নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রিপ ভ্যান উইন্কেল

তোমার অস্তিত্বে সন্দিহান, তবু্ও সদাই তোমায় খুঁজি

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন

সর্বস্বত্ত লেখকের

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

নাপিত হইবার সাধ এ জন্মে আর মিটিলনা।

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬

বলা হইয়া থাকে আর্যরাই প্রাচীন ভারতে জাতিভেদ প্রথাটি আমদানী করিয়াছিলেন। আমদানীকৃত চারটি জাতির মধ্যে শুদ্ররাই ছিলেন সবচেয়ে নীচু প্রজাতির। মানুষের সেবামূলক কাজগুলো সম্পন্ন করাই ছিলো তাহাদের প্রধান দায়িত্ব। বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, সমাজে তাহারা ছিলেন সবচাইতে অসন্মানীত ও নিগৃহীত। শাস্ত্রমতে তাহাদের এই প্রকারের পরিণতির দায়ী তাহাদের পূর্বজন্মের অপকর্ম। নাপিতরা ছিলো সেই শুদ্র জাতিগোষ্ঠীরই একটি অংশ। তবে নিগৃহীত হইলেও ইহা সর্বদাই সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পেশা হিসেবে স্বীকৃত ছিলো। জীবনে নাপিতের কাছে যাইতে হয় নাই এমন লোক খুঁজিয়া পাওয়া সুখী মানুষের জামা খুঁজিবার চাইতেও কঠিন কর্ম।



জীবনে অনেক নাপিতের মাধ্যমে চুল কাটাইয়াছি। ইহাদের ভীড়ে ছেলেবেলার নানাবাড়ির সেই নাপিতটি ছিলেন অতিমাত্রায় অনন্য। তাঁহার স্মৃতি কখনও ভুলিবার নয়। আমার নানাদের অবস্থা ভালো ছিলো। শুনিয়াছি কোন একসময় তাহারা স্থানীয় জমিদারের গোমস্তা পর্যায়ের কিছু একটা ছিলেন। সেই সুবাদে তাহারা ধন-সম্পদ ভালোই রপ্ত করিয়াছিলেন। তাহাদের চুল কাটাইবার জন্য নাপিতের কাছে যাইতে হইতোনা। নাপিতেরাই বাড়িতে আসিয়া সেই কর্মটি সম্পন্ন করিতেন। মাঝে মাঝে নানাবাড়িতে বেড়াইতে গেলে আমরাও সেই সুযোগটি পাইতাম।



নাপিত বাড়িটি ছিলো নানাবাড়ির নিকটেই। বাড়িটি স্থানীয় লোকজনের নিকট নাপিত বাড়ি নামেই পরিচিত ছিলো। তবে যাহারা কিছুটা ভদ্রগোছের ছিলেন কিংবা কিছুটা পড়ালেখা শিখিয়াছিলেন তাহারা শীল বাড়ি নামে ডাকিতেন। নাপিতেরাও নিজদিগের নামের শেষে শীল শব্দটি যুক্ত করিত। সম্ভবতো তাহারা নিজদিগকে নাপিতের চাইতে শীল পরিচয় দিতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করিতেন।



