নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আকডুম বাকডুম

১১ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৫:৪৪

ছবিঃ আমার তোলা।

প্রচুর পানি খেতে হবে।
সেই সাথে স্যালাইন, ডাবের পানি এবং লেবুর শরবত। যে গরম পড়েছে! চারদিকে কাঁচের মতো স্বচ্ছ কড়া রোদ। একটা ঝড় আসার সম্ভবনা রয়েছে। মোচা না কি নাম যেন। ঝড় আসুন। চারদিক ঠান্ডা হয়ে যাক। কিন্তু সেই ঝড়ে যেন কোনো ক্ষতি না হয়। আমার ঘরে এসি নেই। থাকি ছয় তলায়। বিল্ডিং টাই ছয় তলা। রাত দুটায় যেন দেয়াল থেকে গরম তাপ বেরোয়। চুপচাপ বসে থাকলে ঘামতে থাকি। আমার ছোট মেয়েটার ভীষন কষ্ট। সে গরমে ছটফট করে। অবশ্য এই গরমেরও দরকার আছে। আম, কাঠাল, লিচু, জাম, তাল ইত্যাদি ফলের সময় এখন। যাইহোক, বক বক বাদ দিয়ে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেই।

বাসর রাতে স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে উপহার পেলে ভীষন খুশি হয়।
আমি দরিদ্র অবস্থায় বিয়ে করেছিলাম। হাত প্রায় খালি ছিলো। কি দিব স্ত্রীকে ভেবে মাথা কাজ করছিলো না। তখন আমি মসজিদের মোয়াজ্জেম কে জিজ্ঞেস করলাম, স্ত্রীকে বাসর রাতে কি দিতে পারি? মোয়াজ্জেম সাহেব বললেন, একটা কোরআন শরীফ দেন। এরচেয়ে সুন্দর আর কিছু হতে পারে না। বাসর রাতে স্ত্রীর হাতে কোরআন শরীফ তুলে দিলাম। স্ত্রী অত্যাধিক খুশি হলো। খুশিতে তার চোখে পানি চলে এলো। সে কোরআন শরীফে চুমু খেলো। তারপর বুকে জড়িয়ে ধরলো। স্ত্রী প্রতিদিন এক পাতা হলেও কোরআন শরীফ পড়ে। এমনকি সে তার বাবার বাড়ি বেড়াতে গেলেও আমার দেওয়া কোরআন শরীফটা সাথে করে নিয়ে যায়।

ছোটবেলা থেকেই মিষ্টি আমার ভীষন প্রিয়।
আমরা চার ভাই পাল্লা দিয়ে মিষ্টি খেতাম। গপগপ করে ননস্টপ মিষ্টি খেয়ে যেতাম। যে মিষ্টি সামনে পেতাম সেটাই খেতাম। সব রকমের মিষ্টিই আমার পছন্দ ছিলো। আমি যখন ঢাকার বাইরে যাই, তখন সেই এলাকার মিষ্টির দোকানে যাই। সব গুলো মিষ্টি টেস্ট করে দেখি। সেই সাথে দই। এবং রস মালাই। দুটা উদাহরণ দেই, ফরিদপুরের বাগাট এলাকায় এক ধরনের মিষ্টি পাওয়া যায়- সেটা খেতে দারুন। দেখতে চমচম এর মতোণ। তবে সাইজে ছোট। বাগেরহাঁট এর রায়েন্দা এলাকাতে রস মালাই খেয়েছিলাম, সেই স্বাদ আজও মুখে লেগে আছে। তবে এখন আগের মতো মিষ্টি খাই না। খুব কম খাই। বয়স বাড়ছে।

প্রতিটা ছেলে মেয়ের মা বাবার ভক্ত হওয়া উচিৎ।
কারন ছেলে মেয়েদের জন্য বাবা মা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেন। বাবা মায়ের চেয়ে আপন দুনিয়াতে আর কেউ নেই। আপনার স্বামী ভালো মানুষ। সে তার মায়ের ভক্ত। প্রতিটা ছেলের এরকমই হওয়া উচিৎ। সবার আগে মা। তাই মা ভুল বললেও ভুলটাই সঠিক। চেষ্টা করে দেখুন আপনার ছেলেমেয়ে আপনার ভক্ত হয় কিনা। যাইহোক, মা ভুল করলে চিৎকার করা যায় না। তীব্র প্রতিবাদ করা যায় না। কিন্তু স্ত্রী ভুল করলে তাকে বুঝিয়ে বলা যায়। মা আর স্ত্রী এক নয়। সম্পূর্ন আলাদা। দুটা দুই দুনিয়া। স্ত্রীর চেয়ে বেশি আপন মা।

পা কামড়ানো বা পা চাবানো। এই সমস্যা আমার আছে।
দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা নিয়ে বেঁচে আছি। রাতে এত পা চাবায় যে ঘুম ভেঙ্গে যায়। তখন মনে হয় কেউ যদি পা-টা টিপে দিতো তাহলে আরাম লাগতো। কিন্তু কে টিবে দেবে? পা চাবানো সমস্যা আমার বাবারও ছিলো। আমার দাদারও ছিলো। আমার দাদাকে দেখতাম কাজের ছেলেটা সারাক্ষণ দাদার পা টিপে দিচ্ছে। ছেলেটাকে রাখাই হয়েছিলো পা টিপে দেওয়ার জন্য। আব্বার পা কামড়ালে বা চাবালে আমরা টিপে দিতাম। কিন্তু আমার পা চাবালে কেউ টিপে দেওয়ার নেই। আমি কষ্ট পাই। যন্ত্রনা হয়।

অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি। ডাক্তার আমাকে ক্যালসিয়ামের ওষুধ দেয়।
সেই ওষুধ খেয়ে কোনো উপকার পাইনি। সম্ভবত এটা আমার বংশগত সমস্যা। দাদার ছিলো, বাবার ছিলো, এখন আমার আছে। আমি ডাক্তারকে বলেছি ক্যালসিয়ামের ওষুধ খেয়ে আমার পা চাবানো কমে না। তবু ডাক্তার আমাকে ক্যালসিয়ামের ওষুধ দেয়। এখন রাগ করে আর ডাক্তারের কাছে যাই না। প্রায় প্রতিদিনই পা চাবায়। অসহ্য যন্ত্রনা। আমার দিনের বেলায় পা তেমন চাবায় না। রাত হলেই চাবানো শুরু হয়। ভোরের দিকে এবং ঘুম থেকে উঠার পর চাবানোর মাত্রা অনেক বেশি।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৫:৫৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমার স্ত্রীর পা চাবায়। নিজের ঘুমের বারোটা বাজিয়ে তার ঘুমের জন্য তার পা টিপতে থাকতে হয়। এখন সে বাড়ীতে থাকে। তাকে বললাম, এখন কে পা টিপে? সে বলল, নিজের পা নিজেই টিপি। অনেক কষ্ট হয়।

১২ ই মে, ২০২৩ রাত ৯:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: পা চাবানো খুব যন্ত্রনার।
আমার পা চাবায়। কিন্তু আমি কাউকে বলি না। সহ্য করে যাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.