নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজ বুধবার

০৮ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:১১



সমাজে যারা ভালো মানুষ আমি তাদের ভক্ত।
হোক সে একজন বিজ্ঞানী অথবা একজন রিকশা চালক। এখন অবশ্য চারিদিকে তাকিয়ে কোন ভালো মানুষ খুজে পাই না। সব শালা ইতর। হ্যা এটা সত্য বাংলাদেশের মানুষ গুলো ইতর হয়ে গেছে। আগে মানুষের মধ্যে মায়া মমতা ভদ্রতা ছিলো, এখন সব শালা খারাপ। যাইহোক, আমি যাদের পছন্দ করি, আমি যাদের ভক্ত তারা দুনিয়াতে নেই। আমার পছন্দের সব মানুষ মরে গেছে। এদের আমি শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করি। তাদের প্রতি ভালোবাসায় আমার মাথা নত হয়ে আসে। যারা দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করে তাদের আমি ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি। তারা আমার কাছে হিরো।

লালন ফকিরকে আমার ভালো লাগে।
গ্রেট মানুষ তিনি। বড় দুঃখের জীবন তার। বিশেষ করে শৈশব তার কষ্টেই কেটেছে। লালনের যখন জন্ম হয়, তখন জাতপাত খুব মানা হতো। লালন এসবের বিরুদ্ধে ছিলেন। লালনের জীবনী সবার পড়া উচিৎ। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় লালনকে নিয়ে একটা বই লিখেছেন। নাম: মনের মানুষ। এই উপন্যাস নিয়ে সিনেমাও তৈরি হয়েছে। লালনের গান গুলো না শুনলে, না বুঝলে জীবনটাই বৃথা। আমাদের দেশে লালনের অনেক ভক্ত আছে। কুষ্টিয়াতে লালনের মেলা হয়।

বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন আমার পছন্দের।
ছোট বেলা থেকেই আমি এই মহান বিজ্ঞানীকে ভালোবাসি। টমাস এডিস বিজ্ঞানী হতে পেরেছিলেন তার মায়ের কারণে। গ্রেট বিজ্ঞানী। কথায় আছে, কেউ যখন মন থেকে খুব করে কিছু চায়, পুরো পৃথিবী তাকে সেটা পাইয়ে দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগে। ১৮৮৫ সালে এডিসনের স্ত্রী মারা যায়। শূন্যস্থান খুব দ্রুত পূরণ হয়ে যায়। এডিসনের জীবনে আসে মিনা নামের এক তরুনী। মিনা খুবই মায়াবতী ছিলো। শুন্যস্থান খুব দ্রুত পূরণ হয়ে যায়। মিনাকে পেয়ে এডিসন প্রথম স্ত্রীকে ভুলে যায়।

চার্লি চ্যাপলিন আমার পছন্দের। তার একটা মুভি আছে।
নাম 'দ্য কিড'। মুভিটা আমি কম করে হলেও একশ' বার দেখেছি। আসলে আমি চার্লি চ্যাপলিনের সব গুলো মুভিই দেখেছি। যতদিন বেচে থাকবো, দেখিব। চার্লি তার মাকে অনেক ভালোবাসতেন। তার মাওও অভিনয় করতেন কিন্তু জনপ্রিয়তা পান নি। ১৯৭৫ সালে রানী এলিজাবেথ তাকে নাইটহুড উপাধি দেন। তার মৃত্যু হয় ঘুমের মধ্যে স্ট্রোক করে। চার্লি নিজেকে সব সময় বিশ্ব নাগরিক বলতেন। আমেরিকা থেকে তাকে বিতাড়িত কর হয়। সন্দেহ করা হয় চার্লি কমিউনিস্ট। এরপর চার্লি সুইজারল্যান্ড চলে যান। বাকি জীবন সেখানেই থাকেন।

