নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মরুভূমির জলদস্যু

মরুভূমির জলদস্যু

মরুভূমির জলদস্যুর বাগানে নিমন্ত্রণ আপনাকে।

মরুভূমির জলদস্যু › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার দেখা প্রাচীন মন্দির সমগ্র - ০৩

০২ রা আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:০৭

দেশের প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শন দেখার একটা শখ আমার আছে। আমাদের দেশের প্রাচীন স্থাপত্যের মধ্যে "মন্দির" গুলি বেশ আকর্ষণীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ বটে। বেশ কিছু প্রাচীন মন্দির দেখার সুযোগ হয়েছে আমার। আমার দেখা প্রাচীন মন্দির গুলির ৫টি ছবি রইলো এখানে।

০১১ : কিশোরীলাল বোস বাড়ি মন্দির / বোস বাড়ি মন্দির

বাড়িটি বা মন্দিরটি সম্পর্কে কোনো তথ্যই আমার জানা নেই।

ছবি তোলার স্থান : মালখানগর, সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ, বাংলাদেশ।
GPS coordinate : 23°33'11.9"N 90°25'28.1"E
ছবি তোলার তারিখ : ১৯/০৫/২০১৭ ইং




০১২ : ফেগুনাসার শিব মন্দির

মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের ফেগুনাসার গ্রামে ইছামতি নদীর ধারে ফেগুনাসার শিব মন্দিরটি অবস্থিত। কারো কারো মতে এটি ৭০০ বছরের পুরনো, আবার কারো কারো মতে এটি ৪০০ বছর পূর্বে রাজা রাজ বল্লবের নির্মিত শিব মন্দির।

শোনা যায় এক সময় বিশাল এলাকা নিয়ে রাজা রাজ বল্লব মন্দিরটি নির্মাণ করলেও বর্তমানে মন্দিরের চত্বর বাদে বাকি জায়গা প্রভাবশালীরা দখল করে নিয়েছে। মন্দিরের আকার বেশি বড় নয়।

ছবি তোলার স্থান : সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জ, বাংলাদেশ।
GPS coordinate : 23°33'16.5"N 90°26'14.5"E
ছবি তোলার তারিখ : ১৯/০৫/২০১৭ ইং





০১৩ : শিবু গুপ্ত বাড়ি মন্দির

আউটশাহী মোঘল মসজিদ দেখে সামান্য উত্তর পশ্চিমে এগিয়ে গেলে বেশ বড় একটি পুকুর বা দিঘী পাওয়া যাবে হাতের বামে। দিঘীর ঠিক উলটো পাশে আছে শিবু গুপ্তের প্রাচীন বাড়ি।

বাড়ির পাশেই আছে একটি চমৎকার মন্দির। বাড়িটি বা মন্দিরটি সম্পর্কে আর কিছুই আমার জানা নাই।

ছবি তোলার স্থান : আউটশাহী, টঙ্গীবাড়ী, মুন্সিগঞ্জ, বাংলাদেশ।
GPS coordinate : 23°31'24.8"N 90°26'36.6"E
ছবি তোলার তারিখ : ১৯/০৫/২০১৭ ইং
[i]ছবি তলেছে : Israfil Hossian[/i]





০১৪ : নন্দলাল ও যশোদালাল স্মৃতি মন্দির

যতদূর জানা যায়
গুরুন্ন প্রসাদের দুই পুত্র মথুরামোহন রায় এবং প্রিয় মোহন রায় এর উত্তরপুরম্নষ ভাগ্যকুলের বর্তমানের ওয়াপদায় বসতি স্থাপন করেন।

