| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সময়টা ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসের ৬ তারিখ।
উত্তর বাড্ডা থেকে রওনা হয়ে সকাল ১১টার দিকে পৌছাই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। উদ্দেশ্য রেললাইন ধরে হেঁটে হেঁটে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত যাবো।
হাঁটা শুরু হবে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের শহরতলী প্লাটফর্ম থেকে রেললাইন ধরে। হেঁটে হেঁটে যতদূর সম্ভব যাব, যখন আর হাঁটতে ইচ্ছে করবে না তখন সেখান থেকে ট্রেন বা বাস ধরে ফিরে আসবো বাড়িতে। পরে আবার কোনো দিন ট্রেনে বা বাসে ফিরে যাবে আগের সেই যায়গায়। আবার শুরু করবো হাঁটা, হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছাবো নারায়ণগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন।
আসলে আমার ইচ্ছে এইভাবে হেঁটে হেঁটে কমলাপুর থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত যাওয়া।
ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে হাঁটা ধরার আগে উলটো পথের নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত যাওয়াটা হচ্ছে নিজেকে যাচাই করা।
হাঁটা শুরু করার আগে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের বেশ কিছু ছবি তুলেছিলাম। সেখান থেকে ১০টি ছবি রইলো।
২ । অবসর প্রাপ্ত ট্রেন.jpg)
৩.jpg)
৪.jpg)
৫.jpg)
৬.jpg)
৭.jpg)
৮.jpg)
৯.jpg)
১০.jpg)
১৫ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:০৯
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- উদ্যোগটি আসলেই ভালো ছিলো। এখন সেটি আরো বেশি করে বুঝতে পারছি।
- সেদিন আমার ভ্রমণসঙ্গী কেউ ছিলো না। এই কাজে কাউকে সঙ্গী করার মতো লোক পাওয়া মুশকিল। তাই আমি একাই ছিলাম।
- শেষ পর্যন্ত হেঁটে হেঁটে কমলাপুর থেকে নারায়নগঞ্জ যেতে পেরেছিলাম কিনা সেটি সেটি আগামি পর্বগুলিতে দেখতে পাবেন। প্রচুর ছবি তুলেছি রেললাইন আর তার আশপাশের জীবনচিত্রের। সেগুলি শেয়ার করবো নিয়োমিতো।
- ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য এবং পোস্টে লাইক দেয়ার জন্য।
২|
১৫ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৫৭
শেরজা তপন বলেছেন: তারপর আর কি যাওয়া হইল??
১৫ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:১০
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- হাঁটা শুরু করেছিলাম। যেতে পেরেছিলাম কিনা সেটি আগামি পর্বগুলিতে দেখতে পাবেন। প্রচুর ছবি তুলেছি রেললাইন আর তার আশপাশের জীবনচিত্রের। সেগুলি শেয়ার করবো নিয়োমিতো।
- ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
৩|
১৫ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:১৬
সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে আমারও খুব ইচ্ছা করছে এভাবে হাটতে। একা একা পথ চলার ও একটা আনন্দ আছে।
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:১১
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- একা হাঁটার কিছু সুবিধা আছে, আবার কিছু অসুবিধাও আছে। তবে পথ চলতে শুরু করাটাই সবচেয়ে বড় কথা। গন্তব্যে পৌছানোটা মুখ্য নয়।
৪|
১৫ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:৩৯
কামাল১৮ বলেছেন: হাজার হাজার নারী-পুরুষ, বালক-বালিকা ঢাকা থেকে হেটে মুন্সিগঞ্জ গিয়েছে ৭১ সালে।আমরা তাদের থাকার ব্যবস্থা করেছি স্কুল কলেজে।
আমি নিজে মুন্সিগঞ্জ থেকে হেটে বরিশাল গিয়েছি হেটে।সাথে আরো দুইজন ছিলো এবং সাথে ছিলো তিনটা রাইফেল যেগুলো মুন্সি গঞ্জ থানা থেকে লুট করা।
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:১৬
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- সেই সময়টার সাথে কোনো কিছুর তুলনা নেই।
- সেই সময়ের কথাগুলি আমাদের সাথে শেয়ার করেন না কেনো?