মাদার তেরেসার আমি ভক্ত।
মাদার তেরেসা বুঝিয়ে দিয়েছেন, জীবনে ত্যাগ স্বীকার করলে স্বীকৃতি মিলবেই। পৃথিবীর সেরা একজন মানুষ মাদার তেরেসা। মানুষের সেবা করা চারটেখানি কথা নয়। তেরেসা হাই স্কুলে পড়িয়েছেন। কলকাতার বস্তিতে ঘুরে ঘুরে দরিদ্র অসহায় মানুষদের সেবা করেছেন। সমাজে ভালো করতে গেলেও বদনাম কুড়াতে হয়। তেরেসার কিছু বদনাম আছে। তেরেসা নাকি দরিদ্রদের ধরে ধরে খ্রিস্টান বানিয়ে দেন। মিথ্যা কথা। যে স্বেচ্ছায় মানব সেবায় নামে, সে ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামায় না।

মেন্ডেলাকে আমার ভালো লাগে।
মেন্ডেলার জন্ম গ্রামে। লেখাপড়ায় ভালো ছিলেন মেন্ডেলা। একজন শিক্ষক তাকে নেলসন নাম দেয়। তিনি আজীবন গনতন্ত্র, স্বাধীনতা, শান্তি ও মানবতার কথা বলেছেন। কারাগারে ছিলেন ২৭ বছর। এরপর তিনি প্রেসিডেন্ট হন। ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। মেন্ডেলা একবার বাংলাদেশে এসেছিলেন। মেন্ডেলা আজীবন দেশের জন্য লড়েছেন। তার তুলনা হয় না। পৃথিবীর সবাই তাকে ভালোবাসে।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০৭