হরিপ্রসাদ রায় ১৮২৯ সালে ওলাউঠাতে মৃত্যুবরণ করলে গুরুন্ন প্রসাদ রায় ভ্রাতার বংশ রক্ষার্থে তার কণিষ্ঠপুত্র হরলাল রায়কে ১৮৩০ সালে পৌষ্যপুত্র প্রদান করেন। তীক্ষ্ণ বিষয়বুদ্ধি থাকায় হরলাল ব্যবসা বাণিজ্যে প্রভূত উন্নতিলাভ করেন। কলকাতায় বহু বাড়ি ক্রয় ও নির্মাণ করেন। তিনি ব্যয়শীল ও দাতা হিসাবে সুপরিচিত ছিলেন। কিন্তু মাত্র ২৬ বৎসর বয়সে বসন্ত রোগে নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। স্ত্রী মাণিক্যময়ী নিজের ৬ বছর বয়সী ছোটভাই হরেন্দ্রলালকে পৌষ্যপুত্র হিসাবে গ্রহণ করেন।

গঙ্গাপ্রসাদ রায়ের ৪র্থ ও কণিষ্ঠ পুত্র প্রেমচাঁদ রায়ের তিনপুত্র ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী জমিদার। এদের মধ্যে শ্রীনাথ রায় এবং জানকী নাথ রায় ইংরেজ সরকার কর্তৃক রাজা উপাধি দ্বারা ভূষিত হন। এই দুইজন ভাগ্যকুলে প্রাসাদ নির্মাণ করে বসতি স্থাপন করেছিলেন। তাদের প্রাসাদও প্রায় ৩০ বছর পূর্বে কৃত্তিনাশা পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়েছে। বংশের পরিধি বাড়ায় জমিদার পরিবারটি ৭টি হিস্যায় ভাগ হয়ে যায়।

রাজা শ্রীনাথ রায় ছিলেন বিক্রমপুরের জমিদারদের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তিশালী। কলকাতার অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৮৪১ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫২সালে জমিদারী প্রথা বাতিল ও দেশ ভাগের কারণে তাঁদের নামে আর রেকর্ড হয় নি। ভাগ্যকুলের জমিদার নন্দলাল রায় ও যশোদালাল রায় বর্তমান ওয়াপদা ভবনটি নির্মাণ করেছিলেন। এখানে তাঁদের সমাধিসৌধ আছে।
তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট

ছবি তোলার স্থান : ভাগ্যকুল, শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ, বাংলাদেশ।
GPS coordinate : 23°30'47.6"N 90°13'08.9"E ও 23°30'47.3"N 90°13'09.0"E
ছবি তোলার তারিখ : ১৯/০৫/২০১৭ ইং





০১৫ : শ্রী শ্রী সর্বজনীন দুর্গা মন্দির


যতদূর জানা যায়
গুরুন্ন প্রসাদের দুই পুত্র মথুরামোহন রায় এবং প্রিয় মোহন রায় এর উত্তরপুরম্নষ ভাগ্যকুলের বর্তমানের ওয়াপদায় বসতি স্থাপন করেন।

হরিপ্রসাদ রায় ১৮২৯ সালে ওলাউঠাতে মৃত্যুবরণ করলে গুরুন্ন প্রসাদ রায় ভ্রাতার বংশ রক্ষার্থে তার কণিষ্ঠপুত্র হরলাল রায়কে ১৮৩০ সালে পৌষ্যপুত্র প্রদান করেন। তীক্ষ্ণ বিষয়বুদ্ধি থাকায় হরলাল ব্যবসা বাণিজ্যে প্রভূত উন্নতিলাভ করেন। কলকাতায় বহু বাড়ি ক্রয় ও নির্মাণ করেন। তিনি ব্যয়শীল ও দাতা হিসাবে সুপরিচিত ছিলেন। কিন্তু মাত্র ২৬ বৎসর বয়সে বসন্ত রোগে নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। স্ত্রী মাণিক্যময়ী নিজের ৬ বছর বয়সী ছোটভাই হরেন্দ্রলালকে পৌষ্যপুত্র হিসাবে গ্রহণ করেন।

