নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

...............

শ্রাবণধারা

" আমাদের মতো প্রতিভাহীন লোক ঘরে বসিয়া নানারূপ কল্পনা করে, অবশেষে কার্যক্ষেত্রে নামিয়া ঘাড়ে লাঙল বহিয়া পশ্চাৎ হইতে ল্যাজমলা খাইয়া নতশিরে সহিষ্ণুভাবে প্রাত্যহিক মাটি-ভাঙার কাজ করিয়া সন্ধ্যাবেলায় এক-পেট জাবনা খাইতে পাইলেই সন্তুষ্ট থাকে......."

শ্রাবণধারা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামপন্থী রাজনীতির বয়ান এবং জামাতের গাজওয়াতুল হিন্দ-এর প্রস্তুতি

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:২০


গোরা উপন্যাসে রবীন্দ্রনাথ নিজে ব্রাহ্ম হয়েও, ব্রাহ্ম সমাজের আদর্শের বিপরীতে "গোরা" নামে একটি চরিত্র তৈরি করেন। গোরা খুব কট্টরপন্থী হিন্দু যুবক। হিন্দু পরিচয়ে বড় হলেও, আসলে সে আইরিশ পিতা-মাতার সন্তান, কিন্তু এটা তার জানা নেই। হিন্দু জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিতে ব্রিটিশ বিরোধিতা ও স্বদেশ প্রেমের ধারনাগুলো তুলে ধরতেই রবীন্দ্রনাথ গোরাকে গোঁড়া হিন্দুর ভূমিকায় দাঁড় করান। তবে গোরার গোঁড়ামি ও গল্পের শেষে গোঁড়ামি মোচনের পেছনে ছিল রবীন্দ্রনাথের অসামান্য যুক্তিবোধ।

যদিও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন এবং ইসলামপন্থীদের গোঁড়ামি অবসানের আশা নেই, তবু তাদের ভারত বিরোধিতা ও স্বদেশ প্রেমের যুক্তি যাচাই করা প্রয়োজন। মুশকিল হলো, ইসলামপন্থীদের মধ্যে যুক্তিবোধ ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততার ঘাটতি স্পষ্ট। জামাতের পাকিস্তানপন্থী মতাদর্শ এতটাই দুর্বল ও আত্মবিরোধী যে, তা গঠনমূলক আলোচনার মানদণ্ডেই পরে না। মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে তারা সলিমুল্লাহ খান বা বদরুদ্দিন উমরের নামে ভুয়া উদ্ধৃতি দেয়; বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের দায় এড়াতে জহির রায়হানের নাম জড়িয়ে কল্পিত গল্প তৈরি করে; আর ভারত বিরোধিতার নাম করে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব ও ধোঁয়াশা ছড়ায়। যে বিষয়গুলো ভারতীয় আধিপত্যের উদাহরণ হিসেবে আলোচনার কথা, যেমন, পানিবণ্টন চুক্তি, সীমান্তে হত্যাকাণ্ড, বাণিজ্য ঘাটতি, সীমান্তে মাদক ব্যবসা এবং অসম বাণিজ্য চুক্তি ইত্যাদি, সেসবে তাদের আগ্রহ নেই। ভারতকে অশুভ এক শত্রু হিসেবে উপস্থাপন করে "গাজওয়াতুল হিন্দ" নামে আজগুবি গল্প বানিয়ে ধর্মান্ধ মানুষকে উত্তেজিত করাই তাদের উদ্দেশ্য।

এ প্রসঙ্গে জামাতের আমির ডা. তাহেরের অক্টোবর মাসে নিউ ইয়র্কে প্রদত্ত ভাষণের কথা মনে করুন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের কাছে পরাজয়ের প্রতিশোধ হিসেবে তারা গাজওয়াতুল হিন্দ-এর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাঁর দাবি, ভারতের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধে অন্তত ৫০ লাখ যুবক অংশ নেবে, যারা গেরিলা কৌশলে বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে। তার এই ধরনের বক্তব্যের ধারাবাহিকতায় ভারতীয় আধিপত্য ঠেকাতে পাকিস্তান নামক একজন ত্রাণকর্তার দরকার পড়ে।

