নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাউল মোহর

বাউল মোহর › বিস্তারিত পোস্টঃ

উপ-জাতি ভাষা, প্রথম পর্ব

২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:১৮

বাংলাদেশে ৪৫টিরও বেশি আদিম জনগোষ্ঠী রয়েছে। জীবন ও জীবিকার তাড়নায় এই আদিম জনগোষ্ঠী ছড়িয়ে পছে দেশ ব্যাপী। রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, সিলেট, বৃহত্তর ময়মনাসিংহ, পটুয়াখালি, বরগুনা, নবাবগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, হবিগঞ্জ প্রভৃতি জেলাগুলোতে প্রধানত এদের বাস। দু’-একটি গোত্র বাদ দিলে এই সমুদয় জনগোষ্ঠী প্রত্যেকে আলাদা ভাষা রয়েছে। রয়েছে অনেক লোকগাঁথা, রূপকথা, পালাগান; যা আমাদের লোকসাহিত্যকে আরো সমৃদ্ধ করে তুলতে পারে। অথচ এই ভাষা চর্চা বা সংরক্ষণ নিয়ে নেই কোন উদ্যোগ নেই। কালের আবর্তে এই আদিম ভাষাগুলো এখন বিলুপ্তির পথে







বাংলাদেশের আদিবাসী ভাষার মধ্যে বহুল প্রচলিত হল চাকমা, খাসিয়া, গাঁরো, মনিপুর, মুন্ডা, সাঁওতাল, মগ, ওঁরাও ইত্যাদি। এছাড়া কাচ্চারি, কুকি, টিপরা, মাল পাহাড়ি, মিকির, সাদ্রি ও হাজং ভাষাও কম-বেশি প্রচলিত। ১৯৯১ সালের আদমশুমারি মতে শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামে ৫লক্ষ এক হাজার একশ’ ১৪ জন আদিবাসী রয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাঁচ লাখেরও বেশি জনগোষ্ঠী চাকমা ভাষা ব্যবহার করে। আরাকান ভাষার অপভ্রাংশ হয়ে সৃষ্টি হওয়া মগ ভাষায় ভাষীর সংখ্যা দু’ লাখের বেশি লোক। প্রায় ২৫০ বছর পূর্বে প্রথম সুনামগঞ্জে মনিপুরি ভাষার প্রচলন হলেও বর্তমানে এই ভাষা পৌছে গেছে রাজধানীতেও। ঢাকার বিভিন্ন মনিপুর কলোনিতে প্রতি নিয়ত ব্যবহার করা হচ্ছে এই ভাষা। এছাড়া সুনাম গঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারে সব মিলিয়ে ৫০ হাজার মনিপুর রয়েছে, যাদের ভাষা মনিপুরি। সিলেটের পাহাড়ি বনাঞ্চলে বাস করা খাসিয়া আদিবাসীরা কথা বলে ওয়ার (ঙুধৎ) ভাষায়। এই একই এলাকায় বাস করা সিনটেং ও লালাং রা আবার তাদের নিজেদের ভাষায় কথা বলে। বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড় সংলগ্ন অঞ্চলে বাস করে গারোরা। এছাড়া দেশের বাইরে ভারতের মেঘালয় প্রদেশেও গারোদের বসবাস রয়েছে। এই গারোরা কথা বলে গারো ভাষায় যাকে তারা ‘আচিক কাথা’ (অপযরশ কধঃধ) বলে অবিহিত করে। গাজীপুরের শ্রীপুর, রংপুর ও সুনামগঞ্জ জেলাতেও কিছু গারো ভাষাভাসি রয়েছেআদিবাসী ভাষাগুলোর মাঝে আরো একটি গুরুত্বপূর্ন ভাষা হল মুন্ডা। ১৫-২০ হাজার আদীবাসি মুন্ডা ভাষায় কথা বলে। সাওতাল ভাষায় কথা বলে ৫০ হাজারে বেশি মানুষ। মালপাহাড়ি ভাষায় ন’ হাজার, টিপরা ভাষায় কথা বলে প্রায় দু হাজার, ৫০ হাজার সাদ্রি ভাষায় কথা বলে।

রংপুর, সিলেট, রাজশাহী, নবাবগঞ্জ, বগুড়া জেলায় এক লাখেরও বেশি ওরাও ভাষাভাসীরা বসবাস করে।





