| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরু কাপড় দিয়ে চোখ বেধে, খোলা আকাশের
নিচে চিত করে ফেলে রাখা হয়েছে, হাত
দুটো পিছমোড়া করে বেধে। সাদা জোছনায়
ছাপিয়ে উঠছে সব, অথচ মানুষটা জোছনা দেখছে না। জোছনা দেখা পাপ, জোছনা দেখলেই
হয়তো কোনো বেশ্যাকে নিয়ে কবিতা ফেদে বসবে সে। নষ্টামি আর পাপ জমে জমে,
নিঃসাড় জণ্জাল ওর দেহ, ফুটন্ত জলও ওকে পবিত্র
করতে পারবে না।
সাদা জোছনা হয়ত সবকিছু
শুভ্রতায় এক অদ্ভুত সৌন্দর্য মেলে ধরে, কিন্তু
ধর্ম ব্যবসায়ীদের অন্তরের পবিত্রতা তাকে আরও
পবিত্র করে তোলে। টেনে হিচড়ে খোলা মাঠে নেয়া নিরণ্জনের
খতনা দেয়ার প্রক্রিয়াটা পবিত্রতম,
অথচ তার প্রকট চিৎকার ছুরিটা হয়ত জননাঙ্গ
থেকে কন্ঠনালীতে ফসকে দেয়। মালাউনের
চুইয়ে পড়া রক্তে মেশা সাচ্চা মোসলমানের পেচ্ছাব তাকে আরো পবিত্র করে। চিৎকারটা চিরতরে বন্ধ
করা গেলো তাহলে। ওদিকে ঘর থেকে ওস্তাদের তৃতীয় বিবির ভেসে আসা শীৎকার তাদের কাছে অদ্ভুত মহিমায় ধরা পড়ে। অন্য সব কিছুর চেয়ে মধুর মত মনে হয়।
. . , পানি! পানি! . .
বলে শিটিয়ে ওঠা কিশোরকে বোধ হয় ''লেবেঞ্চুস
খাইবা''- লোভ দেখিয়ে পাশেই খাসীর রান
পোড়ানো জ্বলন্ত অঙ্গার চোষানোটা তার দায়িত্ব
জ্ঞানের মধ্যে পড়ে, নরকে তো ও যাবেই, আগেই
টেস্ট করাইয়া রাখা তো যুক্তিসঙ্গত
তো বটেই।
পিছমোড়া ওই যুবকের ওপরে যখন
শাবলের ওঠানামা তার প্রাপ্যটুকু দেয়া বলে মনে হয়,
তখন, অত রাতেও এক অজানা পাখির ডাক শুনে ঠোট
চাপা, অর্থহীন অশ্রু কিংবা কিছু
সুখস্মৃতি হাতড়ে নেয়া, পাপের খাতায় লেখা হয়।
©somewhere in net ltd.