| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গত শুক্রবারে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে চারজন শিশু অকালে মারা গেছে কিন্তু আমি বলতে চাই যে তাদের মেরে ফেলা হয়েছে । আমাদের দেশে ভুল চিকিৎসায় কেউ মারা গেলে ডাক্তারদের কখনও জেলে যেতে হয় না । তারা ব্রাহ্মণের জাত । তাদের ধরা যাবে না । তারা দেবতার মত । তাদের দোষ নাই ।
সরকারি হাসপাতালগুলোতে এমন ঘটনা হলে বড়জোর তদন্ত কমিটি হয় । রিপোর্ট হয়ত জমা পড়ে যা ডাক্তারদের দ্বারাই সম্পাদন করা হয়ে থাকে ! শুক্রবারের ঘটনাতেও একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে । এখনও তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ে নাই । তাই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না প্রকৃতপক্ষে কি ঘটেছিল ।
কিছু সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেয়া যায় না । যেমন প্রয়োগকৃত ইনজেকশনটির মেয়াদ ছিল না অথবা ব্যবস্থাপত্রে ভুল নির্দেশনা ছিল । এমনও হতে পারে যে ইনজেকশনটি প্রস্তুতের সময় বড় ধরনের কোন ত্রুটি ছিল । আমি আরও অবাক হয়ে যাই যখন দেখি যে কোন ফার্মাসিস্ট এ ব্যাপারে কোন কথা বলছে না ।
আমাদের দুর্ভাগ্য হল আমরা জাতীয় কোন ইস্যুতে এক হতে পারি না । ওষুধ প্রয়োগে শিশু মারা যাওয়ার কথা প্রায়ই শোনা যায় । কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আজও কার্যকর কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাই ।
আসলে আমরা কি অনুভূতিহীন হয়ে গেছি । না নিজের সন্তানটি এভাবে মারা গেলে সরব হব? আমি লজ্জিত ও দুঃখিত নবজাতকদের মা-বাবা'র কাছে এজন্য যে আমি আমরা কেউ এর দায়ভার এড়াতে পারি না ।
২|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:৩৮
আল রশিদ বলেছেন: আমাদের মধ্যে কতজন সচেতন আছে ? আমরা ওষুধের কারনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে কখনো অভিযোগ করি না । আর এ ব্যাপারে আইনি সুরক্ষা নিয়েও আমরা ভাবি না ।
৩|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ২:৫৮
রাজীব দে সরকার বলেছেন: শিশুর মৃত্যুতে আমি সমব্যাথী
এই অকাল মরণ মেনে নেওয়া যায় না
আমার কিছু প্রশ্ন ছিলোঃ
১। ডাক্তারের চিকিতসাপত্রটি যে ভুল ছিলো তা কি প্রমাণিত হয়েছে? ডাক্তার সাহেব কি একই রোগের চিকিতসা প্রতিদিনই করছেন না? প্রতিদিনই কি রোগী মারা যাচ্ছে? যেহেতু চিকিতসা ভুল হলে মাত্র এই ৪টি শিশু না, বরং আরো অনেক অনেক শিশু মারা যাবার কথা ছিলো, তাই অহেতুক ডাক্তারকে একা দোষারোপ করা মনে হয় ঠিক হচ্ছে না??
২। ঔষধ এর মেয়াদ আছে কি না এটা দেখে কি ডাক্তারের কাজ?
৩। যারা পোস্ট লিখে ব্লগ ভরিয়ে ফেলছেন আপনারা কি জানেন আদৌ তারা কি রোগে ভুগছিলো? কোন অবস্থায় তারা হাসপাতালে এসেছিলেন?
৪|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৩:২০
ফ্যাট পান্ডা বলেছেন: রাজীব দে সরকার বলেছেন: শিশুর মৃত্যুতে আমি সমব্যাথী
এই অকাল মরণ মেনে নেওয়া যায় না
আমার কিছু প্রশ্ন ছিলোঃ
১। ডাক্তারের চিকিতসাপত্রটি যে ভুল ছিলো তা কি প্রমাণিত হয়েছে? ডাক্তার সাহেব কি একই রোগের চিকিতসা প্রতিদিনই করছেন না? প্রতিদিনই কি রোগী মারা যাচ্ছে? যেহেতু চিকিতসা ভুল হলে মাত্র এই ৪টি শিশু না, বরং আরো অনেক অনেক শিশু মারা যাবার কথা ছিলো, তাই অহেতুক ডাক্তারকে একা দোষারোপ করা মনে হয় ঠিক হচ্ছে না??
