নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লেখালেখি হলো আমার জগত, আমার মানস ভ্রমণের অখন্ড মানচিত্র । কল্পনার চরিত্রগুলোকে আমি লেখার জগতে বাস্তবতার ন্যায় সদর্পে চারণ করাতে চাই। আমি তাদের হাসি কান্না সুখ দুঃখে তুলির আঁচড় ছুঁয়ে দিয়ে অপছন্দের আঁকগুলো ইরেজার দিয়ে ঘষে তুলে বসাতে চাই কল্পনার রঙ ।

শাফায়াত উল্লাহ রহমত

খুব জটিল,ভীষণ সহজ এবং আবেগী নিতান্তই সহজ-সরল খোলা মনের মানুষ...আমার অভিধানে কান্না বলে কিছু নেই, তবে কষ্ট পাই খুব সহজে... যে যা দেয় তা ফিরিয়ে দেই। সে যদি হয় ভালোবাসা, তবে ভালোবাসা, অবহেলা হলে অবহেলা, কষ্ট হলে কষ্ট... আমার এ নীতি থেকে আজ পর্যন্ত বিচ্যুত হইনি,হতে চাইও না...।

শাফায়াত উল্লাহ রহমত › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমরা সবাই কম বেশী স্বার্থপর।

৩০ শে জুন, ২০২১ রাত ৮:৩৫

যার একবিন্দু মনুষ্যত্বের ছিটেফুটা নাই সে কখনো কারো আপন হতে পারে না। সে কখনো " Symbol " হতে পারে না বন্ধুত্বের। যে তার কঠিন বিপদে পাশে থাকা বন্ধুর বন্ধুত্ব একনিমিষে ভুলে যেতে পারে। বুঝে নিতে হবে তার ভালো আর মন্দ বোঝার "Super power" কোনোদিন ছিলো না এবং হবেও না। সে আজকের দিনটার কথা ভাবে, কিন্তু কালকেও যে একটা দিন আসবে সে বোঝে না।

পৃথিবীতে স্বার্থের অনেক রকমফের আছে, আমরা কম বেশি সবাই স্বার্থপর। আমরা আমাদের সন্তানদের ভালোবাসি, সেখানেও স্বার্থ থাকে আর তা হলো তারা আমাদের ঔরসজাত। তেমনি করে সব সম্পর্কের মধ্যেই, বাবা- মা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রী, আত্মীয় স্বজন, বন্ধু - কে ভালোবাসার মধ্যে স্বার্থ নিহিত থাকে। কিন্তু এই স্বার্থকে বলা হয় "Positive" স্বার্থ এবং পৃথিবী সৃষ্টির সাথে সাথেই এই স্বার্থ এসেছে।

কিন্তু কিছু মানুষকে আল্লাহ তায়ালা ভালো- মন্দের পার্থক্য দেখানোর জন্য পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। আর তখনি " স্বার্থপর " নামটার একটা খারাপ অর্থ তৈরি হয়ে গেছে। যুগে যুগে এ জাতীয় মানুষ এসেছে পৃথিবীতে এবং ধ্বংসও হয়ে গেছে। এরা ভালো পরামর্শকে সম্পর্ক ভাঙনের সাথে তুলনা করে। এদের এমন কালো পট্টি পরানো হয় এবং এরা এই পট্টিকে এতই আপন করে যে নিজের ধ্বংস নিজেই ডেকে আনে।

সব সম্পর্কেই ভুল বোঝাবুঝির একটা ব্যাপার থেকেই যায় কিন্তু একটা পক্ষ যতই ভালো " Mentality " - এর হোক অপর পক্ষ যদি একেবারেই মনুষ্যত্বহীন নীচু ধ্বংসাত্মক মনোবৃত্তি পোষণ করে তাহলে কখনোই ভুল বোঝাবুঝির অবসান তো হয়ই না বরং সেটা প্রকট আকার ধারণ করে।

এইসব মানুষগুলো ভীতু প্রকৃতির হয়। তারা কেউ কেউ অন্যের দ্বারা চালিত হয় আর কেউ কেউ অন্যকে ব্যবহার করে নিজের নোংরা স্বার্থ হাতিয়ে নেয়। ফলাও করে সামনের সারিতে দাঁড়াতে পারে না। অথবা কাউকে নিজের সাহস দেখানোর জন্য সামনে আসলেও নিজের ধ্বংসাবশেষ নিয়ে ফিরে যেতে হয়।

আর এরা মনে করে অথবা সমাজকে দেখাতে থাকে লোকে তাদের ঈর্ষা করে। অথচ ঈর্ষা করার জন্য সামান্যতম যোগ্যতা থাকতে হয় যার ন্যুনতম তাদের নাই। এদের মধ্যে কেউ কেউ নিজেকে ডিগ্রিধারী মনে করে ধরাকে সরা জ্ঞান করে সবাইকে নাক সিটকাতে থাকে এমনকি যার কাঁধে হাত রেখে সারাদিন চলছে, আড়ালে আবডালে তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে সমাজের চোখে হেয় করে ছেড়ে দিচ্ছে। তারা ভীতু পতঙ্গ। আর কিছু নির্বোধ এদের বড়শিতে শিকার হচ্ছে।

এদের যতই চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো হোক এরা শুধরাবে না কারণ এদের মনের ভিতর মনুষ্যত্ব নামের বীজ পুরোপুরি উপড়ে ফেলে এবং নির্লজ্জ হয়ে তারা অন্যকে ব্যবহার করে পথ চলে। এদের ধ্বংস জ্বলজ্বলে।

পরম করুনাময়ের কাছে প্রার্থণা এদের হেদায়েত হোক।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.