ইসলামপন্থীদের কেউ কেউ, কওমি মাদ্রাসা কেন্দ্রিক হেফাজতের উত্থানকে সাব-অল্টার্ন বা ক্ষমতাহীনের জাগরণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তাদের যুক্তি হলো প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, উদীচী ও ছায়ানটের ওপর হামলা দীর্ঘদিন ধরে বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি করা সেকুলার এলিটদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ, যেটা বিস্ফোরিত হয়েছে। তাদের মতে, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার আওয়ামী লীগের সময়ে বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে সমর্থন ও বৈধতা দিয়েছিল। শাপলা চত্বরের মতো রাষ্ট্রীয় হত্যার ঘটনায় তারা নীরব ছিল।

এখানে হেফাজতকে সাব-অল্টার্ন বা ক্ষমতাহীন মানুষের রাজনীতি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এই তত্ত্বের প্রবক্তা বোধহয় ফরহাদ মজহার। তিনি বিভিন্নভাবে হেফাজতের রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। হেফাজতের উত্থানের সময় তাদের ১৩ দফার কোন কোনটি তার লেখা, এমনটা শোনা যায়। সাব-অল্টার্ন বলতে বোঝানো হয় সেই প্রান্তিক মানুষদের যারা খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠী। যাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা নেই এবং যাদের কোন কথা বা দাবী দাওয়া রাষ্ট্রের কানে পৌঁছায় না।

বাংলাদেশে ক্ষমতাহীন কারা? দিনমজুর, রিকশাচালক, গার্মেন্টস কর্মী, কৃষক নাকি মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিতরা? যাকাত বা দানের টাকায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ও নেটওয়ার্কের অংশ যারা, তারা ক্ষমতাহীন নাকি তাদের চেয়েও নীচে যে প্রান্তিক শ্রেণি, তারা? হেফাজতের কর্মীরা কি দিনমজুর বা শ্রমিকের চেয়ে বেশি ক্ষমতার অধিকারী নয়? আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয়, ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষেরা হয়তো ক্ষমতাহীন ঠিকই, কিন্তু যখনই তারা রাজনীতির অংশ হয়ে যায়, তখন আর তারা ক্ষমতাহীন মানুষের দলে থাকে না। শাহবাগ অন্দোলনের মুখোমুখি তাদের দাঁড় করানো কি এলিট বনাম প্রান্তিক মানুষের সম্পদ ও ক্ষমতা বণ্টনের লড়াই, নাকি মিথ্যা তথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে শাহবাগকে নাস্তিকদের আন্দোলন বানিয়ে সুবিধাবাদী একটি গোষ্ঠীর আস্তিক-নাস্তিকের বানানো দ্বন্দ?

শাপলা চত্বরের ঘটনা নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রের অপরাধ। কিন্তু সেই ব্যর্থতাকে ব্যবহার করে জঙ্গি সহিংসতাকে নাটক বলা একটা কদর্য রাজনৈতিক কৌশল। কোন একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের বিচার না হওয়া মানে, পরবর্তীতে তৈরি হওয়া কোন সহিংসতা বৈধ হয়ে যাওয়া নয়।

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারকে জঙ্গি দমন নাটকের অংশ হিসেবে দেখানো ইসলামপন্থী শক্তিগুলোকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্য করে তোলার কৌশল। এটা সংবাদমাধ্যমকে ভয় দেখানো যে, এ ধরনের রিপোর্ট করলে পুড়িয়ে মারা হতে পারে। জঙ্গি ঘটনাগুলো আছে বলেই মিডিয়া খবর প্রচার করে। এখন মিডিয়াকে জঙ্গি ঘটনার কারণ বানানো মানে কারণ ও ফলাফল উল্টে দেওয়া। গত কয়েক বছরে পিনাকী গং ইসলামপন্থিদের বুঝিয়েছে যে, ছায়ানট ও উদীচী হলো আওয়ামী সেকুলারিজম-এর প্রতীক। রবীন্দ্রসংগীত, পহেলা বৈশাখ পালন - এই সবকিছুই অপরাধ।