২। ঔষধ এর মেয়াদ আছে কি না এটা দেখে কি ডাক্তারের কাজ?
৩। যারা পোস্ট লিখে ব্লগ ভরিয়ে ফেলছেন আপনারা কি জানেন আদৌ তারা কি রোগে ভুগছিলো? কোন অবস্থায় তারা হাসপাতালে এসেছিলেন?
৫|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ ভোর ৬:০২
শ্যামল জাহির বলেছেন: আসলে আমরা কি অনুভূতিহীন হয়ে গেছি । না নিজের সন্তানটি এভাবে মারা গেলে সরব হব? আমি লজ্জিত ও দুঃখিত নবজাতকদের মা-বাবা'র কাছে এজন্য যে আমি আমরা কেউ এর দায়ভার এড়াতে পারি না।
সত্যিকারার্থে সকল কুকর্ম দেখতে দেখতে একপ্রকার অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি আমরা!
যার যায় সেই বোঝে।
অবশ্যই তদন্ত করে দেখা উচিৎ বিষয়টা।
৬|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:৩৭
আমিনুর রহমান বলেছেন:
@রাজীব দে সরকার, আপনার প্রশ্নগুলো অবশ্যই যুক্তি সংগত। কিন্তু এই অস্থিরতাটা কিভাবে তৈরি হয়েছে তা আপনি বা আমরা সবাই জানি।
এটা একটা চক্রের মত। সরকারী হাসপাতালগুলো প্রতিনিয়ত এমনই ঘটছে। সারা দেশে সরকারী হাসপাতালগুলোতে প্রতিনিয়ত রোগীরা অবহেলার শিকার হচ্ছে। কখন ডাক্তাররা করছে, কখনবা নার্সদের দ্বারা অবহেলিত হচ্ছে। ডাক্তাররা নিয়মিত ডিউটি দিচ্ছেন না বা কখনরা তাদের কর্তব্য ঠিক মত পালন করছেন না। হয়ত পর্যাপ্ত ডাক্তার বা নার্সের অভাব আছে কিন্তু এই অভাবগুলো আরো বেশি প্রকট আকার ধারন করছে ডাক্তার/নার্সদের অবহেলার কারনে। আর এসব দেখেও না দেখার ভান করছে উচ্চপদস্থ লোক জন। আর তারাই বা এসব দেখবে কেন কেননা তারাতো সুবিধা ভোগ করছে চলছে। আসলো পুরো সিষ্টেমই সমস্যা।
৭|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:৩৯
বিডি আইডল বলেছেন: সব দেশ ওই শিশুগুলোর। দরিদ্র এই দেশে জন্ম নিয়েছে বলে।
৮|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:৪২
সেতু আমিন বলেছেন: আল রশিদ ভাই আপনার লেখার কয়েকটি শব্দ (দেবতা, ব্রাহ্মণ) এডিট করেন। না হলে হুদাই কেচাল সৃষ্টি করব।
৯|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:১২
রাজীব দে সরকার বলেছেন: ডাক্তারদের নিয়ে লেখা
১০|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৫
চাদের জোসনা বলেছেন: সব দোষ ওই শিশুর বাবা মা আর আমাদের মত গরীবদের ।
১১|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৯:৪৮
মেশকাত মাহমুদ বলেছেন: দয়া করে লিঙ্কটি পড়ুন।শুধু শুধু দোষ দিলেই তো হয়না।সবকিছুর সত্য মিথ্যা খুঁজতে হয়।click this link
১২|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:০৮
আল রশিদ বলেছেন: @মেশকাত মাহমুদ: আপনি যে লিংকটি দিয়েছেন টা পড়লাম। লেখাটি লেখক নিজের ভাষায় লিখেছেন । নিজেদের দোষ ডাকার জন্য কিছুটা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছেন । ওষুধের মেয়াদ দেখা নাকি ডাক্তারের কাজ না । তাহলে কাদের কাজ । আর যে শিশুগুলো এমনিতে কম ওজন নিয়ে জন্ম নিয়েছে তাদের বিশেষ যত্ন করতে হয় এটা কি তারা জানে না ।
১৩|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৩:৩২
রাজীব দে সরকার বলেছেন:
@আল রশিদ
আবারো বলছি ঔষধের মেয়াদ দেখা ডাক্তারের কাজ না
কার কাজ আপনি জেনে আসুন!! তবে এতোটুকু নিশ্চিত থাকুন,
পৃথিবীর কোন দেশেই এটা ডাক্তারের কাজ না
লিঙ্কটি যদি শাক দিয়ে মাছ ঢাকা হয়
তাহলে আর কি?! বিদেশ থেকে লোক ডেকে এনে তদন্ত করান!
