নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মরুভূমির জলদস্যু

মরুভূমির জলদস্যু

মরুভূমির জলদস্যুর বাগানে নিমন্ত্রণ আপনাকে।

মরুভূমির জলদস্যু › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফুলের রানী গোলাপ - ০৮

১৩ ই জুলাই, ২০২১ বিকাল ৪:৫৭

গোলাপকে ফুলের রাণী বলা হয়। গোলাপ পাঁপড়ির গড়ন ও বিন্যাসের নান্দনিকতা মানুষকে আকৃষ্ট করে। সুগন্ধী গোলাপের ঘ্রাণও মানুষের ভালোবাসার কারণ। ফুলের সৌন্দর্য ও সুবাসের জন্য গোলাপ বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত।



পৃথিবীতে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ প্রাজাতির গোলাপ ফুল রয়েছে। এই সমস্ত প্রজাতির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন উপ-প্রজাতি। সব মিলিয়ে প্রায় ৫৫০টি আলাদা আলাদা গোলাপের অস্তিত্ব রয়েছে পৃথিবী জুড়ে।


গোলাপের রয়েছে আকারেরর ভিন্নতা, সেই সাথে আছে রং এর ভিন্নতাও।
যেমন - গোলাপী, লাল, হলুদ, সাদা, সবুজ ইত্যাদি। তাছাড়া "গার্ডেন রোজ" নামে বিভিন্ন হাইব্রিড গোলাপেরও উৎপাদন হচ্ছে। যেগুলো একই সাথে একই ফুলের পাপড়িতে দুই বা ততোধিক রঙের হতে পারে।




গোলাপের আদি নিবাস এশিয়া মহাদেশে। অল্প কিছু প্রজাতির আদি বাস ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, ও উত্তরপশ্চিম আফ্রিকা মহাদেশে। গ্রীক উপকথায় আছে প্রেমের দেবী ভেনাস এর পায়ের রক্ত থেকে গোলাপ এর জন্ম। আরব দেশীয় কাহিনীতে আছে সাদা গোলাপকে বুলবুলি পাখি আলিঙ্গন করায় বুলবুলি পাখি গোলাপ এর কাটায় আহত হয়ে বুলবুলি পাখির রক্ত থেকে সাদা গোলাপ থেকে লাল গোলাপ এর জন্ম। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীতে আছে বিষ্ণু ব্রহ্মাকে পদ্ম-ই শ্রেষ্ঠ ফুল বললে ব্রহ্মা বিষ্ণুকে স্বর্গে নিয়ে সেখানে হালকা রঙের একটি সুগন্ধি গোলাপ দেখান। গোলাপ সমন্ধে এইরকম অনেক গল্প আছে।




গোলাপ ফুল যে সৌন্দর্যের প্রতীক, তাই নয়। এর রয়েছে বহুমুখী ব্যবহার। গোলাপের পাপড়ি থেকে জ্যাম,জেলি প্রস্তুত করা হয়। পার্সি,চীন ও ভারতে গোলাপজলের প্রচলন ঘটে। সুগন্ধির জন্য গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। গোলাপ ফুলের সুবাসকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি করা হয়। যেমন:পারফিউম,সাবান ইত্যাদি। গোলাপে গেনারিয়ল নামে একটি অ্যারোম্যাটিক অ্যালকোহল জাতীয় পদার্থ পাওয়া যায়। যা এর সুগন্ধের জন্য দায়ী।





গোলাপ ফুল ফুটিয়ে আছে, মধুপ, হোথা যাস নে --
ফুলের মুধু লুটিতে গিয়ে কাঁটার ঘা খাস নে॥
----- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর -----





সূত্র : উইকিপিডিয়া

=================================================================
সিরিজের পুরনো পর্বগুলি দেখতে -
ফুলের রাণী গোলাপ - ০১, ফুলের রাণী গোলাপ - ০২, ফুলের রাণী গোলাপ - ০৩, ফুলের রাণী গোলাপ - ০৪
ফুলের রাণী গোলাপ - ০৫, ফুলের রাণী গোলাপ - ০৬, ফুলের রাণী গোলাপ - ০৭, ফুলের রাণী গোলাপ - ০৮
ফুলের রাণী গোলাপ - ০৯
=================================================================

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:৩৬

হাবিব বলেছেন: মনোরম

১৩ ই জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:৩৭

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ধন্যবাদ

২| ১৩ ই জুলাই, ২০২১ রাত ৯:১৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ফুলের রানী গোলাপ নিয়ে সচিত্র সুন্দর পোষ্ট । গোলাপের ছবি দেখে বিমোহিত ।

এই পোষ্ট দেখতে এসে মনে পড়ে যায় এ দেশেরই একজন গোলাপ প্রেমী একুশে পদক প্রাপ্ত
প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক আবদুশ শাকুরের কথা ।

কলকাতার স্বনামধন্য পত্রিকা প্রতিক্ষণ ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দের এক সংখ্যায় আবদুশ শাকুরের
‘গোলাপ বিসংবাদ’ গ্রন্থটি আলোচনাকালে লিখেছে : “জ্ঞাত ইতিহাসে গোলাপের আবির্ভাবের
মুহূর্তটি থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে কীভাবে আজকের বাগানশোভা পুষ্পরানি এতসব প্রকারে
রূপান্তরিত হল তারই এক জ্ঞানগর্ভ অথচ মনোজ্ঞ আলোচনা রয়েছে এতে। লেখক মানুষকে
আর গোলাপকে সুদীর্ঘ পথ পাশাপাশি হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তাঁর রসমণ্ডিত গল্পকথনে
সম্মোহিত করে। অন্তে যোজিত গোলাপ নিয়ে সমাজতাত্ত্বিক বাহাসটি একান্তই অভিনব,
তবে অতীব গুরুত্বপূর্ণ।”

