| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
শীত শেষ। ঢাকায় শীত শেষ।
এখন রাতে ফ্যান ছেড়ে ঘুমাতে হয়। গ্রামে শীত কেমন জানি না। তবে ঢাকায় শীত চলে গেছে। মাত্র কয়েকটা দিন শীত পেলাম। অবশ্য কিছু মানুষ বলছে, শীত আরেকবার আসবে, সবাইকে কাপিয়ে দিয়ে যাবে। ক্যালেন্ডারের হিসেবে আজ, বৃহস্পসতিবার ৮ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, শীত-কাল। সুরভি বলেছে, গুড়, নারকেল, চালের গুড়া আনো। পিঠা বানাবো। বাসার সবাইকে খাওয়াবো। আমি বলেছি, আমার কাছে টাকা নাই। সে অনলাইন থেকে কিনে নিয়েছে। এদিকে আমার ডায়বেটিস। মিষ্টি জাতীয় খাবার প্রায় ছেড়ে দিয়েছি। তবে আজ সকালে পুরান ঢাকা গিয়েছিলাম। এক হোটেলে হালুয়া দেখে লোভ হলো। হালুয়া দিয়ে তিনটে পরোটা খেয়ে ফেলেছি। অবশ্য বাইরে খাওয়া-দাওয়া করলে সুরভিকে বলি না। অযথা ঝামেলা করবে।
আজ সকালে আমি প্রার্থনা করেছি।
ভোরে ঘুম ভেঙ্গে গেছে। হাতে অনেক সময়। ছাদে গেলাম। আকাশ দেখলাম এবং মন ভরে প্রার্থনা করলাম। প্রার্থনায় বলেছি, আমাদের হাদি-মাদি দরকার নেই। দরকার নেই তৌহিদ জনতা। দরকার নেই ভন্ড ধার্মিক। আমাদের দরকার 'মানুষ'। মানবিক এবং বুদ্ধিমান 'মানুষ'। জামাত শিবিরের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করো। যে সমস্ত ছাত্ররা রাস্তা আটকে রাখে তাদের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করো। প্রভু সকল দুষ্টলোকদের কাছ থেকে জাতিকে রক্ষা করো। প্রভু আমার প্রার্থনা কবুল করবেন না আমি জানি। আমি নামাজ পড়ি না, রোজা রাখি না। পরকালের কথা ভাবি না। ইহকালের নেশায় মেতে আছি। বরং হুজুরদের নিয়ে বাজে কথা বলি। মাদ্রাসা গুলোকে স্কুল করার কথা বলি। যেসব বাবা মা তাদের সন্তানকে মাদ্রাসায় দেয়, আমি তাদের বুঝাই মাদ্রাসায় না দেওয়ার জন্য।
জিনজিয়ান নামে এক রেস্টুরেন্টে খেতে গেলাম।
ফারাজা ভীষন খুশি। অন্যান্য খাবারের সাথে, কি মনে করে একটা মাছের অর্ডার দিলাম। আস্তো মাছ। মাছ দেখে আমি অবাক! সিদ্ধ করা মাছ। সমুদ্রের মাছ। নামটা ভুলে গেছি। মাছের উপর ধনেপাতার রস আর লেবুর রস দিয়ে ডুবিয়ে দিয়েছে। লোকটা হাসি মুখে এগিয়ে এসে বলল, স্যার আমি কেটে দিচ্ছি। লোকটা দারুন দক্ষতার সাথে মাছ কেটে কেটে আমাদে দিলো, সুরভিকে দিলো। ফারাজা আগেই বলে দিয়েছে সে মাছ খাবে না। আমি সামান্য মাছ মুখে দিলাম, এবং দ্বিতীয় বার আর মুখে দিতে ইচ্ছা করলো না। টাকা টা জলে গেলো। এরচেয়ে মাওয়াতে গিয়ে ইলিশ মাছ ভাজা খেলে আরাম পেতাম। খাওয়া শেষে লোকটা বলল, আমাদের খাবারের মান কেমন? বললাম, ভালো না। দশে আমি পাঁচের বেশি দিতে পারিব না।
আগামী মাসে ভোট হবে?
