নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভাবছি ব্যবসা করবো। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

লেখক হতে হলে কি লজ্জা আর ব্যক্তিত্বহীণ হতে হয়?

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:০২



যার যা প্রবৃত্তি এবং ক্ষমতা সেটার চর্চা না করলে সে সুখী হয় না, আনন্দ পায় না। শিং-এ শান দেওয়ার জন্য হরিণ শক্ত গাছের গুঁড়ি খোঁজে, কলা গাছে শিং ঘষলে সুখ পায় না, আনন্দ পায় না। আমরা আমাদের এই ক্ষুদ্র জীবনকে কত অপ্রয়োজনীয় কাজেই ব্যস্ত রাখি! টেলিভিশন দেখে, আজাইরা আড্ডা দিয়ে জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট করি। অথচ আমাদের জীবনের আয়ু সীমিত।
চলছে বইমেলা। ৫/৬ হাজার নতুন বই তো বের হবেই। বইপত্র নিয়ে এলোমেলো পড়তে গিয়ে প্রচুর সময় নষ্ট হয়। বই পড়ার আগে ভাবতে হবে- আমি এই বইটি কেন পড়ব? বইটি থেকে কী চাই। যা পড়া হয়, তা আত্মস্থ করা গুরুত্বপূর্ণ। বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য থাকতে হবে আত্মিক উন্নয়ন। আত্মিক উন্নয়ন মানে এই না যে- বই পড়লেই রাতারাতি জীবন বদলে যাবে।

আমি এ বছর বইমেলায় যাবো না।
ইদানিং বইমেলায় যাওয়া, এবং ছবি তোলা একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অগা, মগা, যগা বই লিখেছে, এবং টাকা দিয়ে বই ছাপাচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখজনক এই অগা-জগা-মগা'রা মনে করছে তাদের বই শতাব্দীর সেরা বই। তাদের যেন মাটিতে পা পড়ছে না। এই আত্মবিশ্বাস তারা পেলো কি করে? বইমেলায় সবচেয়ে নোংরা বিষয় হলো কিছু লেখকদের আচার আচরন। তারা এমন ভাব ধরেন যেন জনগন তাদের বই কেনার জন্য হামলে পড়ছে। তাদের সাথে ছবি তোলার জন্য অস্থির হয়ে আছে। টিভি ক্যামেরা দেখলে তথাকথিত লেখকরা পাগল হয়ে যাচ্ছে। একজন লেখক কেন এত লজ্জাহীন হবেন? তার মধ্যে কেন চাটুকার আর দালালদের মতোন জ্বী হুজুর, জ্বী হুজুর ভাব থাকবে?

আপনি যদি ভালো লিখেন, তাহলে আপনার বইয়ের বিজ্ঞাপন দেওয়ার দরকার হবে না। পাঠক ভালো বইয়ের সন্ধান নিজেরাই করে নেয়। হুমায়ূন আহমেদ কখনও নিজের বইয়ের বিজ্ঞাপন দেন নি। অবশ্য তার কোনো ফেসবুক একাউন্ট ছিলো না। এযুগের তথাকথিত বা মৌসুমি লেখকেরা ফেসবুককে প্রচার প্রচারনার হাতিয়ার হিসেবে নেয়। কিছুক্ষন পরপর তারা ফেসবুকে পোষ্ট দিতেই থাকে। তাদের অবস্থা হয়েছে এমন- ''গায়ে মানে না আপনে মোড়ল'' টাইপ। তিনিই সেরা লেখক। তার তুলনা হয় না। আমার অমুক বই বের হয়েছে, আমি আমি বিকেল পাচ টায় অমুক স্টলে থাকবো। অটোগ্রাফ এবং সেলফি হবে। সাধারন মানুষ মৌসুমি বা তথাকথিত লেখকদের কর্মকান্ড দেখে হাসে এবং মনে মনে অকথ্য ভাষায় খালি দেয়। একজন লেখক হবেন সহজস সরল ভালো মানুষ। চালাক হবেন না, বদমাশ হবেন না, কৃপণ হবেন না। ধান্ধাবাজ বা তেলবাজ হবেন না। হবেন আন্তরিক, হৃদয়বান এবং মানবিক।

