নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

দমাদম মাস্ত কালান্দার

১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪১



নবীজির মৃত্যুর ৫শ' বছর পর-
আরবের অবস্থা কেমন ছিলো? তখনও কি দাসদাসী বেচাকেনা হতো? তখন কি পরিমান মানুষ হজ্ব করতেন? বইপত্র থেকে জানা যায়- ১১শ বা ১২শ শতাব্দীর দিকে ইসলামী স্বর্ণযুগ চলছে। স্বর্নযুগ আসলে এখন। মানুষ যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারছে! সবার হাতে হাতে মোবাইল। মোবাইল আর ইন্টারনেট থাকা মানে পুরো বিশ্ব'ই হাতে! বরং নবীদের আমলটা ছিলো কষ্টের। সামান্য জ্বর হলে মনে করতো জ্বীনে আছর করেছে। মাথায় উকুন হলে মনে করা হতো- এটা শয়তানের কাজ। আমার যদি ১২শ' শতাব্দীতে আরবে জন্ম হতো, আমি কি করতাম? খালি পায়ে মরুভূমিতে গরম বালিতে হাঁটাহাঁটি করতাম? বেদুইনদের সাথে নাচ-গানা করতাম? মোবাইল নেই, ইণ্টারনেট নেই, টিভি নেই, নাটক- সিনেমা নেই! শপিংমল নেই। হাসপাতাল নেই। এক্স-রে মেশিন নেই। বিদ্যুৎ নেই। ইলিশ মাছ নেই। ভাগ্যিস সে যুগে আমার জন্ম হয়নি। অবশ্য জন্ম না হওয়ার কারণে অনেক কিছু মিসও করেছি।

লোকটার ভালো নাম- সৈয়দ মুহাম্মদ শাহ হোসাইন।
ভক্তরা 'লাল শাহবাজ কালান্দার' নামে ডাকতেন। কারণ তিনি সব সময় লাল জামা পড়তেন। ধারনা করা হয়- এই 'লাল শাহবাজ কালান্দার' দার্শনিকের জন্ম আফগানিস্তনে ১১৫০ সালে। তার পূর্বপুরুষরা বাস করতো বাগদাদে। আমাদের বাউল সাধক লালনের সাথে লাল শাহবাজ কালান্দারের মিল আছে। এরা জাত-পাত মানতেন না। লাল শাহবাজ কালান্দার সব সময় চাইতেন- হিন্দু ও মুসলিম মিলেমিশে থাকুক। কাইজ্জা না করুক। মিল মহব্বতের সাথে থাকলে আত্মা শান্তি পায়। লাল শাহবাজ ছিলেন শান্তি প্রিয় মানুষ। সব সময় হাসি খুশি থাকতেন। মানুষকে বলতেন, ধর্ম নিয়ে ক্যাচাল করো না। মানুষ তাকে ভালোবাসতো। তিনি বিয়ে করেননি। প্রেম ভালোবাসাও করেননি। কোনো যুদ্ধ করেননি। অন্যের সম্পদ নিজের করে নেয়নি। ধর্মের বুলি আওড়াননি। তার নামের মানে হচ্ছে- 'কালান্দার' হলো ভবঘুরে বা সংসারবিরাগী। বিখ্যাত কাওয়ালি গান ''দামাদাম মাস্ত কালান্দার'' তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গাওয়া হয়। আমাদের দেশে গানটি গেয়েছেন রুনা লায়না। দারুন গান। এই গান হিন্দু মুসলিম দুই ধর্মের লোকদের জন্য।