আমি কি ভোট দিতে যাবো? দিলে কাকে ভোট দিবো? আর 'হ্যা' ভোট, 'না' ভোট নিয়ে আমি চিন্তিত। কাকে ভোট দিলে জাতির উপকার হবে? কেউ কি আমাকে হ্যা ভোট, না ভোট বিষয়টা বুঝিয়ে বলবেন? ভোটের রায় কি সঠিক হবে? নাকি দূতাবাস রায় পরিবর্তন করে দিবে? দূতাবাস যদি ঠিক করে দেয় কে দেশ পরিচালনা করবে, তাহলে আর ভোটের দরকার কি? তবে অপয়া ইউনুস সরে যাক। তাতে জাতির উপকারই হবে। রাজনীতি নিয়ে আমি চিন্তা ভাবনা করি না। আমি চিন্তিত আমার পরিবার নিয়ে। কিন্তু দেশের পরিস্থিতি ভালো না থাকলে আমি পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারিব না। দেশে যদি শান্তি ফিরে না আসে তাহলে আমি পরিবার নিয়ে উন্নত কোনো দেশে চলে যাবো। এটা ফাইনাল। নিজ দেশ ছেড়ে ভালো থাকার জন্য, এখন আমাকে অন্য দেশে চলে যেতে হবে!
দুপুরবেলা এক রেস্টুরেন্টে খেতে বসেছি।
প্রথমে ভাত আর দুই পদের ভর্তা দিলো। জিজ্ঞেস করলাম ভর্তা কত করে? ওয়েটার হেসে বলল- ভর্তা ফ্রি। আমি শুধু ফ্রি ভর্তা দিয়েই ভাত খেয়ে নিলাম। ওয়েটার এসে জিজ্ঞেস করলো- মাছ দিবো না মাংস? আমি বললাম, ফ্রি ভর্তা দিয়েই আমার ভাত খাওয়া শেষ। ওয়েটার হা করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি ক্যাশে ২৫ টাকা শুধু ভাতের বিল দিয়ে দিলাম। মাত্র ২৫ টাকায় আমার দুপুরের খাওয়া শেষ। আমার মোবাই বাজছে। অন্য এক নাম্বার থেকে ফোন আসছে। তবে যে ফোন করেছে তার নাম সুলতানা। সুলতানা নামে আমি কাউকে চিনি না। ফোন ধরলাম, দেখি সুরভি! সুরভি বলল, এই শোনো আমার মোবাইল পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। আমি বললাম, শুকুর আলহামদুলিল্লাহ। সুরভি বলল, আমার মোবাইল নষ্ট হয়ে গেছে, মনে হচ্ছে তুমি অনেক খুশি! হ্যা আমি খুশি।
২|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৯
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
১৯৭২ সনে যুদ্ধ বিধস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা দেখার জন্য দুজন জার্মান পর্যটকের ভ্রমন গাইড হিসাবে ঢাকা থেকে
স্টিমারে চাদপুর সেখান থেকে ট্রেনে ভাঙ্গা ব্রীজে থেমে থেমে চিটাগাং গিয়াছিলাম। সে এক বিচিত্র ভ্রমন অভিজ্ঞতা।
কিন্তু কথা হলো চিটাগাং শহরে রাস্তার পাশে এক রেস্টোরেন্টে লাঞএর জন্য ডুকেই দেখি টিবিলের উপর
স্তুপাকার করে শুটকি মাছের ভর্তা সাজিয়ে রেখেছে ।সাথে মাছ মাংসের তরকারীতো ছিলই। থেতে বসে পছন্দসই
খাবারের অর্ডার দিলাম । প্রথমেই আসল শুটকী মাছের ভর্তা । এত মঝার ছিল যে আমি শুটকী মাছ দিয়ে ভাত
খেয়েই পেট পুরেছিলাম । বিল দিতে গিয়ে দেখি শুটকী মাছের জন্য কোন দামই দিতে হয়নি , শুধু এক প্লেট
ভাতের জন্য ১ টাকা দাম দিতে হয়েছে , শুটকী মাছের দাম কই জিজ্ঞাসা করায় বলল , শুটকি মাছের ভর্তা ফ্রি ।
আপনার পোস্টে ভর্তা কাহিনী শুনে আমার অভিজ্ঞতটা মনে পড়ে গেল ।
ভারতের কোচিন ও মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে এমন দুটি রেস্টুরেন্টের খেয়েছিলাম যেখানে জীবন্ত মাছ
রেস্টোরন্টের পাশে থাকা লেক ও একোরিয়াম থেকে পছন্দের মাছ ধরে তা রান্না করে পরিবেশন করা হয়েছিল।
আপনারও কি এ ধরনের কোন অভিজ্ঞতা আছে ?
৩|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩৪
এ পথের পথিক বলেছেন: 
৪|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০৮
শায়মা বলেছেন: জিনডিয়ানে কেশুনাট সালাদ আর চিকেন স্যটে খেতে ...... ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মানবিক এবং বুদ্ধিমান 'মানুষ'।
জামাত শিবিরের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করো।
........................................................................
কোথায় পাবেন সৎ মানুষ ?
চারিদিকে দালাল , মিথ্যাবাদী, বে-ঈমান লোকে ভরে গেছে
কিছু একটা ভালো কথা বলতে গিয়ে দেখুন
উল্টো দাবড়ানি দেবে ।