বালছাল টাইপ একটা বই লিখে তথাকথিত লেখককূল যে গড়িমা দেখায় তাতে মেজাজ প্রচন্ড খারাপ হয়। এই সমস্ত মৌসুমি লেখক একজন আরেকজনের চেয়ে এগিয়ে। কেউ কেউ নিজের বইয়ের প্রচারকের জন্য অতি সস্তা বেহায়াপনা করে। তাদের আচার আচরন এবং ফেসবুকের পোষ্ট গুলো নির্লজতা প্রকাশ পায়। তাদের নির্লজতা দেখে আমি লজ্জা পাই। এরা বাংলা সাহিত্যের বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে। একজন সত্যিকারের লেখক কখনও এমন হবেন না। হুমায়ূন আহমেদ, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, মুহম্মদ জাফর ইকবাল ইত্যাদি লেখকদের দেখে তাদের কিছু শেখা উচিত। হুমায়ূন আহমদের মতো কেউ নেই। যে কিনা লেখালেখি করার জন্য চাকরী ছেড়ে দিয়েছেন। এরকম তথাকথিত লেখকরা পারলে এমনটা করে দেখান। এই সমস্ত লেখকদের চেয়ে বেশ্যা ভালো।

শ্রদ্ধেয় চাঁদগাজী ঠিকই বলেন- ''প্রতি বছর বইমেলাতে ৫/৬ হাজার গার্বেজ বই বের হয়।'' এই গার্বেজ বই যারা লিখছে, বিশ্বাস করুন তারা চাটুকার, লোভী, দালাল, ভন্ড, মিথ্যাবাদী। লেখক হওয়ার মতো যোগ্যতা তাদের নেই। এদের কোনো সাধনা নেই। এমনকি তারা বিশ্বসাহিত্যের কিছুই পড়ে নাই। এই টাইপ মানুষজন কোনোদিনও লেখক হতে পারবে না। তারা দুই চারটা বই লিখে 'জাতে উঠতে চায়'। অতীত মুছে ফেলতে চায়। কেউ কেউ নিজের বইয়ের কাটতি বাড়ানোর জন্য নানান লোকজনের হাতে টাকা ধরিয়ে বলে প্লীজ এক কপি কিনুন। ফোন দেয়, ম্যাসেজ দেয়- নানান রকম ভাবে অনুরোধ করে। এই সমস্ত লেখককে কান ধরে বইমেলা থেকে বের করে দেওয়া উচিত। এবং এই সমস্ত লেখকদের বই যারা টাকার বিনিময়ে ছাপায় তাদের শাস্তি হওয়া উচিত।

বই কারা কিনবে?
দরিদ্র দেশ। বেকারের দেশ। দুষ্টলোকের দেশ। চাটুকার, ভন্ড, মিথ্যাবাদী আর দালালদের দেশ। দূর্নীতিবাজদের দেশ, চোরের দেশ। এই দেশে জনসংখ্যা অনেক হলেও পাঠক একেবারে কম। বইলেখা এবং কেনার মধ্যেও নানান রকম ধান্ধা আছে। একুশে বইমেলা এতটাই উৎসবে পরিনত হয়েছে যে, অধিকাংশরা বই না কিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মেলায় ঘুরেই কাটিয়ে দেয়। সহজ সরল সত্য কথা হলো- এই সমস্ত তথাকথিত লেখকদের কবিতার বই তিন শ' বের করলেও ত্রিশটা বিক্রি হবে না। গল্প বা উপন্যাসের অবস্থাও একই রকম।

মন্তব্য ৫১ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৫১) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:১১

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন:
জয়োস্ত! আইজকা আপনারে পাইছি! আমারে কিছু কন, আমিতো লেখালেখির কারণ ফতুর হয়েছি, প্রায় মরে গিয়েছিলাম, এখন টেক্সি চালাই।

