নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভাবছি ব্যবসা করবো। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজকের ডায়েরী- ৩৭

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৫১



গতকালের ঘটনা। তখন সকাল সাড়ে দশটা।
ব্যাক্তিগত কাজে এক সরকারী অফিসে গিয়েছি। গিয়ে দেখি পিয়ন ছাড়া অফিসে কেউ আসে নি। পিয়ন পত্রিকা পড়েছে। ১১টা বাজলো তবু কেউ অফিসে আসে নাই। সাড়ে এগারোটায় এক মেয়ে আসলো তড়িঘড়ি করে। দেড় ঘন্টা বসে থেকে আমার মেজাজ প্রচন্ড খারাপ। আমার এক মিনিটের কাজ। যাই হোক, যে মেয়েটা মাত্র অফিসে এলো। তার কাছে গিয়ে বললাম, ম্যাডাম মাত্র এলেম?
এই কথা বলা মাত্র মেয়েটা রেগে আগুন! মেয়েটা চোখ মুখ গরম করে বলল, দেরী করে এসেছি তাতে আপনার কোনো সমস্যা?
আমি বললাম, ম্যাডাম আমি তা বলতে চাই নি। আসলে আমি বলতে চেয়েছি- আপনি মাত্র এলেন। অথচ এখনই আপনাকে কোনো সময় না দিয়ে আমাকে কাজের কথাটা বলতে হবে। আর না বলেও আমার উপায় নেই। আজ আমার খুব তাড়া। অথচ বাইরে থেকে জ্যাম ট্যাম পার হয়ে আপনি মাত্র এলেন। একটু পানি খাবেন, এসি ছেড়ে একটু ঠান্ডা হবেন, এক কাপ চা খাবেন, ওয়াশ রুমে গিয়ে একটু আয়নায় নিজেকে দেখবেন। তা-না আমি কাজ নিয়ে সামনে এসে দাড়ালাম। আপনাকে কিছুটা বিশ্রাম নেওয়ার জন্য আমি সময় দিলাম না। নিজে অপরাধ বোধে ভূগছি।

ইদানিং আমি আড্ডা দেই।
কাল রাতে আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরতে দেরী হয়ে গেছে। খুব বেশি দেরী না- রাত দশটা। সুরভি গাল ফুলিয়ে বসে আছে। সে খুব রেগেছে। বাসায় ফিরে আমি সামু খুলে বসলাম। সুরভি তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলো। টানা আধা ঘন্টা সমানে বকবক করে চললো। আমি চুপ করে আছি। বরাবর আমি চুপ করেই থাকি। হই চই, চিল্লাচিল্লি করা আমার স্বভাব নয়। আমি শান্ত। আমি ভদ্র। সুরভি আসার সময় ওষুধ নিয়ে আসতে বলেছিলো, আমি ভুলে গেছি। এর আগের দিনও এই ওষুধটা আনতে ভুলে গেছিলাম। যাই হোক, সুরভি অনেকক্ষন বকবক করে ঘুমিয়ে পড়লো। তেজ দেখিয়ে রাতে খেলো না। তবে ভাত তরকারী আমার সামনে রেখে দিলো- আমি যেন খেয়ে নিই। আমিও খেলাম না। ঘুমিয়ে পড়লাম। রাত তিনটায় সুরভির ঘুম ভাঙ্গলো। সে আমাকে ডেকে তুললো। বলল, আমি না খেয়ে ঘুমিয়েছি কেন? সে এত কষ্ট করে রান্না করেছে। তার কষ্টের দাম নেই? আবার নতুন করে ভাত তরকারী গরম করে আনলো। তারপর আমরা খেলাম। বিয়েসাদি-ঘরসংসার বিরাট দিকদারি। অসহ্য। যারা বিয়ে করেন নি, তারা দয়া করে এই ঝামেলায় যাবেন না। একা থাকুন আনন্দে থাকুন। ঝামেলা বিহীণ থাকুন। অনুরোধ।