যাহা হউক, বর্ণিত নাপিতের আলোচনায় ফিরিয়া আসি। সে ছিলো সন্দেহাতীতভাবেই অন্য সবার চাইতে আলাদা। তাহার তুলনা একমাত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'আমার ছেলেবেলা'র ব্রজেশ্বর মহোদয়ের সহিতই করা যাইতে পারে। প্রায় দু'যুগ পার হইয়া গেলেও তাহার চালচলনের ঠাট, সেই গোফের বাহার, গাম্ভীর্য্য এবং সর্বোপরি চুল কাটিবার সেই পদ্ধতি এখনও আমাকে নস্টালজিক করিয়া তুলে। তবে তাহার এই ঠাট কেবলমাত্র শিশুদিগের চুল কাটিবার সময় পরিলক্ষিত হইতো। বড়দের চুল কাটিবার সময় তিনি ছিলেন যথারীতি মার্জিত এবং অতিশয় অনুগত। চরিত্রের এই দ্বৈততা আমার চোখ না এড়াইলেও তাহার চুল কাটিবার পদ্ধতিকে আমার নিকট সবসময়ই উচুদরের শিল্পকর্ম বলিয়াই মনে হইত। চুল কাটিবার ক্ষেত্রে তিনি যেমন শৈল্পিক ছিলেন তেমনি যে তাহাকে দিয়া এই কর্মটি সম্পাদন করিত তাহাকেও যথেষ্ট শৈল্পিক হইতে হইতো। চুল কাটিবার সময় তিনি নড়াচড়া একদমই বরদাশত করিতেন না। যেইভাবে মাথা কাত করিয়া রাখিতে বলিতেন তাহার বিচ্যুতি ঘটিলে তাহার অবয়বের বিরক্তি দেখিলে মনে হইতো মহাভারতের কোন একটি চরণ বোধ হয় মারাত্বকভাবে ভুল উচ্চারিত হইয়াছে। বলাবাহুল্য, তাহার অবয়বের এই রূপটিও শুধুমাত্র শিশুদিগের চুল কাটিবার সময়েই দেখিতাম। বড়দের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন যথারীতি মার্জিত এবং অতিশয় অনুগত। চরিত্রের এই স্ব-বিরোধীতা সত্ত্বেও তাহার চুল কাটিবার ধরণকে আমার কাছে অনন্য মনে হইত এবং সে যখন চুল কাটিত তখন একদৃষ্টিতে তাহার হাত পরিচালনা দিকে তাকাইয়া থাকিতাম। মনে মনে ভাবিতাম, বড় হইয়া যদি তাহার মতো এমন অনন্য নাপিত হইতে পারিতাম। তবে লোকলজ্জার কারণে কিংবা সামাজিক বা পারিবারিকভাবে অপদস্থ হইবার ভয়ে তাহা কোনদিনও বাহিরে প্রকাশিত হয়নি।



সময়ের বিবর্তনে ছেলেবেলায় খুব নিকট হইতে দেখা 'নাপিত' পেশাটিতে অবশ্য ইতোমধ্যেই অনেক গুণগত পরিবর্তন আসিয়াছে। আগে যেখানে শুধুমাত্র শীল গোত্রের নমশুদ্ররাই এই নিগৃহীত কর্মটি সম্পাদন করিত সেখানে ধীরে ধীরে বাঁচার তাগিদে অন্য গোত্রের হিন্দুরাও এ পেশায় সামিল হইতে লাগিল। অল্পকাল পরে দেখা গেল যে মুসলমানরাও এই নিগৃহীত কর্মে সামিল হইতেছেন।



তবে এই পেশাটি সবচাইতে বেশি আলোচনায় আসিল যখন সুশীল নামে অভিহিত এক প্রকারের গোষ্ঠী ইহাতে প্রবেশ করিলেন। তাহাদের আগমনে নিগৃহীত এই পেশাটি রাতারাতি মহৎ পেশায় রুপান্তরিত হইলো। স্বাভাবিক কারণেই এই সুশীলদিগের চুল কাটার ধরণ অন্য শীলদের চেয়ে আলাদা। তাহারা নিজ হাতে এ কর্মসম্পাদন করেন না। দূর হইতে আদেশ, উপদেশ, বিবৃতি দিয়া থাকেন। ইহার কারণে তাহাদিগকে সুশীলের পাশাপাশি পরামর্শক নামেও অভিহিত করা হইয়া থাকে। তাহাদের পরামর্শের কারণে কর্মটি সফলভাবেসম্পাদিত হইলে পুরো কৃতিত্বটিই তাহার নিয়া নেন। ব্যর্থ হইলে পরামর্শ গ্রহীতাকে দায়ী করিয়া তাহার আপাদমস্তক ধোলাই করিতে পিছপা হননা। বলাবাহুল্য, এই সুশীলেরা কোন দেশীয় সেলুনে নিজেদেরকে জড়িত করেন না। বরং বিদেশী সেলুনে বিদেশী মালিকের অধীনে চাকুরী করিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করিয়া থাকেন। তাহারা দেশীয় মুদ্রায়ও বেতন গ্রহণ করেননা। বৈদেশিক মুদ্রায় বেতন উত্তোলন করিয়া থাকেন। সম্ভবতো অতিরিক্ত দেশপ্রেমই ইহার অন্তর্নিহিত কারণ। এই বিবর্তনের ধারায় গত কয়েক বছরে যেটা লক্ষণীয় তাহা হইলো, এই সমস্ত সুশীল নাপিতদের দাপটে আগে যাহারা পেশাদার নাপিত ছিলেন তাহারা একে একে তল্পীতল্পা গুটাইয়া বিদায় হইতেছেন।