উৎপত্তিপত দিক থেকে চাকমা ভাষা বাংলা ভাষার নিকট আতœীয়। বাংলা ভাষার অনেক যতি চিহ্ন, ব্যকরণগত আইন ব্যবহার করা হয় চাকমা ভাষায়। এই মিল বাংলাদেওেশর অপরাপর আদিবাসী ভাষা গুলোর ক্ষেত্রেও সত্য। বুৎপত্তিগত সময় হিসের করলে বাংলা ভাষা থেকে আদিম ভাষা এসব আদিবাসী ভাষা। কিন্তু ভাষা গবেষণা, সংরক্ষণ ও লিখিত রূপের অভাবেএই ভাষাগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। এমনকি শিক্ষিত আদিবাসীরা তাদের নিজেদের ভাষায় কথা বললেও লেখার সময় বাংলা বর্ণ ব্যবহার করে। যদিও চাকমা ও মগ ব্যতিত আর কারো ভাষার লিখিত রূপ নেই।।

ওপরে আলোচিত এসব ভাষার অনেকগুলো এখন হারিয়ে যাবার অপেক্ষায়। সরকারি ভাবে নেই কোন সংরক্ষণের উদ্যোগ। এখন অনেক আদিবাসী তাদের নিজেদের ভাষার চে’ বাংলা ভাষায় বেশি ব্যবহার করে। প্রথম দিকে বাঙ্গালীদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বাংলাকে ব্যবহার করতো তারা আর নিজেদের মাঝে নিজেদের ভাষায়ই কথা বলত। কিন্তু এখন প্রায় সব সময়ই বাংলাতে কথা বলতে অব্যস্ত হয়ে পড়ছে। বর্তমানে টিপরা, মনিপুরিরা বাংলাতেইবেশি কথা বলে। হাদি,পাটোর, কোচ্, রাজবংশী, বেদেরা বাংলায় বেশি কথা বলে। আবার বগদি ও বিন্দিস তাদের নিজেদের ভাষায় কথা বললেও সেটা প্রায় বাংলার মতই।



আদিম ভাষা গুলোর দিকে লক্ষ করলে দেখা যাবে তাদের ভাষার মূল প্রান লোকগাঁথা। এসব ভাষার লোক কাহিনী অনেক উন্নত। অনেক ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার তুলনায় এই লোক কাহিনীর ভাষার গাথুনি, চিন্তা বা সামাজিক দর্শণ তুলনামূলক আধুনিক। এসব লোক গাঁথার মাঝে স্থান পেয়েছে গান, কবিতা, পালাগান, রূপকথা ও তাদের পুরানো বীরগাাঁথা প্রভৃতি। মগ, চাকমা, খাসিয়া ও গারোদের অনেক বর্বনামূলক নাটকে সাথে ময়মনসিংহ গীতিকার মিল খুজে পাওয়া যায়। এটা অনেক স্বাভাবিক একটা প্রকৃয়া। কারণ হিমালয়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের অনেক লোকগাঁথার সাথে বাংলাদেশে



বি. দ্র. ২০০৯ সালে প্রথম ব্লগ লেখার সময় আমার এই লেখা প্রকাশিত হয়েছিল, এই সামুতেই। তারপর, ব্যক্তিগত সমস্যা আর সামুর উপর কিছুটা অভিমান করে লেখালেখি থেকেই দুরে ছিলাম কয়েক বছর। আবার নতুন করে শুরু করলাম। এই লেখার স্বতত্ত্বাধিকার আমি নিজেই আগের লেখা মোহর নামে প্রকাশিত হয়েছিল, এবার করছি বাউল মোহর নামে

মন্তব্য ২১ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:২৮

আধারের কবি বলেছেন: আদিবাসী এর বদলে ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী হবে

পোস্টে প্রথম প্লাস :)

২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৩১

বাউল মোহর বলেছেন: লেখাটা তিন বছর আগের। কোন রকম পরবর্তন না করেই আবার পোস্ট করেছি। কষ্ট করে আদিবাসীর স্থানে ণৃ-তাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠি শব্দটি যোগ করে নিয়েন।

২| ২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৩১

বুদ্ধুবোকা বলেছেন: চাকমা,মারমা,মনিপুরি,সাওতাল এসব উপজাতি জনগোষ্ঠী যদি আদিবাসী হয় তাহলে এদেশের সংখ্যাগরিষ্ট জনগণ কি অভিবাসী ?
বাংলা কি অভিবাসী ভাষা ?