বাসার সামনে আজ এক মাস ধরে রাস্তা ভেঙ্গে রাখছে।
ড্রেনে পাইপ বসাচ্ছে। ঠিক করার কোনো নাম গন্ধ নেই। একদিন কাজ করে তো তিন দিন বন্ধ রাখে। এমনিতেই চিপা গলি। এখন গজব অবস্থা। অসংখ্য মানুষের সীমাহীণ কষ্ট। বাজে গন্ধ দিন রাত চব্বিশ ঘন্টা। আমি না হয় লাফিয়ে টাফিয়ে চলে গেলাম। ছোট ছোট বাচ্চারা কিভাবে যায়? বৃদ্ধ-বৃদ্ধা কিভাবে যাবেন? অথচ এই কাজ এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করা সম্ভব। ওদের মতিগতি দেখে মনে হচ্ছে তিন থেকে ছয় মাস লাগবে কাজ শেষ করতে। সরকার এরকম লোককে কেন কাজ দেয়? দেশে কি আর ভালো ঠিকাদার নেই? একা একজনের এখন এই গলির মধ্যে দিয়ে যাওয়া ভীষন কষ্টকর। স্কুলের বাচ্চা কাচ্চা অথবা বাজার নিয়ে মানুষ কিভাবে এই গলি দিয়ে যাতায়াত করবে? দেখার কেউ নাই।

আমি শুক্রবার হোটেলে নাস্তা খাই।
পরীকে সাথে করে নিয়ে যাচ্ছি। আরিশ বলল, সে-ও যাবে আমাদের সাথে। হোটেলে নাস্তা খাবে। বদ আরিশকেও নিয়ে গেলাম। ওকে নেওয়ার আমার কোনো ইছা ছিল না। তিনজন মিলে নাস্তা খাচ্ছি। আমি নিয়েছি রুটি আর নেহারি। আরিশ নিয়েছে স্যুপ আর পরোটা। পরী নিয়েছে মূরগীর গিলা কলিজা ও পরোটা। নাস্তা খাচ্ছি এমন সময় দেখি আরিশ নাই। আমি ভাবলাম হাত ধুতে গেছে হয়তো। বেসিনের সামনে গিয়ে দেখি আরিশ নাই। নাস্তা খাওয়া বাদ দিয়ে দেখি আরিশ হোটেলের ভেতর কোথাও নেই। নেই। পরীকে হোটেলে বসিয়ে রেখে আমি আরিশকে খুজতে বের হলাম। হোটেলের চার পাশে চারটা গলি। আমি আরিশকে কোন গলিতে খুজতে যাবো? হঠাত মনে পড়লো আমার, ছোটবেলায় আমি একবার হারিয়ে গিয়েছিলাম। যাই হোক, অনেক খোঁজাখুঁজি করে আরিশকে পেলাম। ইচ্ছা করছিল আরিশকে কঠিন এক থাপ্পড় দেই। দিলাম না। আরিশকে নিয়ে আমি আর কোনো দিন বের হবো না। আমার শিক্ষা হয়ে গেছে।

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৪

শের শায়রী বলেছেন: বিয়ে শাদী করে শিকলবন্দী হওয়ার জ্বালা যারা একটু বোহেমিয়ান তারা ভালোই বোজে, হাড়ে হাড়ে টের পাই ভাই :(

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: হে হে

২| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: আপনি এখনো ঠিকঠাক প্রতিউত্তর করেন না। মন্তব্য করতে মুন্চায় না।


"বিয়েসাদি-ঘরসংসার বিরাট দিকদারি। অসহ্য। যারা বিয়ে করেন নি, তারা দয়া করে এই ঝামেলায় যাবেন না। একা থাকুন আনন্দে থাকুন। ঝামেলা বিহীণ থাকুন। অনুরোধ।"

এটা কি কথার কথা, না সিরিয়াস?

বিয়ে না করা কোন কাজের কাজ না। এতে আকাম কুকাম বাড়বে।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: এটা সিরিয়াস অনুরোধ।
আমার কথা না শুনলে পরে আফসোস করতে হবে।

৩| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৮

কনফুসিয়াস বলেছেন: পোষ্ট পড়ে ভীষন আনন্দ পেলুম। কারণ সব গুলোই বিরক্তিকর।

আরো ব্যাপক আনন্দ পেলুম কমেন্ট পড়ে।

অবশেষে, আপনার সহযোদ্বা হয়ে, রাস্তার কন্টাক্টরের প্রতি আমার এক সমুদ্র খারাপ লাগা। সৃষ্টিকর্তা যেন তাকে সঠিক বুজ দান করেন।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০২

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ আমার পোষ্টে এসেছেন। মন্তব্য করেছেন। ভালো থাকুন।

৪| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১২

নতুন বাঙ্গাল বলেছেন: ভাই সুরভী ভাবির রাগ করাটা কিন্তু খুব স্বাভাবিক, আপনি দরকারি ওষুধ আনার কথা পরপর দুই দিন ভুলে গেলেন,তারপরও উনি রাগ করবেন না? ভেবে দেখুন আপনি না খেয়ে ঘুমানোতে উনি কস্ট পেয়েছেন , এজন্য আবার অত রাতে উঠে খাবার গরম করেছে। আপনি ভাই ভাগ্যবান!