বোকা আল রশিদ,
বিশেষ যত্ন মানে কিন্তু কোলে নিয়ে বসে থাকা না
আপনার জ্ঞানহীন মস্তিষ্ক এটা জানেনা যে এর জন্য NICU (Neonatal Intensive Care Unit) প্রয়োজন হয়
টাংগাইলের ঐ হাসপাতালে এরকম কোন ব্যবস্থা নাই (এই দোষও নিশ্চয়ই ডাক্তারের??)
আর যত্ন কতোটুকু নেওয়া হয়েছে তা তো আপনি আর স্বচক্ষে দেখেন নাই, তাই না? এমন কি হয়েছে যে খারাপ রোগী জেনেও ডাক্তার বাসায় গিয়ে বসে ছিলেন, কিংবা হাসপাতালে ছিলেন না?????
১৪|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:৫৮
আল রশিদ বলেছেন: @ রাজীব দে সরকার ঃ আপনি এতো ক্ষেপে যাচ্ছেন কেন? আপনি কি ডাক্তার? আপনার সংযমী হওয়া দরকার । এভাবে কথা বলছেন কেন? উত্তেজিত হওয়ার কারণ নাই । অন্যের ব্যাকগ্রাউন্ড না জেনে মন্তব্য করা উচিত নয় ।
১৫|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:২১
টুম্পা মনি বলেছেন: আসলেই ডাক্তাররা পাপী। আপনার জ্ঞানগর্ভ পোষ্ট পড়ে আমার অনেক জ্ঞান হল।
কি জ্ঞানীর মত কথা!
গত শুক্রবারে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে চারজন শিশু অকালে মারা গেছে কিন্তু আমি বলতে চাই যে তাদের মেরে ফেলা হয়েছে । আমাদের দেশে ভুল চিকিৎসায় কেউ মারা গেলে ডাক্তারদের কখনও জেলে যেতে হয় না । তারা ব্রাহ্মণের জাত । তাদের ধরা যাবে না । তারা দেবতার মত । তাদের দোষ নাই । এমন কথা বলে আপনি আবার রাজিব দে ভাইকে সংযত হতে বলছেন! আসলেই সেলুকাসের বিচিত্র সব কিছু!
তারপর আপনার পোষ্ট পড়ে আমার আরো জ্ঞান হাসিল হইল ইঞ্জেকশনের মেয়াদ আছে কিনা পরীক্ষা করা ডাক্তারদের কাজ! ব্লগের মত জায়গায় পোষ্ট দেয়ার আগে আমি মনে করি ন্যূনতম জেনে হলেও পোষ্ট দেয়া উচিত। এত জায়গায় ফালতু কথা বলেও আমরা গলাবাজী করি! কি অদ্ভুত! আসলে আপনাকে কি বলব! আপনাদের মত জ্ঞানী সব খানেই আছে। ভালো হয় অসুখ হলে আমরা সবাই ভারতে যাবো। ভারত মাতাজী কি জয় হো!