২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৩৪

বাউল মোহর বলেছেন: ভাই/বোন
কে আদিবাসী আর কে অভিবাসী..তা আমার আলোচনা বিষয় না। মাইন্ড খাইয়েন না। এ নিয়ে আমাদের জাতীয় সংসদ থেকে জাতিসঙ্ঘ পর্বন্ত আলোচনা করছে আসলে এই মানুষগুলোর নি নামে আখ্যায়ীত করা যায়।

আমিমূলত তাদের ভাষা নিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি। আপনার এই বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করছি খুব শিগিরই হয়তো আপনাদেরকে আরো একটা লেখা দিতে পারবো।

ধন্যবাদ

৩| ২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৩৭

আমনুল ইসলাম সুজন বলেছেন: ভাল লেগেছে

২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৪৮

বাউল মোহর বলেছেন: ধন্যবাদ

৪| ২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৩৯

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: আদিবাসী কই থিকা আইলো??????? বাংলাদেশে একমাত্র আদিবাসী বা্ঙালিরা। অন্য কোন আদিবাসী নাই। এইসব উপজাতিগো ভাষা যদি আদিবাসী ভাষা হয়, তাইলে বাংলা কি ভাষা?????


পোষ্টের শিরোনামে অতিসত্ত্বর "আদিবাসী" পরিবর্তন করে "উপজাতি" বসানোর অনুরোধ করছি। নাহলে পোষ্ট রিপোর্ট করতে বাধ্য হবো, সরাসরি সংবিধান লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার জন্য।

২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৫২

বাউল মোহর বলেছেন: নাহিয়ার ভাই, লেখার শেষে বি. দ্র দেখলে অনেক কিছু আপনার কাছে খোলাসা হয়ে যাবে।

আর, আপনি কিংবা আমি কেউই বাংলার আদিম অধিকাসী নয়। মূলত বাংলায় সাওঁতাল, মুন্ডা, কোল এই কয়েকটি বাতিগোষ্ঠির অধিবাসী ছাড়া আর কেউ ছিলোনা। এমকি আড়ায় হাজার বছর বা তা কিছু আগে আমাদের বাংলাদেশের ভুমি সৃষ্টি হয়েছে। আমরা অধিকাংশই এই আর্যদের শংকর জাতি।


আর, এক পৃথিবীতে সবাই মানুষ----এটা কি আমাদের পরিচয় হতে পারে না। কেন কে আগে এসেছে, কে পরে, এগুলো নিয়ে তর্ক। কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫| ২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৫৪

লেকিডন বলেছেন: গবেষণামূলক লেখা। উপরোক্ত ব্লগারদের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সহমত।

৬| ২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১৩

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: বা্ঙালিরা এই ভূমির আদিবাসী না এই উৎকট যুক্তি শুনে হাসি ছাড়া বেশি কিছু আসছে না। বাঙালি কিসের শঙ্কর জাতি, বাংলা ভাষার উৎপত্তি , এই বাংলাদেশের ভূমির গঠন এসব নিয়ে কিছুটা জানাশোনা অন্তত আছে। সুওত্রাং গল্প শুনতে আগ্রহী না এই বিষয়ে।

আর, এক পৃথিবীতে সবাই মানুষ- এই ধরনের তত্ত্বীয় ফিলোসোফি আমাদেরকে বয়ান না করে সেই সকল বার্মিজ ডাকাতদের বয়ান করুন যারা শ তিনেক বছর আগে বার্মা থেকে পালিয়ে এসে এখন পশ্চিমা প্রভুদের ইশারায় আদিবাসী সেজে বিচ্ছিন্নতাবাদী ষড়যন্ত্র করছে। আপনাদের এই হাস্যকর, যুক্তিহীন অনিচ্ছাকৃত কিংবা উদ্দেশ্যপ্রনোদিত "আদিবাসী" শব্দ ব্যবহার তাদের জন্য আশীর্বাদ। সাওতালরা এই ভূমিতে বাঙালিদের সমসাময়িক কিনা, তা নিয়ে কিছু যুক্তি-তর্ক আছে, কিন্তু বার্মিজ ডাকাতগুলো আদিবাসী দূরে থাক বরং পালিয়ে আসা ডাকাত সেটা প্রমানিত । কিন্তু আপনাদের এসব সস্তা ভুলগুলোর ফায়দা লুটছে ওরাই। এই কারনে আপনাকে বলেছিলাম তথাকথিত আদিবাসী ভাষা ব্যবহার না করে উপজাতীয় ভাষা ব্যবহার করতে। কিন্তু আপনি সেই অনুরোধ রাখেননি। বাধ্য হয়েই সংবিধান লঙ্ঘনের মাধ্যমে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে আপনার এই পোষ্ট রিপোর্ট করছি। সামু ব্যবস্থা নেবে কিনা সেটা তারা জানে। কিন্তু সুযোগমত "আদিবাসী" শব্দের এরকম অপপ্রয়োগের মাধ্যমে সংবিধান লঙ্ঘনের ব্যাপারটা সরকারের যথাযথ অথরিটির কাছেও তুলে ধরবো, তা আপনাকে জানিয়ে গেলাম।

