নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুহাম্মদ আলি জিন্না

০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার মুহাম্মদ আলি জিন্না। পাকিস্তানের লোকজন তাকে কায়েদে আযম বা মহান নেতা হিসেবে সম্মান করে। তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করে মাথায় সব সময় টুপি পড়ে থাকতেন, পরে এই টুপি জিন্না টুপি নামে পরিচিতি পায়। পাকিস্তানের জাতির পিতা 'কায়েদে আযম' এর প্রতি দেশটির জনগণের রয়েছে অগাধ শ্রদ্ধা। দেশের বিভিন্ন অফিস-আদালত, টাকা, হাসপাতাল, স্কুল কলেজ সবখানেই পাওয়া যাবে তার ছবি। মুসলিম দেশ হলেও এতে কোন কার্পণ্য রাখেনি পাকিস্তানিরা। আমার ধারনা জিন্নাহ একটা ইতর। ইতর প্রকৃতির মানুষ। আমাদের দেশেও এই ইতরের অনেক ভক্ত আছে।

লন্ডন থেকে লেখাপড়া শেষ করে জিন্না বোম্বেতে আইন পেশা শুরু করেন।
সে সময় সারা বোম্বেতে তিনি একাই ছিলেন- মুসলিম ব্যারিস্টার। তার ভাগ্য ভালো ছিল। ১৯০৭ সালের মধ্যে তিনি একজন দক্ষ আইনজীবি হিসেবে খ্যাতি পেয়ে যান। অনেকেই মনে করেন, খ্যাতি পাওয়ার প্রধান কারণ হলো- নিজের উপর তার ছিল অগাধ বিশ্বাস ছিলো। ১৮৯৬ সালে ভারতের সবচে বড় রাজনৈতিক দল- জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে জিন্নার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। তিনি জন্ম দিয়েছিলেন দ্বিজাতি তত্ত্বের, যে তত্ত্ব কেবল ধর্মকে সম্বল করে হাজার মাইলের ব্যবধানে জন্ম দিয়েছিল একটি রাষ্ট্রের।

প্রথমবার মাত্র ১৫ বছর বয়সে জিন্নাহ বিয়ে করেছিলেন মায়ের চাপে পড়ে।
কনের নাম ছিল- এমি বাঈ। পরে ১৯১৮ সালে তিনি নিজের পছন্দে বিয়ে করেছিলেন রতন বাঈকে। ১৫ বছর বয়সে বিয়ে দেওয়ার 'ক্ষোভে' তিনি তাঁর মায়ের সঙ্গেও কোনো সম্পর্ক রাখেননি। মায়ের কনের সঙ্গে তিনি থাকেন নি, মৃত্যুর সময়ও তাঁর গর্ভধারিণী মা জিন্নাহকে পাশে পাননি। জিন্না নাস্তিক ছিলেন। কোনোদিন কোনো ধর্ম পালন করেননি। তার স্ত্রীও মুসলমান ছিলেন না। মদ ও শুয়োরের মাংস নিয়মিত খেতেন। কিন্তু মাথায় থাকত তার প্রিয় টুপি।

জিন্না সাহেবের ছোট বোন ফাতেমা জিন্না-
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দন্ত চিকিৎসায় ডিগ্রি লাভ করার পর তিনি তার বড় ভাই মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর সহকর্মী ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা শুরু করেন। ফাতেমা জিন্নাহ ১৯২৩ সালে বোম্বেতে একটি ডেন্টাল ক্লিনিক চালু করেন। ফাতেমা জিন্নাহ তার ভাই মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর উপর একটি অসমাপ্ত জীবনী লিখেছেন। এটি ১৯৮৭ সালে কায়েদে আজম একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়। ১৯৪৭ সালে মুসলমানরা পেয়েছে পাকিস্তান আর হিন্দুরা পেয়েছে ইন্ডিয়া। দেশ ভাগের পর সাধারন মানুষ বলেছে- দেশভাগ না হলেই ভালো হত।

১৯৪৮ এ জিন্না ঢাকার মাটিতে দাঁড়িয়েই-
বাঙ্গালির ভাষা পরিচয় ও সাংস্কৃতিক অভিমানকে কিছুমাত্র গুরুত্ব না দিয়ে ঘোষণা করে দিলেন 'উর্দু এবং শুধু মাত্র উর্দুই' হবে পাকিস্তানের একমাত্র সরকারী ভাষা। তাই ভাষার জন্য প্রাণ দিতে হয়েছিলো বাঙালিকে। বাংলা ভাষার জন্য ঝরেছিল বুকের তাজা রক্ত। অথচ সেই বাংলা ভাষার বিরুদ্ধাচরণকারী জিন্নাহ’র কবরেই টগবগ করছে বাঙালির প্রাণের ভাষা বাংলা।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মাত্র ১৫ বছর বয়সে জিন্নাহ বিয়ে করেছিলেন মায়ের চাপে পড়ে।
..............................................................................................
একজন ব্লগার তিন পর্ব লিখে ফেলেছে জিন্নাহকে নিয়ে
মনে হয় তিনি পণ করেছেন তাকে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করতেই হবে
তাহলে শেখ মজিবর রহমানের বঙ্গবন্ধু উপাধি ম্রিয়মান হবে ।
এবার আপনি কোন এজেন্ডা নিয়ে নামলেন ?
জিন্নাহকে অধিকাংশ বাঙআলী পসন্দ করেনা , তাই
জনসাধারনের উপকারে আসে এমন কিছু বলুন ।

২| ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: জিন্না মন্দ লোক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.