নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

অন্ধকারে একা

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৫১



বিল্ডিং টা আঠারো তলা।
একেবারে নতুন বিল্ডিং। এখনও কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। যে পরিমান কাজ বাকি আছে, সে কাজ শেষ করতেও কমপক্ষে ছয় মাস তো লাগবেই। সতের তলার ফ্লোরটা তড়িঘড়ি করে ঠিক করা হয়েছে। সেখানে একটা কর্পোরেট অফিস। এই অফিসেই চাকরি করে মিরাজ। সে সবে মাত্র (বাংলা ভাষা ও সাহিত্য) অনার্সে ভরতি হয়েছে জগন্নাথ ইউনিভার্সিটিতে। চাকরি পেয়েছে পরিচিত এক আত্মীয়'র মাধ্যমে। তার বস খুব ভালো মানুষ। সে বলেছে মন দিয়ে লেখা পড়া করো। টাকা পয়সার দরকার হলে চাইবে, কোনো লজ্জা করবে না। অফিসে কাজ করতে গিয়ে লেখা পড়ার যেন ক্ষতি না হয়। মিরাজ গ্রামের ছেলে। কষ্ট করে'ই বড় হয়েছে। লেখা-পড়া ও চাকরি দু'টাই বেশ সুন্দর চালাচ্ছে। লেখাপড়ায় সে খুব ভালো।

আজ বৃহস্পতিবার।
শুক্র-শনি দুইদিন ছুটি। তার উপর রবিবারও বড় দিনের সরকারি ছুটি। মোট তিন দিন অফিস বন্ধ। চাকরিজীবিদের জন্য একটানা তিনদিন ছুটি পাওয়া বড় ভাগ্যের ব্যাপার। মিরাজ ঠিক করে ফেলেছে সে গ্রামে যাবে। অনেকদিন মায়ের কাছে যাওয়া হয় না। সকাল থেকেই মিরাজের মনটা বেশ ভালো। মিরাজের অফিসের প্রধান সমস্যা হলো এখনও লিফট লাগানো হয়নি। প্রতিদিন সতের তলা হেটে উপরে উঠতে হয়। আসলে চাকরি করলে অনেক কষ্ট মেনে নিয়েই চাকরি করতে হয়। সিড়ি দিয়ে উঠতে অনেক কষ্ট। সিড়ি এখনও টাইলস করা হয় নি। এমনকি এখনও সিড়িতে রেলিং পর্যন্ত লাগানো হয়নি। তবে কোনো রকমে একবার উঠতে পারলে তারপর শান্তি আর শান্তি। পুরো অফিস সেন্টাল এসি। সবচেয়ে বড় কথা এগারোটা বাজে একবার নাস্তা দেয় আবার বিকেলে একবার নাস্তা দেয়। নাস্তার মান বেশ ভালো। কোনোদিন সমুচা, কেক, কলা অথবা তিন চার রকমের ফল। চা কফির ব্যবস্থা আছে। মন চাইলেই ছাদে উঠে সিগারেট খাওয়া যায়।

এখন আমি মুল গল্পে প্রবেশ করবো।
ছয়টায় অফিস ছুটি হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার বলে সবাই একটু তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায়। মিরাজও বের হতো। কিন্তু তার ওয়াশ রুমে যাওয়া জরুরী হয়ে পড়লো। ওয়াশ রুমে গিয়ে সে আটকা পড়ে গেল। অফিসের সবাই বের হয়ে গেছে। এমনকি পিয়ন পর্যন্ত সব দরজা-জানালা বন্ধ করে, মেইন সুইচ বন্ধ করে চলে গেছে। ঘুটঘুটে অন্ধকার। মিরাজ টয়লেটের দরজা খুলে অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে বের হয়ে দেখে ওয়াশ রুমের মেইন দরজা পর্যন্ত তালা দেওয়া। তার সাথে নেই মোবাইল। মোবাইল আছে তার ডেস্কের ড্রয়ারে। ভয়াবহ অন্ধকার। তার দম বন্ধ হয়ে আসছে। সে এখন কি করবে? চিৎকার করলেও কেউ শুনবে না। এমনই দরজা তার মতো চারটা মিরাজও ভাঙতে পারবে না। তার খুব কান্না পাচ্ছে। সে সত্যি সত্যি বাচ্চা ছেলের মতো ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেদে উঠলো। পুরো বিল্ডিং এ সে একা। এ কথা ভাবতেই তার বুকের মধ্যে ভয় মোচড় দিয়ে উঠলো।