আমারে কিছু কন, আমার মন ভালো হবে।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: নিজের মনের কষ্ট, আনন্দ, পাওয়া না পাওয়া ইত্যাদি লিখে ফেলেন।

২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগে আমি বারবার বলার চেষ্টা করেছি যে, কবি, সাহিত্যকদের বিশাল ব্যক্তিত্ব থাকতে হয়; না হয়, লেখা বেঁচে থাকবে না।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: ইয়েস। রাইট।
আমি লক্ষ্য করে দেখেছি আপনি সব সময় ভালো কথা বলেন, সত্যি কথা বলেন, আসল কথা বলেন।

৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:১৭

অজ্ঞ বালক বলেছেন: আপনার পোস্ট মানা গেলো না। আমি নিজে একটা প্রকাশনীর সাথে যুক্ত। নাম বললাম না। এছাড়াও সম্পাদনা করি, প্রুফ দেখি। এই সময়ের সেরা কিছু বইয়ের কাজ এইবার করছি। আপনার কথা একদমই মানা গেলো না। এখন বিজ্ঞাপনের যুগ, সেইটা ছাড়া নুডুলসও বিক্রি হয় না, বই কোন ছাড়। দিন শেষে প্রকাশনীটা একটা ব্যবসা, আমি লাভ করমু না? আমার একজন টপ কোয়ালিটির লেখক আছে, তাকে জাতে তুলমু না? তার কথা সবাইকে জানাইয়া বই হিট করমু না? খাওয়াইবো কে আমারে? নিন্দাকারী ব্যক্তিরা? আর লেখক এমনই হওয়া লাগে, সময়ের দাবী। হুমায়ুনের দিন চইলা গেছে। এই সময়ের সুপারহিট এক লেখক নিজের প্রথম দুই বইয়ের পুরা রয়ালিটি নিজের মার্কেটিং আর পিআর কোম্পানির পিছনে দিছিলেন। এখন সেই লেখক প্রকাশনীর থেকে এক বইয়ের এডভান্স নেয় ৫ লাখ টাকা। ঐসব বইলেন না। পারলে বই কিনেন, পড়েন। আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি, একশ বই কিনলে আশিটা আপনাকে সের দরে বেচতে হবে। ১০ টা হবে চলনসই। আটটা ভালো লাগবে। একটা পড়ে অসাধারণ বলবেন আর একটা বই ইচ্ছা হবে স্বর্ণের মোড়ক বানাইয়া মুড়াইয়া রাখতে। না পইড়া ডিসিশন নিয়েন না। লেখকদের ঢালাও বদনাম কইরেন না। খারাপ লাগে। দিনশেষে লেখক হওয়ার জন্যই পরিশ্রম করতেসি।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: আমি নিজেও একটা প্রকাশনী দেব বলে ভাবছি।
সেরা বই থাকবেই। ভালো বইও থাকবে। আমি সবার কথা বলি নাই। তথাকথিত কিছু লেখকদের কথা বলেছি।

৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:১৮

অজ্ঞ বালক বলেছেন: কিছু মনে কইরেন না। খুব গায়ে লাগছিল তাই বেশি কথা বইলা ফেলছি। ক্ষমাপ্রার্থী।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: না রাগ করি নাই।

৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৩৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: গার্বেজ বই চাঁদগাজীরে কন বাইর কইরা দেখাইতো হুহ

অজ্ঞ বালকের কথার সাথে একমত

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: চাঁদগাজীর বই আমি বের করবো। উনার কাছ থেকে জোর করে লেখা নিবো।

৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: একমত

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া জনাব।
আপনি মাটির মানুষ।

৭| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আমার প্রতিষ্ঠানে মুজিব কর্নার করা হইছে, হেইখানে পাভেল রহমানের হাতে লেখা 'এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম....' রে এনগ্রেভ কইরা বসানো হইছে। ওইডার পাশ দিয়া হাইট্যা যাওনের সময় শুনি এক উর্ধ্বতন নির্বাহী আরেক আকাম্যা উর্ধ্বতন নির্বাহীরে কইতাছে 'এইখানে ভূল হইছে।'

তো কি ভূল হইছে? ভূলটা হইলো 'এবারের' লেখার মধ্যে সেকেন্ড 'র' এর ডাণ্ডাটার নিচে একটা গোল্লা মতন হইছে। তো তিনি কইতে চান যে এইহানে 'র' এর ফোটা দুইডা হইছে....

