নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মরুভূমির জলদস্যু

মরুভূমির জলদস্যু

মরুভূমির জলদস্যুর বাগানে নিমন্ত্রণ আপনাকে।

মরুভূমির জলদস্যু › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাদীসের গল্প : ০০২ : দোলনায় কথা বলা তিন শিশু

২১ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৩৪



নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন -
তিনজন ব্যতীত কেউ দোলনায় কথা বলেনি।
তাদের মধ্যে একজন ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ),
আরেকজন জুরায়জ সম্পর্কিত শিশুটি। জুরায়জ ছিলেন একজন ইবাদাতগুজার ব্যক্তি। তিনি একটি ইবাদাতখানা তৈরি করে সেখানে অবস্থান করতেন। এক সময় তার কাছে তার মা আসলেন। তিনি সে সময় সালাতে নিমগ্ন ছিলেন। মা ডাকলেন, হে জুরায়জ! তখন তিনি (মনে মনে) বলতে লাগলেন, হে আমার প্রতিপালক! (একদিকে) আমার মা ও (অপর দিকে) আমার সালাত। এরপর তিনি সালাতে মগ্ন থাকলেন। মা ফিরে গেলেন।

পরের দিন তিনি আবার তার কাছে এলেন। তখনও তিনি সালাত আদায় করছিলেন। তিনি বললেন, হে জুরায়জ! তখন তিনি (মনে মনে) বললেন, হে আমার প্রতিপালক একদিকে আমার মা (আমাকে ডাকছেন) আর (অন্য দিকে) আমার সালাত। এরপর তিনি সালাতে মশগুল রইলেন। মা ফিরে গেলেন। এরপরের দিন আবার এলেন। তখনও তিনি সালাতেই রত ছিলেন। এবারও (মা) বললেন, হে জুরায়জ! তখন তিনি (মনে মনে) বললেন, হে আমার প্রতিপালক! একদিকে আমার মা (আমাকে ডাকছেন)। (অন্যদিকে) আমার সালাত। এরপর তিনি সালাতেই লিপ্ত রইলেন। এবার তার মা বললেন, হে আল্লাহ! বদকার স্ত্রীলোকের সম্মুখীন করার আগ পর্যন্ত তুমি তার মৃত্যু দিয়ো না।

এরপর বানু ইসরাঈলদের মধ্যে জুরায়জ ও তার ইবাদাত সম্পর্কে আলোচনা হতে লাগল। (বনী ইসরাঈলের মধ্যে) সৌন্দর্য উপমেয় এক দুশ্চরিত্রা স্ত্রীলোক ছিল। সে বলল, যদি তোমরা চাও তাহলে আমি তোমাদের সামনে তাকে (জুরায়জকে) ফিতনায় ফেলতে পারি। তিনি বলেন, এরপর সে জুরায়জের সামনে নিজেকে পেশ করে। কিন্তু জুরায়জ তার প্রতি ভ্রুক্ষেপও করেননি। অবশেষে সে এক মেষ রাখালের নিকট আসে। সে জুরায়জের ইবাদাতখানায় মাঝে মধ্যে যাওয়া-আসা করত। সে তাকে নিজের দিকে প্রলুব্ধ করল। সে (রাখাল) তার উপর অনুরক্ত হলো। এতে সে গর্ভবতী হয়ে গেল। যখন সে সন্তান প্রসব করল তখন বলে দিল যে, এ সন্তান জুরায়জের। লোকেরা (এ কথা শুনে) তার কাছে এসে জড়ো হলো এবং তাকে নীচে নামতে বাধ্য করল এবং তারা তার ইবাদাতখানা ভেঙ্গে ফেলল আর তাকে প্রহার করতে লাগল। তখন তিনি (জুরায়জ) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের ব্যাপার কী? তারা বলল, তুমি তো এ দুশ্চরিত্রা স্ত্রীলোকের সাথে ব্যভিচার করেছে এবং তোমার পক্ষ থেকে সে সন্তান প্রসব করেছে।

