নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঢাকার পথে পথে- ৫ (ছবি ব্লগ)

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:০০



মোবাইল পকেটে থাকাতে অনেক সুবিধা।
ইচ্ছা হলেই সাথে সাথে ছবি তুলে ফেলতে পারি। সেই ছবি গুলো আবার আপনাদের সাথে শেয়ার করি। যদিও ছবির মান বিচারে এগুলো অতি নিম্মমানের ছবি। এই সমস্ত ছবি গুলো হুট করে তোলা। কোনো রকম পরিকল্পনা ছিল না। এক অর্থে বলা যায় অপ্রয়োজনীয় ছবি। তারপরও এই ছবি গুলো আমাকে অনেক আনন্দ দেয়। ছবি গুলো দেখলে চট করে ওই দিনের সমস্ত ঘটনা গুলো মনে পড়ে যায়। ছবিটা না দেখলে অই দিনের ঘটনা কিছুতেই মনে করতে পারতাম না। অবশ্য ছবি জমিয়ে রাখার অভ্যাস আমার নেই। আমি ছবি মুছে ফেলি। তাছাড়া এত ছবি কোথায় রাখবো? যাই হোক, কথা আর বাড়াবো না। আপনারা ছবি গুলো দেখুন। আমি বিদায় নিচ্ছি আপাতত। সবাই ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। সুখি থাকুন।



১। এখনও মানুষ রাস্তা থেকে এসব আচার কিনে খায়। মানুষ কবে সচেতন হবে?


২। চোরাই জুতো ওপেন বিক্রি হচ্ছে।


৩। এই ছবির ঘটনা নিয়ে আমি একটা গল্প লিখব। পিচ্চিটার নাম মানিক। মানিক পৃথিবীতে আসার তিন দিন আগে তার বাপ পেট ব্যাথায় মরে যায়। এখন তাদের থাকার জায়গা নেই। রেলওয়ে কলোনীর বিল্ডিং এর নিচে ঘুমিয়ে থাকে। সারাদিন মানিকের মা মানিককে কোলে নিয়ে ভিক্ষা করে বেড়ায়। রাস্তার ধুলো বালু, আর গাড়ি বাসের বিকট হর্নে মানিকের কষ্ট হয় না। আমি চেয়েছিলাম মানিককে নিতে। মানিকের মা রাজী হয়নি।


৪। বিয়ের বাড়ির লাইট দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।

৫।
সেদিন দুপুরে ২০ টাকার কিনলাম। খেলাম। ভাত খেলে লাগতো ১৬০ টাকা। অথচ আমি ২০ টাকা দিয়ে লাঞ্চ শেষ করে ফেলেছি। হি হি হি


৬। সেদিন বেলী রোড দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি পিচ্চিটা ফুটপাতে ঘুমিয়ে আছে। আর তার মা হয়তো ভিক্ষা করতে গিয়েছে। যে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে চলে গেছে, সেই দেশের একটি শিশু কেন ফুটপাতে ঘুমাবে?


৭। এবার ছাদে আমার আম গাছে মাশাল্লাহ বেশ আমের মুকুল ধরেছে।


৮। পেঁয়াজ বোঝাই ভ্যান নিয়ে যেতে চালকের বেশ কষ্ট হচ্ছে।


৯। একটি ছবি, একটি গল্প। বাবা রিকশার মিস্ত্রী। ছেলে ও মা বসে গল্প করছে। এদের নিয়ে কেউ গল্প কবিতা লিখে না!


১০। এই ভেড়া বাজারে ছাগলের মাংস বলে বিক্রি করে। শহরের প্রতিটা বাজারে একই অবস্থা।


১১। রাস্তার পাশে তাদের হোটেল। প্রতিদিন দুই বস্তা আটা দিয়ে তারা রুটি বানায়। বুঝা যাচ্ছে বিক্রি বেশ ভালোই।


১২। অবৈধ দোকান পাট সিটি করপোরেশন ভেঙ্গে দিচ্ছে। বেলী রোড।


১৩। এই মহিষ গুলোকে গরু বলে বিক্রি করা হয় ঢাকা শহরের সমস্ত বাজারে। অথচ বাজারে সমিতি আছে। সমিতি কেন তাদের বাঁধা দেয় না?