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: মেয়েদের রাগ করাটা অভ্যাসে পরিনত হয়েছে। প্রতিদিন যেমন দাঁত ব্রাশ করতে হয় তেমনি ওরা মনে করে রাগ এবং বক বক করা ফরয।

রান্না করা এবং স্বামীকে খাওয়ানো এটা তাদের দায়িত্ব। এটা মহৎ কোনো কর্ম নয়।

৫| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৭

ইসিয়াক বলেছেন: সংসার আমার ভাল্লাগেনা!
সংসার ভাল লাগে না!
সংসার হইল বিষের কলসি!
আমি হব দিওয়ানা!
ঘুইরা বেড়াই পথে ঘাটে!
বাউলের একতারা হাতে!
মায়ার জ্বালে কেউ পইর না!
মায়ার জ্বালে পইর না!
সংসার হইল মায়ার খেলা!
আমি হইলাম দিওয়ানা!
অচেনা সব মানুষ হাটে!
কেউ চিনে না হায় আমারে!
এই দুনিয়া ভাল্লাগেনা!
দুনিয়া ভাল্লাগেনা!
ভবের হাটে সবই ফাঁকি!
আমি হইলাম দিওয়ানা!
সংসার আমার ভাল্লাগেনা!
সংসার ভাল লাগে না!
সংসার হইল বিষের কলসি!
আমি হব দিওয়ানা!

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: হুম।

৬| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৩

নতুন বলেছেন: স্বামী স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসা থাকলে জীবন অবশ্যই সুন্দর হবে...

পরীর মতন কিউট মেয়ে, সুরভী খুবই বুদ্ধিমতি এবং কেয়ারিং, সবাইকে নিয়ে সুখী থাকুন...

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: দোয়া করবেন।

৭| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৯

নতুন বলেছেন: আপনার পুরান একটা পোস্ট যেটা সম্ভব সামুর সবচেয়ে বেশি পঠিত পোস্টের মাঝে একটা সেটায় অনেক কমেন্টের জবাব এখনো দেন নাই। আগে তো পোস্টের কমেন্টের জবাব দিতেন না। এখন ঐ পোস্টের জবাব গুলি দেন.... :)

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমি বুঝতে পেরেছি আপনি কোনো পোষ্টের কথা বলেছেন।
ওই টা এক্সপেরিমেন্ট টাইপ পোষ্ট। একটা বিশেষ কারনে ঐ পোষ্ট দেওয়া।
আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন আমি কোন টাইপ ব্লগার। আমার মানসিকতা কেমন?

৮| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


প্রাইম মিনিষ্টারের উচিত, সরকারী কর্মচারীদেরকে ৮ ঘন্টা কাজ করতে নির্দেশ দেয়া; এবং সকাল ৯ টায় অফিসে উপস্হিত থাকার জন্য

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

রাজীব নুর বলেছেন: না তা হয় না। দীর্ঘ দিন ধরে যেমন চলছে তেমনই তো চলবে।

৯| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

আসোয়াদ লোদি বলেছেন: বিয়ের পর পরই সংসার অমৃত মনে হয়েছিল। এখন বোঝি অমৃত সবসময় হজম হয় না।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: জীবন তেজপাতা।

১০| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: জীবন থেকে নেয়া।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০০

রাজীব নুর বলেছেন: অবশ্যই।

১১| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: দেশের আয়তন ও সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক অনেক বেশি হয়ে গেছে । বাংলাদেশের সম্পদের তুলনায় এবং আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা যদি 18 কোটি হয় তাহলে আমেরিকার জনসংখ্যা কত কোটি হলে ঠিক হবে? চীনের জনসংখ্যা কত কোটি হলে মানানসই হবে? মালয়েশিয়ার জনসংখ্যা কত কোটি হলে মানানসই হবে? ব্যাপারটা ভেবে দেখতে হবে। আমাদের মানুষের সংখ্যা নিয়ে কেউ কখনো ভাবে না । মনে করে কামলা তৈরি হবে আর বিদেশে পাঠিয়ে রেমিট্যান্স আনবেন।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০১

রাজীব নুর বলেছেন: জনসংখ্যা সমস্যা না। জনসংখ্যা আশীর্বাদ।
এই কথা আপনাকে আগেও বলেছি।

১২| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২২

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: হাতে সারাদিন ক্যামেরা নিয়ে ঘোরেন আর ছবি দিলেন একটা। কিপটুস!