২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:০৬

বাউল মোহর বলেছেন: আপনার জ্ঞানের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি....
আমি ভাষা নিয়ে আলোচনা করেছি। আদিবাসী না উপজাতি না ণৃ-তাত্ত্বিক জাতী গোষ্ঠি সেটা নিয়ে আমার আলোচনা নয়।

মাফ করবেন আপনাদেরকে কষ্ঠ দিয়ে থাকলে। তবে, সবিাই বার্ম থেকে এসে ডাকাতি করা শুরু করেনি।

এটাকে শুধু ভাষা বিষয়ক লেখা মনে করলেই খুসি হবো।

৩০ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০৩

বাউল মোহর বলেছেন: এই লেখাটি পড়ুন, না জেনে হুদাই ফালায়েন না


Click This Link

৭| ২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১৮

লেকিডন বলেছেন: বাংলায় জমিদারী প্রথা চালুর পর ইংরেজদের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া বিস্তৃত জমিদারীর জঙ্গল, পাহাড় আবাদ করার জন্য আঠার শতকের শুরুর দিকে বাঙালী জমিদাররা পশিচম ভারত থেকে সাওতাঁলদের এখানে আনে। সাওতাঁলরা প্রচন্ড পরিশ্রমী তাই পরবর্তীতে ইংরেজরা অখন্ড বাংলার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি চা বাগানের কাজের জন্য তাদের পশ্চিম ভারত থেকে পূনরায় নিয়ে আসে। ইংরেজ শাসন শেষ, জমিদারী প্রথা বিলুপ্তি হয়। শ্রমিক হিসেবে তাই তাদের নিজেদের জায়গাও হয় না কোথাও। এসকল কারণে তাঁরা এবং তাদের বংশধররা ওই সব জমিদারীর জংগল, চা বাগান ইত্যাদি জায়গায় বংশ পরম্পরায় বসবাস করে আসছে। এটাই সাওতালদের বাংলায় আগমনের সঠিক ইতিহাস। কষ্ট কম করে জানতে চাইলে ষষ্ঠ শ্রেণীর পাঠ্যবই '' বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়'' এর প্রথম অধ্যায়ের '' বাংলার জণ গোষ্ঠীর নৃ-তাত্ত্বিক পরিচয় '' অধ্যায়টি পড়ুন। যদিও বাচ্চাদের বই; তথাপি এই সকল বিষয়ের মৌলিক ধারণা গুলো ঝরঝরে বাংলায় স্পষ্ট করে দেয়া আছে।

৮| ২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১৮

আধারের কবি বলেছেন: নাহিয়ান বিন হোসেন ভাইয়ের সাথে একমত। আমরা মেনে নিচ্ছি এটা বেখেয়ালে হয়েছে। প্লিজ টাইটেল টা পরিবর্তন করুন। খুব সহজ একটা কাজ। ১০ সেকেন্ডের বেশি লাগার কথা না।

৯| ২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:২১

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: পোষ্ট রিপোর্টেড এবং অন্যদের কেও অনুরোধ জানাচ্ছি, এই শিরোনাম পরিবর্তন না হলে পোষ্ট রিপোর্ট করার জন্য।

১০| ২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:৩৩

শামিম অমি বলেছেন: santal,marma der niya kisu likhen nai keno?

২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:০৭

বাউল মোহর বলেছেন: ভাই, এটা প্রথম পর্ব। বাকি পর্বগুলোতে ঐ ভাষাগুলো নিয়ে লেখার চেষ্টা করবো।

১১| ২৮ শে আগস্ট, ২০১২ সকাল ৯:৪২

হেডস্যার বলেছেন:
আদিবাসী .... হা হা হা হা হা
মাঝে মাঝে মাইনাস বাটনটা খুব দরকারী মনে হয়। ;)

নাহিয়ান বিন হোসেন এর কমেন্টের জবাব তো পিছলাইয়া গেলেন...

১২| ২৮ শে আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:২৫

আধারের কবি বলেছেন: সন্দেহজনক মুভমেন্ট। উনার এরকম করার কারণ বুঝতে কষ্ট হচ্ছে।

১৩| ২৮ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৫

পাগলা রাশু বলেছেন: ... শিরোনাম পাল্টানো নিয়া এই পাল্টাপাল্টি আক্রমণ বন্ধ করে, আগে লেখার মর্মটা বুঝে এই টাইপের আরো কিছু পোস্ট আশা করতে পারি...। আমাদের সংবিধানে তো কতকিছু নিয়াই বিতর্ক আছে... নাম একটা সুবিধাজনক দিলেই হলো..

৩০ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৮

বাউল মোহর বলেছেন: সাপোর্ট করায় ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.