ্ছে। এ ধরনের লোককে শিপ হার্ড সমর্থন করতে পারে আমি করি না। কেবলমাত্র তথাকথিত মুসলিম হওয়া কোন যোগ্যতা কিংবা আমার ভোট পাওয়ার মানদন্ড হতে পারে না। তার বেশীরভাগ নির্বাচনী এজেন্ডাকে আমি সমর্থন করি না।
আপনাদের তথাকথিক আন্টিরা মূলত সরকারি সুযোগ সুবিধাভোগী লোকজন। তারা তাদের স্বার্থরক্ষার জন্য ভোট দিতেই পারে তাতে আমার ট্যাক্সের টাকার সদব্যবহার হবে না। আমার আয়ের ২০%+ ট্যাক্স দিচ্ছি এইসব পরজীবী লোকজনদের পেট ভরার জন্য নয় যারা মিথ্যে তথ্য দিয়ে নিজের আয় লুকায় আর সরকারি বেনিফিট কার্ড ব্যবহার করে পরিবারের কাঁচা বাজার করে। শেইম অন দেম। আর আমেরিকা ক্যাপিটালিস্ট/পুঁজিবাদী নেশন, এটা জেনেই সবাই আমেরিকা এসেছে। আপনার কাছে সেটা "উগ্র" মনে হলেতো কারো কিছু করার নেই। প্রতিটা দেশেরই কিছু ব্যবস্থা আছে যার সবকিছু একজনের মন:পুত হবে না। কারো যদি সেটা ভালো না লাগলে বা "উগ্র" মনে হয়, সে ইচ্ছে করলেই চলে যেতে পারে, আমেরিকা কাউকে জোর করে তাদের নিজ নিজ দেশ থেকে নিয়ে আসে নি।
৬| ০২ রা আগস্ট, ২০২৫ রাত ১:৩৫
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি নিজেই আমেরিকায় একজন শরণার্থী - এই উপলব্ধি যদি আপনার থাকত, তাহলে আপনি ট্রাম্পকে ভোট দিয়ে তা নিয়ে আবার গর্বভরে কথা বলতেন না। ডেমোক্র্যাটরা জনগণের ট্যাক্সের অর্থে অবৈধ অভিবাসীদের হোটেলে রাখছে - এটা সত্যি। কিন্তু এখন সেই অর্থই ট্রাম্প ইসরায়েলকে দিচ্ছে, যেন গাজা ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোতে গণহত্যা চালানো এবং দেশগুলোকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া যায়।
মুসলিম হওয়াটা মামদানির যোগ্যতা নয়। ডেমোক্র্যাট সোশালিস্ট হিসেবে নিউ ইয়র্কের মতো জায়গায় নির্বাচনে দাঁড়ানো, সুবিধাবঞ্চিত অভিবাসীদের পাশে দাঁড়ানো, এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে বলতে পারা তাঁর যোগ্যতা।
"উগ্রপুঁজিবাদ’ সেই সর্বগ্রাসী পুঁজিবাদীদের বুঝিয়েছি যারা সবকিছু খেয়ে ফেলতে এবং গ্রাস করতে চায়। উদাহরণ হিসেবে উগ্রপুঁজিবাদের প্রতীক হলেন কট্টর জায়োনিস্ট, গণহত্যাকারীর সমর্থক বিল অ্যাকম্যান। অন্যদিকে, সাধারণ পুঁজিবাদী যেমন ওয়ারেন বাফেট, তুলনামূলকভাবে মানবিক।
০২ রা আগস্ট, ২০২৫ রাত ৩:৩১
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: প্রথমত, আমি শরনার্থী হয়ে এ দেশে আসিনি। সুতরাং না জেনে এ ব্যাপারে আপনার কোন অযাচিত ট্যাগিং -এর প্রয়োজন দেখছি না। আর এসে থাকলেও সেটা আপনার মাথা ব্যাথার কারন হওয়ার কথা নয়। কারণ অন্যান্য দেশের মত আমেরিকায় শরনার্থী আসারও একটা আইনি প্রক্রিয়া আছে। যা অনুসরণ করে বহু মানুষ অতীতে এদেশের বৈধ নাগরিকত্ব নিয়েছে। ইমিগ্রেশন আইনভঙ্গ করে, রাতের আঁধারে বর্ডার পেরিয়ে এসে আশ্রয় চাওয়া অনেকটাই চুরি করে ধরা পড়ে গণ-পিটুনির হাত থেকে বাঁচতে পুলিশের সাহায্য চাওয়া মতোই। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া প্রয়োজন। অবশ্য যাদের ডি.এন.এ.-তে আইন না মানার স্ট্রেন্ড থাকে তারা বরাবরই অন্যায়কারীর পশ্চাৎদেশ বাাঁচানোর চিৎকার করে মানবিকতার আঁড়ালে। তদুপরি আশা করছি আবেগাপ্লুত হয়ে এ ধরনের ভুলভাল মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকবেন। কোন আলোচনায় যুক্তি দেখাতে না পারলে ব্যক্তি আক্রমন মূলত অনুর্বর মস্তিষ্কের মানুষরা করে। আপনি সেই গোত্রের নন বলেই আমি মনে করি।
