| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভাই আমার লিখার অভ্যাস নাই , ফোনেটিকে লিখি অনেক হরফ লিখতে পারি না তাই বানানে ভুল হওয়া স্বাভাবিক । এক ভাইয়ের লিখাতে কমেন্ট করেছি তা বিচারের জন্য সামুর পাঠকের কাছে তুলে ধরলাম । কেউ যদি বলে নিজে নিজে একটা বিল্ডিং হয়ে গেছে তার নাই কোন মেস্তরি নাই কোন ইন্জিনিয়ার , খোদ আপনা আপনি ইট এসে গেছে , বালি সিমেন্ট সব নিজে নিজে এসে গেছে , নিজে নিজে পালাষ্টার হয়ে গেছে , রং নিজে নিজে হয়ে গেছে , দরজা - জানালা ,লাইট - ফ্যান , সব নিজে নিজে হয়ে গেছে । কেউ বিশ্বাস করবে ? করবে না । আর কেউ যদি বলে খুব জোরে একটা বিষ্পোরণ হয়েছে । এই বিষ্পোরনে বিশাল একটা বিল্ডিং হয়ে গেছে যাতে অত্যাধুনিক সব সুবিদা আছে কেউ মানবে ? মানবে না এগুলো গাজাখোরি কথা । যে কোন জিনিস নিজে নিজে হয় না , তার বানানে ওয়ালা বা স্রষ্টা থাকে।একটা সূই ও নিজে নিজে হয় না । এতো বিশাল পৃথিবী , আকাশ , ( রাতে মনে হয় যেন কেউ আলোক সজ্জা করেছে কে তিনি ? ) পাহাড় - পর্বত , নদী - নালা , বন - জংগল , বিশাল সমুদ্র , মানুষের উপযোগী করে সৃষ্ট সব নিজে নিজে হয়ে গেছে ? আসম্ভব ? অবশ্যেই তার সৃষ্টিকর্তা রয়েছে যুক্তি তাই বলে । যুক্তি বা আকল এটা ও বলে সৃষ্টিকর্তা একের অধিক হতে পারে না , হলে পরষ্পর মতভেদের সৃষ্টি হবে । আর তাতে পৃথিবীই ধংস হয়ে যাবে । কেউ বলবে সূর্যকে পূর্বদিক হতে উঠাবো কেউ বলবে উত্তর দিক হতে উঠাবো । এভাবে পৃথিবী ধংস হয়ে যাবে । যুক্তি আমাদের একথা বলে সৃষ্টিকর্তা আছে তিনি একজন । তবে কে সেই সৃষ্টিকর্তা ? তাকে নিজে স্বয়ং এসে আমাদের বলতে হবে আমিই তোমাদের সৃষ্টিকর্তা , বা তার পকখো হতে প্রতিনিধি আসতে হবে বা প্রমাণ আসতে হবে । তিনি অতি মহান তার কোন তোলনা হয় না , ইহকালে তাকে দেখা কারো পকখে সম্ভব না । তিনিই মানব জাতির প্রতি দয়া করে যুগে যুগে মানব জাতি হতে নাবী - রাসূল পাঠিয়েছেন , তারা মানব জাতিকে একথাই বলেছেন একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করো তিনি ছাড়া তোমাদের অন্যেকোন সত্যে মাবুদ নাই । তারা মিথ্যায় অভ্যস্হ ছিলেননা , নিজের ব্যক্তি সার্থে মিথ্যা বলতেন না । আল্লহর ব্যাপারে এসে মিথ্যা বলবেন ? অসম্ভব । ইতিহাস সাকখি যুগে যুগে যারা নাবী - রাসূলদের কথা মান্য করেছে তারা মুক্তি পেয়েছে , যারা অমান্য করেছে তারা ভয়ানক পরিনতির সম্মুখীন হয়েছে (ধ্বংস হয়েছে ) . যেমন নুহ সম্প্রদায় , লুত সম্প্রদায় , আদ সম্প্রদায় প্রমুখ । মুহাম্মদ (সাঃ)হলেন আল্লাহর লাষ্ট এন্ড ফাইনাল রাসূল , তিনি ও মানুষকে একথা বলেছেন একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করো আল্লাহ ছাড়া তোমাদের অন্যে কোন সত্যে মাবুদ নাই । ততকালীন আরবের লোকেরা মূর্তি পূজা করতো , তারা ছিল এক অসভ্য বর্বর জাতি , খুন-খারাবি তাদের কাছে সাধারণ ব্যাপার ছিল , তিনি যখন মানুষের কাছে বললেন তোমরা লা ইলাহা ইল্লাললাহ বল , ভাল কাজ করো অন্যায় হতে বিরত থাক ( কন্যা শিশুকে জীবিত হত্যা করো না ) তখন আরবের বর্বর জাতি