এই দেশের অনেক ডাক্তাররা বিদেশে চলে যান। যেই সব দেশে আল্লাহর রহমতে তাদের কষাই উপাধী পেতে হয় না। আমি অন্তত তাদের স্বাগত জানাই। যেই যে দেশে এমন জ্ঞানী লোক বিদ্যমান সেই দেশে আসলে ডাক্তারী করার মত যোগ্যতা তাদের নেই। ধন্যবাদ। মাফ করে দিয়েন। মাফ চাই। আমারে আবার বকা দিয়েন না। আমি আপনার মত জ্ঞানী না। প্রভুর কাছে দোয়া করি এমন জ্ঞানী যেন জীবনে না বানান। আমি মূর্খ থাকতে চাই। আর আমি কষাই না। আমি আমার জীবনে একটা মাছিও মারি নাই।
১৬|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:৪৮
টুম্পা মনি বলেছেন: আসলে আমরা কি অনুভূতিহীন হয়ে গেছি । না নিজের সন্তানটি এভাবে মারা গেলে সরব হব? আমি লজ্জিত ও দুঃখিত নবজাতকদের মা-বাবা'র কাছে এজন্য যে আমি আমরা কেউ এর দায়ভার এড়াতে পারি না ।
আসলেই আমাদের অনেক অনুভূতি! আমাদের এত অনুভূতি যে একজন ডাক্তার একসাথে ১০০টা রোগী কিভাবে সামলাবেন আমরা তা নিয়ে ভাবি না। ডাক্তারেরও যে শরীর আছে, সেও ক্লান্ত হতে পারে তাই নিয়ে কোন দিন ভাবি না! আমরা ভাবি ডাক্তার আমার নিজের রোগীর হাত ধইরা বইসা আছে কিনা তা নিয়ে। একজন ডাক্তারের অমানুসিক পরিশ্রম নিয়ে আমরা ভাবি না। একজন ডাক্তারের ঈদের দিনেও ঈদ বিসর্জন নিয়ে আমরা কখনো ভাবি না। আমাদের আসলেই অনেক অনুভূতি! আরও যদি এই অনুভুতিগুলার কথা বলা হয় তাইলে জানি অনুভুতি প্রবণেরা কইবেন ডাক্তাররা জাইনা বুইঝাই এই পেশায় আসছে! আসলেই আমাদের অন্নেক অনুভূতি !
ডাক্তার যে ভিজিট নেয় তাতেও পাপ! আরে ডাক্তারদের তো ঘরের বঊ বাচ্চা মা বাপ দেখা শুনা করা লাগে না। তাদের খেয়ে দেয়ে বাঁচা লাগে না। আসমান থেকে তাদের জন্য খাবার নাজিল হয়! আমরা আসলেই অনেক অনুভূতিশীল!
আমরা এত অনুভুতি শীল যখন কোন মানুষের গায়ে কোন ফোঁড়া পেকে পুজ বের হয় আমরা দৌড়ায় পালাই। ঘেন্নায় ছি ছি করি। কিন্তু ডাক্তাররা পালায় না। তারা ঐ ফোঁড়ায় হাত দিয়ে পুঁজ পরিষ্কার করে তাকে সুস্থ করে তোলে। আমরা কোন মানুষের বমি দেখলে, বিষ্ঠা দেখলে নিজেরাই বমি কইরা দেই। কিন্তু ডাক্তারদের সেই অবস্থা থেকে মানুষের পেটের ভিতর হাত দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়! ডাক্তারদের মানুষের পায়ুপথের হাত দিয়ে পর্যন্ত বিভিন্ন পরীক্ষা করতে হয়। করে তাদের সুস্থ করতে হয়। যক্ষার মত রোগী দেখলে যখন মানুষ পালায় তখন তাদের কাছে গিয়ে তাদের পরীক্ষা করে সুস্থ করতে হয়। অনেক সময় জানেন ডাক্তাররাই এসব সেবা করতে গিয়ে অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত হয়! মরে যায় পর্যন্ত! কিন্তু সেই খবর কেউ রাখে না। রাখার আসলে দরকার নাই। ওরা সব কষাই জাত! ওরা মরলে কি আর বাঁচলে কি! তাই আসুন ওদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলি। স্লোগান দেই ''একটা করে ডাক্তার ধর, কষাইখানাই জববু কর।''
আমারে কিছু কইয়েন না কিন্তু। আমি নরমাল লেখিকা। আমি এসব ভয় পাই।
১৭|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:২৪
রুবন্স বলেছেন: @টুম্পা মনি
আমরা অনুভূতিশিল মানুস বোলে আমরা হাসি, দুঃখ পাই, ভয় পাই । একজন ডাক্তার জেমোন কষাই না টেমনি রোগি কে গিনিপিক ভাবা টিক না ।
১৮|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৫
প্যাপিলন বলেছেন: সব দায় সাংবাদিকদের........ শ্লারা রিপোর্ট না করলে তো কেউ জানতইনা
১৯|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৪
