নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের অন্বেষণে আছি, কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছি না! আমি সেই অজ্ঞ মানব!

রাফিন জয়

সত্যের অন্বেষণে আছি, কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছি না! আমি সেই অজ্ঞ মানব!

রাফিন জয় › বিস্তারিত পোস্টঃ

জীবন থেকে নেয়া

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৩২

একটা গল্প... গল্প ভাল লিখতে পারি না তা সত্য, তবে এটা জীবন থেকে নেয়া গল্প। ধরে নিন আমি এক অবুঝ বালক--- আমি ধর্ম, জাত, দেশ কিছু বুঝি না। জানি শুধু দিগন্ত ছোঁয়া মাঠে খেলতে। বনবাদাড়ে সব বন্ধুদের সাথে সপ্তরঙ্গা মনে আনন্দে কাটে আমার সারা সময়।

অকস্মাৎ এক প্রভাতে প্রভাতী ম্লান আলো কাটতে না কাটতেই, বাবা আমাদের হাত ধরে দৌড়তে শুরু করলো, কিছু জিজ্ঞাসা করার ও সময় পেলাম না। এক হাতে বাবা আমায় ধরেছে। মামা আর বাবা পালকির মত করে একটা বাঁশ দিয়ে ঠাম্মাকে একটা ঝাঁকায় করে কাঁধে বয়ে নিয়ে দৌড়চ্ছে। সাথে আছে মা, পিসি ঠাম্মা, মামা, বড়দি সহ মামাবাড়ির ও দাদু বাড়ির আরও অনেকজন। কোথায় যাচ্ছি? জানি না তখনো। তবে দেখলাম যে আশু গতিতে আমাদের সাথে যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অনেকটা পথ হাটার পরে কয়েকটা গাড়ি করে একদল জল্পাই রঙের পোশাক পরা লোক আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে। কত সুন্দর গাড়ি দেখে আমি একটু কৌতূহলী হয়ে তাকালাম। অকস্মাৎ খই ফোটার শব্দ। শত শত সব লক্ষ্যহীন পদে দৌড়তে শুরু করলো। একটা সময় জীবন বাঁচানর জন্য ঠাম্মাকে ঝাঁকাসহ মাটিতে রেখেই বাবা আমার হাত ধরে ক্ষিপ্র গতিতে দৌড়তে শুরু করলো। সবাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল। এখন শুধু বাবা আর আমি।

সবার মাঝে বড়দি যেন কোথায় হারিয়ে গেল। ঠিক খুঁজে পাচ্ছি না। অনেক পরে দিদি, মা আর মামাকে খুঁজে পেলাম। পিসিঠাম্মাকে পেয়েও পেলাম না। কারণ তার পিঠে একটা গুলি লেগেছে। এখন সে আধমরা লাশ! পিসিঠাম্মার রক্তে ছয়লাব করেছে চুক নগরের ভূমি... তাকে ছেড়েই চলতে হবে এবার। না হয় যে মরতে হবে। জীবিত স্বজনকেই এবার লাশ ভাবাটা শিখে নিলাম প্রথম বারের মত। স্বজনের লাশ ডিঙিয়ে এগিয়ে চললাম। উদ্দেশ্য এবার ভারত। কি জানি কোথায় এই ভারত? এটা ঢাকাতে নয়তো!

এরপর দেখলাম যে ঠাম্মা বেঁচে আছে। ঝাঁকার মধ্যে বসেই সে বাবার নাম ধরে রবিন রবিন করে কান্না করছে। কিন্তু ভাগ হয়ে গেলাম দুটো। বাকি অনেকের খোঁজ পেলাম না। তাই এবার চলতে হচ্ছে তাদের ছাড়াই। যাওয়ার সময় কয়েকবার তাকালাম পিসিঠাম্মার আধমরা লাশের দিকে... গোপনে দুফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দিয়ে সামনে এগোতে শুরু করলাম। তবে তখনো আমি জানি না কেন আমরা যাচ্ছি!

কি জানি পিসিঠাম্মা পরে কোন শকুন আর শেয়ালের আহার হয়েছিল! আজও তার কথা মনে পড়লে অশ্রু সাগরের নোনতা জলধারা নেমে আসে দুচোখ থেকে!

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


গল্পের শুরুতে, গল্প নিয়ে ভুমিকা করতে হয় না।

আপনার গল্পের ভালো প্লট ছিলো, কিন্তু গল্পটি সুন্দর করে সাজানো হয়নি

২| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০২

ইসমাম মাহমুদ বলেছেন: হে প্লট গুলো সাজানো সুন্দর হয়নি, কিন্তু গল্পটা দারুণ ছিলো।

৩| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:০৬

রাফিন জয় বলেছেন: ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.