গঙ্গাপ্রসাদ রায়ের ৪র্থ ও কণিষ্ঠ পুত্র প্রেমচাঁদ রায়ের তিনপুত্র ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী জমিদার। এদের মধ্যে শ্রীনাথ রায় এবং জানকী নাথ রায় ইংরেজ সরকার কর্তৃক রাজা উপাধি দ্বারা ভূষিত হন। এই দুইজন ভাগ্যকুলে প্রাসাদ নির্মাণ করে বসতি স্থাপন করেছিলেন। তাদের প্রাসাদও অনেক বছর পূর্বেই কৃত্তিনাশা পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়েছে। পরে বংশের পরিধি বাড়ায় জমিদার পরিবারটি ৭টি হিস্যায় ভাগ হয়ে যায়।

রাজা শ্রীনাথ রায় ছিলেন বিক্রমপুরের জমিদারদের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তিশালী। কলকাতার অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৮৪১ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫২সালে জমিদারী প্রথা বাতিল ও দেশ ভাগের কারণে তাঁদের নামে আর রেকর্ড হয় নি। ভাগ্যকুলের জমিদার নন্দলাল রায় ও যশোদালাল রায় বর্তমান ওয়াপদা ভবনটি নির্মাণ করেছিলেন। এখানে তাঁদের সমাধিসৌধ আছে। ভাগ্যকুলের জমিদারদের এই অংশটিতে অল্প কিছু স্থাপনা এখনো টিকে আছে কালের স্বাক্ষী হয়ে। তবে সমস্যা হচ্ছে এই অংশটি বর্তমানে র্যাবের দখলে হওয়ায় দর্শনার্থীদের অনুমতি সাপেক্ষে প্রবেশ করতে হয়।

অন্যদিকে রাজা সীতানাথ রায়ের দুই পুত্র যদুনাথ রায় এবং প্রিয়নাথ রায়। যদুনাথ রায় বাহাদুর বালাশুর গ্রামে গড়ে তুলেছিলেন তার জমিদার বাড়ি। তিনি হুবহু একই ধরনের দুটি ভবন নির্মাণ করেন। যার একটি ছিলো জমিদার যদুনাথ রায়ের। আর অন্যটি ছিলো তারই ছোট ভাই প্রিয়নাথ রায়ের।

বাড়িটির চারপাশ এক সময় রাতের আধাঁরে বিলের মাঝে আলোয় জলমল করত। প্রথা বিরোধী লেখক, ভাষা বিজ্ঞানী ড. হুমায়ূন আজাদ তার লেখা এক প্রবন্ধে এ বাড়িটিকে প্যারিস শহরের সাথে তুলনা করে লিখেছেন, বিলের ধারে প্যারিস শহর। বাড়ির সামনে বিশালাকৃতির দীঘি রয়েছে। দীঘির চারপাশেই শ্বেতপাথরে নির্মান করা শানবাঁধানো ঘাট।

জমিদার বাড়ীর সামনে রয়েছে “নবকুঠি”, এটি মূলত গদিঘর ছিল। এছাড়া আরো আছে শ্রী শ্রী সর্বজনীন দুর্গা মন্দির, শ্রী শ্রী রাজলক্ষ্মী নারায়ণ জিউ মন্দির, বায়োস্কোপ ঘর , কাচারি ঘর। এই জমিদার বাড়ীটি আনুমানিক ১৯২০ সালের আগে পড়ে নির্মাণ করা হয়।

ভাগ্যকুলের জমিদারদের সকলেরই কলকাতায় বাড়ি ছিল। তারা ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ কলকাতামুখী হয়ে পড়েছিলেন। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত শুধুমাত্র যদুনাথ রায় তার বিলের ধারের প্রাসাদে ছিলেন। তিনি ভাগ্যকুল ত্যাগ করতে চাননি। বৃদ্ধ বয়সে তার আত্মীয়-স্বজনরা জোর করে কলকাতায় নিয়ে যায়। তিনি কলকাতায় গিয়ে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট

ছবি তোলার স্থান : উত্তর বালাসুর, শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ, বাংলাদেশ।
GPS coordinate : 23°31'48.3"N 90°13'11.7"E
ছবি তোলার তারিখ : ১৯/০৫/২০১৭ ইং