গোলাপকে কেন্দ্রীয় চরিত্ররূপে পাওয়া যায় তার কোনো কোনো গল্প এবং প্রবন্ধেও। কারণ গোলাপের
সঙ্গে তার সম্পর্ক কেবল পাঠের নয়, চাষেরও। তার বাংলোর লনে এবং ছাদের বাগানে ৩৫০ প্রকার
গোলাপের ৭৫০টি গুল্ম স্বহস্তে লালন করে তিনি ‘লন রোজ গার্ডেন’-শ্রেণিতে দেশের বছর-সেরা
গোলাপবাগান-লালকের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বাংলাদেশ জাতীয় গোলাপ সমিতি’র স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন
১৯৮৯ সালে।উল্লেখ্য কর্মসুত্রে এই কথা সাহিত্যকের সাথে আমার নিবির যোগাযোগ ছিল ।
আমি তার গোলাপ বাগানের একজন নিয়মিত পরিদর্শনকারী ছিলাম । ধানমন্ডি ২ নম্বর রোডে থাকা
তার বাংলোর সামনে দিয়ে সে সময় আমার বাসায় যাতায়ত করতে হতো ।

আরেকজন শ্রেষ্ঠ নিসর্গবিদ, দ্বিজেন শর্মা আবদুশ শাকুরের গোলাপ বিষয়ক রচনাসংগ্রহের
পরিচায়ক-পত্রে লিখেছেন : ‘‘সাহিত্যিকের এ এক অসাধারণ বিজ্ঞানলেখা আছে তাতে
গোলাপ আর বুনোগোলাপ ছাড়াও বেশ কিছু বর্ষজীবী, দ্বিবর্ষজীবী, চিরজীবী পুষ্প সম্পর্কে অনেক
চমকপ্রদ কথা এবং বাংলাদেশের জাতীয় ফুল ও জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ
আলোচনা। . . . নির্দ্বিধায় বলা যায় বাংলাদেশের প্রকৃতিসাহিত্যে গোলাপপ্রেমী কথাশিল্পী
আবদুশ শাকুরের গোলাপবিষয়ক যাবতীয় রচনা বাংলা সাহিত্যে মূল্যবান অবদান হয়ে থাকবে
এবং প্রকৃতিবিপর্যয়ের এই দুঃসময়ে লেখক দীর্ঘদিন বাঙালির কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা কুড়াবেন।”
লেখা সুত্র : Click This Link

তেমনি ফুল বিষয়ে আপনার মুল্যবান পোষ্টগুলিউ আমাদের জন্য সম্পদ হয়ে থাকে ।

শুভেচ্ছা রইল

১৩ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১১:০৪

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে স্যার এই চমৎকার মন্তব্যটির জন্য।
ফুল বিষয়ক পোস্টগুলি সম্পদ হয়ে না থাকলেও আমি এটা বলতে পারি আমার শেয়ার করা পোস্ট গুলিতে প্রায় প্রতিটি ফুলের একাধিক বাংলা নামের যে সংগ্রহ আমি দিয়ে যাচ্ছি তা যে কারো থেকে অনেক বেশী সমৃদ্ধ।

৩| ১৩ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১০:৩০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট !

১৩ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১১:০৪

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৪| ১৩ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১১:১৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর। +


কবিগুরু এইটিা কি কহিলো :(

১৩ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১১:১৯

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: এইটাতো চিন্তার বিষয়!!
রবীবাবুর মতো প্রকৃতি প্রেমিক লোক গোলাপের কাছে যেত বারন করছেন শুধু কাঁটার আঁঘাতের ভয়ে!!! ঠিক হয়নি!!!!
পুরো কবিটাতা দেখেন -

গোলাপ ফুল ফুটিয়ে আছে, মধুপ, হোথা যাস নে --
ফুলের মুধু লুটিতে গিয়ে কাঁটার ঘা খাস নে॥

হেথায় বেলা, হোথায় চাঁপা শেফালি হোথা ফুটিয়ে
ওদের কাছে মনের ব্যথা বলরে মুখ ফুটিয়ে॥

ভ্রমর কহে, "হেথায় বেলা হোথায় আছে নলিনী --
ওদের কাছে বলিব নাকো আজিও যাহা বলি নি।
মরমে যাহা গোপন আছে গোলাপে তাহা বলিব--
বলিতে যদি জ্বলিতে হয় কাঁটারই ঘায়ে জ্বলিব।'

৫| ১৩ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১১:২৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন:

ভ্রমর কহে, "হেথায় বেলা হোথায় আছে নলিনী --
ওদের কাছে বলিব নাকো আজিও যাহা বলি নি।
মরমে যাহা গোপন আছে গোলাপে তাহা বলিব--
বলিতে যদি জ্বলিতে হয় কাঁটারই ঘায়ে জ্বলিব।'



ভ্রমর ঠিক বলিয়াছে ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়াছে সুন্দরের প্রেমে কাঁটার আঘাতে ভয় কিসের । :)

১৩ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১১:২৮

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: নাই, কোনো ভয় নাই।
তাইতো মানুষ শত বাঁধা উপেক্ষা করে ছটে যায় সৌন্দর্যের টানে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.