১৪। মেট্রোরেলের কাজ চলছে। স্থানঃ বাংলামটর। খিলগা ফ্লাই ওভারের সময় সীমাহীণ কষ্ট সহ্য করলাম। এরপর মগবাজারের ফ্লাইওভারের জন্য কষ্ট করলাম। এখন কষ্ট করছি মেট্রোরেলের জন্য। এই শহরে কষ্ট করতে-করতে জীবন পার।


১৫। ঘুরে ফিরে এই হাতিটার সাথে আমার প্রায়ই দেখা হয়ে যায়।


১৬। এক কাজে এখানে গিয়েছিলাম।


১৭। মধ্যদুপুরে তেজগাঁ।

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:০৮

শাহিন বিন রফিক বলেছেন:



৬নং ছবি যখন আর আমরা দেখব না তখন আমি বিশ্বাস করব আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, উন্নয়ন মহাসড়কে।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: রাইট।

২| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৩

হাবিব বলেছেন: আমি মানিককে নিতে চেয়েছিলাম, মানিকের মা রাজি হয়নি.........
আহারে মা, একেই বলে মা.......
শত কষ্টেও সন্তানকে হারাতে চায়না। কেউ তো আবার পিচাসের চেয়ে খারাপ।
নিজের চাহিদা মেটানো শেষে বাচ্চা হলে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়।
মাঝে মাঝে ভাবি, আচ্ছা যদি মায়ের পায়ের তলে বেহেসত থাকে তাহলে যে মায়েরা তার সন্তানদের ফেলে চলে যায় তাদের বেহেসত কোথায়?

খুব ভালো লাগলো ছবিগুলো+++

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ হাবীব ভাই। সব রকক পোষ্টে আপনাকে পাশে পাই।

৩| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
৪। বিয়ের বাড়ির লাইট দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।

তাতো লাগবোই, পুরাণ কথা মনে পড়ে যায় !!
বিয়ের বাড়ির লাইট দেখলে মনে পড়ে যায়
একদিন অবিবাহিত ছিলামরে !!!
তা ভাবী জানে?

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: হা হা হা---

৪| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


মধ্য দুপুরে তেজগাঁ'কে দোযখ বলে মনে হয়।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: এটাই তেজগা এলাকার সবচেয়ে নিরিবিলি জায়গা।

৫| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২০

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: ২/ ফার্মগেট অহরহ এসব দোকান দেখা যায়।

৫/ আমাদেরকে প্রতিটা টাকা খরচের আগে খুব হিসেবী হতে হয়, চাইলেই যা খুশি করতে পারিনা!

৮/ পেঁয়াজের দামতো কমেনা :(

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

৬| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১০

সনেট কবি বলেছেন: খুব সুন্দর

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ চাচাজ্বী।

৭| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৪

কাওছার আজাদ বলেছেন: ৩, ৬ছবিগুলো সত্যিই দুঃখজনক। এটাই নাকি উন্নতশীল বাংলাদেশ। এদেশে নাকি ফকির নাই। হায় রে ডিগাটাল বাংলাদেশ!

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: ধনীরা কখনই এদের চোখে দেখে না।

৮| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অত্যন্ত সুন্দর ছবিগুলি সঙ্গে দারুণ ক্যাপশন। তবে মানিকদের জন্য সমস্ত উন্নতি থমকে আছে। মানবসমাজের এ বড় লজ্জার।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

৯| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৪১

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: প্রতিটি ছবিই আমাদের দেশকে মনে করিয়ে দেয়। তাই বলছি অনেক সুন্দর।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।

১০| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৪৮

বলেছেন: নিস্পাপ চেহারার মানিকের জন্য যত দুঃখ!!