বি.দ্র. : প্রাচীন বলতে এখানে প্রচীন যুগকে বুঝানো হয়নি। প্রচীন বলতে এখানে বুঝানো হয়েছে -
অতীত, অতীতকালীন, আগেকার, কালজীর্ণ, জীর্ণ, দীর্ঘকাল ধরে বর্তমান, পুরাতন, পুরান, পুরানো, পূর্বকালীন, প্রত্ন, প্রাক্তন, বয়স্ক, বয়োবৃদ্ধ, বর্ষীয়ান, বহুকালের, বহুকেলে, বহুযুগ আগেকার, বার্ধক্যগ্রস্ত, বিগতকালের, মান্ধাতার আমলের, সাবেক, সাবেকী, সেকেলে, স্মরণাতীত, স্মরণাতীত কালের, ‌ইত্যাদি।



=================================================================
আরো দেখুন -
আমার দেখা প্রচীন মসজিদ – ১ম পর্ব
আমার দেখা প্রচীন মসজিদ – ২য় পর্ব
আমার দেখা প্রচীন মসজিদ – ৩য় পর্ব


বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র - ০১
বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র - ০২
বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র - ০৩
বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র - ০৪
বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র - ০৫
বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র - ০৬


বাংলার প্রাচীন মঠ (স্মৃতি-মন্দির) সমগ্র - ০১
বাংলার প্রাচীন মঠ (স্মৃতি-মন্দির) সমগ্র - ০২


আমার দেখা প্রাচীন মন্দির সমগ্র - ০১
আমার দেখা প্রাচীন মন্দির সমগ্র - ০২

=================================================================

মন্তব্য ১৯ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:১৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর।+

০২ রা আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:২২

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ধন্যবাদ

২| ০২ রা আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:২০

হাবিব বলেছেন: দারুণ হয়েছে।

০২ রা আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:২২

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ধন্যবাদ

৩| ০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:১১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ১১ এবং ১৪ নাম্বার মন্দিরটা বন্ধ নাকি? বন্ধ থাকলে চালু কেন করে না?

০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:১৯

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ১১ নাম্বারটা প্রায় পরিত্যাক্ত বলা চলে। বিশেষ দিন গুলিতে হয়তো নামকাওয়াস্তে কেউ কেউ ভোগ দেয়।
১৪ নাম্বার ব্যার কার্যালয়ের ভিতরে। ভাইরের লোক ঢুকতে পারে না। আমরা বিশেষ অনুমতি পেয়েছিলাম। তাছাড়া ঐগুলি স্মৃতি মন্দির। নিয়মিত পূজা ওখানে হবার কথা নেই।
অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে প্রশ্নগুলির জন্য।

৪| ০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:২৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মসজিদ মন্দিরগুলো আপনার পোস্ট পেয়েছি। বাংলাদেশে পুরাতন চার্চ নিয়ে কি আপনার পোস্ট আছে? বা পুরাতন চার্চ থাকলে তা কতোদিন আগেকার?

০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:৪৪

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে আকর্ষণীয় এই বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য।



আমি চার্চ নিয়ে এখনো কোনো পোস্ট করিনি। তবে করবো। কয়েকটি চার্চের তথ্য ও ছবি আছে আমার কাছে।
চার্চ সম্পর্কে খেলা আসেনি তার কারণ বাংলাদেশে পুরনো চার্চের সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে কম। তাছাড়া বেশীর ভাগ চার্চ গুলিতে মুসলিমদের ঢুকতে দেয় না। কোনো কোনোটায় ঢুকতে দিলেও ছবি তুলতে দেয় না। অথচো অন্য যেকোনো দেশের চার্চে ঢুকা ও ছবি তোলায় কোনো নিষেধ নেই।


