নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

হযরত খিজির আঃ

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬



খিজির আঃ এর কাহিনী। তার ডাকনাম ছিল- আবুল আব্বাস।
কুরআনের সুরা আল-কাহফে হযরত খিজির আঃ এর কথা বলা হয়েছে। খিজির নামটা কুরআনে নেই। খিজির নাম আমরা পেয়েছি হাদিস থেকে। কুরআনে যা আছে, সবই মুসলমানদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন। হাদিসের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ন আল কুরআন। খিজির আঃ নবী নন। আবার ওলি'ও নন। তবে আল্লাহ তাকে কিছু স্পেশাল পাওয়ার দিয়েছিলেন। আজও অনেক ধার্মিকগন মনে করেন খিজির বেচে আছেন। অন্য ধর্মের লোকেরা খিজির আঃ কে দেবতা মনে করেন। ধারনা করা হয় খিজির আঃ আদমের পুত্র। এক হিসেবে বিশ্বের সকল মানুষই তো আদম আঃ থেকে এসেছে।

সূরা আল কাহফে উল্লেখিত একজন জ্ঞানী ব্যাক্তির সন্ধান পাই-
এবং হাদীস থেকে তার একটি নাম পাই- খিজির। দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার পর মুসা আঃ এর সাথে এমন এক ব্যক্তির সাথে দেখা হয়, মহান আল্লাহ যাঁর ওপর বিশেষ রহমত বর্ষণ করেছেন এবং তাঁকে বিশেষ জ্ঞান দান করেছেন। খিজির আঃ কে নিয়ে নানান মিথ ও মুখরোচক ঘটনা আছে। শুধু খিজির নয়- আদম আঃ থেকে শুরু করে- শেষ নবী পর্যন্ত সকলকেই নিয়েই অদ্ভুত ও বানোয়াট সব ঘটনা আছে। যাইহোক, খিজির ছাড়াও কুরআনে উঁচুদরের একজন লোকমান নামে একজনের কথা বলা হয়েছে। যেসব হাদিসে খিজিরের নাম এবং তার জীবিত থাকার কথা উল্লেখ আছে, সেগুলোর সবই মিথ্যা হাদিস।

মুসা আঃ এবং খিজির আঃ একসাথে লম্বা পথ ভ্রমন করেছেন।
নানান ঘটনার মধ্য দিয়ে তারা দুজন নদী পার হয়। নৌকা ভ্রমনে খিজির শুধু বলেছেন, হে মুসা ধর্য্য ধরো। শান্ত থাকো। নৌকা থেকে নেমে তারা হাটতে শুরু করে। পথে বাচ্চারা খেলা করছিলো। খিজির আঃ এক বাচ্চার মাথাটি ধরে নিজ হাতে তার ঘাড় থেকে আলাদা করে ফেললেন। মুসা আঃ তাঁকে বললেন, আপনি একটি নিষ্পাপ বালককে বিনা অপরাধে হত্যা করলেন? নিশ্চয়ই আপনি একটা অন্যায় করলেন। খিজির আঃ বললেন, আমি কি আপনাকে বলিনি, আপনি সঙ্গে ধৈর্য ধরে রাখুন। শেষে তারা এক গ্রামে পৌছালো। গ্রাম বাসীর কাছে তারা খাবার চাইলো। কিন্তু কেউ দুটা শুকনা রুটি বা খেজুর দিলো না।

মুসা আঃ রেগে গেলেন।
এটা কেমন গ্রাম অতিথিকে সামান্য এক গ্লাস পানি পর্যন্ত দিলো না। এবার খিজির রেগে গিয়ে বলল, আপনি চলে যান যেখানে খুশি। আপনার ধর্য্য শক্তি একেবারেই নেই। যাইহোক, একবার মুসা আ বনি ইসরাইলে এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হলো, কোন ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী? মুসা বললেন, আমি। মুসা আঃ -এর এ উত্তরে আল্লাহ তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হলেন। কেননা তিনি জ্ঞানের উৎস হিসেবে আল্লাহ্‌র কথা বলেননি। আল্লাহ্ মুসা আঃ কে বললেন, দুই নদীর সংযোগস্থলে আমার এক বান্দা আছে। সে তোমার চেয়ে বেশি জ্ঞানী। সেই জ্ঞানী ব্যাক্তি আমাদের খিজির আঃ।