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: ভাই আসসালামু আলাইকুম।
ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। এই প্রার্থনা করি।
ভালোবাসা নিরন্তর।

৮| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫৫

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: কিছু লেখকে সবচেয়ে বেশী খারাপ লাগে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের লাইভ অনুষ্ঠানে হ্যাংলার মত বই নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে। তারপর উপস্থাপক পরিচয় দেয়ার ২ মিনিটের মধ্যে লেখককে সরিয়ে দিয়ে আরেকজনকে ডাক দেয়। কথাও শেষ করতে দেয় না...

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: ইয়েস। রাইট।

৯| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৫

জাহিদুল ইসলাম ২৭ বলেছেন: ২০/২৫ হাজার টাকা খরচ করলে যে কেউ এখন লেখক হতে পারে।কিন্তু সে সব বই কেহ পড়বে না।ছাপানোর পর লেখকের বাসার স্টোর রুমে স্থান হবে সেগুলোর।কোন কোন লেখকের লেখার মান অতি নিম্ন।একজন নবীন ব্লগারও তাদের চেয়ে ভালো লেখে।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: সহমত।
এরকম অবস্থা থেকে আমাদের বেড়িয়ে আসতে হবে।
প্রচুর পড়তে হবে।

১০| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩২

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: আপনি প্রকাশনীর ব্যবসা শুরু করেন। ব্লগের যে লেখকরা আছেন, তাদের বই বের করলেই হবে। ভালো চলবে।
বইমেলাটা আমার কাছে উৎসবের মতো লাগে। যাবেন না কেন! অবশ্যই যাবেন। প্রাণের স্পন্দনের মেলা। বই ভালো খারাপ হয়। এটা নিয়েই মেলা। সবার বই কোয়ালিটির হবে- একথা কে বলতে পারে। তবে আপনি কোয়ালিটি বই প্রকাশ করে দেখাতে পারেন।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।
প্রকাশনী অবশ্যই দিবো।

১১| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৬

শের শায়রী বলেছেন: সারা বছর টুকুটাক বই, ঈদ পুজায় পত্রিকার স্পেশাল এডিশান গুলো কালেক্ট করি, বই মেলায় খুব একটা যাওয়া হয় না কারন ভীষন ভীড়। এইবার এক দিন গেছিলাম, আর যাব কিনা সন্দেহ আছে, তবে বই মেলা কিন্তু শুধু নবীন লেখকদের না পুরানোদের ও মিলন মেলা, সেদিক দিয়ে দেখলে এটা একটা মিলনমেলা হিসাবে দেখি।

আর ভাই যে কেউ নতুন বই বের করলে, সেটা তার কাছে অনেকটা নিজ সন্তানের মত একটা অনুভুতি (যদিও আমি নিজে এই অনুভুতির মালিক না, তবে বুঝি)। নিজ সন্তানকে নিয়ে একটু উচ্ছ্বাস তো থাকবেই, তাতে সন্তান কালো হোক, খোড়া হোক আর ল্যাংড়া হোক :)

ভাই সবাই হুমায়ুন বা সুনীল না তবে তাদেরও ষ্ট্রাগলিং টাইম ছিল, সে সময় প্রকাশনা অনেক কঠিন ছিল, প্রকাশকরা অনেক বাছ বিচার করতে পারতেন এখন কিন্তু পরিস্থিতি তেমন না।