যাইহক, আমার জানামতে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম চার্চটি তৈরি হয় চট্টোগ্রামে। সেটি এখন বিলুপ্ত। বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো চার্চটি আছে নাগরিতে। আমি সেখানে গিয়েছি। ভিতরে ঢুকতে দেয়নি। দেয়ালের বাইরে থেকে কয়েকটা ছবি তুলেছি। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা ঠিক হলে আমি সেই চার্চের ভিতরে ঢোকার আরেকটা চেষ্টা নিবো। তারপর সেটি নিয়ে একটি পোস্ট আমি করবো।

৫| ০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: জনাব শিরোনামটা সম্ভবত ভুল হয়েছে। প্রাচীন হবে। প্রচীন নয়।

০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:৪৬

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
সম্ভবতো নয় ভাইজান, ১০০% ভুল হয়েছে।
ঠিক করে নিয়েছি।
অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে এই ভুলটি ধরিয়ে দেয়ার জন্য।

৬| ০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:০০

রানার ব্লগ বলেছেন: আমি বুঝি না মানুষ সকল আর্কিটেকচারাল সৌন্দর্য জ্ঞ্যান মসজিদ মন্দিরেই লাগিয়ে দেয় কেনো?

০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:১৪

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
তা কেনো!!!

মসজিদ মন্দিরছাড়া গির্চা গুলিও এই তালিকায় আছে। সেই সাথে আছে রাজবাড়ি বা জমিদার বাড়ি গুলি।

৭| ০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:২০

আমারে স্যার ডাকবা বলেছেন: আমার একটা প্রশ্ন প্রায়ই মাথায় আসে, পুরনো মন্দিরগুলোর ভবন আকারে এতো ছোট হতো কেন? আমি এমনও মন্দির দেখেছি, যেগুলোর আকার ৩ হাত বাই ৩ হাত বর্গাকার হতো!

ছবিগুলো সুন্দর। ফটোশপে কালার গ্রেডিং করলে ঐশ্বরিক এক আবহ তৈরী হবে।

০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:২৮

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
আপনার প্রশ্নের সঠিক জবাব কে দিতে পারবে আআর জানা নাই। তবে আমি আমার ধারনা শেয়ার করতে পারি।


নানান ধরনের পুরনো মন্দির দেখার অভিজ্ঞতা থেকে আমার মনে হচ্ছে -
সেই সময়কার মন্দিরগুলি সাধারনতো জমিদার বা ধনী ব্যবসায়ীরা নিজেদের অর্থায়নে নিজেদের বাড়িতে তৈরি করাতেন। এই সমস্ত মন্তির গুলির আকার মোটামুটি বড়ই বলা চলে এবং খুবই কারুকাজময় হতো। ধনের জোড় যাদের আরো একটু কম থাকতো তারা ধর্মের টানে ছোট ও কম কারুকাজের মন্দির গুলি তৈরি করাতো।
আর একেবারে ছোট মন্দির গুলি মূলত স্মৃতি মন্দির হয়ে থাকে।

০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:২৯

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ফটোশপের কাজ আমি পারি না। লাইটরুমে নিয়ে একটু ঘষামাজা করে ছেড়ে দেই। আমার দৌড় ঐটুকুই।

৮| ০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৫:০০

ফাহমিদা বারী বলেছেন: প্রাচীন পুরাকীর্তির প্রতি আমারও একটা টান আছে। ভালো লাগে এসব নিদর্শন দেখতে। আপনার লেখাটি চমৎকার হয়েছে, অন্য পর্বগুলো পড়ার ইচ্ছে থাকলো।

০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৫:২৭

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
আপনার পছন্দ আর ভালো লাগার কথা জানতে পেরে খুশী হলাম।
প্রাচীন পুরাকীর্তি সম্পর্কিত আমার পোস্ট গুলির লিংক লেখার শেষে দেয়া আছে।
সময় সুযোগ হলে দেখে নিবেন। আশা করি খারাপ লাগবে না।

৯| ০২ রা আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



এগুলোকে রক্ষা করছে সরকার?

০২ রা আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৪৮

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.