'দমাদম মাস্ত কালান্দার' একটি আধ্যাত্মিকতা গান।
এটা পাঞ্জাবী ভাষায় একটি বুনিয়াদি গান। এর রচয়িতার নাম জানা নাই। গানটি সুফি ভাবধারার গভীর সৌন্দর্যকে তুলে ধরেছে। আজও সুফি সাধক এবং দরবেশ 'লাল শাহবাজ কালান্দার' এর দরগাহ জমে ওঠে আধ্যাতিক সাধনায়। তার দরগাহে বেশ কয়েকবার বোমা হামলাও হয়েছে। লাল শাহবাজ কালান্দার ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করতেন। ইরান, ইরাক, মক্কা-মদীনা ঘুরেছেন। ধারনা করা হয় তিনি এশিয়াতেও এসেছিলেন। হজ্ব করেছেন। নানান দেশ বিদেশ ঘুরে তিনি পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের 'সেহওয়ান' শহরে স্থায়ী ভাবে থেকে যান। সেহওয়ান শহরের লোকজন তাকে ভালোবেসে নাম দেন- 'লাল শাহবাজ কালান্দার'। লাল শাহবাজ কালান্দারকে নিয়ে মজার মজার এবং অবিশ্বাস্য অনেক কাহিনী প্রচলিত আছে। একটা কাহিনী বলি- বোদলা নামে তার এক শিষ্য ছিলো। সেই শিষ্যকে গলা টিপে হত্যা করেন তৎকালীন এক রাজা। বোদলার বুকে মাথা রেখে তার স্ত্রী কান্না করছে। তখন লাল শাহবাজ কালান্দার এসে বলেন, বোদলা তুই মরিস নাই। উঠ। অলৌকিক ভাবে মৃত বোদলা উঠে আসে। এক বাচ্চা দশ বছর বয়স, তবু বিছানায় রোজ রাতে মুতে দেয়। 'লাল শাহবাজ কালান্দার' বাচ্চার মাথায় ফু দেন। এরপর এই বাচ্চা আর বিছানায় মুতে নাই।

লাল শাহবাজ কালান্দার প্রায় একশ' বছর বেঁচে ছিলেন।
তার ইন্তেকালের পর ভক্ত ও অনুসারীরা তাঁকে সেহওয়ান শহরেই দাফন করেন। তার দরগায় আজও ভক্তরা এসে শ্রদ্ধা জানায়। ফুল ও চাদর দেন এবং কবর জিয়ারত করেন। সারাদিন গোলাপ জল আর আগরবাতি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন থাকে দরগাহ।। প্রতি বছর শাবান মাসের ১৮ তারিখ দরগায় ওরশ পালন করা হয়। ওরশে এক লাখ মানুষের আগমন ঘটে। একবার ২০১৭ সালে ওরশ চলাকালীন বোমা হামলা হয়। ৮৮ মানুষ নিহত হয়। ২৫০ জন মানুষ আহত হয়। ধারনা করা হয়- লাল শাহবাজ কালান্দারের এক ভক্ত ইউসুফ তার সম্মানে- ''দামা দম মাস্ত কালান্দার'' গানটি লিখেন। অনেকে দাবী করেন গানটি লিখেছেন- ইরানের কবি, গায়ক ও সুফি সাধক আমির খসরু। আমির খসরু নিজামুদ্দিন আউলিয়ার ঘনিষ্ঠ শিষ্য ছিলেন। যাইহোক, লাল শাহবাজের তরিকা হলো- পার্থিব ভোগবিলাস ও সামাজিক প্রথা বর্জন করে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকা। গানটির একটি লাইন এরকমঃ ''সিন্ধরি দা, সেহওয়ান দা, সাখি শাহবাজ কালান্দার''। অর্থ্যাত সিন্ধু অঞ্চলের, সেহওয়ানের (পাকিস্তানের একটি শহর), হে দয়ালু শাহবাজ কালান্দার।



দামাদাম মাস্ত কালান্দার গানটি, ইচ্ছে হলে শুনে দেখতে পারেন।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:২২

সালমান মাহফুজ বলেছেন: নতুন কিছু জানলাম । ইসলাম মানবতার ধর্ম হয়ে উঠেছে মূলত সুফি সাধকদের মাধ্যমে । অথচ আজ তারাই সবচেয়ে নিগৃহিত ।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: পীর, সূফী, আউলিয়া বা সাধক সবার একটাই মূল উদ্দ্যেশ, আল্লাহর নৈকট্য লাভ। আল্লাহর নৈকট্য অএতে গিয়ে কেউ নাচ গান করে, কেউ জিকির করে, কেউ ধ্যান করে।

২| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:২৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তিনিও কি সুফি ছিলেন ?

১৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: পীর, সূফী, আউলিয়া বা সাধক কিছুই ছিলেন না।
তবে খাটি মানুষ ছিলেন।

৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৪৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পীর, সূফী, আউলিয়া বা সাধক এদের মধ্যে
কে খাাঁটি ,কে জটাধারী ফেক বুঝা দায় !