রাত কয়টা বাজে মিরাজ জানে না।
চারিদিক খুব বেশি শুনশান। তার প্রচন্ড ক্ষুধা পেয়েছে। ক্ষুধার চেয়ে বেশি লাগছে ভয়। সোমবার অফিসে লোকজন আসবে। অর্থ্যাত তিনদিন, তিন রাত তার এখানে এই অন্ধকারে থাকতে হবে। মিরাজ মনে মনে নিজেকে শান্ত্বনা দিল- যেভাবেই হোক বেঁচে থাকতে হবে। সে আরেকটু গুছিয়ে উঠতে পারলেই মাকে ঢাকা নিয়ে আসবে। ক্ষুধাটা চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়েই চলেছে। সব রকম অবস্থায় ক্ষুধা ঠিকই জানান দেয়। ক্ষুধা থেকে মিরাজ বুঝতে পারলো কমপক্ষে এখন রাত বারোটার বেশি বাজে। যদি সে এই ওয়াশরুমে আটকা না পরতো তাহলে সে এতক্ষনে নরসিংদী তার গ্রামের বাড়িতে থাকতো। তার মা অপেক্ষায় আছে ছেলে ফিরবে। মিরাজ সকালবেলায়'ই ফোনে মাকে জানিয়ে দিয়েছিল। মা জানতে চাইছিলেন কি খাবি? কি রান্না করবো? মিরাজ বলেছিল- যা খুশি রান্না করো। তোমার কাছে যাওয়াটাই আমার সবচেয়ে বড় শান্তি। বড় আনন্দের।

গল্প শেষের খুব কাছে।
সোমবার অফিসে লোকজন আসলো। মিরাজ বেঁচে ছিল। তাকে অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। অফিসের বস তার জন্য যথেষ্ট মমতা দেখিয়েছেন। হাসপাতালের সমস্ত বিল তিনি দিয়েছেন। এবং এরপর অফিসের ওয়াশরুমে মোবাইল নিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক করেছেন। প্রায় নব্বই ঘন্টা সে ঘুটঘুটে অন্ধকার ওয়াশরুমে বন্ধী ছিল। গল্প এখানেই শেষ। আসলে এটা গল্প নয় সত্য ঘটনা।

(শিল্প মন্ত্রনালয়ের অধীনে একটা কোর্স করতে গিয়ে মিরাজের সাথে আমার পরিচয় হয়। শেষে গভীর বন্ধুত্ব। মিরাজের কাছে আমি এই ঘটনা জানতে পারি। নব্বই ঘন্টা অন্ধকারে থাকা মিরাজের সাথে অনেক কিছুই ঘটেছে। যা কেউ বিশ্বাস করবে না। হয়তো কেউ কেউ বলবেন এটা হেলুসিনেশন। এই সমস্ত ঘটনা মিরাজ আমাকে ছাড়া আর কাউকেই বলেনি।
প্রথম চব্বিশ ঘন্টা মিরাজকে কে বা কারা খুব ভয় দেখিয়েছে। অদ্ভুত সব শব্দ চারিদিকে ক্রমাগত হচ্ছিল। বিকট গলায় কারা যেন মিরাজকে ডাকছিল। দ্বিতীয় দিন মিরাজকে কারা যেন নিয়ে যেতে আসছিল। একদল মিরাজকে নিয়ে যেতে চাচ্ছে, আরেক দল মিরাজকে নিতে বাধা দিচ্ছিল। একসময় তাদের সাথে মনে হলো যেন যুদ্ধ বেঁধে গিয়েছিল। তৃতীয় দিন মিরাজ কোনো ভয় পায়নি। কে বা কারা যেন মিরাজকে বলেছে- তুমি ভয় পেও না। তোমার কোনো ভয় নেই। আমরা তোমার সাথে আছি। থাকবো।)