খিজির সাহেবকে জ্ঞানী বলছেন কেন?
তার জ্ঞান দিয়ে বিশ্ব সংসারের কোন উপকারটা হয়েছে? উনি কি আবিস্কার করেছেন? বিশ্বে তার অবদান কি? রুপকথার দিন শেষ। মুখের কথায় চিড়া ভিজে না। বিশ্বের জন্য আইন্সটাইনের অবদান আছে। টমাস আলভা এডিসনের অবদান আছে। খিজির সাহেব কম্পিউটার মোবাইল বা উড়োজাহাজ আবিস্কার করেন নাই। কিছুই করেন নাই। কাজেই আপনাকে খিরিজ সাহেবের মতো হওয়ার দরকার নেই। আপনি ভালো মানুষ হোন এবং সমাজের জন্য ভালো কিছু করুন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে নবী-রাসুলদের ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২২

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: /(হে বিশ্বাসিগণ) তোমরা কি এখনো আশা কর যে, তোমাদের কথায় তারা বিশ্বাস করবে (ঈমান আনবে)? অথচ তাদের মধ্যে একদল লোক আল্লাহর বাণী শ্রবণ করত এবং বুঝার পর জেনেশুনে তা বিকৃত করত।
-সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ৭৫

/নিশ্চয় যারা গোপন করে আল্লাহর নাজিলকৃত কিতাব থেকে এবং তার বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহণ করে, তারা কেবল আগুনই আপন পেটে পুরে। আর কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সাথে কথা বলবেন না এবং তাদেরকে পবিত্রও করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আজাব।
-সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৭৪

/আর নিশ্চয় তাদের মধ্যে এমন একটি দল রয়েছে, যারা কিতাবকে নিজেদের জিহ্বা দ্বারা বিকৃত করে, যাতে তোমরা মনে কর তা কিতাবের অংশ, অথচ তা কিতার্বের অংশ নয়। আর তারা বলে, ‘এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে’, অথচ তা আল্লাহর পক্ষ থেকে নয়। আর তারা আল্লাহর ওপর জেনে-বুঝে মিথ্যা বলে।
-সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ৭৮

কিন্তু কি দুঃসাহস!
আমাদের দাড়ি টুপি পড়া, আলেমের বেশ ধারী শয়তানের দল শয়তানি করে ধর্ম নিয়ে। এ রকোম শয়তানের কাছ থেকে ধর্মের শিক্ষা নিয়ে যেমন লাভ নেই, তেমনি এ রকম শয়তানকে ধর্মের কথা শুনিয়েও কোন লাভ নেই। ধর্মকে শয়তানিতে রূপান্তরিত করাই এই সব শয়তানের একমাত্র কাজ। নইলে ইসলামের শিক্ষা নিয়ে মাদ্রাসায় কোন আলেম কিভাবে শিশুদের ধর্ষন/বলাৎকার করে?, কিভাবে তারা গান বাজনা, যাত্রা, সার্কাস, ইত্যাদি লোকজ সংস্কৃতির বিরোধিতা করার মাধ্যমে সাধারন মানুষের দৈনন্দিন জীবনে হস্তক্ষেপ করে?

২| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:১১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:


খিজির খুবই বুদ্ধিমান আর জ্ঞানীলোক ছিল।
একটি ছেলে বড় হয়ে পাপী হবে । তাই তাকে খুন করে সে। যাতে করে সে পাপী না হয়ে জান্নাতে যেতে পারে।
খিজিরের এই বুদ্ধিতে আমি অভিুভুত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.