পূর্বেই বলিয়াছি যে, একসময়ে নাপিত হইবার স্বপ্ন দেখিতাম। তবে সুশীল নাপিতদের দাপটে যেখানে পেশাদার নাপিতেরাই ভাত পাইতেছেনা সেখানে আমার মতো অনভিজ্ঞের অবস্থাতো সহজেই অনুমেয়। আশংকা করিতেছি এ জন্মে বোধ হয় আর নাপিত হইবার সাধ মিটিবেনা। তবে রাজা রবার্ট ব্রুস যার আদর্শ সে অতো সহজে দমিবে এটা আশা করাও উচিত হইবেনা। তাই সোজা পথে ব্যর্থ হইয়া বাকা পথে আগাইতেছি। শাস্ত্রে আছে যে যাহারা এই জন্মে বেশি পাপকর্ম করিবে তাহারাই পরজন্মে নমশুদ্র হইয়া জন্মিবে। সেই ভরসায় সর্বদাই ইচ্ছাকৃতভাবেই নানা পাপকর্ম সম্পাদন করিতেছি। আশা করিতেছি এ সমস্ত পাপকর্ম এবং ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদে পরজন্মে নমশুদ্র হইয়া জন্ম নিয়া অবশ্যই নাপিত হইবো।

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +১৩/-৩

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২

শুকলা দাস বলেছেন: ভালো লাগল লেখাটি পড়ে।

ধন্যবাদ।

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: ধন্যবাদ।

২| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২

ইলা বলেছেন: একটা পার্লার খুলে বসলেই পারেন। জীবনের সাধ মিটিবে।

উফ! লেখাটা একটু ছোট করা যায় না?

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৭

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: দেহি! পারি কিনা। কিন্তু ওইডা খুলতে গেলেওতো পুজিঁর দরকার।

৩| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮

স্বপ্নিক বলেছেন: :) :) :)
ভালো বলছেন.........
তবে আপনার পুনঃজন্ম হতে হতে এই পেশার সৌভাগ্য কোথায় গিয়ে ঠেকে তা বলা বাহুল্য......
একটা পরামর্শ দিই......... বিদেশ থেকে একটা ডিগ্রী নিয়ে আসুন, এই জন্মেই কাঙ্খিত পেশায় ভালো করতে পারবেন।

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: হ, ওই রকম একটা প্রচেষ্টা অবশ্যই আছে। তিন চার বছর কইবার পারি পারুম কি না।

৪| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪২

বৃত্তবন্দী বলেছেন: আহালে দুক্কু :(
আশা করি পরজনমে আপনি বিড়াট বড় সুশীল ক্ষৌরকার হইতে পারিবেন :)

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৩

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: আশীর্বাদ করিয়েন।

৫| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৩

চিকনমিয়া বলেছেন: তুমারে দিয়া চুল কাটানির শক হইচে:)

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৩

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: ভাতিজা, তোমারতো চুলই নাই।

৬| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭

চিকনমিয়া বলেছেন: তুমি না নাস্তিক, পরজন্মে তইলে বিশ্বাস আচে?

