| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
আমাদের দেশটা অনেক ছোট। কিন্তু জনসংখ্যা অনেক বেশি।
এই বিশাল জনশক্তি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। ১৯৪৭ সালে দেশভাগ হলো। ১৯৫২ তে হলো ভাষা আন্দোলন। আর ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ। অনেক কষ্টে পাওয়া এই দেশ। দেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৪ বছর। এই ৫৪ বছরে অনেকেই দেশ শাসন করেছেন। কেউ দূর্নীতি কম করেছেন, কেউ সীমাহীন দূর্নীতি করেছেন। তবে সকলেই দেশের বারোটা বাজিয়েছেন। শেখ মুজিবের উপর মানুষের আস্থা ছিলো, ভরসা ছিলো। শেখ মুজিব যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে শুরু করলেন। ঠিক তখনই তাকে হত্যা করা হলো। পুরো জাতির কপাল পুড়লো। মেজর জিয়া দেশের উন্নয়নে মন দিলেন, তাকেও হত্যা করা হলো। এইভাবে দেশ বারবার বাধাগ্রস্ত হয়।
বিএনপির অতীত ইতিহাস ভালো না।
অতীত ঘাটলে দেখা যাবে, শুধু দূর্নীতি আর দূর্নীতি। এই দুর্নীতির কারনেই বিএনপিকে ১৭ বছর রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে হয়েছিল। এমনকি আওয়ামীলীগের এমন পতনের কারণ হচ্ছে দূর্নীতি। জনগণ রেগে গেলে, কেউ তাদের ঠেকিয়ে রাখতে পারে না। অন্যায় না করলে এমন করে পালাতে হতো না। এরকম অবস্থার জন্য দায়ী ছাত্রলীগ, যুবলীগ থেকে শুরু করে প্রতিটা নেতা কর্মী দুর্নীতিতে ডুবে গিয়েছিল। অনেকে শুধুমাত্র দূর্নীতি করার জন্য আওয়ামীলীগে যোগ দিয়েছিল। শেখ হাসিনা তাদের থামান নাই। নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে ফেলেছিল। মানুষের সহ্যের বাধ ভেঙে গিয়েছিল। যাইহোক, আওয়ামিলীগ বিদায় হয়েছে। এখন তাদের জায়গা দখল করেছে জুলাই যোদ্ধারা। এদেরও করুন পরিনতি হইবে।
আমরা চিনি ১৭ বছর আগের তারেক জিয়াকে।
সেসময় তারেক জিয়া অদক্ষ ও অযোগ্য ছিলো। রাজনৈতিক বিচক্ষণতা তার মধ্যে দেখা যায়নি। এখন তারেক জিয়া দেশে ফিরেছেন। হয়তো গত ১৭ বছর তারেক জিয়া নিজেকে বদলে নিয়েছেন। যে ভুল গুলো করেছেন, তার জন্য অনুতপ্ত। সামনের দিন গুলোতে সে আর ভুল করবে না। তার দ্বারা এখন হয়তো জাতি উপকৃত হইবে। উনি ভুল করলে উনাকে আবারো ভূগতে হইবে। জামাত শিবিরের চেয়ে বিএনপি ভালো। আর বিএনপির চেয়ে আওয়ামিলীগ ভালো। মন্দের ভালো হলেও ভালো। শেখের বেটি কম তো করে নাই, মেট্রোরেল, পদ্মাসেতু, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্নফুলি টার্নেল। আওয়ামীলীগের অবদান কম নয়। ছাত্রলীগের বাড়াবাড়ি আর নেতাকর্মীদের দূর্নীতি যদি শেখ হাসিনা থামাতে পারতেন তাহলে পরিস্থিতি অন্য রকম হতো। জামাতের নীল নকশার কাছে আওয়ামিলীগ ধরাশায়ী।
তারেক জিয়াকে মনে রাখতে হবে,
গ্রেনেড হামলার মতো ঘটনা যেন দেশে আর না ঘটে। একসাথে ৬৪ জেলায় যেন বোমা হামলা না ঘটে। জংগীরা যেন মাথাচারা দিয়ে না উঠতে পারে। চাঁদাবাজি যেন না হয়। খুন, ধর্ষণ যেন না হয়। অগা, মগা, জগা আর কালু মালুরা যেন রাতারাতি ধনী হতে না পারে। সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। নইলে বিএনপির কপালে আবারও দু:খ আছে। এবারও যদি বিএনপি ভুল করে, বারবার দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে আবার হয়তো তাকে দেশ ছাড়া হতে হবে। এই যে আওয়ামিলীগ ভুল করেছে। এখন তারা কোনো রকমে জীবন নিয়ে পালিয়েছে। জনগণ ক্ষেপে গেলে কোনো শালা বাচতে পারবে না। ভিয়েতনাম, মালোশিয়া কি সুন্দর বদলে গেলো! আমাদের দেশটা কেন এগিয়ে যাচ্ছে না? উন্নত বিশ্বের সাথে আমরা কেন তাল মিলিয়ে চলতে পারি না? অযোগ্য অদক্ষ রাজনীতিবিদদের কারণে আমরা আর কত কাল পিছিয়ে থাকিবো?