আর দশজন নাগরিকের মতোই প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে মূল অপশন/ক্যান্ডিডেট দেয়া হয়েছে দু'জন। কামালা-র চেয়ে ট্রাম্পকেই আমার উপযুক্ত মনে হয়েছে আমেরিকার জন্য। তার ফলাফলও আমরা দেখতে পাচ্ছি। দুঃখিত আমি অন্য দেশের ব্যাপারে পরে চিন্তা করবো। আর আপনি ভুলে যাচ্ছেন বাইডেন প্রশাসন কিংবা তার আগের ডেমোক্র্যাটরাও ইসরায়েলের ব্যাপারে কোন ভিন্নতা দেখায় নি। ঐ ইস্যুতে আমেরিকায় কোন দল ক্ষমতায় আছে তা কখনোই কোন সমস্যা ছিলো না। সুতরাং শুধুমাত্র ট্রাম্প-কে ভিলিফাই করা অত্যন্ত নিচু বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। প্যালেস্টাইন ইস্যুতে আমি কখনোই ট্রাম্পের নীতিকে সমর্থন করিনি, আজও করিনা। আমার মূল লিখায়ও আমি এই বিষয়টিই বলেছি যে, কোন রাজনৈতিক দলের সব গঠনতন্ত্র কিংবা নীতি কখনোই আমার মন:পুত হয় নি। তারমানে নির্বাচনে হাত-পা গুটিয়ে থাকতে হবে তেমনটাও নয়।
মামদানি, বার্নি স্যান্ডার্সের চেয়েও বড় কোন ডেমোক্র্যাট সোশ্যালিস্ট নয়। বার্নি স্যান্ডার্স যখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য প্রতিদ্বন্দিতা করছিলেন তখন আমিও তার পক্ষে কাজ করেছি। পরিণাম আপনার জানার কথা। এই ডেমোক্র্যাটরা কখনোই সোশ্যালিস্টদের পেছনে সমর্থন দেয় নি। আজও ডেমোক্র্যাট স্ট্যাবলিশমন্টে মামদানির পক্ষে শক্তভাবে দাঁড়ায় নি। এদেশে অভিবাসীরা সুবিধাবঞ্চিত বলে আমি মনে করি না বরং তারা ক্ষেত্র বিশেষে অযাচিত ও অপ্রয়োজনীয় সুবিধা পেয়েছে। যেমন আমেরিকায় এসে তারা ইংরেজী বলতে না পারার কারনে বিভিন্ন সরকারি সেবাস্থলে তাদের জন্য দোভাষীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এগুলোকে আমি অপচয় মনে করি। একটা দেশে গিয়ে বসবাস করতে চাইবেন অথচ তাদের ভাষা জানবেন না উল্টো তাদেরকে বলবেন আপনার জন্য দোভাষীর ব্যবস্থা করতে! এগুলো মামা বাড়ির আবদার। এ ধরনের মানুষরাই উন্নত দেশগুলোকে বস্তির পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ট্রাম্পের জন্ম কুইন্সে, যেখানে আমার বসবাস প্রায় ১৮/১৯ বছর ধরে। সেটা কিভাবে বিগত দু'দশকে পরিছন্ন নেইবারহুড থেকে ময়লার আস্তাকুড় হয়েছে তা আমি দেখেছি। এ ব্যাপারে আমি কারো বক্তব্য শুনতে নারাজ।
জায়োনিস্ট আর ক্যাপিটালিস্টকে এক কাতারে দেখার অবকাশ নেই। ব্যক্তিগত দর্শন ও ব্যবসায়িক পদক্ষেপ-কে মিশিয়ে ফেলা সঠিক বলে আমি মনে করিনা। আপনি ওয়ারেন বাফেট-কে সাধারণ পুঁজিবাদী বললেও তিনি ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান ক্রয় করেছেন (সূত্র) যা মূলত ইসরায়েলি বর্ণবাদ তথা এপারটাইড-এর প্রতি সমর্থনের-ই বহিঃপ্রকাশ। সুতরাং কোনটা উগ্র-পুঁজিবাদ আর কোনটা সাধারণ পুঁজিবাদ সেটা আগে ভালো করে ডিফাইন করতে শিখুন। তারপর না হয় আলোচনা করা যাবে।
বুঝতে পারছি এই ইস্যুতে আপনি ও আমি ভিন্ন প্রান্তের মানুষ, তাতে কোন সমস্যা নেই। তদুপরি এই ইস্যুতে অকারণ আর সময় নষ্ট না করার অনুরোধ থাকছে। ধন্যবাদ।
৭| ০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১০:১৭
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ রাত ১১:১৬
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আপনি আসলেই বেশ আজিব মানুষ
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা আগস্ট, ২০২৫ রাত ১:৫৮
রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: অনেকে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় গোপন রেখে একটা নির্দিষ্ট শ্রেণির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে। তারা মনে করে কেউ তাদের কৌশল ধরতে পারবে না। ধরা ঠিকই পড়ে। এদের চেয়ে যারা নির্দিষ্ট দল করে তারাই ভালো। লুকোচুরি বা মোনাফেকি করে না। তবে এদের সমস্যা হলো এরা অন্ধ সমর্থক। নিজেদের দলের দোষ চোখে পড়ে না, পড়লেও এড়িয়ে যায় অথচ অন্য দল একই রকম কাজ করলে ঠিকই সমালোচনা করে। এই দ্বিচারি মনোভাব জাতির জন্য ক্ষতিকর। আমার মনে হয় রাজনৈতিক পছন্দ যার যেটাই হোক, সাদাকে সাদা কালোকে কালো বলার সুযোগ থাকা উচিত। কেউ অন্য মতাদর্শের হলেও তাকে পরিত্যাগ করার মানসিকতা পরিহার করা উচিত।