তার উপর খেপে গেল , তারা তাকে মারতে উদ্যত হলো । তাদের একথা অজানা ছিলনা যে , তার মত ভাল লোক আর হয়না । তার উপাধি ছিল আল আমীন বা বিশ্বাসী । আরবের কাফেররা বলল আপনি কেন আমাদের মাবুদ গুলোর বিরুদ্বে বলছেন যাদের আমাদের বাপ - দাদা চৌদ্দগোষঠী ইবাদত করতো , আপনার প্রতি আমাদের আস্হা বিশ্বাস রয়েছে আপনি মিথ্যা বলার মত লোক নন , পূর্বে আপনার কাছে কখনো মিথ্যা কথা শুনিনি । আপনি কি চান বলুন আপনি যদি চান আরবের রাজা হতেন আমরা আপনাকে আরবের রাজা বানিয়ে দিবো আপনার উপর আমাদের আস্হা বিশ্বাস রয়েছে , আর যদি চান আরবের মধো সবচাইতে ধনী হতে আমরা সবাই মাল উঠিয়ে আপনাকে ধনী বানিয়ে দিব , আর যদি চান আরবের সুন্দরী নারীদের বিবাহ করতে আমরা আপনার প্রস্তাবে রাজি । এর জবাবে রাসূলুল্লাহ(সাঃ)বলেছেন তোমরা যদি আমার এক হাতে সূর্য অন্যে হাতে চন্দ্র দাও ( অসম্ভব জিনিস) তবু ও আমি তোমাদের কাছে তাই চাইনা , আমি চাই তোমরা একথা বলবে লা ইলাহা ইল্লাললাহ ( আল্লাহ ছাড়া অন্যে কোন সত্যে মাবুদ নাই ) তিনি যদি মিথ্যাবাদী হতেন সেদিন রাজা হওয়ার প্রস্তাব গ্রহন করে নিতেন । বলতেন বিশাল আরবের রাজা হয়ে যাব আর কিসের দরকার অথচ তিনি ছিলেন আল্লাহর নাবী সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে । কোন সন্দেহ নাই তিনি যে আল্লাহর নাবী পৃথিবীর ৪৫% পার্সেন্ট লোক পরম উৎসাহে ইসলামকে গ্রহন করে নিয়েছেন কাউকে জোর করে তরবারি উঠিয়ে ইসলামে আনা হয়নি । কমিউনিস্টরা ধর্মের যে সব দুর্বল দিকগুলোর সমালোচনা করে তা হিন্দু ধর্মের মধো রয়েছে । হিন্দু ধর্মের তুলনায় কমিউনিজম ভাল ঠিকই কিন্তু কমিউনিজমের তুলনায় ইসলাম শত সহস্র গুণ ভাল । পৃথিবীর যে সকল দেশে কমিউনিস্ট শাসন রয়েছে দেখুন মানবতা সেখানে লুনঠিত ।দেখুন ভিয়েতনামের অবস্হা , দেখুন চায়নার অবস্হা (আমার এক সহকর্মি রয়েছে চায়নার তার সাথে তাদের কলোনিতে গিয়েছিলাম ধর্মহীন লোকদের নিজচোখে দেখেছি পশুর মত জীবন তাদের একই বাথরুমে নারী - পুরুষ যা যা করছে নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায়না ) রাশিয়ার অবস্হা দেখুন পৃথিবীর সব চেয়ে ধনী রাষ্ট্রটি আজ কমিউনিজমের কারনে ভিকখুকে (ঋণের , দূর্নীতির কারনে ) পরিণত হয়েছে । আর ধর্মহীন নর পশুরা (কমিউনিস্টরা) আফগানিস্তানে বর্বরতাকে ও হার মানিয়েছে । নামাযেরত মুসুল্লিদের ব্যাশপায়ারে হত্যা করেছে।নারী - শিশুদের কে জ্বালিয়ে তারা উল্লাস করতো । পুরো আফগানকে তারা করেছে মাইনের দেশে । তারা আফগান শিশুদের ধ্বংস করার জন্য বানিয়েছে খেলনা মাইন নিষ্পাপ অবুঝ বাচ্চারা রাস্তা হতে খেলনা মনে কুড়িয়ে নিত সাথে সাথে প্রবল বিষ্পোরনে তাদের দেহ চিন্ন - বিচিন্ন হয়ে যেতো । আফগানিরা যখন কমিউনিস্টদের নির্যাতনে কান্না করতো তখন তারা ঠাট্রা করে বলতো তোদের খোদাকে ডাক আর বলতো খোদা নাই আমরাই ( কমিউনিস্টরা ) খোদা ।