একজন সেলিব্রিটি ফেসবুকিয়ানের লেখা যে পরিমান পড়া হয় একটা ষ্ট্যাটাস দিলে, হুমায়ুনের একটা বইও কিন্তু সে পরিমান পড়া হয় না, তাই বলে কি ফেসবুক সেলিব্রিটি হুমায়ুন আহমেদ এর থেকে বড় হয়ে যাবে? সবার মাঝেই একটা আকুতি থাকে নিজেক প্রকাশ করার, অসুবিধা কি করুক না, বইমেলায় যেতেই হবে, বই কিনতেই হবে এমন কিন্তু দিব্যি কেউ দেয় নি রাজীব ভাই, কিন্তু এখান থেকে কেউ যদি আনন্দ পায় কেউ যদি ব্যাবসা করে আমি তো সমস্যা দেখি না।

ইদানিং আমি প্রায় প্রতিদিনই পোষ্ট দেই এই ব্লগে তাতে হয়ত অনেকেই বিরক্ত হয় কারন সেগুলোর অনেকগুলোই মান দন্ড বিচারে অনেক নিম্ন, দু একটা হয়ত ভালো হতে পারে, পাঠকই বিচার করে নিক কোনটা ভালো কোনটা অনুপুযুক্ত, এখন তাই বলে আমাকে যদি গালি গালাজ করেন একটু কষ্ট কি পাব না :(

এটা সত্যি কথা অনেক লেখক যারা বই মেলায় বই বের করে অথচ বিশ্ব ক্ল্যাসিকের দশটা বই পড়ে নি, তারা ফেসবুকের অভিজ্ঞতা নিয়ে বই প্রকাশ করে লেখক হয়ে যায় সমস্যা নেই জাষ্ট ইগনোর।

মন্তব্য কি অনেক বড় হয়ে গেল ভাই? জাষ্ট আলোচনা করলাম :)

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: ''নিজ সন্তানের মত বই'' এই কথাটা একটা ফালতু কথা। সন্তানকে কি টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হয়??

প্রশ্ন ফাঁস জেনারেশন যদি লেখক হয়ে যায় তাহলে তো সমস্যা।

১২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ভয়ঙ্কর লেখা। গুণীজন আহত নিহত হতে পারেন।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: হে হে---

১৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বড্ডো কড়া কথা বলা হয়ে গেছে। ভায়ের চিত্ত আজ বড়ো বিক্ষিপ্ত। তবে কেউ যদি পয়সা দিয়ে বই ছাপায় সেটা একান্তই তার নিজস্ব আবেগ। পাঠক পড়বে কিনা সেটা পাঠকদের নিজস্ব এক্তিয়ার। সেখানে আমি আপনি বোধহয় গালমন্দ করতে পারিনা। আর করলেও সংশ্লিষ্ট লেখক বা পাঠকের কিছু আসে যায় না। কেউ ঘুরতে পছন্দ করে। কেউবা খেতে বা ঘুমাতে পছন্দ করে। ব্লগের একই ব্যক্তির দিনে একাধিক পোস্ট পাই। তার সব মানসম্মত নয়। তাইবলে সেটাও যেমন অপরাধ দেখিনা। তেমনি বই লেখাটাও যেকোনো ব্যক্তির আবেগ। সবাই হুমায়ুন আহমেদ বা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নয় বা হতে পারেন না। পাঠকই তার শ্রেষ্ঠ বিচারক। তাই বলে কারো আবেগকে নিয়ে কড়া কথা না বলে বরং পাঠকের দৃষ্টিতে বিষয়টি মূল্যায়ন করি।

একদিন নীল সাধু ভাইকে বলতে দেখেছি, প্রথম দিকে বাংলা সাহিত্যের জনৈক কিংবদন্তি উপন্যাসিককেও টাকা দিয়ে বই ছাপাতে হয়েছিল।
যাইহোক ভাই প্রকাশনার লাইনে গেলে আমি খুবই খুশি হব।টাকা না দিয়ে জীবনে অন্তত একটা গার্বেজ বই বের করতে পারবো।হেহেহে

ধন্যবাদ প্রিয় ছোট ভাইকে।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: বই বের হোক, সেটা সমস্যা না। কিন্তু তারা যেভাবে পাবলিসিটি করে সেটা বড় নোংরা মনে হয়। একজন লেখক কেন এত নিচু মানসিকতার হবেন?

১৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫২

পৌষ বলেছেন: কিছু কিছু লেখকের ভাব-সাব দেখলে সত্যি সত্যিই খুবই রাগ লাগে। ওরে বাপরে বাপ... কি সব ভাবসাব...

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে সব জাগায় দুষ্টলোক দিয়ে ভরে গেছে। রাজনীতি, অফিস আদালত এবং প্রকাশনীতে।

১৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ভালো লেখকও নাই, ভালো প্রকাশকও নাই। সবই গার্বেজ। আর সত্যি কথা বলতে কি, পাঠকও বই পড়ে না। অনুরোধে ঢেঁকি গেলার কারণে দু'একখানা বই কেনে মাত্র।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন।

১৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৫৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
অসাধারণ একটি পোস্ট।
এমন পোস্ট দরকার আছে।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।

১৭| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:১০

ইসিয়াক বলেছেন: আমার বই বের করার সাধ ঘুচে গেল। বাবারে বাবা এত হিজিবিজির মধ্যে আমি নাই। হে হে হে

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: হে হে--

১৮| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:১৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,




বিশেষ একটি লেখক শ্রেনীর প্রতি আপনার আক্রোশটা বোঝা গেলো।

লেখক মানুষ লেখে তার নিজের গরজে। নিজের নাম প্রচারের জন্যে, নিজেকে উঁচুতে তুলে ধরার মানস থেকেও কোনও কোনও মানুষ লেখে। এই দুই ধরনের লেখার মাঝে ফারাক অনেক। তবুও লেখা লেখাই বা বই বই-ই। লেখা ভালো হোক কিম্বা মন্দ তবুও তো মানুষ বইয়ের প্রচলন বজায় রেখেছে আজ অবধি। এই চর্চাকে উৎসাহিত করাই উচিৎ যদি না কোনও লেখকের " হাম বড়া " ভাব থাকে।

মনে হয় শের শায়রী আর পদাতিক চৌধুরি সুন্দর ভাবেই আসল কথাগুলো বলেছেন । আর আপনার এই লেখা পড়ে যাদের প্রতি আপনার আক্রোশ, হয়তো তারা ব্যক্তিত্ববান হতে চেষ্টা করবেন।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর মন্তব্য করেছেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

১৯| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:০৬

Subdeb ghosh বলেছেন: নামের আগে কবি
অতঃপর ছবি।
এক এক জন মস্ত বড়
কবি সাহিত্যিক,
একেক জনের দশটা
পনেরটা করে বই বের হয়েছে।
বইগুলো আবার নাম করা
প্রকাশনি থেকে।
টাকা দিলে যেকোন প্রকাশনি
থেকে বই বের করা যায়,
এখনকার প্রকাশকরা লেখার
মান দেখেন না,
দেখেন টাকার পরিমান।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১২

রাজীব নুর বলেছেন: হুম।

২০| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:৪৯

সোহানী বলেছেন: রাজিব ভাই, এতাে ক্ষেপলেন কেন??? যার যা ইচ্ছে করুক... আপনার কি!! পছন্দ হলে বই কিনবেন না হলে ছুঁড়ে ফেলে দিবেন। এগুলো নিয়ে মনোকষ্টে ভুগবেন না তাহলে গ্যাস্টিক থেকে আলসার বাধিঁয়ে বসবেন B:-/

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১২

রাজীব নুর বলেছেন: ঠিক আছে চুপ থাকলাম।
আমার কি? আমার কিছু না।

২১| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ভোর ৪:০৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: খারাপ বইয়ের সংখ্যা সবকালেই বেশী।
আপনি ভালো একটা বই লেখেন,আমরা প্রচারে সাহায্য করবো।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: না, সেই প্রতিভা আমার নেই।

২২| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৮:২৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