তখন তিনি বললেন, শিশুটি কোথায়? তারা শিশুটি নিয়ে এলো। এরপর তিনি বললেন, আমাকে একটু অবকাশ দাও, আমি সালাত আদায় করে নেই। তারপর তিনি সালাত আদায় করলেন এবং সালাত শেষে শিশুটির কাছে এলেন। এরপর তিনি শিশুটির পেটে টোকা দিয়ে বললেন, হে বৎস! তোমার পিতা কে? সে উত্তর করল। অমুক রাখাল। বর্ণনাকারী বলেন, তখন লোকেরা জুরায়জের দিকে এগিয়ে আসলো এবং তাকে চুম্বন করতে এবং তার গায়ে হাত বুলাতে লাগল। এরপর বলল, আমরা আপনার ইবাদাতখানা স্বর্ণ দ্বারা নির্মাণ করে দিব। তিনি বললেন, না বরং পুনরায় মাটি দিয়ে তৈরি করে দাও, যেমন ছিল। লোকেরা তাই করল।



(তৃতীয় জন) একদা এক শিশু তার মায়ের দুধ পান করছিল। তখন উত্তম পোষাকে সজ্জিত এক লোক একটি হৃষ্টপুষ্ট সওয়ারীর উপর আরোহণ করে সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। তখন তার মা বলল, হে আল্লাহ! তুমি আমার ছেলেকে এর মতো বানিয়ে দাও। তখন শিশুটি মাতৃস্তন ছেড়ে তার প্রতি লক্ষ্য করে বলল, "হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এর মতো বানিও না।" এরপর সে আবার স্তনের দিকে ফিরে দুধ পান করতে লাগল। রাবী বলেন, মনে হয় যেন আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এখনো দেখছি যে, তিনি তার শাহাদাত অঙ্গুলি নিজ মুখে দিয়ে তা চুষে সে শিশুটির দুধ পানের দৃশ্য দেখাচ্ছেন। এরপর তিনি বর্ণনা করলেন যে, কিছু লোক একজন যুবতীকে নিয়ে যাচ্ছিল এবং তাকে তারা প্রহার করছিল এবং বলাবলি করছিল যে, তুই ব্যভিচার করেছিস, তুই চুরি করেছিস। আর সে বলছিল, আল্লাহর উপরই আমার ভরসা; আর তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। তখন তার মা বলল, হে আল্লাহ! তুমি আমার পুত্রকে এর (দাসীর) মতো বানিও না। তখন শিশুটি দুধপান ছেড়ে তার (দাসীর) প্রতি লক্ষ্য করে বলল, "হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এর (এ দাসীর) মতো বানিয়ে দাও।"

সে সময় মা ও পুত্রের মধ্যে কথোপকথন হলো। তখন মা বলল, ঠাটা পড়ুক (এ কেমন কথা)। সুদৰ্শন এক ব্যক্তি যাচ্ছিল। তখন আমি বললাম, "হে আল্লাহ! তুমি আমার ছেলেকে এর মতো বানিও"। আর তুমি বললে, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এর মতো বানিও না"। এরপর লোকেরা এ দাসীকে নিয়ে যাচ্ছিল। তখন তারা তাকে প্রহার করছিল এবং বলছিল, তুই ব্যভিচার করেছিস এবং তুই চুরি করেছিস। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ! তুমি আমার পুত্রকে তার মতো বানিও না। আর তুমি বললে, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তার মতো বানাও। সে বলল, সে আরোহী ব্যক্তি ছিল অত্যাচারী। তাই আমি বলেছি, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তার মতো বানিও না। আর যে দাসীকে ওরা বলছিল, তুই যিনা করেছিস। আসলে সে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়নি এবং বলেছিল, চুরি করেছিস, অথচ সে চুরি করেনি। তাই আমি বললাম, "হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তার মতো বানিয়ে দাও"।


সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী) হাদীস নাম্বার : ৬৪০৩

সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) হাদীস নাম্বার : ৩১৯৪



উপরের হাদিসটিতে তিনজন শিশুর কথা বলা হলেও কাহিনী বর্ননা করা হয়েছে দুইজন শিশুর।
ঈসা আলাই সালামের শিশু অবস্থায় কথা বলার কাহিনীটি আছে কোরআনে। কোরআনের ৩ নং সূরা আলে-ইমরান এর ৪৬ নং আয়াতে। বলা হয়েছে -
আর সে মানুষের সাথে কথা বলবে দোলনায় ও পরিণত বয়সে এবং সে নেককারদের অন্তর্ভুক্ত।