আল্লাহদৌহীদের অহংকার মাটিতে মিশে গেছে তাদের শত শত সেনা ইউনিট আফগানের মাটিতে হারিয়ে গেছে । দুনিয়ার সামনে আপমানিত হয়ে সামান্য কিছু সেনা নিয়ে তারা রাশিয়াতে ফেরত আসছে । আর কমিউনিস্টদের কাছে কি প্রমান আছে সৃষ্টিকর্তা নেই তারা শুধু ধারনার উপর মানুষকে বিব্রান্ত করছে । আমি এক কমিউনিস্টকে প্রশ্ন করেছি আপনি যখন বিপদে অসহায় পড়েন তখন কাকে ডাকেন ? উত্তরে বললো আমি অজানা একজনকে ডাকি আমি বললাম তিনিই আপনার আমার সৃষ্টিকর্তা । তিনিই মানুষকে বানিয়েছেন তার ইবাদত করার জন্য । তিনিই আকাশ পৃথিবীর মালিক । তিনিই মানুষকে দুটি পথ দিয়েছে (একটি ভাল অন্যেটি মন্দ ) এবং তাকে যে কোন একটি গ্রহন করার জন্য স্বাধীনতা দিয়েছেন । যে ভাল করবে তার বদলা তাকে দিতে হবে যে মন্দ করবে তার বদলা ও তাকে দিতে হবে এটাই ইনসাফ এটাই ন্যায় বিচার । এর জন্য দরকার চিরস্হায়ী এক জীবন এটাই পরকালীন জীবন ।
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:৩০
রাহীম বলেছেন: আপনি সত্য বলেছেন,আল্লাহ সব চেয়ে বড়।ধন্যবাদ।
২|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৫২
প্রভাষক বলেছেন: ভাই...
কিছু-ই যদি নিজ থেকে না-সৃষ্টি হতে পারে... তা-হলে... আপনার স্রস্ট্রা কি-ভাবে এলেন???... তিনি কি নিজে নিজে সৃষ্টি হন-নি???...
১৬ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:১০
রাহীম বলেছেন: অর্থহীন প্রশ্ন?নিম্নে শ্রদ্বেয় এক ভাইয়ের উত্তর দিয়েছি।মাথায় ক্যাচ করে কিনা দেখুন?
৩|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৫৫
ফজলুল করিম বলেছেন: মাইনাস
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:৩২
রাহীম বলেছেন: থানকস মাইনাস দেয়ার জন্য।
৪|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৫৬
ঘোড়ারডিম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
১৬ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:১৮
রাহীম বলেছেন: আল্লাহ আপনার জীবনকে সার্থ্যক করুক।ধন্যবাদ।
৫|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:০০
অগ্নিবীনা বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৬ শে মে, ২০১২ রাত ৯:০৭
রাহীম বলেছেন: আপনাকে ও ধন্যবাদ, মন্তব্য করার জন্য ।
৬|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:০২
আইলা বলেছেন: ব্যনারে দেব-দেবীর ছবি দেখে কি জনাবের ঈমানী দন্ড খাড়া হয়ে গেছে ?...মাথায় াল উঠে গেছে ??
জনাব আপনের ঐ বিদ্যালয় থিয়োরীটা কন তো আবার
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:০২
রাহীম বলেছেন: কমিউনিস্ট দের বিরুদ্বে সত্য কথা বলাতে রাগ করলেন কিনা?বাস্তব কথা বলেছি আমি।কমিউনিস্টরা ধার্মিকদের সমালোচনা করতো তারা বলতো আমরা বিবেক দ্বারা পরিচালিত।কিন্তু আমি নিজ চোখে ধর্মহীনদের দেখেছি।পশুর মত জীবন তাদের।যদি ধর্মহীন দের দেখতে চান তবে চায়না কিংবা ভিয়েতনাম ঘুরে আসুন।ধর্মহীন পশুরা কসভোতে কোন আকাম-কুকাম বাদ রেখেছে।ধর্মহীনদের এগুলো হলো দুনিয়াবী পরিণতি আখেরাতে তারা হবে চরম খতিগ্রস্হ।
৭|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:০৮
শাহেদ রুবেল বলেছেন: কামারের দোকানে কোরআন শরীফ পড়ে লাভ নাই। এদের জ্ঞান কখনো সঠিক পথে আসবে না!!!!