একটি ভাল বই এর সুঘ্রান নীজে নীজে ছড়ায়।
নীল ক্ষেতের ফুটপাথের দোকান হতে খুঁজে খুঁজে কত যে বই কিনেছি তার ইয়ত্তা নাই। বিষয় ভিত্তিক মাইন্ড সেট না করে
কেও সচরাচর বই কিনেন না। যাহোক, ভাল নতুন লেখকদেরকে উৎসাহ দেয়া প্রসংসার কাজ। তাঁর বই কিভাবে প্রচার ও ফেরী হবে তা প্রকাশক ও লেখকেরই একান্ত নিজস্ব ব্যপার। লেখকের ব্যক্তিত্ব কিভাবে রক্ষা পাবে সেটা উনাকেই চিন্তা
করতে হবে। পাঠক বইটি কেনার সময় শুধু প্রচ্ছদের ছবি না দেখে ভিতরে দুই এক পাতা দেখে ক্রয় করলে ঠকবেননা
বলে মনে করি।বই বিক্রয় না হলে ক্ষতি হবে নীজ অর্থায়নে লেখা পুস্তকের লেখকেরই। আপনার লেখাটির কল্যানে
অনেকেই মনে হয় বেশ সচেতন হবেন।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমি যা লিখেছি তা এক বিন্দু মিথ্যা লিখি নাই।
কারো প্রতি আমার ক্ষোভ নেই। আমি মানুষকে ভালোবাসি।

২৩| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:০৩

শামছুল ইসলাম বলেছেন: রাজিব ভাই বোধ হয় কোন কারণে ক্ষেপে আছেন ।

পদাতিক চৌধুরি, শের শায়রী ও আহমেদ জী এস ভাইয়ের মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো ।

কাউকে আমি ভালোবাসতে না পারি, তাই বলে ঘৃণা যেন না করি ।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১১

রাজীব নুর বলেছেন: ৩০০ কপি বই বিক্রির জন্য কবি-লেখকদের উঠেপড়ে লেগে থাকাকে বইমেলা বলে!

২৪| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:০১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সত্য কথণ।

বই মেলা চলছে, চলবে। ভাল ভাল লেখক আসুক এটা চাই।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: রাইট।

২৫| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৩০

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনি যদি ভালো লিখেন, তাহলে আপনার বইয়ের বিজ্ঞাপন দেওয়ার দরকার হবে না। পাঠক ভালো বইয়ের সন্ধান নিজেরাই করে নেয়। হুমায়ূন আহমেদ কখনও নিজের বইয়ের বিজ্ঞাপন দেন না- হিমু মিসির আলীর মতোকিই যদি ভালো বই হয় তাহলে ওয়ার এন্ড পিস,মাদার,ওল্ড ম্যান এন্ড দ্যা সি,গ্যালিভার্স ট্রাভেলস আর জুল ভার্ণের লেখা বইগুলিকে কি বলা হবে???
আলুর চিপস এর চেয়ে ছোলা অনেক উত্তম খাবার।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: হিমু মিসির আলি বাংলা সাহিত্য।
ওয়ার এন্ড পিস,মাদার,ওল্ড ম্যান এন্ড দ্যা সি,গ্যালিভার্স ট্রাভেলস আর জুল ভার্ণ বিশ্ব সাহিত্য।

২৬| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৩০

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনি যদি ভালো লিখেন, তাহলে আপনার বইয়ের বিজ্ঞাপন দেওয়ার দরকার হবে না। পাঠক ভালো বইয়ের সন্ধান নিজেরাই করে নেয়। হুমায়ূন আহমেদ কখনও নিজের বইয়ের বিজ্ঞাপন দেন না- হিমু মিসির আলীর মতো বই যদি ভালো বই হয় তাহলে ওয়ার এন্ড পিস,মাদার,ওল্ড ম্যান এন্ড দ্যা সি,গ্যালিভার্স ট্রাভেলস আর জুল ভার্ণের লেখা বইগুলিকে কি বলা হবে???
আলুর চিপস এর চেয়ে কাচা ছোলা অনেক উত্তম খাবার।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.