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: @ রাজীব দে সরকার
আপনি অযথা উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন কেন? লেখক পোস্টে অনেক কেই দায় দেয়া যায় তা স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন। হয়ত আপনি পুরো পোস্ট না পরে "ডাক্তার" আর "দোষ" এই শব্দগুলো দেখে উত্তেজনা প্রশমন করতে পারছেননা।
এক্সপায়েরী ডেট চেক করা ডাক্তারের দায়িত্ব নয়। অবশ্যই ডাক্তারের দায়িত্ব নয়। এ দায়িত্ব নার্স এবং ফার্মাসিস্টের। এ দায়িত্ব হাসপাতালের ঔষধ পারচেজিং এ যে বা যারা আছে তাদের থেকে শুরু হবে, তারপর ইনভেন্টরির দায়িত্বে যে বা যারা এভাবে শেষে এসে রোগীকে ঔষধ দেয়ার ক্ষেত্রে নার্সের দায়িত্ব ফাইনালি চেক করে নেয়া।
কিন্তু, ডাক্তাররা এমন অনেক কাজই তো করছেন যেগুলো আপনাদের কাজ না! সেগুলো করতে পারছেন ঠিকই। আপনি নিজেই বলছেন টাঙাইল হাসপাতালে নিউনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট নেই, তো! ডাক্তার কি কেয়ারিং হতে পারেননা? তা কেন হবেন তারাতারি "মরাধরা" এইসব দেখে ডাক্তারদের চেম্বারে বসতে হবে, ঔষধ কোম্পানী থেকে মোবাইলে ফ্লেক্সি লোডের টাকা নিতে হবে, ঐ কোম্পানী বাসার জন্য টয়লেট টিস্যু দেবে বলে দেয়নি ওর ঔষধ লিখবোনা এ নিয়ে চিন্তা করতে হবে। কোথায় আপনাদের রোগীর বিষয়ে কেয়ারিং হবার সময়!!!
লেখক যেখানে স্পষ্টভাবে পোস্টে লিখে দিলেন "রিপোর্ট জমা না পরায় স্পষ্টভাবে বলা যায়না কার দোষ" সেখানে আপনি কেন "বোকা" "জ্ঞানহীন" বলে যাচ্ছেন একজন লোককে। হু দ্য াক ইউ থিংক ইউ আর? ডোন্ট বি এ স্টুপিড এন্ড ডোন্ড ট্রাই টু প্রিটেন্ড দ্যাট পিজিশিয়ানস ডু নো ফল্ট, নেভার।।
২০|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৬
সাইবার অভিযত্রী বলেছেন: ডাক্টার ডাকাত।
২১|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:২১
আল রশিদ বলেছেন: @টুম্পা মনিঃ আপনার লেখা দেখে মনে হল সবার প্রথমেই আপনাকে বাংলাদেশের বা ঊপমহাদেশের বাইরে উন্নত কোন একটা দেশ থেকে ডাক্তারদের করনীয় সম্পর্কিত একটা প্রশিক্ষণ নেওয়া দরকার । দ্বিতীয়ত আপনার মায়াকান্না আমাকে বিস্মিত করেছে । আপনি যেখানে মূর্খ এবং আপনার কথায় স্পষ্ট আপনি একজন ডাক্তার কিভাবে মূর্খরা ডাক্তার হয়??????????? আপনি এত ভিতু কেন? সাহাস থাকলে সত্যকে মোকাবেলা করতে শিখুন । আমি দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী না । এত অভিযোগ করলেও আমি আপনার জন্য কিছুই করতে পারব না । আপনার জন্য কি আর বলব । আপনি যে উদাহরণ দিয়েছেন এগুলো ডাক্তারদের কাজ । তাই ন্যাকামি না করাই ভালো ।
২২|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৪১
রাজীব দে সরকার বলেছেন:
@জীবনানন্দদাশের ছায়া
চোরের সাক্ষী চোর আসছে মনে হইলো আপনার লেখা পড়ে
হাসতে হাসতে মরে যাচ্ছিলাম!
নিওন্যাটাল আইসিইউ নাই
ডাক্তার কেয়ারিং হইলেই সে আইসিইউ এর কাজ করতে পারবে!!!!!
হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ
একটু দম নিয়া নেই দাঁড়ান
তোমার পোস্ট পড়া তোমারেই স্টুপিড মনে হইছে!!
উত্তেজক কিছু ছিলো নাকি আমার লেখায়? হেঃ হেঃ হেঃ
২৩|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৪৯
রাজীব দে সরকার বলেছেন:
@আল-রশিদ
কি তোমার ব্যাক-গ্রাউন্ড বলো ভাই!!!
ব্লগের উপরে ব্যানারে তোমারে ব্যাকগ্রাউন্ড বড় কইরা লেইখ্যা রাইখো!
তুমি তো মে বী ডাক্তার থেকেও অনেক অনেক মেধাবী!!!!!
খালি ডাক্তার না, এই যা!!!
