নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রতিটা ব্যবসায়ীই এক একজন প্রতারক

১৫ ই এপ্রিল, ২০২৩ রাত ১০:১৮



মূলত ব্যবসায়ীরা 'ব্যবসা' নাম দিয়ে মানুষের সাথে 'প্রতারণা' করে।
এটা শুধু কাপড় বা জুতোর ক্ষেত্রে না। সকল ক্ষেত্রেই ব্যবসায়ীরা ব্যবসা নাম দিয়ে সমানে প্রতারণা করেই যাচ্ছে। এর কারন সরকার তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে না। 'ডিসকাউন্ট' শব্দ ব্যবসায়ীরা বেশি ব্যবহার করে। এটা আরো বড় প্রতারণা। বাংলাদেশে কোনো সৎ ব্যবসায়ী নেই। যারা দেশ চালায় তারাও সৎ নয়। কাজেই ব্যবসায়ীয়া সৎ হবে এটা ভাবা বোকামি হবে। উন্নত দেশ গুলোতে ব্যবসায়ীরা প্রতারণা করতে পারে না। কারন মনিটরিং করা হয়। কেউ প্রতারণা করলে সাথে সাথে তার লাইসেন্স বাতিল।

ঈদ আসলে ব্যবসায়ীরা পাগল হয়ে যায়।
ক্রেতারাও পাগল হয়ে যায়। লোকজন পাগলের মতো কেনাকাটা করে। সামান্য ইফতার কিনতে গেলে দেখবেন লোকজন পাগলের মতো ইফতার কিনছে। অথচ খাবারটা স্বাস্থ্যকর কিনা সেটা ভাবে না। ধরুন, আপনি কোনো রেস্টুরেন্টে বসে তেহারী খেলেন। আপনার কাছ থেকে দাম রাখবে ১৭০ টাকা। সাথে পানির বোতল বিশ টাকা। মোট ১৯০ টাকা। অথচ এই খাবার টুকুর মান অনুযায়ী দাম হওয়া উচিৎ ১২০ টাকা। ব্যবসায়ীদের কেউ কিছু বলে না। সরকারও কিছু বলে না। এদিকে ক্রেতারা অসহায়। ''নিরাপদ খাদ্য'' নামে সরকারের একটা প্রতিষ্ঠান আছে। এরা কি করে আমি জানি না। ভোক্তা অধিকার নামে একটা প্রতিষ্ঠান আছে, এরা কি করে আমি জানি না। মূলত বাংলাদেশের মানুষ গুলো- চোর, ইতর, ভন্ড, বদ, প্রতারক ও মিথ্যাবাদী। সারা দেশের খারাপ মানুষ গুলো ঢাকায় এসে জরো হয়েছে।

মানুষের পাপের শাস্তি আল্লাহ এখন দিবেন না।
দুনিয়াতে কিভাবে চলতে হবে এজন্য আল্লাহপাক কোরআন দিয়েছেন। আছে হাদীস। কোরআন ও হাদীস মোতাবেগ আল্লাহ্‌ মানুষকে জীবনযাপন করতে বলেছেন। কিন্তু মানুষ কোরআন হাদীসের কথা ভুলে গেছে। নিজের ইচ্ছা মতোন জীবনযাপন করছে। আল্লাহ্‌ মানুষকে ধরবেন মৃত্যুর পর। কি কি শাস্তি দেওয়া হবে, কিভাবে শাস্তি দেওয়া হবে সব কোরআনে বলা আছে। কাজেই আল্লাহ্‌ মানুষকে দুনিয়াতে শাস্তি দিবেন না। মৃত্যুর পর মানুষের খবর আছে। আর আগুন লাগার কারন পাপের ফল নয়। মানুষের লোভ। দেশের কিছু মার্কেটের করুণ দশা। এগুলো ভেঙ্গে ফেলা দরকার। সিটি কর্পোরেশন কি করে আমি জানি না। সিটি কর্পোরেশন তো আজ পর্যন্ত ঢাকার ফুটপাত ক্লিয়ার করতে পারেনি। কোনোদিন পারবেও না। এখন ঢাকা শহরকে বিনা দ্বিধায় বলা যাবে- মসজিদের শহর আর শপিং মলের শহর।

আমার পরিচিত একলোক সেলাই মেশিনের ব্যবসা করেন।
গরীব মানুষেরা সেলাই মেশিন কিনতে এলে সে নকল মেশিন দিয়ে দেয়। কিন্তু দাম রাখে আসল মেশিনের। প্রায় বিশ বছর ধরে এভাবেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মুখে মিষ্টি মিষ্টি কথা। নামাজ পড়তে পড়তে কপালে স্থায়ী কালো দাগ বসে গেছে। ব্যবসায়ীদের প্রতারণা দেখার কেউ নেই। বলার কেউ নেই। বড় বড় শো রুম গুলোতে একটা জামার দাম লিখে রাখে পাঁচ গুণ বেশি। অনেকে কোনো কথা না বলেই পাঁচ গুণ বেশি দাম দিয়েই কিনছে। দেখার কেউ নেই, বলার কেউ নেই। একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে ঠকাতে পারলেই ভাবে জিতে গেলাম। এই সমাজে প্রতিনিয়ত একজন আরেকজনকে ঠকাচ্ছে। আপনি মাংস কিনতে যান আপনাকে ঠকাবে। চারিদিকে দুষ্টলোকজন ঠকানোর উতসবে মেতেছে। এই সমাজে সবাই সবাইকে ঠাকাচ্ছে।

কেউ লাখ লাখ টাকার শপিং করছে।
আবার কেউ তার ছোট বাচ্চাকে দুই শ' টাকা দিয়ে একটা জামা কিনে দিতে পারছে না। জুতো কিনে দিতে পারছে না। যাইহোক, ব্যবসায়ীরা মূলত সারা বছরই কাস্টমারকে ঠকায়। তবে কোনো উৎসব এলে আরো বেশি ঠকায়। আমি বাসার জন্য একটা তরমুজ কিনতে গেলাম। বিক্রেতা বলল, আমিই আপনাকে বেছে দিচ্ছি। খেয়ে আবার আসবেন। আমাকেই খুঁজবেন। আমি বিক্রেতা কে বিশ্বাস করলাম। ৩৫০ টাকা দিয়ে একটা তরমুজ কিনলাম। বাসায় এসে দেখি আমাকে পচা তরমুজ দিয়েছে। পরপর তিন দিন গিয়ে সেই বিক্রেতাকে ধরলাম। এখন বিক্রেতা আমাকে চিনতেই পারছে না। শেষে আমাকে বলল, এখন ফুটেন। ব্যবসায় করতে দেন। সাত দিন পরে আসেন, আপনাকে একটা ছোট তরমুজ দিয়ে দিবো।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৩ রাত ১২:৪৮

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


নিশ্বাসে-বিশ্বাসে প্রতারণা ঢুকলেই বোধ হয় এমন হয়।

১৭ ই এপ্রিল, ২০২৩ দুপুর ১২:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: হতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.