৫|
১৫ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:৫১
কামাল১৮ বলেছেন: আমি অনেক বছর কমলাপুরের খুব কাছে ছিলাম।রোজ বিকালে হাটতে যেতাম কমলাপুর স্টেশনে।থাকতাম মতিঝিল এজিবি কলোনিতে।
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:২০
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- মাস্টার্সে পড়ার সময় ২ বছর এজিবি কলোনিতে কোচিং করতে যেতাম।
৬|
১৫ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:৫৩
কামাল১৮ বলেছেন: ছবি সুন্দর হয়েছে।পরবর্তি পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:২৩
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
৭|
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ২:১১
আহমেদ জী এস বলেছেন: মরুভূমির জলদস্যু,
দুঃসাহসিক উদ্যোগ !
যদি কোনও সঙ্গী না থাকে তবে তা হবে '"নাই কাজ, খৈ ভাজ" এর মতো।
আরও সুন্দর ছবির সাথে পরবর্তী সুন্দর একটি পোস্টের অপেক্ষায়.........
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:২৭
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- দুঃসাহসের কিছু নাই।
- অনেকটাই খৈ ভাজর মতোই।
- পরবর্তী পোস্ট আসবে শীঘ্রই।
- ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
৮|
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:০২
রাজীব নুর বলেছেন: আমার যখন মন খারাপ হয়, তখন আমি কমলাপুর রেলস্টেশনে যাই।
ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটিয়ে দেই। এটা আমার দীর্ঘদিনের অভ্যাস।
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩২
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- আগে আমার মনখারাপ হলে বই পড়তাম,কম্পিউটারে গেইম খেলতাম। এখন মেজাজ খারাপ হয়।
৯|
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৪০
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আপনার ছবিগুলো সবসময়ই সুন্দর। নারায়নগঞ্জ যাওয়ার কাহিনী জানাতে ভুলবেন না।
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩২
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- অবশ্যই জানাবো।
- ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
১০|
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:১২
অপু তানভীর বলেছেন: দারুন একটা বুদ্ধি দিলেন তো! এই কাজটা করা যেতে পারে। সব থেকে ভাল হত যদি সাইকেলে করে যাওয়া যেত। আমিও একদিন ট্রাই করে দেখব। হেটে রেল লাইন ধরে কতদুর যাওয়া যায়! এই শীত কালেই একবার ট্রাই করা যায় কিনা দেখা যাক!
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:০৮
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- আমিও আবার শুরু করবো, কিছু বাদ আছে, সেটুকু শেষ করতে হবে।
- সাইকেলে যাওয়া যাবে না। রেললাইন ধরে পাঁয়ে হেঁটে যাওয়াই কষ্টকর।
- আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
১১|
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:২২
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ছবি দেখা যায় না ![]()
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৫০
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- বাকি সকলেতো দেখতে পাচ্ছেন মনে হয়!!
১২|
১৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:০২
শায়মা বলেছেন: গরমকাল হলে হেঁটে হেঁটে যাওয়া মনে হয় কষ্টের। শীতকালে ঠিক আছে ..... ![]()
১৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:২৪
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- গরমকালে কিছুটা কষ্টতো হবেই। গরম, ঘাম আর ক্লান্তি থাকে।
১৩|
১৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:১৬
হাইজেনবার্গ ০৬ বলেছেন: ছবিগুলির মধ্যে একটা আদিম আদিম ভাব আছে, বাবা আদমকা জামানাকা
তবে আইডিয়া জোস, পথে হেভি থ্রীল আছে, গেন্ডারিয়া, ফতু্ল্লা , চাষাড়া হয়া নানগন্জ। বছর আগে এই রুটের ট্রেইন ইউজ করতাম। মনে হয় না একা যাওয়া গুড আইডিয়া।
১৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩১
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- ১০ বছর আগের ছবি, বাবা আদমের যুগের না হলেও নুহ নবীর আমলের বলা চলে।
- কিছু কিছু সময়, কিছু কিছু স্থানে আমার মনে হয়েছে একা আসা ঠিক হয়নি। তবে সব মিলিয়ে আমার মনে হয়েছে একা হাঁটাটাই উত্তম হয়েছে। অনেক কিছু নিজের মতো করে উপলব্ধি করার সুযোগ হয়।
- ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
১৪|
১৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:০০
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
১৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:২৫
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- দ্বিতীয় বার স্বাগতম।
১৫|
১৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:০০
রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন:
- আগে আমার মনখারাপ হলে বই পড়তাম,কম্পিউটারে গেইম খেলতাম। এখন মেজাজ খারাপ হয়।
কারন আপনার বয়স বাড়ছে।
১৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:২৭
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- ভুল। এখন মন খারাপ হওয়ার কারণ কমেছে, ফলে মন খারাপ বিষয়টা অপরিচিতো হয়ে গেছে। তাই হঠাত করে সামনে এলে মেজাজ খারাপ হয়।
১৬|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৯:৫৬
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বেশ চমকপ্রদ রেল পথ ধরে সচিত্র হাটার বিবরণ । ছবিগুলি যেন কথা বলে । এর কন্টেন্ট এনালাইসিস এর
দুপাশের জনজীবনের অনেক কথারই জন্ম দিতে পারে । সে আলোচনা পরে হবে ।
ইদানিং সামুতে প্রকাশিত রাজনৈতিক ক্যাচালে পরিপুর্ণ পোস্টের ডামাডোলে নাক গলানোর মত পোস্টের আকালের
যোগে আপনার এই পোস্ট সাথে থাকা ছবিগুলি আমাকে বেশ আকৃষ্ট করেছে । জানিনা মন্তব্যের আকার না জানি
কত আড় হয়ে । জেনারেশন একাত্তর হয়তবা আমার মন্তব্যের লাইন গুণে পৃথক একটি পোস্ট প্রসব করেও
দিতে পারেন ।
রেল পথ ধরে পরে আমারো বিচিত্র অভিজ্ঞতা আছে আমার । স্কুল জীবনে প্রায়শই দৈনিক প্রায় ১৬ কিলোমিটার
রেল পথ ধরে হাটা হতো । বিষয়টি এখনকার যুগের অনেকের কাছেই হয়ত অবিশ্বাস্য বলে মনে হবে ।
তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা গুলি তুলে রাখলাম আপনার ঢাকা- ময়মনসিংহ রেল পথ ধরে হাটা নিয়ে পোস্ট
প্রকাশের পরে ।
এখন ঢাকা টু নারায়নগঞ্জ রেল পথে আমার যাত্রার একটি ঘটনা না বলে থাকতে পারছিনা । বিষযটিতে হয়তবা
কিছুটা অলৌকিকতার ছোয়া আছে । বিষয়টা একটু খোলাশা করেই বলি । পাকিস্তান আমলের কথা ।
বাবার সাথে ট্রেনে ঢাকা এসেছি । এক পর্যায়ে বাবার সঙ্গছোট হয়ে আমার সে সময়কার অভ্যাস অনুযায়ী একাই
নারায়নগঞ্জ মুখি ট্রেনে চেপে বসেছিলাম। নারায়নগঞ্জে নেমে শহরে গিয়ে ফেরার পথ হারিয়ে ফেলি ।
হঠাত দেখা হয়ে যায় গজারিয়া বাসী বাউস্যা পাগলার সাথে । এই পাগলেরো একটি ছোট ইতিহাস আছে ।
একবার এলাকায় ছেলে আতংক ছড়িয়ে পরে । উলেখ্য, ঘরবাড়ী ছাড়া বাউস্যা পাগলার পিঠে সবসময় একটি
বেশ বড় ছালার ব্যগে তার কাথা বালিস লোটা থাকত । একদিন সে আমাদের আসে।চিঠে বড় ছালার বস্তা
বইতে দেখে তাকে এলাকার ছেলেরি ছেলে ধরা সন্দেহে বেদম মারপিট শুরু করে । বাবা ও আমাদের সাথে