সহিংস ইসলামপন্থার সমালোচনাকে ইসলামবিদ্বেষ বা ওয়ার অন টেররের দোসর বলে চিহ্নিত করাও কারণ ও ফলাফলকে উল্টে দেওয়াই হলো। ওয়ার অন টেররের নামে আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বোমাবর্ষণ ও সামরিক হামলা চালিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণের দ্বারা পরিচালিত, এবং তারা সারা বিশ্বেই নৃশংসতা, আগ্রাসন ও দমনমূলক হস্তক্ষেপ চালিয়েছে। তাই বলে, মার্কিনি আধিপত্যবাদের বিরোধিতা করতে গিয়ে জঙ্গিবাদ এবং সহিংসতাকে সমর্থন করা বা অস্বীকার করা যায় না। এই সমালোচনাকে ইসলামবিদ্বেষ বলার অর্থ ধর্মকে ঢাল বানিয়ে সহিংস রাজনীতিকে রক্ষা করা। যেটা উগ্রপন্থীরা করতে গিয়ে, সাধারন ধর্মপরায়ন মুসলিমদের দেশে এবং বিদেশে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

মন্তব্য ৩৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:২৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি দেখি খুব চিন্তিত দেশ নিয়ে!

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৫১

শ্রাবণধারা বলেছেন: আমি এখনে ইসলামপন্থি বয়ানগুলো নিয়ে সামান্য আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আমার যুক্তিগুলো নিয়ে কিছু বলার থাকলে সেটা বলতে পারেন। এগুলো আমার নিজেরই বক্তব্য, অন্য কোন পেপার পত্রিকা বা ইলিয়াস-পিনাকি টাইপ ফেসবুক পোস্ট পড়া বক্তব্য নয়।

"আপনি দেখি খুব চিন্তিত দেশ নিয়ে!" এধরনের মন্তব্য তেমন কিছুই প্রকাশ করে না।

২| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর দেশে যত অঘটন ঘটছে, সব কিছু করছে জামাত শিবির।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৫৪

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি পোস্ট না পড়ে্ মন্তব্য করেন। অবশ্য পড়লেও এই লেখাটা আপনি বুঝতে পারবেন বলে মনে হয়না।

৩| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:০৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইসলামপন্থীদের রাজনীতি মানুষ খায় নি। যারা কথায় কথায় প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করে এরা কিছুই সৃষ্টি করতে পারেনি। প্রতি দশ জনে চারজন মানুষ মৌলবাদি মনোভাবের এবং তারা ভাবে ভারতের কারণে আমাদের উন্নতি হচ্ছে না। ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী মনোভাব দেখিয়ে কতিপয় দল ক্ষমতায় আসতে চায়।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:২১

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি একেকবার একেক কথা বলেন। কখনো বলেন জামাত ক্ষমতায় আসবে, আবার কখনো বলেন জামাত বড়জোর ২০-৩০টি আসন পাবে। ইসলামপন্থীদের রাজনীতি যে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ যথেষ্ট গ্রহন করেছে, তার প্রমাণ এই ব্লগ থেকেই দেওয়া যায়।

এটার বিপরীতে যে আওয়ামী বয়ান, সেটি যে এখন খুবই দুর্বল, তা আপনি জানেন। বিদেশে থাকার কারণে পরিস্থিতির চাপে আমার কাজ এখন দাঁড়িয়েছে, একই সঙ্গে পাশ্চাত্যের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারণাগুলো সম্পর্কে মানুষকে জানানো, আবার দেশে উগ্র ইসলামপন্থি রাজনীতির বিপদ নিয়ে চিন্তাভাবনা করা ও লেখা।

৪| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:২৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জামাত ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার ভাংচুরের সাথে শেষ হয়ে গেছে। রাজনীতি পরিবর্তনশীল ! ব্লগে আপনি দেশের হালচাল বুঝবেন না। সব লীগ এবং জামাতি মনোভাবের মানুষ এখানে গিজ গিজ করছে।

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা ফলস ফ্লাগ অপারেশন ! এখন জেলে ভরা শুরু করেছে।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৩৪

শ্রাবণধারা বলেছেন: আগে যখন আমি এই বিষয়টা নিয়ে লিখলাম, তখন আপনি মন্তব্য করলেন, বিষয়টা এত সরল নয়। আমি ভাবলাম, হয়তো ঠিকই, আপনি এর গভীরের আরও কিছু খবর হয়ত রাখেন!

এখন এককথায় "প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা ফলস ফ্লাগ অপারেশন" এটা খুব সরল হয়ে গেলনা?

