নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

২০৪ টি দেশ, ৬ বিলিয়ন মানুষ, তবু আমি একা...

২৯ শে মে, ২০১৭ সকাল ১০:১৫



১। " ইসলামী শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য হইতেছে সুন্দর অর্থাৎ সংস্কৃতিবান মানুষ সৃষ্টি করা । আচারে, ব্যবহারে, শিক্ষায়, দীক্ষায় এক কথায় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি কলুষতা ও কুসংস্কার পরিহার করিয়া চলে সেই হইল সুন্দর মানুষ । "
- মাওলানা ভাসানী

২। টমাস আলভা অ্যাডিসনের গ্রামোফোন আবিষ্কার উপলক্ষে এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এক তরুণী তাঁর বক্তৃতায় অ্যাডিসনকে অযথাই আক্রমন করে বসল, ‘কী এক ঘোড়ার ডিমের যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন, সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করতেই থাকে। আর তাই নিয়ে এত মাতামাতি! ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না…।
তরুণী বলেই যাচ্ছে। থামার কোনো লক্ষণ নেই। অ্যাডিসন চুপ করে শুনে গেলেন। বক্তৃতা দিতে উঠে তিনি বললেন, ‘ম্যাডাম, আপনি ভুল করছেন। আসলে সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করার যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন ঈশ্বর। আমি যেটা আবিষ্কার করেছি সেটি ইচ্ছেমতো থামানো যায়।

৩। এক রাজার হটাত শখ হলো নিজের ছবি আঁকাবে। রাজ্যের সমস্ত চিত্রশিল্পীদের খবর দিয়ে আনানো হল। বলা হল যে সবচেয়ে সুন্দর এবং নিখুঁত ছবি আকবে তাকে পুরস্কৃত করা হবে। তবে যদি ছবি দেখতে সুন্দর না হয় তাহলে তৎক্ষণাৎ মৃত্যুদণ্ড। কেউ রাজার ছবি আঁকতে রাজি হল না। কারন রাজার এক পা এবং এক চোখ ছিল না এবং তাকে দেখতে ভয়ঙ্কর লাগত! হটাত ভীরের মধ্য থেকে অল্প বয়সী এক ছেলে সামনে এসে দাঁড়ালো। সে রাজার ছবি আঁকতে চায়। ছবি আঁকা শেষ হল। রাজা ভীষণ খুশি হয়ে তাকে পুরস্কৃত করলেন। সবাই খুব অবাক। এটা কিভাবে সম্ভব! দেখা গেলো ছেলেটি একেছে রাজা একটি কাটা গাছের গুঁড়ির উপর এক হাটু ভাজ করে এক চোখ বন্ধ করে হরিন শিকার করছে। ছবি টি দেখে বুঝাই যাচ্ছে না রাজা অন্ধ এবং খোঁড়া।
এটাই হচ্ছে দৃষ্টি ভঙ্গির তফাৎ। আপনি একটা নির্দিষ্ট বিষয় কে কিভাবে দেখছেন তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে।

৪। কী অদ্ভুত, 'মৃত্যু' খেলাকে কেন্দ্র করে! অসম্ভব রকমের ভয়ংকর এক খেলা, একপক্ষের মৃত্যুতেই কেবল যার ইতি! স্পেনের জাতীয় খেলা বুল ফাইট। গ্রীকরা বুল ফাইটিং এর উদ্ভাবক। স্প্যানিশ'রা বুল ফাইটিং খেলাকে পরিনত করেছে শিল্পে। পশু প্রেমীদের হাজারো আপত্তি উপেক্ষা করেই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে বুলফাইট। খুনের উৎসব ।

৫। কোনো মানুষই ভালো নেই, সুখে নেই। মানুষের দিকে তাকালেই আমি তা টের পাই। আমি কান পেতে শুনি তাদের বুকে কত দুঃখ, কত ঝড়, কত না পাওয়ার হাহাকার।
আমি জানি, তাদের কত বিপদ-আপদ, নানান রকম যাতনা পোহাতে হয়, কারো অর্থ কষ্ট, কারো পুত্র কন্যাকে নিয়ে, কারোবা ভুল মানুষ অনুপ্রবেশ করায় সংসার ভেঙ্গে গেছে, চাকরির লাঞ্ছনা, জীবিকার গ্লানি, কাছের মানূষের কপটতা।
তাই, মানূষকে কখনো আমি দোষ দেই না। তার উপর মন খারাপ করি না। এই মানুষকে আমি কতবার আড়ালে দুহাতে মুখ ঢেকে কাঁদতে দেখেছি। কেউ যখন আমার দিকে চোখ তুলে তাকায়, আমি দেখি তার চোখে কত বর্ষা জমা হয়ে আছে।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে মে, ২০১৭ রাত ১০:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


৫) নং মেসেজটি আপনার নিজের, এটাই সবকিছুর থেকে বড়

২৯ শে মে, ২০১৭ রাত ১০:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার মন্তব্য গুলো আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

২| ৩০ শে মে, ২০১৭ রাত ১০:০৪

সত্যের ছায়া বলেছেন: [email protected]
উপরের মেইলে আপনার সমস্যার কথা জানান দেন।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমি দুঃখিত ধন্যবাদ জানাতে অনেক দেরী করেছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.