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৫

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: ভাতিজা, তুমিতো দেখতাছি তোমার জেডার কোন খুজই রাহেনা। স্বাধীনতা তুমি ভাই তোমার জেডারে ধমকাইয়া কবেইতো আস্তিক বানাইছে।

৭| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩

কালপুরুষ বলেছেন: ইচ্ছে এবং শখটা যদিও পছন্দের না, তবে লেখা হিসেবে ভাল হয়েছে। শীল না হলে সু শীল হবেন কি ভাবে? কু শীল কি হওয়া যায়?

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৬

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: দাদা ফটুকডা কী আফনের? নাকি আমাগো ভাতিজার?

৮| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৮

কালপুরুষ বলেছেন: ভাতিজা এখনো এতবড় হয়নি। বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে আমি দেখতে এমনই ছিলাম।

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২০

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: দাদাগো আফনেতো ভীষণ এসমার্ট আসিলেন। গার্লফেন্ডটা সংখ্যাটা জানান যায়?

৯| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:১৩

ফরিদুল ইসলাম শাওন বলেছেন: দেশে চুলকাটা শিক্ষার কোন বিদ্যাপিঠ খোলা যায় না

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:১৯

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মহোদয়ের সহিত যোগাযোগ করিয়া দেখিতে পারেন।

১০| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২৯

কৌশিক বলেছেন: তুই ধ্বংষ হয়ে যাবি! নে +

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫০

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: টাকলু! তোমারে নিয়া লেখা আরেকটা পোস্ট ড্রাফট করা আছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে এহনই ছাড়মু।

১১| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩৯

মেহরাব বলেছেন: চমৎকার..... +

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫১

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: ধন্যবাদ, সুপারম্যান।

১২| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:১৩

আশাবাদী!! বলেছেন: পড়ে ভালো লাগলো

তবে চলিত ও সাধু ভাষার সংমিশ্রন হয়েছে।

ভবিষ্যতে বিষয়টি লক্ষ্য রাখবেন আশা করি।

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: সাধু ভাষায় লেখার চেষ্টা করেছি। তবে ভুলবশত কিছু চলতি ভাষাও থাকতে পারে। এডিট করার সময় সংশোধন করে নিব।

ধন্যবাদ।

১৩| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:১৯

কৌশিক বলেছেন: ওরে না - এই ঠিক হইয়া গেলাম।

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩০

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: চান্দু এবার লাইনে আইছো।

১৪| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৩

মশহ বলেছেন: আশা করি নিজের উর্ধ্বাংগের ও নিম্মাংগের চুল গুলি কাটিয়া এ জন্মেই
ছোট খাটো সুশীল হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করিতে পারেন।

০২ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩১

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: ওটাও করতে পারিনা। কারণ এই দায়িত্বটাতো তোমার বউই পালন করে। তুমি জাননা?

১৫| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭

মশহ বলেছেন: তোমার কি হাত নাই টাইপ কর কি দিয়া। নাকি ওটাও আমার বউ করিয়া দেয়। আমার বউ আর কি কি দায়িত্ব নিছে তোমার, জানাইলে খুব খুশি হব। আরেকটা কথা তোমার বউ কি কামে বিজি আছে।

০২ রা জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০০

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: আজাইরা গায়ে পইরা ঝগড়া করতে আইছো কে ভাই। অন্য কাম করো। আমার উত্তরটা একটু বাজে হইছে। তবে তার জন্য তোমরা কমেন্টাই দায়ী।

এইসব খাওজ্জাইন্না আলাপ কইরা আমার লগে সুবিধা করতে পারবানা। আমার ব্লগে কেই ব্লকড নাই। তয় মনে হইতাছে তুমি সেইটার লাইগা পারফেক্ট।