মন্তব্য ৩৯ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রথমে ভাবছিলাম গল্প। ফুঁটেজ দেখে ধারনা পাল্টালো। কিছু বলার নেই। এখন মিরাজের দ্রুত আরোগ্যলাভ কামনা করি।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:১১

রাজীব নুর বলেছেন: মিরাজ এখন ভালো আছে। বেশ ভালো চাকরি করে। অনেক টাকা মাইনা পায়। বিয়ে করেছে। এক মেয়ে আছে তার। আগামীকাল তার সাথে দেখা হবে।

আর দাদা অই ছবিটা আমার ভাইয়ের ছেলে। ছোট ভাই এর ছেলে। আরিশ।

২| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


কঠিন ঘটনা, মিরাজের ভাগ্য ভালো

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:১২

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে একবার মিরাজের জায়গায় নিজেকে দাড় করিয়ে ভেবে দেখুন। তাহলে কিছুটা টের পাওয়া যায়।

৩| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:১৪

আখেনাটেন বলেছেন: অাজকে মনে হয় বৃষ্টি হবে না।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মতো করে মন্তব্য করতে চান?

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মতো করে মন্তব্য করতে চান?

৪| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৪৫

Sajjad Hosen বলেছেন: শুনে কেমন যেন গা শিউরে উঠছে। এটা যে সত্য ঘটনা আমি বিশ্বাস করতে পারতেছিনা। B:-)

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: ১০০% সত্য ঘটনা। ঘনার স্থান পাত্র পাত্রী সবাই আছে। বিশেষ করে অই বিল্ডিং টা।

৫| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৪৯

নূর ইমাম শেখ বাবু বলেছেন: এমন ঘটনার কথা অনেক শুনেছি। তবে এখানে ওয়াশ রুমে মিরাজ সাহেবের সাথে যা ঘটেছে তা হয়তো কেউ বিশ্বাস করতে চাইবে না। তবে আমি বিশ্বাস করি। আমি অনেক দিন একটি আন্ডার কন্সট্রাকশান বিল্ডিং এ ছিলাম। আসলেই প্যারানরমাল অনেক কিছুই মানুষের সাথে ঘটে। এখনও আমি গুলশানের একটা বিশাল ফ্লাটে একা থাকি। ছয় তলার এই বাড়িটা প্রায় ফাঁকা। অফিস ছুটির সময় শুধু আমি একাই থাকি, দিনে কিবা রাতে। অনেক কিছুই আমার সামনে এসে যায়। অনেক ভয় লাগে।

এমন একটি সত্য ঘটনা শেয়ার করার জন্য প্রিয় নুর ভাইকে অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১২:০০

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি আমার খুব পছন্দ হয়েছে।
ভালো থাকুন।

৬| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:৫৮

ফারিহা হোসেন প্রভা বলেছেন: প্রচুর ভয়ানক ছিলো। লেখাগুলো পড়তে পড়তে নিজেও অনুভব করছিলাম। আমিতো সাথে সাথেই অজ্ঞান হয়ে পরতাম। মিরাজের ভাগ্য অনেক ভালো ছিলো বলতে হবে।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১২:০১

রাজীব নুর বলেছেন: সে রাতে গুলোতে বেশ কিছু অলৌকিক ব্যাপার ঘটেছে।

৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১২:১১

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: হুম। অন্ধকার ঘরে থাকতে আমারো এমন ভয় লাগে। একা হলে আগে অনেক ভয় পেতাম। এখন কেন জানি একা থাকা অভ্যাস হয়ে গেছে। আগে অনেক ভয় পেতাম। এখন একা থাকতেই ভালো লাগে

