| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তিতাস পাড়
সার্বক্ষনিক সমাজকর্মী
সময়টা ১৯৭১ এর জুলাই, মায়ের অসুস্থতার কারনে অজ্ঞাতবাস থেকে প্রানের ঝুকি নিয়েই আমাদের স্ব পরিবারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিড়ে আসা। শহরের লাইফ লাইন টিএ রোডের সব ভবন ই পাকবাহিনীর আগুনে ভস্মিভূত। রেকটোর আগুনে পোড়া ঘড়টিতে একটি চৌকি নিয়ে মহি চাচা পত্রিকার পসার সাজিয়েছেন। তোফায়েল ভাইদের আগুনে পোরা মার্কেটে এক মোটর মেকানিক চুল কাটার দোকান দিয়েছেন। ন্যাশনাল মিস্টান্ন ভান্ডার দখল করে আরেক কুখ্যাত রাজাকার রিফুজি সিরাজ হাজি দিয়েছেন মিষ্টির দোকান। একমাত্র ব্যাতিক্রম চিত্রালয় সিনেমা। দালাল কুলের শিরোমনী ঝারু মোল্লার ভাগ্নে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মুশফিক সাহেবদের পৈত্রিক মালিকানার চিত্রালয় সিনেমা হলটি দাড়িয়ে আছে। বিকেল ৫টা থেকে কারফিউ। তাই ১২টা থেকে একমাত্র শো। উর্দু ছবি চলে। ১ম শ্রেনী, বক্স পাকবাহিনীর জন্য নির্ধারিত। কিছু মানুষ ছবি দেখতে যায় ২য় ও ৩য় শ্রেনীতে। দিনে ৩য় শ্রেনীর গেট ম্যান। রাতে পাকবাহিনীর পথ প্রদর্শক ব্যাক্তি। ৭১ এর পর অনেকদিন পলাতক ছিল। আশ্চর্যে্যর বিষয় এই ব্যাক্তি এখন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকা ভূক্ত। সারা দিন দেখা যায় এই শহরের স্ব ঘোষিত এক সৎ লেঅক রাজনৈতিক নেতা ও মুক্তিযোদ্ধার সাথে ২৪ ঘন্টা ঘুরছেন। সত্যি সেলুকাস বড় বিচিত্র এই দেশ। বিচিত্র এর মানুষেরা।
©somewhere in net ltd.