১৬| ০২ রা জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬

মশহ বলেছেন: কমেন্টা পড়ে ভাল লাগল। খাউজাইতে পরবো না বিধায় পরাজয় মেনে নিলাম।দিলাম ++++++++

০২ রা জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: ধন্যবাদ। আশা করি আমার আমাদের কথা হবে।

১৭| ০৩ রা জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৫৯

ময়ুরবাহন বলেছেন: আপনি কোথা থেকে এইসব পান জানিনা। আর্য ভারতে বর্ণাশ্রম থাকলেও উঁচু নিচুর প্রভেদ তেমন ছিল না। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য শুদ্র মাতার সন্তান থেকেও ভারত সম্রাট হয়েছিলেন। বর্ণ নির্ভর করত কর্মের ওপর। পরবর্তীকালে মুসলমান অভ্যুথানের পর হিন্দু সমাজ সংরক্ষনশীল হয়ে পড়ে।

০৬ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: কিন্তু আমরাতো জানি হিন্দু সমাজের কঠিন বর্ণ প্রথার কারণেই পরবর্তীতে বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের সৃষ্টি হয়েছিলো। এ ধর্ম দুটির প্রবর্তক দু'জনই ছিলেন রাজপুত্র ও ক্ষত্রিয়। বলা হয়ে থাকে সমাজে বংশানুক্রমে চলা পুরোহিতদের ব্যাপক প্রভাব এবং বর্ণ প্রথার অযৌক্তিক চর্চার কারণেই তারা হিন্দু ধর্মের বাইরে এ দুটি ধর্মের প্রবর্তনে উৎসাহী হয়েছিলেন। এবং এতে সন্দেহ নেই যে সে সময়ে সাধারণের (নিম্ন বর্ণের) মাঝে এ ধর্মগুলো ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিলো।

যাহোক কোন প্রকার ধর্ম ত্বত্ত্ব নিয়ে আলোচনা আমার পোস্টের সামগ্রিক উদ্দেশ্য মোটেও ছিলো। তারপরেও যদি আমি আপনার ধমানভূতিতে কষ্ট দিয়ে থাকি তবে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তবে হিন্দু সমাজে বর্ণ প্রথা ছিলোনা এটা আমি এই প্রথম শুনলাম। আর দু' একজন লোক নীচু কূল থেকে বড় হলেও তা সমাজের সামগ্রিক চিত্র বহন করেনা। এগুলো ব্যতিক্রম। ব্যতিক্রম কখনও উদাহরণ হতে পারেনা। আপনি যে গুপ্ত সাম্রাজ্যের কথা বললে সে বংশের আরেক পুরুষ সম্রাট অশোক এক মঠ কন্যাকে বিয়ে করার কারণে তার বাবা তাকে রাজপ্রাসাদে ঠাই দেননি। আমার মনে হয় এ ত্বত্ত্বটি আপনি জানেন।

ধন্যবাদ।

১৮| ০৩ রা জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৫৭

প্রণব আচার্য্য বলেছেন: ঠিক মতো পড়িতে পারিলাম না; পরে আবার পড়িতে হইবে

০৬ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৩৭

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: কেন? চশমাটি কী হারাইয়া গিয়াছিলো?

১৯| ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২৬

প্রণব আচার্য্য বলেছেন: বেশ লাগিল....

০৬ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: ধন্যবাদ। দাদা, কেমন আছেন?

২০| ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭

বাবুয়া বলেছেন: আপনার েলখা যত পড়ছি ততই মুগ্ধ হচ্ছি .

০৬ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১০

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: আপনার বাংলা লেখা দেখেও আমি মুগ্ধ হচ্ছি।

২১| ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪

হুদাই বলেছেন: চুল কাটুমু কৈ থিক্কা?

০৬ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: ভালোভাবে কাটাইতে চাইলে মামো কিংবা কৌশিকের লগে দেহা করেন।

২২| ০৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৫৯

আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ভালো লেখা।

০৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:০০

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেক দিন পর আপনার মন্তব্য পেলাম। কেমন আছেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.