এবং কোরআনের ১৯ নং সূরা মারইয়াম এর ২৭ থেকে ৩৪ নং আয়াতে। বলা হয়েছে -
(২৭) অতঃপর সে সন্তানকে নিয়ে তার সম্প্রদায়ের নিকট উপস্থিত হল; তারা বলল, ‘হে মারয়্যাম! তুমি তো এক অদ্ভুত কান্ড করে বসেছ।
(২৮) হে হারূন ভগ্নী! তোমার পিতা অসৎ ব্যক্তি ছিল না এবং তোমার মাতাও ছিল না ব্যভিচারিণী।
(২৯) অতঃপর মারয়্যাম ইঙ্গিতে সন্তানকে দেখাল। তারা বলল, যে দোলনার শিশু তার সাথে আমরা কেমন করে কথা বলব?’
(৩০) (শিশুটি) বলল, ‘নিশ্চয় আমি আল্লাহর দাস; তিনি আমাকে কিতাব দিয়েছেন এবং আমাকে নবী করেছেন।
(৩১) যেখানেই আমি থাকি না কেন, তিনি আমাকে বরকতময় করেছেন, তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন আজীবন নামায ও যাকাত আদায় করতে।
(৩২) এবং আমার মাতার প্রতি অনুগত থাকতে। আর তিনি আমাকে করেননি উদ্ধত, হতভাগ্য।
(৩৩) আমার প্রতি শান্তি, যেদিন আমি জন্ম লাভ করেছি ও যেদিন আমার মৃত্যু হবে এবং যেদিন আমি জীবিত অবস্থায় পুনরুত্থিত হব।
(৩৪) এই হল মারয়্যাম তনয় ঈসা (এর বৃত্তান্ত)। (আমি বললাম) সত্য কথা; যে বিষয়ে তারা সন্দেহ করে।



ঘোষণ :
শিরনামে "গল্প" বলতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতৃক বর্ননাকৃত ঘটনাকে বুঝানো হয়েছে।

=================================================================

হাদীসের গল্প : ০০১ : জাস্‌সা-সাহ ও দাজ্জাল

=================================================================

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৪৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: মুসা (আঃ) যখন দোলনায় ছিলেন তখন তিনি ফেরাউনকে চপেটাঘাত করেছিলেন।

২১ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৫৩

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: কথা বলেছিলেন কি? মনে হয় না।
বললেও সেটা কোরআন বা হাদীসে নেই হয়তো। তবে ইসরাইলীয় উপকথায় থাকতে পারে। আমার সঠিক জানা নেই।

২| ২১ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৪৮

প্রত্যাবর্তন@ বলেছেন: এটা জানা ছিল না

২১ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৫৩

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: এখন জানলেন।

৩| ২২ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১২:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: হাদীস পড়তে ভালো লাগে।

২২ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১২:৪০

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: জেনে খুশী হলাম।

৪| ২২ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১২:২৯

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: এক সকল কথা এক একটা দাবি।অনেকটা পাগলে কিনা বলে ছাগলে কিনা খায় এর মতো।এর সপক্ষে কোন প্রমান নাই।সকল ধর্মের বেশিকভাগ কথাই হলো দাবি যার পক্ষে কোন প্রমান নাই।অন্ধভাবে বিশ্বাস করতে হবে,এটাই ধর্মের শিক্ষা।বিশ্বাস না করলে অনন্তকাল আগুনে পোড়াবে,অনেকটা আণবিক চুল্লির মতো।আবার মানুষকে এমন করে বানাবে,পুড়বে কিন্তু মরবে না।

২২ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১২:৪২

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ধর্মের ভিত্তিই হচ্ছে বিশ্বাস।

৫| ২২ শে নভেম্বর, ২০২১ ভোর ৪:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার বাচ্চারা কখন কথা বলার শুরু করেছিলো? বেশীরভাগ বাচ্ছা আপনার বাচ্ছাদের মতোই হওয়ার কথা; সমস্যা হলে, অনেক বাচ্ছা অনেক দেরীতে কথা বলে। শিশু ৯ মাস বয়সে কিছু শব্দ সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারে; দেড় বছরের পর থেকে শিশু কিছু সরল বাক্য বলতে পারে।

২২ শে নভেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৪৯

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: আপনার বাচ্চারা (যদি থাকে) যে বয়েসে কথা বলা শুরু করেছি আমার বাচ্চারা সেই বয়সেই অথবা সামান্য কিছু আগে পরে কথা বলেছিলো।

৬| ২২ শে নভেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:১০

জুল ভার্ন বলেছেন: গুড পোস্ট।

২২ শে নভেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৪৬

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: শুকরিয়া

৭| ২২ শে নভেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:২১

রানার ব্লগ বলেছেন: রামায়োন কে গল্প বলায় অনেকেই খুশি ও আনন্দিত হয়েছিলো, কিন্তু হাদিস কে গল্প বললে মৌলবাদীরা খুশি নাও হতে পারে, সাধু সাবধান !!!!