৫| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৩৭

মাথা পাগলা বলেছেন: বাংলাদেশের বর্তমান বুদ্ধিজীবীরা এক একজন ক্লাউন। জুলাই বিপ্লবের পর একটা সুন্দর সুযোগ এসেছিলো, সবকিছু নতুনভাবে করার। কিন্তু দেশ উন্নতির বদলে কে কবে কি দোষ করেছে সেই আলোচনাতেই ব্যস্ত।

দেড় বছরের পরিস্থিতি দেখে আমার একটা কথাই মনে হয়েছে - জাশিকে রাজনীতি থেকে পুরোপুরি ব্যান করে দেয়া উচিত। উগ্র মৌলবাদ-সন্ত্রাসের সাথে কোন প্রকার আপোষ করা যাবে না।

সৈয়দ কুতুব@ প্রতি দশ জনে চারজন মানুষ মৌলবাদি মনোভাব

এক্সাক্টলি। তবে ৪ জন হতে হবে না ১ জন হলেও সংখ্যাটা বেশি। প্রোপার প্রশিক্ষন পেলে এরা জঙ্গি হবে, বুকে বোমা বাঁধবে।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৫৮

শ্রাবণধারা বলেছেন: বাংলাদেশে এখনও কয়েকজন উল্লেখযোগ্য সৎ বুদ্ধিজীবী আছেন। উদাহরণ হিসেবে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, নুরুল কবির এবং আনু মুহাম্মদের নাম উল্লেখ করা যায়।

মুশকিল হলো, পিনাকি-ইলিয়াসরাই সকলের চেয়ে বড় বুদ্ধিজীবী হয়ে হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো সবাইকে নাচিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে, আর এই পরিবেশটা তৈরি করেছে অন্ধবিশ্বাসের ফেরিওয়ালা ওয়াজি হুজুরেরা।

৬| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:০১

নকল কাক বলেছেন: উগ্র সেক্যুলারিজম এবং উগ্র জামাত শিবির, শয়তানের দুই শিং

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:১৩

শ্রাবণধারা বলেছেন: উগ্র সেক্যুলারিজম বলতে হয়তো আপনি সেক্যুলারিজম নিয়ে যারা ব্যবসা করে, তাদের কথাই বলতে চেয়েছেন। সে হিসেবে ঠিকই আছে।

তবে “জামাত-শিবির” কথাটার মধ্যেই উগ্র বিশেষণটি নিহিত আছে, নতুন করে আলাদা করে সেটাকে বিশেষায়িত করার প্রয়োজন পড়ে না! :)

৭| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:০৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শুনেন কওমি দের উসকানি দিয়ে জাশি এই কাজ করিয়েছে । এর সাথে আসিফ মাহমুদ , পাটোয়ারি , সারজিস আলমের উসকানি আছে । আতাউর রহমান নামে একজন লাইভে এসে জানিয়েছে যে তারা জাশি আর এনসিপির উসকানিতে এই কাজ করেছে। নাহিদ সহ সবাই বলছে এটা সরকারের ভিতর থেকে কেউ করিয়েছে। নাম হলে তার পরদিন দুই মিডিয়া হাউস কিভাবে আবার খবর ছাপাতে লাগলো ? কত টাকা ক্ষতি হয়েছে তারা কেউ বলেনি । যেদিন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এসেছে দেখতে তার দুইদিন পর মামলা হয়েছে । সবাই এখন তারেক রহমানের কোলে গিয়ে উঠেছে। সব সাজানো নাটক এবং মেটিকুলাস ডিজাইন । আপনি খেয়াল করে দেখবেন বেনগাজি সহ সবার মনোযোগ এখন শিফট হয়ে তারেক রহমানের দিকে সরেছে। ইউনুস সাহেব চলে যেতে চান, তিনি জাশি থেকে রেহাই পাইতে চান । জাশি অলরেডি উনাকে ভারতের দালাল বলা শুরু করে দিয়েছে।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:১৬

শ্রাবণধারা বলেছেন: @সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শুনেন কওমি দের উসকানি দিয়ে জাশি এই কাজ করিয়েছে।

এটা জানি। জামাত কিভাবে হেফাজতকে ব্যবহার করছে, সেটা বোধহয় এই লেখাটায় বিশেষ পরিষ্কার করতে পারিনি। কিন্তু হেফাজতের ভিকটিমহুড নিয়ে যে জামাত রাজনীতি করছে সেটা আমার কাছে স্পষ্ট।

৮| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:০৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নুরুল কবির এবং আনু মুহাম্মদের নাম উল্লেখ করা যায়