গহীনে রক্তক্ষরণ বলেছেন: আপনার প্রতি সম্মান রেখে বিনয়ের সাথেই বলছি, আপনার প্রোফাইলের বিবরণ এই লেখার মধ্যে কিছুটা মিল থাকলেও আপনি শিরোনামে যা বলেছেন, তার সাথে আপনার লেখনীর অনেক কিছুই সাংঘর্ষিক। হতেই পারে । মানুষ মাত্রই সীমাব্ধ জ্ঞানের অধিকারী। আমাদের সবার মধ্যেই সীমাবদ্ধতা আছে । কিন্তু এরকম মিডিয়ায় যারা আপনার মত লেখক হিসেবে পরিচিত এবং এরকম একটা ব্লগের প্রথম পাতায় যাদের লেখা ঠাই পায়, তাদের কাছ থেকে পাঠকরা সম্ভবতঃ আরো দায়িত্বশীল কিছু আশা করেন। আমার তেমন কিছু পিপাসা আছে বলেই কমেন্ট করছি । কষ্ট পেলে ক্ষমা করবেন । আপনি বলেছেন, “সমাজে যারা ভালো মানুষ তাদের আপনি ভক্ত ”। আমি আপনার লেখা পড়ে বুঝলাম, আপনার এই কথার সাথে আপনার লেখনীর অনেকাংশের মিল নেই। মানে বলতে চাচ্ছি, আসলে আপনি আপনার সমাজের যারা ভালো মানুষ আছেন, তাদের সবাইকেই পছন্দ করেন না । কিছু নির্বাচিত ভালো মানুষকে পছন্দ করেন । উদাহরণ হিসেবে যাদের নাম এসেছে তাদের মধ্যে বাংলাদেশের সমাজের একজনের নাম এসেছে । অন্যদের সমাজ এই দেশের নয় । আপনি বলেছেন রিক্সাওয়ালার কথা । ভালো লেগেছে । আমাদের সমাজে এমন অনেক রিক্সাওয়ালা আছেন, যাদের আত্ম মর্যাদাবোধ, সততা, নৈতিকতার মান এতটাই উন্নত যে, তাদের পায়ের একটা নখের যোগ্যতা এদেশের বহু জ্ঞানী গুনীর নেই ( ব্যতিক্রম ব্যতিত) । কিন্তু আপনার চোখে তেমন রিক্সাওয়ালা না থাকায় খুব জানতে ইচ্ছে করছে, আপনার সামাজিক এলাকার নাম কি ? সেখানে একজনও রিক্সাওয়ালা, দীন মজুর, কৃষক কি নেই ? যারা ভালো মানুষ ? বাংলাদেশের সমাজ সম্পর্কে আমার যতটুকু আইডিয়া আছে, এমন কোন এলাকা নেই, যেখানে অন্ততঃ একজন শ্রমিক, কৃষক বা দীন মজুর অনেক উন্নতমানের ভালো মানুষ না আছেন । ভালো মানুষ এই দেশে অনেক অনেক বেশী আছে । কিন্তু আমরা উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত শিক্ষিত এলিট শ্রেণী বা বিভিন্ন পেশাজীবি শিক্ষিত ভদ্রলোকরা অধিকাংশ ভালো মানুষ নই বলে আমরা অসংখ্য ভালো মানুষকে চোখে দেখতে পাই না । এদেরকে দেখা যায় কিভাবে ? সালাম এর মাধ্যমে অথবা অন্য যে কোন ধর্মীয় বা সামাজিক সম্বোধনের মাধ্যমে । বাইরের দেশগুলোতে দেখবেন, তারা চেনা , অচেনা সবার সাথে হাসি মুখে তাদের অভিব্যক্তি শেয়ার করেন, মিষ্টি হাসিমুখে “হাই !” শব্দের মাধ্যমে । পাল্টা তাদেরকেও বিপরীত দিক থেকে হাসি মুখে দেয়া হয় একই- হাই !! আমরা কি সেই কালচার ধারণ করি ? মানে আমাদের সমাজের যাদের সাথে উঠা বসা করি, তাদের সাথে “সালাম/আদাব/নমস্কার বিনিময় করি ? বলা চলে কদাচ ব্যতিক্রম ব্যতিত অধিকাংশ সমাজে এই কালচার বিলুপ্ত করেছি আমরা । তাহলে আমি কোন মানদন্ড দিয়ে বিচার করব যে, আপনার ভাষায় সব “শা(?)” ইতর ? অথচ আপনি বলেছেন, যাদেরকে দেখছেন, আপনার ভাষায় সেই সব “শা(?)”রা ইতর । আমি যতটুকু বুঝি, আমি ব্যক্তি ”শা(?)” যদি আমার পাশে সবাইকেই ইতর দেখি, তাহলে বুঝতে হবে আমি “শা(?)” নিজেই ইতর । অতএব যদি ডারউইনের থিওরী বিশ্বাস করেন, তাহলে আপনার সাথে আমার কোন বিবতর্ক নেই । কিন্তু যদি এটা বিশ্বাস করেন, মানুষ সবাই আদমের সন্তান, তাহলে প্রথমে আমার আইডোলজী থাকা দরকার জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল “মানুষ” আমার ভাই । ভাইটা ইতর স্বভাবে হতে পারে, অনেক বড় অপরাধী পারে, খুনী হতে পারে । কিন্তু অস্বীকার করতে পারব কি, তিনি আমার ভাই নন ? এভাবে চিন্তা করলে সমাজে ভালো মানুষের সংখ্যা যা দেখেছেন, তার চেয়ে আরো অনেক বেশী দেখতে পাবেন এটা আমি নিশ্চিৎ করে বলতে পারি । খারাপ মানুষের সংখ্যা পৃথিবীতি চিরকাল বেশী ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে । কিন্তু ভালো মানুষ পেতে হলে আগে নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে, “আমি ভালো মানুষ তো?” আমি মনে করি, “আমি ভালো মানুষ হলে আমার পাশে ভালো মানুষদের সংখ্যাই বেশী থাকবে । একটু দূরে বা নিকটতম দূরে আরো অসংখ্য মানুষ যারা আছেন, তাদের সাথে যতক্ষণ আমার সংযোগ না ঘটবে, ততক্ষণ এটা বলার কোন অধিকারই নেই যে, আমি এবং আমার দেখা ভালো মানুষ ছাড়া আর কোন ভালো মানুষ নেই । আমার কথায় কষ্ট পেলে নিজগুনে ক্ষমা করে দিবেন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.