নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজ মেঘলা দিন

২০ শে জুন, ২০২৩ দুপুর ১:৫৫

ছবি; আমার তোলা।

আমি বড় একা হয়ে গেছি।
কেবল মনে হয় আমার আর কেউ নেই। ওরা কি আমার কেউ? ওরা সব নিজের নিজের। মানুষ ঘর বাড়ি বানায়, সুখে থাকার জন্য। নিরাপত্তার জন্য। মানুষ সব বুঝে কিন্তু মেনে নিতে পারে না। আমি একদিন গ্রামে ফিরে যাবো। চাষবাস করবো। গাছের পর গাছ লাগাবো। প্রত্যেক মানুষের রক্তেই একটা ফিরে যাবার টান থাকে। কিন্তু যেতে পারে না। শহর ধরে রাখে। আগে দুনিয়ায় এত খারাপ লোক ছিলো না। এখন অনেক খারাপ হয়েছে। লোকে যখন মুখে ভালো ভালো কথা বলে তখন আমার মুখে থুথু আসে।

মানুষ অনর্থক অনেক কথা বলে ফেলে।
না বললেও কোনো সমস্যা ছিলো না। কলকারখানা পরিবেশ দুষন করে। ঠিক তেমনি কিছু মানুষ একটা পরিবার ধ্বংস করে দেয়। ভাই ভাইয়ে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে দেয়। দুষিত মানুষজন দুষিত পরিবেশ সৃষ্টি করে। তখন তারা পৃথিবীর সৌন্দর্য বুঝতে পারে না। জীবনের সোন্দর্য বুঝতে পারে না। মানুষকে আমার খুব খারাপ লাগে না। এদের মধ্যে ভালো আছে, মন্দ আছে, দয়ালু আছে, উদাসীন আছে। সবাই খারাপ নয়, এটাই যা একটা ভালো ব্যাপার। এযুগের মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ভালোবাসা সহানুভূতি দেখায় না।

সুন্দর করে বাচতে হলে, নিজেকে সংযত করতে হবে।
বাইরের লোককে বেশি আশকারা দেওয়া যাবে না। বাইরের লোক মানেই পলিউশন। তাদের কাছ থেকে সহানুভূতি পেয়ে লাভ নেই। তাদের কাছে নিজেকে হনু ভাবে উপস্থাপন করাও সঠিক কাজ নয়। গাছ মাটিকে ধরে রাখে। আর বাইরের মানুষ শুধু পলিউশন তৈরি করে। ভালো-মন্দ, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না নিয়েই আমাদের জীবনের সব কিছু। সব সময় ভালো মুডে থাকতে না পারাটা জীবনেরই অংশ, তবুও আমরা আশা করি সবাই প্রতিদিন ভালো থাকবো, সুন্দর থাকবো।

যে সমস্ত ডাকাতেরা দেশ চালাচ্ছে-
বক্তৃতা দিচ্ছে, টিভি চ্যানেলের সামনে চ্যাটাং চ্যাটাং কথা বলছেন- তারা কি জানেন দেশের মানুষ রোগ-ভোগ, খিদে, বিপদ-আপদ নিয়ে কি রকম ভাবে বেচে আছে? আর আসমানে যে ঈশ্বর আছেন, তার তো নাকে তেল দিয়ে ঘুমানো ছাড়া আর কোনো কাজ নেই। আমাদের দেশের বেশিরভাগ ডাক্তার যেদিন ভালো চিকিৎসা দেবেন, সেইদিন থেকে আর কেউ ভারতে চিকিৎসার জন্য যাবে না। ডাক্তাররা চিকিৎসাই পরম ধর্ম যেদিন মনে করবেন, সেদিনের পর আর কেউ ভারত যাবে না চিকিৎসার জন্য।

একবার একটা ম্যাগাজিন তাদের গবেষনা পত্রে গবেষনা করে বললো যে,
শতকরা ৫০ ভাগ মেয়েরাই বোকা। এই শুনে নারীরা আন্দোলন শুরু করলো। এরপর ঐ ম্যাগাজিন তাদের রিপোর্টটি ভুল সংশোধন করে নতুন করে লিখলো, 'নারীরা শতকরা ৫০ ভাগই বুদ্ধিমান'। আর তারপর সবাই সেটা খুব শান্তিতে মেনে নিল। নারীরা আর কতকাল এমন বোকা থাকবে? নারীরা আবার চালাক হলেও সমস্যা। ডির্ভোস দিয়ে দিবো।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে জুন, ২০২৩ বিকাল ৩:২৩

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: মেঘলা দিনে ঘরে একলা থাকতে নেই
মুড়িময়া আর কত কি পাশ থাকতে হয় রাজীব দা
ভাল থাকবেন

২| ২০ শে জুন, ২০২৩ বিকাল ৪:১৩

বিষাদ সময় বলেছেন: কিছু কিছু ব্যাপারে একমত । তবে গ্রামে যাবার আগে শরৎবাবুর ছোট গল্প বিলাসী ভালভাবে পড়ে নিবেন।
আর আমাদের দেশের ডাক্তার!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.