বিভিন্ন সুবাদে এই পাগলের জানাশুনা ছিল , তাই সে যাত্রায় সে রক্ষা পায় । যাহোক বাউস্যা পাগল আমাকে
দেখে জিজ্ঝাসা করে আমি এখানে কি করে এলাম আর যাবই বা কোথায় । আমি তাকে সব বললাম এবং পথ
হারিয়ে বাড়ী ফেরার জন্য হতাশ হয়ে পরেছি । সে আমাকে বলল ভয় নাই আর বলল তুই চোখ বন্ধ করে
আমার লোগুট শক্ত করে ধরে পিঠে ঝুলে পর , আরো বলল আমি না বলা পর্যন্ত চোখ কিন্তু কোনভাবে খুলবেনা ,
বলল চোখ খুলেছিসতো পিঠ থেকে ফেলে দিব ।
আমিও তার কথা শুনে চোখ বন্ধ করে তার পিঠে থাকা ছালার সাথে ঝুলে পড়লাম ( উল্লেখ্য তখনকার দিনে
গরমকালে পাগল কেন, অনেকেই শুধু খালি গায়ে লেংগুট পরিধান করম । লেংগুট ছিল আজকার দিনের
জাংগিয়ার মত) ।
অবসন্ন ক্লান্ত আমি কখন যে ঘুমিয়ে পরেছিলাম তা জানিনা, তবে তার পিঠে ঝোলে থেকে ঘুম থেকে জেগে চোখ
খুলে দেখি সে ঢাকার রাজপথের মাঝ দিয়ে আমাকে নিয়ে হেটে চলছে আমাকে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার জন্য ।
আর পিছনে শুনা যাচ্ছে অসংখ গাড়ির পে পো । কে শুনে কার কথা সে আমাকে নিয়ে হেটে চলছে তো চলছেই
আমাদের চেনা জায়গায় বাবার কাছে পৌঁছে দিতে , আর আমিও নিরাপদে ফিরেছিলাম ।
যাহোক, এবার আসি আপনার পোস্টের বিষয় নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনায় ।
আমরা অনেকেই জানি ঢাকা -নারায়ণগঞ্জ রেললাইন বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও নগরায়ণের
ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।ব্রিটিশ শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত এই রেলপথের জন্ম মূলত পূর্ববঙ্গের দ্রুত বিকাশমান
পাটশিল্প ও বাণিজ্য ব্যবস্থার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে। শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী নারায়ণগঞ্জ তখন পূর্ববঙ্গের প্রধান
নদীবন্দর । যেখান থেকে দেশের সর্বত্র উৎপাদিত কাঁচা পাট, বেলিং করা জুট ও নানা কৃষিপণ্য নৌপথে কলকাতা
ও বিশ্ববাজারে রপ্তানি হতো। ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জের মধ্যে দ্রুত, নিয়মিত ও স্বল্পব্যয়ী যোগাযোগের প্রয়োজনেই
এই রেললাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
রুটটি ঢাকা থেকে গেন্ডারিয়া হয়ে শ্যামপুর, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ পেরিয়ে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছায়। ভৌগোলিকভাবে
এটি একটি সরল, নদী সমান্তরাল করিডর যাকে বলা যায় একটি শিল্পঘনবসতি নির্ভর industrial rail artery।
মানচিত্রে একে বোঝা যায় একটি সরল রেখা আকারে, যার একদিকে শহুরে আবাস ও বাণিজ্য এবং অন্যদিকে
নদীবন্দর, গুদাম, জেটি ও শিল্পকারখানা। এই অনন্য অবস্থান এই রেলপথকে রেল–নৌ পরিবহনের এক সমন্বিত
অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পরিণত করে।
স্টেশনভিত্তিক ইতিহাসও রেলপথটির গুরুত্ব বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ। গেন্ডারিয়া স্টেশন পুরান ঢাকার বৃহৎ আড়ত ও
শিল্পঘন অঞ্চলের জন্য মূল প্রবেশদ্বার ছিল। বেশ আপনার যাত্রা স্থগিতের কারণে আমারো আজ এই পর্যন্তই ।
আপনার পরের পর্ব দেখতে এসে আবারো কথা হবে বাকি স্টেশনগুলি নিয়ে ।
পোস্টটি প্রিয়তে গেল
শুভেচ্ছা রইল
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৫৭
খায়রুল আহসান বলেছেন: একটা ভালো উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সেদিন আপনার সাথে ভ্রমণসঙ্গী কয়জন ছিল? শেষ পর্যন্ত হেঁটে হেঁটে কমলাপুর থেকে নারায়নগঞ্জ যেতে পেরেছিলেন কি? নাকি মাঝপথ থেকে রণে ভঙ্গ দিয়ে ট্রেন বা বাস ধরে বাড়ি ফিরে এসেছিলেন?
৩ ও ৪ নং ছবিদুটো সুন্দর। + +
পোস্টে প্রথম মন্তব্য ও প্রথম 'লাইক' রেখে গেলাম।