উনারা দুইজন বলেছেন সরকার করিয়েছে। কিনতু কেন করিয়েছে সেটা আপনার বুঝে যাওয়ার কথা । ;)

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:২১

শ্রাবণধারা বলেছেন: উপরে লিখলেন, "কওমি দের উসকানি দিয়ে জাশি এই কাজ করিয়েছে"। নীচে লিখলেন, "সরকার করিয়েছে। কেন করিয়েছে সেটা আপনার বুঝে যাওয়ার কথা।"

সরকারের বিবৃতিগুলো খুবই লোক দেখানো ছিল, এটা লক্ষ্য করেছি।

৯| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সরকার ঘটতে দিয়েছে বললে আপনার সুবিধা হতো বুঝতে ।

সবাই যার যার ফায়দা দেখছে এই ঘটনায় ।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: হ্যাঁ, তা হয়তো দেখছে। কিন্তু এটা আমাদের দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করলো আর সবচেয়ে বড় কথা একটা খারাপ নজির তৈরি করলো।

১০| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:০৩

আলামিন১০৪ বলেছেন: খেয়াল করেন, "ভারত যদি ঢুকে.." তবে তারা যুদ্ধ করবে..

কোন দেশ যদি অন্য দেশে আক্রমণ করে তাহলে আত্মরক্ষা করাটাকে আপনি সমর্থন দিচ্ছেন না? এটাকে ধর্মীয় লেবাছ চড়িয়ে ধর্মান্ধতা বলছেন?
আপনি কি ভারতের অঙ্গরাজ্য হতে আগ্রহী? তাহলে আপনার সাথে রাজাকারের কী পার্থক্য রইল?

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:১৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: কথাটা তিনি কৌশল করে এভাবেই বলেছেন বটে, কিন্তু মূল বিষয়টা ছিল, ভারতকে জঙ্গি হামলার ভয় দেখানো।

১১| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:০৮

নিমো বলেছেন: @আলামিন গাধা, আনাদের নিজস্ব সামরিক বাহিনী থাকতে, আলাদা ৫০ লাখের জা-শি লাগবে কেন? আসলে রাজাকার, আল বদর, আল শামসের চরিত্র বদলায় না।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:১৮

শ্রাবণধারা বলেছেন: উনি হয়ত ঠিক গাধা নন, তবে গাধার পিঠে চড়ে তলোয়ার নিয়ে যুদ্ধে যাবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন কী না বলতে পারি না! :)

১২| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:২২

আলামিন১০৪ বলেছেন: এই নিমো কার ছদ্ম নাম? মডুরামগুলো কি চোখে ঠুলি এটে বসে আছে?.. শুধু খবিশ মন্তব্য করার জন্য ছদ্মনাম ব্যবহার করা কি সামুর নীতিমালায় যায়?

বাই দ্যা ওয়ে, মুক্তিযুদ্ধা কারা ছিল? শুধু নিয়মিত সেনাবাহিনী?

বাংলাদেশে যুদ্ধে সক্ষম সকলকে আত্মরক্ষার জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়া জরুরী..

১৩| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:০৫

নিমো বলেছেন: @আলামিন গাধা, ১৯৭১ নিয়ে একটু লেখাপরা কর, তখন কি আমরা বাংলাদেশ ছিলাম কিংবা আমাদের সেই অর্থে নিয়মিত বাহিনী ছিল? যারা ছিল তারাইতো ২৫শে মার্চ অপারেশন সার্চলাইট চালিয়েছে। আমি রহিম, করিম নাম নিলেই কি সেটা আসল নাম হতো? গাধা, নিমোই আমার আসল নাম।

১৪| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:৫১

আলামিন১০৪ বলেছেন: দেশের জনগণকে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বললে ভাদাদের পিত্তি জ্বলে যায়... রাশিয়া যেখানে ভাড়াটে সৈন্য খুঁজে ফিরছে সেখানে উনারা নাকি শুধু নিয়মিত সৈন্য দিয়ে যুদ্ধ সামাল দিবে...এরা হলো ভারতীয় এজেন্ট, এদের ধরে ডিম থেরাপি দেওয়া দরকার।


কিছু ব্লগার নিজেদের সুশীল মনোভাবের আড়ালে বিকল্প নিক ব্যবহার করে খিস্তিখেউর করতে পছন্দ করে। এদের ধরতে আইপি রেকর্ড চেক করলেই হবে। মডুরামদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