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০২

রাজীব নুর বলেছেন: ফ্লিকারে আমার বেশ কিছু ছবি আছে। দেখতে চাইলে লিংক দিতে পারি।

১৩| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
অস্থায়ী ভাবে রুম ভাড়া করে যে দালানে থাকা হয় সেটাকে বলে হোটেল। আর যে ঘরে গিয়ে খাবার কিনে বসে বসে খাওয়া যায় সেটাকে বলে রেস্টুরেন্ট । বাংলাদেশের মানুষ এই দুটি নামকে গুলিয়ে এক করে ফেলে।

সারা দুনিয়া সামনে এগিয়ে যায় । বাংলাদেশের মানুষ পিছনের দিকে যায় । এটা একটা আফসোসের ব্যাপার।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: দেশের উন্নয়ন কি আপনার চোখে পড়ে না?

১৪| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪১

জুল ভার্ন বলেছেন: এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে!

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: হে হে

১৫| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নুর,
আরিশের মতো একদিন আমিও হারিয়ে গিয়েছিলাম ফরিদপুর বেড়াতে যেয়ে ঘন্টা খানেকের জন্য । সেটা ক্লাস টু থ্রিতে পড়ার ঘটনা মনে হয় ।তাই আপনার যন্ত্রনাটা বুঝতে পারছি । পরীর জন্য আদর । ডায়রি কথন ভালো লেগেছে ।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।
সকালের নাস্তা টা পর্যন্ত আরামে করতে পারলাম না!

১৬| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৮

ইসিয়াক বলেছেন: তাহলে কি সন্ন্যাসী হবার প্লান আছে নাকি ?

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২০

রাজীব নুর বলেছেন: ঘর সংসার ফেলে যারা সন্ন্যাসী হবার কথা ভাবে তারা কাপুরুষ।

১৭| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: দেশের উন্নয়ন কি আপনার চোখে পড়ে না?

পরে। পরবে না কেন ?
চোখে অবশ্যই পড়ে । তবে আপনি দেশের উন্নয়ন নিয়ে বেশ কয়েকটি পোস্টিং সম্ভব হলে ধারাবাহিকভাবে দিন।

তাহলে কেবল আম ব্লগারদের চোখেও পড়বে।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২২

রাজীব নুর বলেছেন: একটা উদাহরন দেই-
একসময় প্রতিদিন বাসা বাড়িতে ভিক্ষুক আসতো। তাদের এক মুঠো করে চাল দেওয়া হতো।
এখন আর বাসা বাড়িতে ভিক্ষুক আসে না।

আচ্ছা, আরেকটা উদাহরন দেই-
এখন একজন রিকশাচালকও দুই টাকা দিয়ে এক গ্লাস ফিল্টার পানি কিনে খায়।

১৮| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: একটা উদাহরন দেই-
একসময় প্রতিদিন বাসা বাড়িতে ভিক্ষুক আসতো। তাদের এক মুঠো করে চাল দেওয়া হতো।
এখন আর বাসা বাড়িতে ভিক্ষুক আসে না।

আচ্ছা, আরেকটা উদাহরন দেই-
এখন একজন রিকশাচালকও দুই টাকা দিয়ে এক গ্লাস ফিল্টার পানি কিনে খায়।

ভাই সাহেব , আপনি যে উদাহরণ দুটি দিলেন সেই উদাহরণ দেশের উন্নয়নের কোন উদাহরণ নয়। উন্নয়ন আরো ব্যাপক একটা জিনিস । আমার কথা বিশ্বাস না হলে আপনি চাঁদগাজী স্যারকে জিজ্ঞেস করুন। উন্নয়ন কাকে বলে উনি আপনাকে বুঝিয়ে বলবেন। আমার বুঝানোর ক্ষমতা সীমিত । কেননা আমার জ্ঞানের পরিধি ও কম।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: ভাত রান্না করতে গেলে যেমন সব চাল টিপে দেখতে হয় না। একটা চালে টিপ দিলেই বুঝা যায়।
তেমনি দুই একটা ঘটনা দেখলেই বুঝা যায়।