লেখা ভাল হইছে ++++
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:১৫
রাহীম বলেছেন: আমি শুধু আমার কর্তব্যটা পালন করেছি।হে আল্লাহ তুমি সাকখি থাক।আল্লাহ আবশ্যেই জানতেন যে,ফেরাউন ঈমান আনবে না।তবু ও জলীল কদর পেয়গামবর মুসা(আঃ)কে ঈমানের দাওয়াত দিতে ফেরাউনের কাছে পাঠিয়েছেন।এটা শুধু এজন্য যে,যাতে করে দলীল কায়েম হয়ে যায়।যাতে বিচারের দিন কেউ একথা বলতে না পারে যে,আমার কাছে কোন সতর্ককারী আসেনি।ধন্যবাদ শাহেদ ভাই আপনাকে সালুট।
৮|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:১৭
মৃগয়া বলেছেন: @আইলা...
তুমারে খালি দন্ড লইয়া কুমেন্ট মারতে দেহা যায়.. ব্যাপার কি????
তুমার দন্ড কি ঠিকমত চারবিচ দিচ্ছে না??
তুমাগো দেবীর ছবি দেখিয়া তুমাগ এমন হয় তা জানা ছিল না....
তুমারে দেইখা পরমান পাইলাম...
১৫ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৯:৪৪
রাহীম বলেছেন: ধন্যবাদ
৯|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:১৮
অাবু জাফর বলেছেন: আল্লাহু আকবার।
ভাই...
কিছু-ই যদি নিজ থেকে না-সৃষ্টি হতে পারে... তা-হলে... আপনার স্রস্ট্রা কি-ভাবে এলেন???... তিনি কি নিজে নিজে সৃষ্টি হন-নি???...
কামারের দোকানে কোরআন শরীফ পড়ে লাভ নাই। এদের জ্ঞান কখনো সঠিক পথে আসবে না!!!!
লেখা ভাল হইছে ++++
১৬ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:২৭
রাহীম বলেছেন: তিনিই আদি,তিনিই অন্ত,তিনিই ব্যক্ত,তিনিই গুপ্ত এবং তিনি সর্ব বিষয়ে সম্যক অবহিত।তিনি আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন।তাকে আবার কে সৃষ্টি করবেন?তিনি কারো মুখাপেখখি নন।আমরা বাবা ছাড়া ছেলে-মেয়ে হতে পারি না,ছেলে-মেয়ে ছাড়া বাবা হতে পারি না।আমরা সবাই মুখাপেকখি আল্লাহ কারো মুখাপেকখি নয়।অস্তিত্বের দিক দিয়ে সকল সৃষ্টর অগ্রে ও আদি তিনি,তিনি ব্যতীত সবই তার সৃজিত।তিনি সব কিছু জানেন,আমাদের গ্যান সীমিত।তার অনন্ত গ্যানের কোন বিষয় কেউ ধারনা করতে পারে না।সে জন্যেই তো আমাদের আল্লাহর সৃষ্ট বিষয়ের প্রতি গবেষণা করতে বলা হয়েছে,আল্লাহ সম্পর্কে নয়।আল্লাহর সৃষ্ট বিষয়ে গবেষণা আমাদের উপকারে আসবে প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় আবিষ্কার হচ্ছে মানুষ উপক্রিত হচ্ছে।উদাহরণত একটি চোকখুর কথা ধরুন একজন মেধাবী ছাত্র ইন্টারমেডিয়েটে ভাল পাস করার পর সে এমবিবিএস করার পর চোকখু বিষয়ে এফসিপিএস পাস করলো একটা ডিগরি নিল চকখু বিষেসগগ।এটা একটা সোনদদি বচন তার মানে বিশেষ যোগ অগগ।অথ্যাৎ চোকখুর বিষয়ে সে অনেক কিছু জানে আবার অনেক কিছু জানেনা।দেখা যায় একটা চোখে একটু সমস্যা তাকে অপরেশন করতে যেয়ে পুরো চোকখ খারাপ করে দেয়া হয়।অথচ শত শত বছর ধরে মানুষের গবেষণা ছোট্ট একটা চোকখুর গ্যান পুরো পুরি অর্জিত হয়নি,তার মানে কি?অথ্যাৎ মানুষকে তিনি খুদরো গ্যান দিয়েছেন।মানুষের ম্যামরি খুব কম যে ম্যামরিতে আল্লাহর সৃষ্ট খুদরো জিনিসের বিষয়ে জানতে হিমসিম খেতে হয়,তবে হ্যা এতে মানুষ উপক্রিত হয় এজন্য এটার গবেষণায় ছাওয়াব মিলে।কিন্তু আল্লাহ সম্পর্কে এই প্রশ্ন একেবারেই অর্থহীন।যে মানে তার এক কথা যে মানে না তার দশ কথা।আল্লাহই ভাল জানেন।আপনার কপালে শ্রদ্বা স্বরুপ দশটা চুমো।
১০|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:৪২
ফজলুল করিম বলেছেন: মাইনাসের জন্য দুঃখিত। ভুল হয়েছে।
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:২৬
