নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রমিত

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!

রমিত

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল! ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়। সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

রমিত › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাখাল বালক আর বাঘের গল্প: কতটুকু যৌক্তিক?

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৪৩

রাখাল বালক আর বাঘের গল্প: কতটুকু যৌক্তিক?



ড: রমিত আজাদ



আমার ছেলেটির বয়স তখন তিন বছর ছুঁই ছুঁই করছে। একদিন বলল, "বাবা, একটি গল্প বল"। আমি তখন তাকে রাখাল বালক আর বাঘের গল্পটি বললাম - এক ছিল মিথ্যাবাদি রাখাল বালক । সে গ্রামের কাছাকাছি এক যায়গায় গরু চরাতো। মজা দেখার জন্য একদিন রাখাল বালক বাঘ বাঘ করে চিৎকার করল। তার চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ছুটে এল। এসে দেখল কিছুই হয়নি, রাখাল বালক মজা দেখে হাসছে। দ্বীতিয় দিনও রাখাল বালক অনুরূপ মজা দেখার জন্য বাঘ বাঘ করে চিৎকার করল। এবারও গ্রামবাসীরা তার সাহায্যে ছুটে এল। আবারও তারা দেখল কিছুই হয়নি, রাখাল বালক শুধু মজা দেখে হাসছে। তৃতীয় দিন সত্যি সত্যিই বাঘ এল। রাখাল বালক এবার প্রাণের ভয়ে গ্রামবাসীদের সাহায্যের জন্য বাঘ বাঘ করে চিৎকার করতে থাকল। কিন্তু এবার আর তার সাহায্যের জন্য গ্রামবাসীরা ছুটে এল না। আর রাখাল বালক বাঘের খাদ্যে পরিণত হল।

আমার গল্প শেষ হওয়ার পর, আমার ছেলেটি প্রশ্ন করল, "বাবা, গ্রামবাসীরা রাখাল বালকের চিৎকার শুনলো, আর বাঘের গর্জন শুনলো না ?" ওইটুকু শিশুর প্রশ্ন শুনে আমিতো হতবাক! তাইতো গল্পটিতো অযৌক্তিক।



মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:০৬

সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: তাইতো.. ভেবে দেখিনি কখনো..

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.