১৫| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৩৩

নিমো বলেছেন: @ আলামিন গাধা, বাংলাদেশ কার সাথে যুদ্ধাবস্থায় আছে, নিয়মিত বাহিনী থাকার পরেও জনগণকে প্রশিক্ষণের কী দরকার পড়েছে? রাশা, কোরিয়ার পরিস্থিতি কি এখানে আছে? তুই নিজে কোন এজেন্ট? আর ডিম থেরাপি কবে পেয়েছিলি? তুই নিজেইতো হুমকি ধমকি দিচ্ছিস।মডুতো তোর মত বলদ না।

১৬| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৪৭

আলামিন১০৪ বলেছেন: ট্রেনিং এর সময়ও পাবিনা রে বলদা...

১৭| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৫৮

আলামিন১০৪ বলেছেন: সে সুশীল ভাষায় অন্য নিকে লিখে

এটা তার খিস্তি খেওরের নিক



১৮| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৩৬

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: পুর্বের রেকর্ড এবং চাঁদাবজির কারণে বিএনপির উপরেও মানুষ খুব একটা আস্থা রাখতে পারছে না, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জামাত কিছু একটা করে ফেলতেও পারে। যদিও জনপ্রীয়তার দিক দিয়ে এখনও বিএনপি'ই এগিয়ে তবে জামাতও খুব একটা পিছিয়ে নেই।

বিএনপিকে যদি ভারত সাপোর্ট করে আর জামাত ও অন্যন্য ইসলামী চরমপন্থী দলগুলোকে যদি আমেরিকা মদদ দেয় তাহলে দেশের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। বিএনপি যদি সরকার গঠন করেও ফেলে অপরদিকে ইসলামী চরমপন্থী দলগুলোকে যদি আমেরিকার মদদ পেতে থাকে তাহলে সারা বছরই এই দেশ অস্থিতিশীল থাকবে।

খুব সাহসাই এই দেশে রাজনৈতিক স্থিতীশীলতা আসর কোন সম্ভবনা দেখছি না।

শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে উড়ে গেল মাদ্রাসার দেয়াল, বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৫:১১

শ্রাবণধারা বলেছেন: @জ্যাক স্মিথ বলেছেন: জনপ্রীয়তার দিক দিয়ে এখনও বিএনপি'ই এগিয়ে তবে জামাতও খুব একটা পিছিয়ে নেই।
বিএনপিকে যদি ভারত সাপোর্ট করে আর জামাত ও অন্যন্য ইসলামী চরমপন্থী দলগুলোকে যদি আমেরিকা মদদ দেয় তাহলে দেশের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে।

আপনার পর্যবেক্ষন সঠিক। জামাত ও অন্যন্য ইসলামপন্থী দলগুলোকে আমেরিকা মদদ দেয়ার অর্থ দেশটাকে ধ্বংস করা। হয়ত তার আগে বিএনপি একটা সুযোগ পাবে। তাদের উপর আমি যে খুব ভরসা রাখি তাও নয়, তারপরও ধ্বংস যত দেরীতে আসে, সেটাই ভালো।

১৯| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:২৪

মাথা পাগলা বলেছেন: @আলামিন১০৪

সত্যি কইরা কন তো আপনার গুপ্ত কেশ গজাইসে কিনা?

২০| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১:১৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
এই সময়ে জামাতের ভন্ডামি নিয়ে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য এবং নিরপেক্ষ বিশ্লেষন মনে হয়েছে নিউ এইজের সম্পাদক নুরুল কবিরের। প্রথম আলো ডেইলি স্টারের হামলার পর তার একক দুটি টকশো তে তিনি একদম হাতে কলমে জামায়াতের মুনাফেকি চরিত্রের বিশ্লেষন করেছেন। যেমন: জামায়াত যখন ক্ষমতায় থাকে না তারা মিষ্টি মিষ্টি ধর্মীয় কথা বলে মানুষের মন জয় করে কিন্তু ক্ষমতায় চারপাশে থাকলে আরো হিংস্র হয়ে উঠে ৭১,‌ ১৬ ডিসেম্বর ২৬ মার্চ ইতিহাসের সবকটি বিষয়গুলো তাড়া বিকৃতি কড়া শুরু করে দিয়েছে। এক উগ্রপন্থী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার নাম কি আস্ফালন.....