রাহীম বলেছেন: ফজলুল করিম সাহেব,আমি রাগ করিনি,আমরা কেউ ভুলের উদ্বে নই।তবে যে ভুল স্বীকার করে তিনি অনেক বড়।একমাত্র আকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা আল্লাহ তিনি নির্দোষ,তার মত আর কেউ নাই,আমরা সকলেই তার গোলাম তিনি আমাদের মালিক।আল্লাহ আপনাকে নেক হায়াত দিক।ধন্যবাদ।
১১|
১৬ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:০১
জুবায়ের হাসান বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। লেখাটা প্যারা করে দিলে পড়তে সুবিধা হতো। এ ধরণের আরো লেখা চাই।
২৬ শে মে, ২০১২ রাত ৯:১৩
রাহীম বলেছেন: দিলাম, ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য ।
১২|
১৬ ই অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৪:০৮
রাহীম বলেছেন: thank u
১৩|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৪২
বাঘা তেঁতুল বলেছেন: ধন্যবাদ এই রকম একটা লেখার জন্য
২৭ শে মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৩
রাহীম বলেছেন: উত্তম জাঝা ।
১৪|
১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪২
শাববির বলেছেন: চালিয়ে যান সামনের দিকে।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫৫
রাহীম বলেছেন: উৎসাহিত হলাম । দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাকে মানুষের খেদমত করার তাওফিক দান করেন । জাজাকাল্লাহু খাইর ।
১৫|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০৯
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: মহাবিশ্ব সুশঙ্খল বিবেচনা করে ঈশ্বরের অস্তিত্ব খোঁজা অবান্তর। মহাবিশ্ব যদি অন্যভাবে চলতো সেটাও আমাদের কাছে সুশৃঙ্খল বলেই মনে হতো। পদার্থের নীতিগুলো যদি অন্যরকম হতো তাহলে হয়তো মহাবিশ্ব অন্যরকম হতো।
আবার বিভিন্ন ধর্মের আলোকে ঈশ্বরের বর্ণনায় ব্যপক গোজামিল রয়েছে। ধর্মে ঈশ্বরকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ব্যাখ্যা করা হয়। বিভিন্ন ধর্মে ঈশ্বরকে প্রকারান্তরে 'মানুষ' হিসেবেই বর্ননা করা হয়েছে। এবং সে মানুষটি ছোটলোক। যার সঙ্গে মানুষের দেওয়া নেওয়ার সম্পর্কে বাধা। সৃষ্টিকর্তাকে ধর্মগুলো সর্বশক্তিমান হিসেবে ব্যাখ্যা করে বলে তিনি কোনো জীব নন, মানুষ তো ননই।
এ কথা বলার পরও দেখা যায় তাঁর মধ্যে সকল মানবিক গুণ বিদ্যমান। তাঁর কর্মকাণ্ডও মানুষের মতো। তাঁর কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আমলা (ফেরেশতা বা দেবদেবী) লাগে।
তবে সমগ্র মহাবিশ্ব চালায় পদার্থের 'ল' বা নীতি। এই শক্তিটাই আসলে সর্বশক্তিমান, যার কোনো বিনাশ নেই। এ শক্তির কোনো সত্ত্বা বানানোর প্রয়োজন নেই। একটা জিনিস স্পষ্ট যে, জৈবিক পদার্থও তাঁর নিয়ম মেনে চলে। একটা মানুষ মাতৃগর্ভে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েই জন্মাতে হয়। পরিনত অবস্থায় ওপর থেকে দুনিয়াতে কেও ফেলে দেয় না।
'যাইহোক সৃষ্টিকর্তা কি ছোট লোক মানুষ?' শিরোনামে একটি পোস্ট দিব শিগগিরই। পড়ার আমন্ত্রণ রইলো। আর বিভিন্ন ধর্মের নামে মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করে ফায়দা লুটছে কিছু মানুষ।
ধর্মকে ব্যক্তিগত ভোগের হাতিয়ার বানিয়ে যেভাবে ভণ্ডামি করা হচ্ছে তা নিয়ে গত রমজানে আমি একটি পোস্ট দিয়েছি। পড়ার আমন্ত্রণ রইলো।
Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৫০
সৈয়দ মোহাম্মদ আলী কিবর বলেছেন: আল্লাহু আকবার।