নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

তিক্ত ঘটনা থেকে অভিজ্ঞতা হলো

১৪ ই এপ্রিল, ২০২৩ রাত ১১:৪১



জীবনে বারবার হোচট খেয়ে খেয়ে মানুষ একসময় অভিজ্ঞ হয়ে ওঠে।
আমি আমার একটা অভিজ্ঞতার কথা বলি। আমাদের পাশের বাসার একটা মেয়ে। মেয়েটাকে আমি জন্মের পর থেকেই চিনি। এমনকি মেয়েটাকে ছোটবেলা কোলেও নিয়েছি বেশ কয়েকবার। যাইহোক, একসময় মেয়েটা বড় হলো। মাঝে মাঝে রাস্তায় দেখা হয়। দুই একটা কথা হয়। একদিন মেয়েটাকে দেখি এক ছেলের সাথে ফাস্ট ফুডের দোকানে বসে আছে। বসার ভঙ্গিটা সুন্দর না। দেখতে দৃষ্টি কটু লাগছে।

মেয়েটার বয়স মাত্র ষোল।
আমি মনে মনে ভাবলাম- মেয়েটা যে এখানে বসে আছে তার বাবা মা কি জানে? আর যে ছেলেটার সাথে ঘনিষ্ঠ হয়ে বসে আছে। সেই ছেলেকে আমি চিনি। বখাটে ছেলে। এর আগেও এই ছেলেকে আমি অন্য মেয়ের সাথে দেখেছি। আমি জানি, এই ছেলেটা এই মেয়েটাকে নিয়ে বিছানায় যাবে। এবং ভিডিও করে রাখবে। এর আগে এই ছেলের এরকম রেকর্ড আছে। এখন আমি কি করবো? মেয়েটাকে বুঝিয়ে বলব? নাকি মেয়েটার বাবা মাকে ঘটনা বলব? নাকি চুপ করে থাকবো?

কারো উপকার করতে গেলে শেষে নিজের বিপদ হয়।
তাই আমি চুপ করে থাকলাম। দেখেও না দেখার ভান করলাম। এবং এই ঘটনাটা ভুলে যেতে চেষ্টা করলাম। এর মধ্যে আরেকদিন দেখি এই মেয়ে ও বখাটে ছেলেটাকে। এক বিল্ডিং এ কাজ চলছে। সেই বিল্ডিং এর ছাদে ছেলেটা মেয়েটাকে কোলে নিয়ে বসে আছে। ষোল বছরের একটা মেয়ে! মেয়েটা যদি আমার বোন হতো! চোখের সামনে একটা মেয়ে অন্ধকারে চলে যাচ্ছে। এইসব ঘটনা কেন আমার চোখে পড়ে? এই ঘটনা মেয়েটার বাবা মায়ের চোখে পড়ার দরকার ছিলো।

একদিন মেয়েটার মামার সাথে আমার রাস্তায় দেখা।
আমি মেয়েটার মামাকে ঘটনা খুলে বললাম। এই বলাই আমার কাল হলো। এক ঘন্টা পর মেয়েটার বাবা মা আমাদের বাসায় এসে আমাকে শাঁসালো। হুমকি ধামকি দিলো। এবং বলল, তাদের ফুলের মতো ,মেয়েকে আমি বদনাম করার চেষ্টা করছি। তাঁরা আমার নামে মামলা করবে। আমাকে শিক্ষা দেবে, ইত্যাদি অনেক অনেক কথা। তাদের কথা শুনে আমি দুঃখ পেলাম। এবং আমার পরিবারের সদস্যদের কাছে অনেকখানি ছোট হয়ে গেলাম।

ঘটনা এখানেই শেষ না।
সেই বখাটে ছেলে তার বন্ধু বান্ধব নিয়ে আমাকে রাস্তায় আটকালো। তাঁরা আমাকে শাঁসালো। কলার টেনে ধরলো। ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিলো। খারাপ খারাপ গালি দিলো। আমি মাথা নত করে বাসায় ফিরলাম। এলাকার মানুষজন আমার উপর ক্ষেপলো। আমি নাকি একটা নিরীহ বাচ্চা মেয়ের উপর নোংরা দোষ চাপিয়ে দিয়েছি। যাইহোক আমি রাগ করে আমার ফুপুর কাছে চলে গেলাম। ফুপুর বাসায় থাকলাম ছয় মাস। ফিরে শুনি সেই মেয়েটা প্রেগন্যান্ট হয়েছে। তার ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে গেছে। বখাটেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিলও। আবার ছেড়ে দিয়েছে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.