ছবিগুলো যেন ছবি নয় এক একটা বার্তা ---+++++



মানিকের জন্য কি একটা ফান্ডের আবেদন করবেন ব্লগে!!

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: নো নিড।

১১| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:১৬

রাকু হাসান বলেছেন:

উচু নিচু ,বঞ্চিত,দরিদ্রদের ছবি এক সাথে । ছবি ভালো তুলেন খুব আপনি ভাইয়া ।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো থাকুন।

১২| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৫৫

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: আজকের সব গুলো ছবি সুন্দর ছিল । তবে মানিকেরটি বেশি ভালো ।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১১

রাজীব নুর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৩| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:০২

বাংলার মেলা বলেছেন: নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ একটা আকাম শুরু করেছে। রাস্তার রেস্তরাঁগুলোকে গ্রেডিং করছে। গুলিস্তানে এরকম একটা 'এ' গ্রেডিং প্রাপ্ত রেস্তরাঁর রান্নাঘরে গিয়ে যে দৃশ্য দেখেছি, তাতে গা গুলিয়ে উঠেছে।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১১

রাজীব নুর বলেছেন: টাকা পেলেই গ্রেডিং পাওয়া যায়।

১৪| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০৯

স্বপ্নীল ফিরোজ বলেছেন:
আমাদের মন যমেন নোংরা তেমনি আমাদের শহরগুলো আরো বেশী নোংরা।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১২

রাজীব নুর বলেছেন: সবার মন নোংরা নয়। পুরো শহটাই নোংরা নয়।

১৫| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৩

সোনালী ঈগল২৭৪ বলেছেন: দুপুরে খালি পেট এসব খাবেন না , ফুড পয়জনিং হতে পারে

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০১

রাজীব নুর বলেছেন: অল রেডি বেশ কয়েনবার হয়েছে।

১৬| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৩৮

দিকশূন্যপুরের অভিযাত্রী বলেছেন: আমারও ছবি তোলা ভীষন প্রিয়। একদিন শেয়ার করব। বাই দ্যা রাস্তা, ছবিগুলো বেশ সুন্দর ছিল রাজীব ভাই।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০২

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১১

তাজেরুল ইসলাম স্বাধীন বলেছেন: দারুণ! ভাবনা গুলোর মাঝে মানবতা আছে। আ....র...
ভাল লাগা আছে।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।
ভালো থাকুন।

১৮| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০৫

নজসু বলেছেন:



ছবিগুলো সুখ দুঃখের মিশ্রণ।
ভালো লাগা।

দাঁতের কি অবস্থা এখন?
আশা করি সেরে গেছে।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: গত তিন দিন ধরে দাঁত ব্যাথা নেই।
ডাআক্তারের কাছে যাইনি।

১৯| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৩

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:



উন্নয়ের মহা জোয়ারের ভেসে গিয়েছি । তাই পিচ্চি আনন্দের সাথে ঘুমাচ্ছে । স্থান দেখার কি দরকার ।

ভাই একটা কথা বলি কিছু ছবি খুব কষ্টের । ওগুলো শেয়ার না দিলে ভাল হয় । বুকে ব্যথ্যা করে ।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: নো নো। কষ্টের ছবি আরও বেশি দেখতে হবে।

২০| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:২০

একজন অশিক্ষিত মানুষ বলেছেন: আপনার সাথে সাথে আমরাও ঘুরে দেখে নিলাম উন্নয়নের কাজগুলো।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো থাকুন।

২১| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪২

প্রামানিক বলেছেন: ছবিগুলো দেশের অনেক কথা বলে দিচ্ছে। ধন্যবাদ এমন ছবি তোলার জন্য।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: ঠিক করেছি এরকম ছবি এখন থেকে আমি নিয়মিত দিব।

২২| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১২

সিগন্যাস বলেছেন: রাজিব ভাই কেমন আছেন?

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: সত্য কথা বলতে কি ভাই- ভালো মন্দ মিলিয়েই আছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.