....................................................................
সে কারনে , ইসলামের মূল কোরআন ও হাদীসের
বাহিরে যাওয়া ঠিক নয় ।
আর গান বাজনার ক্ষেত্রে যা আনন্দ দেয় কিন্ত
অন্যর ক্ষতি করেনা বা জীবন ,জীবিকার জন্য সমাজে বিরক্তি সৃষ্টি করেনা
তা গ্রহন করা যায় ।
......................................................................................................
'দমাদম মাস্ত কালান্দার' এটি একটি চটুল গান, পাকিস্তানিরা পসন্দ করে,
আপনি কি তাদের সদস্য হতে চান ???

৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




বেশ তথ্য সমৃদ্ধ লেখা ।
লাল শাহবাজ কালান্দার একজন সুফি দার্শনিক-কবি ছিলেন। তিনি সোহরাওয়ার্দীয়া তরিকার অনুসারী ছিলেন।
সোহরাওয়ার্দীয়া হল সুফি আবুল নাজিব সোহরাওয়ার্দী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সুফি তরিকা। এটি সুন্নি ইসলামের অন্তর্গত
এবং এতে শাফি মাজহাব মানা হয়। এই তরিকা নিজের সিলসিলা জুনাইদ আল বাগদাদী ও আল-গাজ্জালির
মাধ্যমে আলি ইবনে আবি তালিবের সাথে সম্পর্কিত করে বলে জানা যায় উইকিপিডিয়া সুত্রে ।