আমাকে উপদেশ দেয়া লাগবে না, নিজের কাছে রাখো
কাজে দিবো
আমার কমেন্টের উত্তর দেবার মুরদ নাই
আজাইরা কথা বলো কেন?
হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ
টুমপা মনির পোস্টের জবাব না দিতে পেরে কান্নাকাটি শুরু করে দিছো!!
তুমি যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী না - এইটা কি আমরা জানিনা
তুমি অন্যকে মূর্খ বলো কোন হিসাবে?
তোমার মতো আবালই তো সামু তে দুর্লভ!!!
আবার বলো, আমি উত্তেজিতে হয়ে পড়েছি?!!!
তুমি বললে - নো দোষ, আমি বললে উত্তেজিত!!!!
পুরাই মাননীয় স্পীকার হইয়া গেলাম!!
২৪|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৫১
আল রশিদ বলেছেন: @টুম্পা মনি ও রাজীব দে সরকারঃ আপনারা দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি জানেন । আর কেউ কিচ্ছু জানে না । বড়ই অবাক হলাম। আপনি যেমন আপনার পেশায় ভাল জানেন তেমনি আমারাও আমাদেরটা ভাল বুঝি। আজাইরা ভাব দেখানোর কোন দরকার নাই । আমরা জানি ডাক্তারা ওষুধ কোম্পানি থেকে সবধরনের সুবিধা নিয়ে কিভাবে আমাদের সাথে নোংরা খেলা খেলছে। মাসে মাসে লাখ লাখ টাকা নিয়েও আপনাদের মন ভরে না । বিদেশ ভ্রমণ, নগদ টাকা, উপহার সামগ্রী, ভোগবিলাস আর কত !!! জনগণের টাকা দিয়ে পড়ালেখা করে চলে যান দেশের বাইরে। কত হিপোক্রেসি দেখাবেন? এখন একটা বিষয় যা নিজের ঘাড়ে এসে পড়ায় যা ইচ্ছা তাই বলবেন? কি মনে করেন নিজেকে আপনারা? অন্যকে বোকা বলার আগে আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন। কতটা বোকা হলে আপনারা এত নিচে নামতে পারেন। হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
২৫|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৫৮
আল রশিদ বলেছেন: @রাজীব দে সরকারঃ আপনার মত পাতি ডাক্তার আছে বলেই আজও আমাদের দেশের স্বাস্থ্য খাতের এমন বেহাল দশা । আপনার এদেশে ভাগ্য খুবই উজ্জল। একবারে ফক ফকা । আমি এখানে কারো সাথে কম্পিটিশন করতে আসি নাই যে মুরোদ দেখাতে হবে । বড়ই মজা পাইলাম। অনেক বিনুদন হইল ।
২৬|
০৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:০৮
টুম্পা মনি বলেছেন: @মহামান্য আল রশিদ- আমি নিজেকে মূর্খ বলেই আপনার সাথে কথা বলতে এসেছি। জ্ঞান জাহির করতে আসি নি। আর একটা কথা জানেন কি -যখন যুক্তি থাকে না তখন ব্যক্তি আক্রমণই একমাত্র পন্থা।
আপনার সাথে আলোচনায় এতটুকু বুঝতে পারলাম যুক্তিতে আপনি আমাকে হারাতে পারবেন না, আর ব্যক্তি আক্রমন ও অযৌক্তিক- অশোভন ভাষায় কথা বলায় আমি আপনাকে হারাতে পারবো না। ভালো থাকেন। ধন্যবাদ।
২৭|
০৯ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৮:৫১
আল রশিদ বলেছেন: @টুম্পা মনিঃ "ব্যক্তি আক্রমন ও অযৌক্তিক- অশোভন ভাষা"
দেখুন আপনি আর মহান রাজীব দে সরকার উক্ত ভাষাগুলো শুরু করেছিলেন । তাই পাল্টা জবাব হিসেবে আমাকে কিছু উত্তর দিতে হয়েছে । যাই হোক আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক এই কামনায় । ভাল থাকুন । ব্লগ পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:৩১
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: দায় অনেককেই দেয়া যায়। কিন্তু প্রকৃত দায়ী কে তা খুঁজে বের করা কঠিন হবে। যদিও অন্য দেশ হলে সহজ হত।
ডাক্তার-নার্স-ঔষধ কোম্পানী এই তিনের বাইরে আর কাউকে দায় দেয়া যায়না।