অন্যায় করলে শাস্তি পেতেই হয়।
এটা আশা করি তারেক সাহেব বুঝতে পেরেছেন। শেখ হাসিনাও বুঝতে পেরেছেন। ১৯৭১ সালে জামাত অন্যায় করেছে, তারাও জানেন অন্যায় করলে শাস্তি পেতে হয়। অন্যায় করলে ইহকাল পরকাল, কোনো কালেই পার পাওয়া যায় না। আমি খেয়াল করে দেখেছি দরিদ্র দেশের মানুষ গুলো বেশি অসৎ হয়। তাদের লোভ বেশি হয়। আমি বিশ্বাস করতে চাই, আমাদের দেশের মানুষ গুলো ভালো এবং পরিশ্রমী। মানবিক এবং হৃদয়বান। বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, এটা আমার বিশ্বাস। দেরো হোক, যায়নি সময়। ১৯৭১ সালে আমাদের দেশের মানুষ গুলো খাটি ছিলো। তারা একদম মন থেকে দেশকে ভালোবাসতো। তাদের মধ্যে ভান ছিলো না। সততার অভাব ছিলো না। জাতি ৭১ থেকে শক্তি নেবে, অনুপ্রেরণা নেবে। মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের লোকেরা দেশকে এগিয়ে নেবে।
ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়।
বিএনপি ভুলের কারণে ১৭ বছর ক্ষমতা থেকে দূরে ছিলো। সামনে নির্বাচন। ক্ষমতায় আসবে বিএনপি অথবা জামাত। এদিকে সব দল গুলো জোটবদ্ধ হয়েছে। বুঝা যাচ্ছে সকলেই মিলেমিশে মন্ত্রী এমপি হবে। যে দলই ক্ষমতা আসুক, তাদের উচিৎ হবে শিক্ষা এবং কৃষি খাতকে প্রাধান্য দেওয়া। আরো গুরুত্ব দিতে হবে কর্মসংস্থান তৈরি করা। মানুষের যেন আর বউ বাচ্চা ফেলে মধ্যপ্রাচ্যে যেতে না হয়। সবার আগে নিশ্চিত করতে হবে কেউ যেন দূর্নীতি না করে। আমি বিশ্বাস করি, দেশের উন্নতির জন্য রাজনীতি করতে হয় না। সৎ ইচ্ছা থাকলেই হয়। মানুষ যখন অন্যায় করতে চায়, তখনই সে ক্ষমতা চায়। রাজনীতিতে আসে। দেশ এবং মানুষকে ভালোবাসার জন্য রাজনীতির কোনো প্রয়োজন নেই। ভালো মানুষ রাজনীতি করে না। শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর দেশমাতৃকা ভালো নেই। হায়েনারা দখল করে নিয়েছে দেশ।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০৩
রাজীব নুর বলেছেন: শালারা ধার্মিক হয়েছে, তাই কথা রাখে না।
'মানুষ' হলে কথা রাখতো।
২|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৬
কামাল১৮ বলেছেন: হায়ানা মুক্ত করতে হবে।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০৩
রাজীব নুর বলেছেন: হায়েনা মুক্ত হবে।
অবশ্যই হায়েনা মুক্ত হবে।
৩|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৩৮
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: অতিরিক্ত মানুষ কোনো কাজে আসবে না
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০৩
রাজীব নুর বলেছেন: রেমিটেন্স কিভাবে বাড়ে? এই জনশক্তি দিয়েই বাড়ছে।
৪|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভুলবশত লাইক পড়ে গেছে। আপনার লেখার সকল পোস্টের সাথে একমত নই।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১১
রাজীব নুর বলেছেন: ভুলবশত লাইক দিয়ে অন্যায় করেছেন। যাক আপনাকে ক্ষমা করিলাম।
৫|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪
কাঁউটাল বলেছেন: ছাগল কোথাকার
৬|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৫
ধুলো মেঘ বলেছেন: শেখ হাসিনাকে আবার ফেরত আনা হলে এই পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল আর এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওঁর পেছন দিয়ে ঢুকিয়ে উন্নয়নের স্বাদ কড়ায় গন্ডায় বুঝিয়ে দেয়া হবে। আর যে ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে, তা কড়ায় গন্ডায় ছাগলের মত ছাল ছিড়ে ছিড়ে আদায় করা হবে। যে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়া করা হয়েছে, তার হিসাবও মেটানো হবে।
৭|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২৬
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: রেমিটেন্স কিভাবে বাড়ে? এই জনশক্তি দিয়েই বাড়ছে।
পরিবার পরিজন, ঘর সংসার ফেলে বিদেশে ১০ বছর কামলা দিয়ে আসুন।
এই সব রেমিট্যান্স টুপকি দেয় বের হয়ে যাবে।
একটাই মানুষের জীবন। দেশ তাদেরকে কাজ দিতে পারে না।
বিদেশে ঢেলে পাঠায়। তাদের পারিবারিক জীবন থেকে বঞ্চিত করে।
এক দল অমানুষ রেমিট্যান্স আসছে বলে চিৎকার করে বেড়ায়।
ধিক্কার দিই সেই অমানুষদেরকে।
৮|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪১
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আপনি একবার বিদেশে গিয়ে কামলা দিয়ে আসন পাঁচ বছর ।
তারপর রেমিটেন্স নিয়ে গর্ব করুন।
৯|
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪১
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আপনি একবার বিদেশে গিয়ে কামলা দিয়ে আসুন পাঁচ বছর ।
তাদের মতো পরিবার ছাড়া জীবন কাটিয়ে দিয়ে আসুন।
অনেক কষ্টের জীব ন যাপন করুন।
তারপর রেমিট্যান্স নিয়ে গর্ব করতে থাকুন।
মানুষের কষ্ট কী আগে উপলব্ধি করুন।
তারপর রেমিটেন্স নিয়ে গর্ব করুন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কেউ কথা রাখে না ।