১৯| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩৬

ইসিয়াক বলেছেন: এসো প্রিয় মন রাঙায়ে
==================
নজরুল সংগীতের আদি সুর
প্রেম ও প্রকৃতি
রেকর্ডিংঃ ১৯৪২
কন্ঠশিল্পী- পারুল সেন
=================
এসো প্রিয়, মন রাঙায়ে ধীরে ধীরে ঘুম ভাঙায়ে
মন মাধবী বন দুলায়ে, দুলায়ে, দুলায়ে।।
শোন ‘পিউ পিউ’ ডাকে পাপিয়া
মোরে সেই সুরে ডাক ‘পিয়া, পিয়া’
তব আদর-পরশ বুলায়ে, বুলায়ে, বুলায়ে।।
যদি আন কাজে ভুলে রহি
চলে যেও না হে মোর বিরহী
দিও প্রিয়, কাজ ভুলায়ে, ভুলায়ে, ভুলায়ে।।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: আহা আহা আহা
মধু মধু মধু

২০| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০০

ওমেরা বলেছেন: আপনি বিয়ে করেছেন মেয়ের বাবাও হয়েছেন সব কিছু মিলিয়ে আপনার জীবন পূর্ন । মানুষকে এত খারাপ উপদেশ দেন কেন ??

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: উপদেশ নয় অনুরোধ।
অনুরোধ করি।

২১| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

লেখক বলেছেন: ভাত রান্না করতে গেলে যেমন সব চাল টিপে দেখতে হয় না। একটা চালে টিপ দিলেই বুঝা যায়।
তেমনি দুই একটা ঘটনা দেখলেই বুঝা যায়।


তাহলে তো আমরা উন্নত দেশের নাগরিক।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: উন্নত দিকেই যাচ্ছি আমরা।
আপনাকে আশাবাদী হতে হবে।

২২| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ভাই সাহেব, আপনার চাল আর ভাত তত্ত্ব দিয়ে তো সব কিছু বিচার করা যাবে না।
ঢাকা শহরে এখন প্রতিটি বিল্ডিং এর দারোয়ান রাখা হয়।
ভিক্ষুকের বাপ-দাদার ও সাধ্য নেই রুমে গিয়ে ভিক্ষা চাইতে।
প্রায় প্রতি জুম্মার দিন মসজিদের সামনে দেখা যায় মসজিদ অসংখ্য ভিক্ষুক। ফার্মগেট ওভার ব্রিজের উপরে উঠা যায় না কিংবা হাঁটা ও যায় না তাদের যন্ত্রণায়।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: ভিক্ষুক বহু দেশেই আছে। ইউরোপের বহু দেশে ভিক্ষুক আছে।

২৩| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আমি নিজের কর্মস্থলে বায়োমেট্রিকে হাজিরা দিই। এক সেকেন্ড আমি ছাড়া পাইনা।কষ্ট লাগে যখন এখনও হাজিরা খাতায় সই করার সুযোগ পেয়ে সময় চুরি করছে তাদেরকে দেখে। বলার যে অফিসের যাওয়া-আসায় রাস টানতে গেলে বায়োমেট্রিক আবশ্যিক।
২-নিয়ে কোন কমেন্ট করবো না।
৩,৪-রাস্তা মেরামত ও আরিশের হারিয়ে যাওয়া নিয়ে দুর্ভোগ ও দুশ্চিন্তার জন্য সমব্যাথী।

শুভকামনা প্রিয় ছোট ভাইকে।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: দাদা জানি আপনি ভীষন রকমের ব্যস্ত। অফিস,বাড়ি, ঘর সংসার।

২৪| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:১৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
দূভাগ্যক্রমে গতকাল ৬ ডিসেম্বর ছিলো শুক্রবার,
তাই সরকারী অফিস খোলা থাকার প্রশ্নই ওঠেনা।
আমার মনে হয় আপনার লেখাটি কোন ডাইরী নয়
বরং একটি গদ্য !!

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১২

রাজীব নুর বলেছেন: লেখাটা দেরীতে পোষ্ট করতে হয়েছে।

আপনার সাথে তর্কে যাবো না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.