তবে কি জামায়াত শিক্ষিত নিতি-নির্ধারকদের কি জানে না প্রথম আলো, ডেইলি স্টারে হামলার পর তাদের উপর মানুষের বিরুপ প্রতিক্রিয়া আসবে? তারা জানে এবং জেনে বুঝে ই করতে দিয়েছে। তারা শহুরে বুদ্ধিজীবী, শিক্ষিত মানুষের ভোটের হিসাব করছে না। গাজওয়াতুল হিন্দু, ভারতীয় আধিপত্যবাদ ঢেঁকুর তুলে ধর্মীয় উগ্রবাদ গোষ্ঠীর একটি অংশকে তারা প্রশমিত করলো এই হামলার মাধ্যমে। কারন তাদের কাছে প্রথম আলো,‌ডেইলি স্টার, ছায়ানট ভারতীয় সাংস্কৃতিক স্তম্ভ' বা প্রতিক। ভারতের বিজেপি ও দেখবেন নির্বাচনের পুর্বে পেহেলগাম, পুলাওমার মতো অনেক কিছু সাজিয়ে পাকিস্তানে হামলা করে। পৃথিবীর সকল ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলোর চরিত্র মনে হয় একই রকম।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৫:২০

শ্রাবণধারা বলেছেন: ধন্যবাদ কলিমুদ্দি দফাদার। আমি এ বিষয়ে নুরুল কবিরের কিছু কিছু বক্তব্য শুনেছি।

মাঠের রাজনীতি নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ এবং মূল্যায়নগুলো খুবই ভালো, সেগুলো আমি আগ্রহ নিয়ে পড়ি। আমার কিন্তু এই পর্যবেক্ষণে খুব ঘাটতি আছে, কেননা আমি বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা সমাবেশ বক্তৃতাগুলো দেখি না বললেই চলে। এগুলো প্রায় সময় আমি ঢেকে রাখি।

এখানে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক বয়ানগুলো আমার আগ্রহের বিষয়। অনেকটা তত্ত্বের দিকটা। সেটা নিয়েই আমি লিখেছি। আমার মনে হয় গাজওয়াতুল হিন্দ এর কথা বলে জামাত পাকিস্তানের শিখিয়ে দেওয়া রাস্তার এবং পাকিস্তানের জঙ্গি হামলার আদলে ভারতকে ভয় দেখাবার চেষ্টা করেছে।

২১| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:৩৬

কিরকুট বলেছেন: মডুদের প্রতি অনুরোধ এই আলামিন ১০ আই ডি টি তার মতের বিরুদ্ধে যত আইডি আছে তাদের কে সে হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে। আশাকরি মডারেটরস এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। এখানে আমরা আমাদের স্বাধীন মত প্রকাশে আসি কারো ধামকি শুনতে না।

২২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:২৯

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আপনি হয়তো গত ২৭ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আয়োজিত এক সংবর্ধনা সভায় ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের প্রদত্ত বক্তব্যকে বিকৃত করে দৈনিক ইনকিলাব ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম পাতায় ‘বাংলাদেশে ভারতের আক্রমণ চায় জামায়াত’ শিরোনামে একটি অসত্য প্রতিবেদন পড়েছেন তাই আপনিও ভুলভাবে ব্যাখ্যা করছেন। গাজওয়াতুল হিন্দ আপনারা কোথায় পেলেন সেটা আমার মাথায় আসেনা। আপনি, ভারতীয় ব্লগাররা ও আরো কিছু বামধারার লোক আছে তাদের কাছেই এই গাজওয়াতুল হিন্দ এর কথা শুনি আর কারো কাছে শুনিনা।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৪৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: ধন্যবাদ। ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ও গাজওয়াতুল হিন্দ নিয়ে প্রথম আলোর লেখাটা পড়েছিলাম। আমার উচিত ছিল তার বক্তব্যটা কোট-আনকোট উল্লেখ করা। আপনি খুজলেই তার বক্তৃতাটা বা অন্তত সেই অংশটা পেয়ে যাবেন।

আমি নিজেও আগে কখনো গাজওয়াতুল হিন্দ কথা শুনিনি। এখন জা মাত এটা ব্যবহার করে ধর্মান্ধদের উত্তেজিত করছে, এটা আমার বক্তব্য। আপনার ভিন্ন বক্তব্য থাকলে অবশ্যই উল্লেখ করতে পারেন।

২৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.