২২ শে নভেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৪৭

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: নিজেকে সেইফ সাইডে রাখার জন্য পোস্টের শেষে বিশেষ ঘোষণা যোগ করেছি।

৮| ২২ শে নভেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: ৪নং মন্তব্যকারীর সাথে একমত।

২২ শে নভেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৫০

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: আমি আপনার সাথে একমত।

৯| ২২ শে নভেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:০৫

মিরোরডডল বলেছেন:
গত কয়দিন একটানা ন্যুড পেইন্টিং দিয়ে এখন হাদিস :)
হা হা হা...... Very well balanced পাগলা :P

২২ শে নভেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:২৫

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: না না না, এটা আমার উপরে নিতান্তই মিথ্যে আরপ।
প্রথম কথা হচ্ছে আমি একটিও নুড চিত্র শেয়ার করিনাই, এমনকি পূর্ণটপলেস কোনো চিত্রও ছিলো না।
দ্বিতীয়তো ঐ সিরিজটি আমি একটানা দেই নাই। সিরিজের ৫টি পর্বে মাঝে -
একটি কবিতা লিখেছি (কেমনে লেখছি আল্লাহ মালুম)।
পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ পথে আপনাদের হাঁটিয়ে নিয়ে এসেছি।
হাজারতম পোস্ট করেছি।
হুমায়ূন আহমেদের কাছ থেকে ধার করে তোমাদের জন্য ভালোবাসা ছড়িয়েছি।
এবং সর্বশেষে
মহাভারতের ২৩ নাম্বার গপ্প করেছি।

এইটায় ব্যালেন্স হইছে বলা যায়।
হাদীসের পরেই মহাভারত।

১০| ২২ শে নভেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন: আপনার বাচ্চারা (যদি থাকে) যে বয়েসে কথা বলা শুরু করেছি আমার বাচ্চারা সেই বয়সেই অথবা সামান্য কিছু আগে পরে কথা বলেছিলো।

-অতএব, যীশুও ৯ মাসের আগে কোন সঠিক শব্দ বলেননি, কারো সাথে আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাননি।

২২ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১০:১৫

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: আমিতো বলি নাই যীশু বা অন্য দুইটি শিশু কথা বলেছে!!
ঐটি নবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন।
আমি শুধু শেয়ার করেছি। আপনাকে বা অন্য কাউকে এটি বিশ্বাস বা অবিশ্বাস করতেও বলি নাই। ধর্ম বিশ্বাস একান্তই নিজস্ব বিষয়। বিশ্বাস করা না করাটা আপনার নিজস্ব এখতিয়ার।

১১| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:২০

মিরোরডডল বলেছেন:
নাথিং সিরিয়াস ।
I was kidding :)

২৩ শে নভেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:০৯

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ‌আমিও সিরিয়অসলি নেই নাই!!

আবার কিন্তু ছবি এসে গেছে।
এর পরের পর্বের ছবিগুলিতে সত্যিকার অর্থে নুড চিত্র আছে। তাই কিছুটা সংকায় আছে।