৫| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:০৮

হুমায়রা হারুন বলেছেন: ডন, ডেকান ক্রনিকল অবলম্বনেঃ
‘মাস্ত কালান্দার’ গান
‘দামা দাম মাস্ত কালান্দার’-এর প্রতিটি শব্দ ভক্তি, প্রেম, আধ্যাত্মিক উচ্ছ্বাস এবং আনন্দ প্রকাশ করে। পাঞ্জাবি ভাষায় রচিত গানটির কয়েকটি লাইনের অর্থ জানা যাক, ‘ও লাল মেরি, পাট রাখিওবালা, ঝুলেলালান/ সিন্দরি দা, সেহওয়ান দা, সাখি শাহবাজ কালান্দার।
দামা দাম মাস্ত কালান্দার/ আলী দা পেহলা নাম্বার’। এর অর্থ হলো ‘হে আমার লাল, আমাকে সর্বদা রক্ষা করো, ঝুলেলাল। সিন্ধ ও সেহওয়ানের বন্ধু, প্রিয়জন শাহবাজ কালান্দার। প্রতি শ্বাসে, প্রতি মুহূর্তে—কালান্দার মহান। সবার আগে আলী (রা.)।’ এ ছাড়া গানে আছে ‘হার দম পীড়া তেরে খের হোভে/ নাম-এ-আলী বেদা পার লাগা ঝুলে লালান’, যার অর্থ ‘হে পীর, তোমার নাম সর্বদা কল্যাণে ভরা থাকুক। আলী (রা.)-এর নামে, আমার নৌকাকে তীরে পৌঁছে দাও, প্রিয় ঝুলেলাল।’
গানটি হিন্দু-মুসলমান ঐক্যেরও সংগীত। মুসলমানদের কাছে তিনি ছিলেন হজরত শাহবাজ কালান্দার; হিন্দুদের কাছে ঝুলেলাল। সিন্ধি হিন্দুরা তাঁকে স্নেহভরে ‘ঝুলেলাল’ নামেও ডাকত। কারণ, তারা বিশ্বাস করত, সমুদ্র বা পানির দেবতা ‘ঝুলেলাল’ তাঁর মধ্যে পুনর্জন্ম লাভ করেছে।
সিন্ধিরা যেহেতু সমুদ্রগামী মানুষ আর ঝুলেলাল হলেন সমুদ্রের রক্ষাকর্তা, তাই এখানে একটি বিনম্র প্রার্থনা লুকিয়ে আছে। সিন্ধি জনগোষ্ঠীর কাছে ঝুলেলাল অত্যন্ত পূজ্যসাধক। স্থানীয় হিন্দুরা তাঁকে জলদেবতা বরুণের অবতার মনে করেন। মুসলিমরাও তাঁকে শ্রদ্ধা করেন। সিন্ধি জনগোষ্ঠীর জীবন ও সংস্কৃতি যেহেতু সিন্ধু নদকেন্দ্রিক, তাই নদের রক্ষক হিসেবে ঝুলেলাল পুরো অঞ্চলের এক সমষ্টিগত আধ্যাত্মিক প্রতীকে পরিণত হন। এমনকি ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক বৈরিতা থাকলেও কাঁটাতার অতিক্রম করে দুই দেশেই জনপ্রিয়তা পায় গানটি।
হিন্দু ও মুসলমান—উভয় ভাবধারার মূল্যবোধ একই বাক্যের মধ্যে মিলিত হয়েছে। গানটি সাধক ও ভক্তদের মধ্যে এক আধ্যাত্মিক যোগ তৈরি করে। ভক্তিমূলক গানটির সৌন্দর্য হলো এটি ধর্মীয় পার্থক্যকে অতিক্রম করে যায়। তাই তো উপমহাদেশে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব মানুষের মধ্যে এটি জনপ্রিয়।
যাঁরা গেয়েছেনঃ
লাল শাহবাজ কালান্দারের দরগাহ ঘিরে প্রচলিত কিংবদন্তি। তেরো শতকে মূল গানটি রচনা করেন সুফি কবি আমির খসরু। পরে আঠরো শতকে আরেক পাঞ্জাবি কবি ও বিপ্লবী বুল্লে শাহ এটি পরিমার্জন করেন। সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার অনেক আগে থেকেই শাহবাজ কালান্দারের দরগাহে এই গান গাওয়া হতো। ১৯৫৬ সালে কিছু কথা বদল করে পাকিস্তানি ছবি ‘জাবরু’র জন্য গানটির একটি ‘ধামাল’ (একধরনের সুফি নৃত্যানুষ্ঠান) সংস্করণ তৈরি করেন সুরকার আশিক হুসাইন। এটিতে কণ্ঠ দেন ইনায়েত হোসেন ভাট্টি, ফজল হুসেন এবং এ আর বিসমিল। পরে ১৯৬৯ সালে ‘দিল্লান দে সৌদে’ ছবির জন্য এটিতে আরও কিছুটা পরিবর্তন আনেন নাজির আলী। নূরজাহানের কণ্ঠে ব্যাপক পরিচিতি পায় এই সংস্করণ।
পরে নানা সময়ে বহু শিল্পী ও সুরকার এই সুফিগান করেছেন। পাকিস্তানে এই গান গেয়েছেন নুসরাত ফতেহ আলী খান, আজিজ মিয়াঁ, আবিদা পারভীন, শাজিয়া খুশক, সাবরি ব্রাদার্স, রেশমা, কোমল রিজভি, জুনুন।
ভারতের হংসরাজ হংস, ওয়াদালি ব্রাদার্স, হর্ষদীপ কৌর, নুরান সিস্টারস, আলিশা চিনাই, অমিত কুমার, বাবা সেহগল ও অলকা ইয়াগনিক, রেখা ভরদ্বাজ, রাশি সলিল হারমালকররাও এটি গেয়েছেন।
বাংলাদেশ থেকে এটি গেয়েছেন রুনা লায়লা, দুই দফা। প্রথমবার কবে গেয়েছিলেন, সেটা তাঁর এখন আর মনে নেই। তবে প্রথম অ্যালবামের জন্য রেকর্ড করেছিলেন ১৯৭০ সালে, নিসার বাজমির সংগীতায়োজনে আর কোক স্টুডিও বাংলার জন্য সায়ান চৌধুরী অর্ণব ও অদিত রহমানের প্রযোজনায় গীত হয়েছে।
তবে অনেকে গাইলেও নূরজাহান, আবিদা পারভীন, শাজিয়া খুশক ও রুনা লায়লার কণ্ঠেই গানটি পরিচিতি পেয়েছে বেশি।
‘দামা দাম মাস্ত কালান্দার’ শুধু একটি গান নয়; এটি ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। গানটি যেন এই উপমহাদেশের মানুষের প্রতি বার্তা—প্রেম, সংগীত আর নৃত্য কখনো বিভাজনের কাছে হার মানে না।

আমার নিজের গাওয়া এই গানটির যদি রেকর্ড থাকতো , এখানে অবশ্যই দিয়ে দিতাম। ধন্যবাদ সুন্দর এই পোস্টের জন্য।

৬| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:১৩

শ্রাবণ আহমেদ বলেছেন: এই তথ্য আজই প্রথম জানলাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.