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১২:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: আমি একা থাকতে পারি না।

৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১২:১৬

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: কিছু অভ্যাস মানুষের জীবন থেকে গড়ে ঊঠে। না চাইলেও জীবনের অংশ হয়ে যায়। তার মাঝে একটা অভ্যাস হল একা থাকা শিখে নেয়া।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: একা থাকা ভালো নয়। যে একা সে-ই সামান্য।

৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১২:৪০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বেশ সাজানো লেখা।
আপনার শোনা অভিজ্ঞতা ভাললিখেছেন।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ বোন।

১০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১২:৪৬

আরোগ্য বলেছেন: এরকম অভিজ্ঞতা যেন আর কারও সাথে না হয়।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: এজন্য আমাদের প্রত্যেকের সাবধান থাকতে হবে।

১১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১:৫৮

দিকশূন্যপুরের অভিযাত্রী বলেছেন: পড়ার একসময় মনেহচ্ছিল যেন ছূটির ঘন্টা ছবির কাহিনী পড়ছি। (যদিও ছবিটা বাস্তবে এখনও দেখা হয়নি) কিন্তু শেষে এটার সত্যতার খবর পড়ে সত্যিই অবাক লেগেছে। আল্লাহ্‌ চাইলে কত কিছুই না পারে। তখন ছোট্ট পরিসরে নব্বই ঘন্টা অথবা বিশাল পরিসরে ৯০ দিনও কোন ব্যাপার হয়না!

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: নব্বই দিন হলো মৃত্যু নিশ্চিন্ত।

১২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

সনেট কবি বলেছেন: জটিল পরিস্থিতি!

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: এই পরিস্থিতে আপনি পড়লে কি করতেন?

১৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৪৫

সনেট কবি বলেছেন: কি আর করার থাকতো, অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই!

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: আমি কিন্তু ভয়ের চোটে অজ্ঞান হয়ে বা স্ট্রোক করে মরেই যেতাম।

১৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:১৮

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: ছুটির ঘন্টা সিনেমার মতো ব্যাপার! মিরাজের কিছুটা বোকামিই হয়েছে। একেবারে শেষ মুহুর্তে কেউ ওয়াশরুমে যায়! যাবেই যখন কাউকে বলে যেতো! আক্কেল সেলামি দিতে হলো ঠিকমতো।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ ভুল থেকেই শিক্ষা গ্রহন করে।

১৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৪০

তাজেরুল ইসলাম স্বাধীন বলেছেন: সহজ সরল, দারুণ!

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: ফালতু মন্তব্য করেছেন।

১৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৮

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: মিরাজ এখন কেমন আছেন?

২০ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: এখন বেশ ভালো আছে।
ভালো চাকরি করে । বিয়ে করেছে। তার এক মেয়ে আছে।
কিন্তু মাঝে মাঝে সে অই তিন রাতের কথা ভেবে খুব মর্মাহত হয়।

১৭| ২২ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:০৭

নজসু বলেছেন: মিরাজের ভাগ্যটা ভালো বলতে হচ্ছে।

ছুটির ঘন্টা ছবিটার কথা মনে পড়লো।
ছবির ঐ বাচ্চার কাহিনি নাকি সত্য ঘটনা থেকে নেয়া।

বিপদ কখন কোথা দিয়ে আসে কে জানে।
কঠিন সময় পার করেছে মিরাজ।

২২ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: আল্লাহ আমাদের সব বিপদ থেকে রক্ষা করুক।

১৮| ২২ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৭

নজসু বলেছেন: :( :(

২২ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: !!

১৯| ২২ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:১৮

নজসু বলেছেন: মন্তব্যের জবাব দেখতে এসে পরের কমেন্টটা কিভাবে পোষ্ট হলো খেয়াল করিনি ভাই।
অনিচ্ছাকৃতভাবে :( :( ইমো দুটো পরেছে।

২৩ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১২:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: ইটস ওকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.