১২| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৩২

ঈশ্বরকণা বলেছেন: মরুভূমিরজলদস্যু,
আপনিতো পুরোনো ব্লগার। কিছুদিন আগেই এক হাজার পোস্ট দেবার মাইলস্টোন জয়ন্তী পালন করলেন। কিন্তু ইদানিং হাদিস কুরআন নিয়ে আপনার কিছু পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে আপনার পোস্টের কারণে আপনি না চাইলেও ইসলামেরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও বিতর্কিত হয়ে যাচ্ছে । যেমন এই হাদিসে হলো। সিরিয়া আর ইয়েমেন নিয়ে কিছু দিন আগের হাদিস পোস্টটাও অনেকটা এমনই ছিল। সেই হাদিসের আক্ষরিক বর্ণনা থেকে কেউ সিরিয়া আর ইয়েমেন আরবের পূর্ব দিকে না আর তাতে হাদিসটা ভুল সেটা ভাবতেও পারে (ইসলাম নিয়ে সমস্যায় থাকা কোনো একজন ব্লগার মনে হয় সেটা বলেও ছিল মন্তব্যে) যদিও হাদিসের বর্ণনাটা ভুল না। এই হাদিসের বর্ণনা থেকেও সে রকম হলো মনে হয়।আর তাতে সীমিত চিন্তা ভাবনার মন্তব্য নিয়েও হুড়মুড় করে কিছু ব্লগার হাজির হয়ে গেছেন দেখছি মন্তব্য করতে । সাধারণ ভাবে এটাই সত্যি যে শিশুরা নয় থেকে বারো মাসের মধ্যে কথা বলতে আর হাটতে শেখে। কিন্তু আট সপ্তাহে কথা বলার শিশুর উদাহরণ আছে। কারো সাহায্য ছাড়াই ছয় মাসের বেবির হাঁটার উদাহরণ আছে। চার বা পাঁচ সপ্তাহের শিশুর (আরো কম বয়সিও হতে পারে) একলাই দাঁড়াবার উদাহরণ আছে। এই ঘটনাগুলো অস্বাভাবিক কিন্তু ডকুমেন্টেড তাই অবিশ্বাস করার কারণও নেই। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী তিনজন শিশুর (হজরত ঈসা (আঃ) সম্পর্কে কুরআনেও বলা হয়েছে) এই তাড়াতাড়ি কথা বলার ব্যাপারগুলো আধুনিক পেডিয়াট্রিক ডেভলাপমেন্ট থিয়োরি দিয়ে ব্যাখ্যা করার অনেক সুযোগ কিন্তু আছে। ব্যাপারগুলো যে একেবারেই অসম্ভব সেটাও না। এখন আপনি যদি শুধু হাদিসগুলো রিপিট করেন কিন্তু সেগুলো ডিফেন্ড করার সাইন্টিফিক থিওরীগুলো নিয়ে কিছু না বলেন তাহলে হাদিসগুলো নিয়ে বিতর্ক বাড়বে ছাড়া কমবে না। এই ঘটনাগুলো ব্যাকআপ করার সাইন্টিফিক থিয়োরিগুলো পুরোপুরি না জানা থাকলে আমার মনে হয় এই হাদিসগুলো শুধু কপি করে দেবার দরকার নেই। এই হাদিসগুলো ছাড়াও অনেক সুন্দর সুন্দর হাদিস আছে। যেগুলো খুব বলাও হয় না আর সেজন্য আমাদের শোনাও হয় না।সেগুলিই বলুন। আমার ধারণা পুরোনো ব্লগার হিসেবে সেগুলো নিয়ে বললেও আপনার পোস্টের কোনো মানহানি হবে না ।ভালো থাকুন

২৩ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৪৪

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: আপনার সুচিন্তিত ও চমৎকার এই মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
হাদিসের এই পোস্ট গুলি সরাসরি কপিপেস্ট করা, আমি সূত্র উল্লেখ করে দিয়েছি।
আপনার কাছে ছোট্ট ১ টি প্রশ্ন করি।
এই হাদিসটি আপনি যেভাবে বৈজ্ঞানিক ভাবে ব্যাখ্যা করছেন সেই ভাবে ব্যাখ্যা করা না যেতো তাহলে আপনি কি এই হাদিসটি অবিশ্বাস করতেন?

হাদিসের ব্যাখ্যা করার মতো জ্ঞান আমার নেই। তাই ঐটা সম্ভব না।
হাদিসের কারণে যদি ইসলাম বিতর্কিত হয় (আপনার বক্তব্য অনুযায়ী) তাহলে সেই দায় যিনি এই হাদিসটি আমাদের মাঝে হাজির করেছেন তিনি। আমি যতদূর জানি কোনো হাদিসের কিতাবেই হাদিসের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা করা হয়নি।

আগামী এই ধরনের আর হাদিস আমি শেয়ার করবো। বিশ্বাস বা অবিশ্বাস বা বিতর্ক পাঠকের নিজস্ব বিষয়।
ভালো থাকবেন, শুভকামনা রইলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.